📄 আট ও নয়, বংশাবলি ১ম ও ২য়
অভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের কারণে বোঝা যায় দুটি পুস্তক প্রকৃতপক্ষে একটি পুস্তকই ছিল। গ্রিক বাইবেলের অনুবাদকগণ এটিকে দুই ভাগে ভাগ করেন। পরবর্তীতে এই বিভাজনটি সর্বজন সমাদৃত হয়। পুস্তক দুটিকে শমুয়েল এর পুস্তকদ্বয় এর সম্পূরক বলা চলে। এর আলোচ্য বিষয়কে আমরা চার ভাগে ভাগ করতে পারি।
এক. আদম ও তার বংশধর।
দুই. সৌলের মৃত্যু এবং দাউদ এর রাজত্ব।
তিন. সুলাইমান এর শাসনকাল।
চার. সুলাইমানের মৃত্যুর পর সাম্রাজ্যের ভাঙন।
সম্ভাব্য খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে এই পুস্তক রচনা করা হয়। এটি রচনা করতে গিয়ে আদিপুস্তক থেকে নিয়ে রাজাবলি পর্যন্ত পুস্তকগুলোর সহায়তা নেওয়া হয়েছিল। আমি জানি না কোন উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই পুস্তক রচনা করা হয়েছে। কেননা, ইহুদিদের ইতিহাসের নতুন কোনো আলোচনাই এতে স্থান পায়নি। আমার এও বুঝে আসে না যে, কীসের ভিত্তিতে এটিকে তারা পবিত্র গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করে? এ পুস্তককে সর্বোচ্চ বিভিন্ন জাতির ইতিহাস হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।
অভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের কারণে বোঝা যায় দুটি পুস্তক প্রকৃতপক্ষে একটি পুস্তকই ছিল। গ্রিক বাইবেলের অনুবাদকগণ এটিকে দুই ভাগে ভাগ করেন। পরবর্তীতে এই বিভাজনটি সর্বজন সমাদৃত হয়। পুস্তক দুটিকে শমুয়েল এর পুস্তকদ্বয় এর সম্পূরক বলা চলে। এর আলোচ্য বিষয়কে আমরা চার ভাগে ভাগ করতে পারি।
এক. আদম ও তার বংশধর।
দুই. সৌলের মৃত্যু এবং দাউদ এর রাজত্ব।
তিন. সুলাইমান এর শাসনকাল।
চার. সুলাইমানের মৃত্যুর পর সাম্রাজ্যের ভাঙন।
সম্ভাব্য খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে এই পুস্তক রচনা করা হয়। এটি রচনা করতে গিয়ে আদিপুস্তক থেকে নিয়ে রাজাবলি পর্যন্ত পুস্তকগুলোর সহায়তা নেওয়া হয়েছিল। আমি জানি না কোন উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই পুস্তক রচনা করা হয়েছে। কেননা, ইহুদিদের ইতিহাসের নতুন কোনো আলোচনাই এতে স্থান পায়নি। আমার এও বুঝে আসে না যে, কীসের ভিত্তিতে এটিকে তারা পবিত্র গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করে? এ পুস্তককে সর্বোচ্চ বিভিন্ন জাতির ইতিহাস হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।
অভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের কারণে বোঝা যায় দুটি পুস্তক প্রকৃতপক্ষে একটি পুস্তকই ছিল। গ্রিক বাইবেলের অনুবাদকগণ এটিকে দুই ভাগে ভাগ করেন। পরবর্তীতে এই বিভাজনটি সর্বজন সমাদৃত হয়। পুস্তক দুটিকে শমুয়েল এর পুস্তকদ্বয় এর সম্পূরক বলা চলে। এর আলোচ্য বিষয়কে আমরা চার ভাগে ভাগ করতে পারি।
এক. আদম ও তার বংশধর।
দুই. সৌলের মৃত্যু এবং দাউদ এর রাজত্ব।
তিন. সুলাইমান এর শাসনকাল।
চার. সুলাইমানের মৃত্যুর পর সাম্রাজ্যের ভাঙন।
সম্ভাব্য খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে এই পুস্তক রচনা করা হয়। এটি রচনা করতে গিয়ে আদিপুস্তক থেকে নিয়ে রাজাবলি পর্যন্ত পুস্তকগুলোর সহায়তা নেওয়া হয়েছিল। আমি জানি না কোন উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই পুস্তক রচনা করা হয়েছে। কেননা, ইহুদিদের ইতিহাসের নতুন কোনো আলোচনাই এতে স্থান পায়নি। আমার এও বুঝে আসে না যে, কীসের ভিত্তিতে এটিকে তারা পবিত্র গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করে? এ পুস্তককে সর্বোচ্চ বিভিন্ন জাতির ইতিহাস হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।
📄 দশ ও এগারো, ইষ্রা ও নহমিয়
ইষ্রা ইবরানি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে সাহায্য। ইষ্রা ছিলেন পারস্য সম্রাটের প্রধান পুরোহিত। ব্যাবিলনীয় বন্দিদশার সময়ে তিনি ইহুদিদের ব্যাপারে সম্রাটের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ইহুদিদের বিষয়ে তিনি সম্রাটকে আশ্বস্ত করতে সক্ষম হন। সম্রাট তাদেরকে ক্ষমা করে দেন এবং জেরুজালেমে ফিরে যাওয়া এবং ফিলিস্তিনে তাদের নিজস্ব শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার অনুমতি দেন। এটি ছিল ৪৫৮-৩৯৮ খ্রিষ্টপূর্ব সময় কালের ঘটনা। জেরুজালেম পৌঁছে ইষ্রা বুখতে নসর কর্তৃক ধ্বংস হয়ে যাওয়া হাইকল পুনর্নির্মাণ-কাজে হাত দেন। পাশাপাশি লেবীয়দের সহযোগিতায় মুসা আলাইহিস সালাম ৫ পুস্তক নতুনভাবে রচনা এবং লোকজনকে এগুলো শিক্ষা দেওয়ার কাজ শুরু করেন। ইহুদিরা তার সমস্ত সংস্কার কার্যক্রম এবং তার সংকলিত তাওরাত সাদরে গ্রহণ করে। কেননা ইষ্রা ছিলেন ইহুদিদের কল্যাণকামী ও একনিষ্ঠ ব্যক্তি। এর ফলে তিনি যা ইচ্ছা তাই বলে মুসা আলাইহিস সালামের দিকে সম্বন্ধ করতেন। কারণ, তার এই নিষ্ঠা ও কল্যাণকামিতার দ্বারা তিনি ইহুদিদের মাঝে বিশেষ স্থান করে নিতে সক্ষম হন। ইহুদিরাও তার কথা বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নেয়। এমনকি অনেকে তাকে ঈশ্বর পুত্র হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করে। এদিকে ইঙ্গিত করে কুরআনে বলা হয়েছে,
وَقَالَتِ الْيَهُودُ عُزَيْرُ ابْنُ اللهِ.
আর ইহুদিরা বলে, উজায়ের আল্লাহর পুত্র। [সুরা তওবা, আয়াত: ৩০]
নহমিয় হলেন গরবুক এর পুত্র। তিনি ব্যাবিলন থেকে ইহুদিদের সাথে আগমন করেন। ইষ্রার সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি সহযোগীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তার মহান কর্মযজ্ঞের দিকে তাকিয়ে পুস্তকটি এই নামে নামকরণ করা হয়। মূলত ইষ্রা ও নহমিয় পুস্তকদ্বয় বংশাবলি পুস্তকদ্বয়ের অংশবিশেষ ছিল। পরবর্তী সময় এটিকে স্বতন্ত্র পুস্তক হিসেবে রূপদান করা হয়। হিব্রু বাইবেলে অদ্যাবধি ইষ্রা ও নহমিয়কে একটি পুস্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ইষ্রা ইবরানি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে সাহায্য। ইষ্রা ছিলেন পারস্য সম্রাটের প্রধান পুরোহিত। ব্যাবিলনীয় বন্দিদশার সময়ে তিনি ইহুদিদের ব্যাপারে সম্রাটের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ইহুদিদের বিষয়ে তিনি সম্রাটকে আশ্বস্ত করতে সক্ষম হন। সম্রাট তাদেরকে ক্ষমা করে দেন এবং জেরুজালেমে ফিরে যাওয়া এবং ফিলিস্তিনে তাদের নিজস্ব শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার অনুমতি দেন। এটি ছিল ৪৫৮-৩৯৮ খ্রিষ্টপূর্ব সময় কালের ঘটনা। জেরুজালেম পৌঁছে ইষ্রা বুখতে নসর কর্তৃক ধ্বংস হয়ে যাওয়া হাইকল পুনর্নির্মাণ-কাজে হাত দেন। পাশাপাশি লেবীয়দের সহযোগিতায় মুসা আলাইহিস সালাম ৫ পুস্তক নতুনভাবে রচনা এবং লোকজনকে এগুলো শিক্ষা দেওয়ার কাজ শুরু করেন। ইহুদিরা তার সমস্ত সংস্কার কার্যক্রম এবং তার সংকলিত তাওরাত সাদরে গ্রহণ করে। কেননা ইষ্রা ছিলেন ইহুদিদের কল্যাণকামী ও একনিষ্ঠ ব্যক্তি। এর ফলে তিনি যা ইচ্ছা তাই বলে মুসা আলাইহিস সালামের দিকে সম্বন্ধ করতেন। কারণ, তার এই নিষ্ঠা ও কল্যাণকামিতার দ্বারা তিনি ইহুদিদের মাঝে বিশেষ স্থান করে নিতে সক্ষম হন। ইহুদিরাও তার কথা বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নেয়। এমনকি অনেকে তাকে ঈশ্বর পুত্র হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করে। এদিকে ইঙ্গিত করে কুরআনে বলা হয়েছে,
وَقَالَتِ الْيَهُودُ عُزَيْرُ ابْنُ اللهِ.
আর ইহুদিরা বলে, উজায়ের আল্লাহর পুত্র। [সুরা তওবা, আয়াত: ৩০]
নহমিয় হলেন গরবুক এর পুত্র। তিনি ব্যাবিলন থেকে ইহুদিদের সাথে আগমন করেন। ইষ্রার সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি সহযোগীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তার মহান কর্মযজ্ঞের দিকে তাকিয়ে পুস্তকটি এই নামে নামকরণ করা হয়। মূলত ইষ্রা ও নহমিয় পুস্তকদ্বয় বংশাবলি পুস্তকদ্বয়ের অংশবিশেষ ছিল। পরবর্তী সময় এটিকে স্বতন্ত্র পুস্তক হিসেবে রূপদান করা হয়। হিব্রু বাইবেলে অদ্যাবধি ইষ্রা ও নহমিয়কে একটি পুস্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ইয়া ইবরানি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে সাহায্য। ইয়া ছিলেন পারস্য সম্রাটের প্রধান পুরোহিত। ব্যাবিলনীয় বন্দিদশার সময়ে তিনি ইহুদিদের ব্যাপারে সম্রাটের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ইহুদিদের বিষয়ে তিনি সম্রাটকে আশ্বস্ত করতে সক্ষম হন। সম্রাট তাদেরকে ক্ষমা করে দেন এবং জেরুজালেমে ফিরে যাওয়া এবং ফিলিস্তিনে তাদের নিজস্ব শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার অনুমতি দেন। এটি ছিল ৪৫৮-৩৯৮ খ্রিষ্টপূর্ব সময় কালের ঘটনা। জেরুজালেম পৌঁছে ইয়া বুখতে নসর কর্তৃক ধ্বংস হয়ে যাওয়া হাইকল পুনর্নির্মাণ-কাজে হাত দেন। পাশাপাশি লেবীয়দের সহযোগিতায় মুসা আলাইহিস সালাম ৫ পুস্তক নতুনভাবে রচনা এবং লোকজনকে এগুলো শিক্ষা দেওয়ার কাজ শুরু করেন। ইহুদিরা তার সমস্ত সংস্কার কার্যক্রম এবং তার সংকলিত তাওরাত সাদরে গ্রহণ করে। কেননা ইয়া ছিলেন ইহুদিদের কল্যাণকামী ও একনিষ্ঠ ব্যক্তি। এর ফলে তিনি যা ইচ্ছা তাই বলে মুসা আলাইহিস সালামের দিকে সম্বন্ধ করতেন। কারণ, তার এই নিষ্ঠা ও কল্যাণকামিতার দ্বারা তিনি ইহুদিদের মাঝে বিশেষ স্থান করে নিতে সক্ষম হন। ইহুদিরাও তার কথা বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নেয়। এমনকি অনেকে তাকে ঈশ্বর পুত্র হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করে। এদিকে ইঙ্গিত করে কুরআনে বলা হয়েছে,
وَقَالَتِ الْيَهُودُ عُزَيْرُ ابْنُ اللهِ.
আর ইহুদিরা বলে, উজায়ের আল্লাহর পুত্র। [সুরা তওবা, আয়াত: ৩০]
নহমিয় হলেন গরবুক এর পুত্র। তিনি ব্যাবিলন থেকে ইহুদিদের সাথে আগমন করেন। ইয়ার সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি সহযোগীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তার মহান কর্মযজ্ঞের দিকে তাকিয়ে পুস্তকটি এই নামে নামকরণ করা হয়। মূলত ইয়া ও নহমিয় পুস্তকদ্বয় বংশাবলি পুস্তকদ্বয়ের অংশবিশেষ ছিল। পরবর্তী সময় এটিকে স্বতন্ত্র পুস্তক হিসেবে রূপদান করা হয়। হিব্রু বাইবেলে অদ্যাবধি ইয়া ও নহমিয়কে একটি পুস্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
📄 বারো, ইষ্টের
ইষ্টের একজন ইহুদি রমণীর নাম। তার ঘটনার আলোচনা আছে বলে পুস্তকটিকে এ নামে নামকরণ করা হয়। পারস্য সম্রাট ইষ্টেরকে দেখে মুগ্ধ হন এবং নিজ স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। ইষ্টের সম্রাট ও তার চাচাতো ভাই মর্দখয় এর মাঝে সুসম্পর্ক স্থাপন করে দিতে সক্ষম হন। ইতিপূর্বে একজন প্রভাবশালী উজির হামানের সাথে মর্দখয় এর ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ফলে হামান ইহুদিদেরকে সমূলে বিনাশ করার ষড়যন্ত্র শুরু করে। এমনকি মার্চের ১৩ তারিখে ইহুদিদের সমূলে ধ্বংস করার জন্য একটি রাজকীয় ফরমান জারি করতে সক্ষম হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ইহুদিদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইষ্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চাচাতো ভাই মর্দখয়কে নিয়ে হামানের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করতে থাকে। তারা সম্রাটকে এ কথা বোঝাতে সক্ষম হয় যে, হামান সম্রাটকে হত্যা করে নিজে সিংহাসনে বসার পরিকল্পনা করছে। তাদের পরিকল্পনা সফল হয় এবং সম্রাট হামানকে তার অনুসারীবৃন্দসহ হত্যা করার নির্দেশ দেন। কাকতালীয়ভাবে ইহুদিদের হত্যার জন্য নির্ধারিত দিনেই হামান ও তার সহযোগীদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত পারসিকদের সংখ্যা ছিল সত্তর হাজার। এজন্যই মার্চের ১৪ তারিখকে অদ্যাবধি ইহুদিরা উৎসব হিসেবে পালন করে।
গবেষকগণ মনে করেন, এটি একটি বানোয়াট রূপকথা। এর ঐতিহাসিক কোনো ভিত্তি নেই। এই ঘটনা ইহুদি নারীদেরকে অ-ইহুদিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পদ্ধতি বাতলে দেয় এবং একজন ইহুদি নারী সৌন্দর্য দ্বারা নিজ জাতির সেবার পদ্ধতি শিক্ষা দেয়। পুস্তকটিকে আরবিসহ বিভিন্ন অনুবাদে ঐতিহাসিক পুস্তকের সর্বশেষ পুস্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু হিব্রু বাইবেলে এটিকে কেতুবেম তথা পবিত্র সহিফাসমূহের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা স্বয়ং ইহুদি গবেষকদের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ। মিল্টন সারডিস এবং জর্জির নাজইয়াঞ্জ প্রমুখ এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা মেনে নেননি। আবার কেউ কেউ এটিকে অগ্রহণযোগ্য পুস্তকগুলোর একটি মনে করেন।¹⁶⁵
পুস্তিকাটি কোন যুগে লেখা হয়েছে তা নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে। তুলনামূলক বিশুদ্ধ মত হলো ৩৩২ খ্রিষ্টপূর্বে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট এর বিজয়ের পর গ্রিক শাসন আমলে এটি রচিত হয়েছে। নতুন নিয়মে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই পাওয়া যায় না।
টিকাঃ
১৬৫. কামুসুল কিতাবিল মুকাদ্দাস, পৃষ্ঠা: ৬৪।
ইষ্টের একজন ইহুদি রমণীর নাম। তার ঘটনার আলোচনা আছে বলে পুস্তকটিকে এ নামে নামকরণ করা হয়। পারস্য সম্রাট ইষ্টেরকে দেখে মুগ্ধ হন এবং নিজ স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। ইষ্টের সম্রাট ও তার চাচাতো ভাই মর্দখয় এর মাঝে সুসম্পর্ক স্থাপন করে দিতে সক্ষম হন। ইতিপূর্বে একজন প্রভাবশালী উজির হামানের সাথে মর্দখয় এর ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ফলে হামান ইহুদিদেরকে সমূলে বিনাশ করার ষড়যন্ত্র শুরু করে। এমনকি মার্চের ১৩ তারিখে ইহুদিদের সমূলে ধ্বংস করার জন্য একটি রাজকীয় ফরমান জারি করতে সক্ষম হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ইহুদিদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইষ্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চাচাতো ভাই মর্দখয়কে নিয়ে হামানের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করতে থাকে। তারা সম্রাটকে এ কথা বোঝাতে সক্ষম হয় যে, হামান সম্রাটকে হত্যা করে নিজে সিংহাসনে বসার পরিকল্পনা করছে। তাদের পরিকল্পনা সফল হয় এবং সম্রাট হামানকে তার অনুসারীবৃন্দসহ হত্যা করার নির্দেশ দেন। কাকতালীয়ভাবে ইহুদিদের হত্যার জন্য নির্ধারিত দিনেই হামান ও তার সহযোগীদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত পারসিকদের সংখ্যা ছিল সত্তর হাজার। এজন্যই মার্চের ১৪ তারিখকে অদ্যাবধি ইহুদিরা উৎসব হিসেবে পালন করে।
গবেষকগণ মনে করেন, এটি একটি বানোয়াট রূপকথা। এর ঐতিহাসিক কোনো ভিত্তি নেই। এই ঘটনা ইহুদি নারীদেরকে অ-ইহুদিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পদ্ধতি বাতলে দেয় এবং একজন ইহুদি নারী সৌন্দর্য দ্বারা নিজ জাতির সেবার পদ্ধতি শিক্ষা দেয়। পুস্তকটিকে আরবিসহ বিভিন্ন অনুবাদে ঐতিহাসিক পুস্তকের সর্বশেষ পুস্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু হিব্রু বাইবেলে এটিকে কেতুবেম তথা পবিত্র সহিফাসমূহের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা স্বয়ং ইহুদি গবেষকদের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ। মিল্টন সারডিস এবং জর্জির নাজইয়াঞ্জ প্রমুখ এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা মেনে নেননি। আবার কেউ কেউ এটিকে অগ্রহণযোগ্য পুস্তকগুলোর একটি মনে করেন।¹⁶⁵
পুস্তিকাটি কোন যুগে লেখা হয়েছে তা নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে। তুলনামূলক বিশুদ্ধ মত হলো ৩৩২ খ্রিষ্টপূর্বে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট এর বিজয়ের পর গ্রিক শাসন আমলে এটি রচিত হয়েছে। নতুন নিয়মে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই পাওয়া যায় না।
টিকাঃ
১৬৫. কামুসুল কিতাবিল মুকাদ্দাস, পৃষ্ঠা: ৬৪।
ইষ্টের একজন ইহুদি রমণীর নাম। তার ঘটনার আলোচনা আছে বলে পুস্তকটিকে এ নামে নামকরণ করা হয়। পারস্য সম্রাট ইষ্টেরকে দেখে মুগ্ধ হন এবং নিজ স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। ইষ্টের সম্রাট ও তার চাচাতো ভাই মর্দখয় এর মাঝে সুসম্পর্ক স্থাপন করে দিতে সক্ষম হন। ইতিপূর্বে একজন প্রভাবশালী উজির হামানের সাথে মর্দখয় এর ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ফলে হামান ইহুদিদেরকে সমূলে বিনাশ করার ষড়যন্ত্র শুরু করে। এমনকি মার্চের ১৩ তারিখে ইহুদিদের সমূলে ধ্বংস করার জন্য একটি রাজকীয় ফরমান জারি করতে সক্ষম হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ইহুদিদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইষ্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চাচাতো ভাই মর্দখয়কে নিয়ে হামানের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করতে থাকে। তারা সম্রাটকে এ কথা বোঝাতে সক্ষম হয় যে, হামান সম্রাটকে হত্যা করে নিজে সিংহাসনে বসার পরিকল্পনা করছে। তাদের পরিকল্পনা সফল হয় এবং সম্রাট হামানকে তার অনুসারীবৃন্দসহ হত্যা করার নির্দেশ দেন। কাকতালীয়ভাবে ইহুদিদের হত্যার জন্য নির্ধারিত দিনেই হামান ও তার সহযোগীদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত পারসিকদের সংখ্যা ছিল সত্তর হাজার। এজন্যই মার্চের ১৪ তারিখকে অদ্যাবধি ইহুদিরা উৎসব হিসেবে পালন করে।
গবেষকগণ মনে করেন, এটি একটি বানোয়াট রূপকথা। এর ঐতিহাসিক কোনো ভিত্তি নেই। এই ঘটনা ইহুদি নারীদেরকে অ-ইহুদিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পদ্ধতি বাতলে দেয় এবং একজন ইহুদি নারী সৌন্দর্য দ্বারা নিজ জাতির সেবার পদ্ধতি শিক্ষা দেয়। পুস্তকটিকে আরবিসহ বিভিন্ন অনুবাদে ঐতিহাসিক পুস্তকের সর্বশেষ পুস্তক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু হিব্রু বাইবেলে এটিকে কেতুবেম তথা পবিত্র সহিফাসমূহের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা স্বয়ং ইহুদি গবেষকদের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ। মিল্টন সারডিস এবং জর্জির নাজইয়াঞ্জ প্রমুখ এই পুস্তকটির গ্রহণযোগ্যতা মেনে নেননি। আবার কেউ কেউ এটিকে অগ্রহণযোগ্য পুস্তকগুলোর একটি মনে করেন।¹⁶⁵
পুস্তিকাটি কোন যুগে লেখা হয়েছে তা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। তুলনামূলক বিশুদ্ধ মত হলো ৩৩২ খ্রিষ্টপূর্বে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট এর বিজয়ের পর গ্রিক শাসন আমলে এটি রচিত হয়েছে। নতুন নিয়মে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যই পাওয়া যায় না।
টিকাঃ
১৬৫. কামুসুল কিতাবিল মুকাদ্দাস, পৃষ্ঠা: ৬৪।