📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 মুসায়লামার নবুওয়াত দাবি

📄 মুসায়লামার নবুওয়াত দাবি


ইবন ইসহাক বলেন: মুসায়লামা কায্যাব বনু হানাফীর প্রতিনিধিদলের সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট আসার পর নবুওয়াতের দাবি করে। সে নিজেকে আল্লাহর রাসূল হিসেবে দাবি করে এবং কুরআনের অনুরূপ কিছু আয়াত তৈরি করার চেষ্টা করে। রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাকে একজন মিথ্যাবাদী হিসেবে চিহ্নিত করেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 তাঈ গোত্রের প্রতিনিধিদলে যায়দ খায়লের আগমন

📄 তাঈ গোত্রের প্রতিনিধিদলে যায়দ খায়লের আগমন


ইবন ইসহাক বলেন: তাঈ গোত্রের প্রতিনিধিদলে যায়দ খাইল রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট আসেন। তিনি ছিলেন তার গোত্রের একজন সম্মানিত নেতা এবং একজন কবি। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাকে 'যায়দ আল-খাইর' (কল্যাণময় যায়দ) উপাধি দেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আদী ইব্‌ন হাতিম (রা)-এর বৃত্তান্ত

📄 আদী ইব্‌ন হাতিম (রা)-এর বৃত্তান্ত


ইবন ইসহাক বলেন: আদী ইবন হাতিম (রা) ছিলেন একজন খ্রিস্টান এবং তার গোত্রের একজন নেতা। তিনি initially ইসলাম গ্রহণ করতে দ্বিধা করেন, কিন্তু পরে তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর দাওয়াত শুনে ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি একজন সম্মানিত সাহাবী হিসেবে পরিচিত হন এবং মুসলিমদের একজন সাহসী যোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধ করেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর হাতে হাতিম দুহিতা বন্দী

📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর হাতে হাতিম দুহিতা বন্দী


ইবন ইসহাক বলেন: হাতিম তাঈ-এর কন্যা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর হাতে বন্দী হয়েছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাকে মুক্তি দেন এবং তাকে সম্মানিত করেন। এই ঘটনাটি ইসলামের উদারতা এবং ক্ষমাশীলতার প্রতীক।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00