📄 তার সম্প্রদায়ের ধর্মত্যাগ ও তার অবস্থান
ইবন ইসহাক বলেন: জারুদ ইবন আল-মুআল্লার সম্প্রদায়ের অনেকেই রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর ওফাতের পর ইসলাম ত্যাগ করে। কিন্তু জারুদ ইসলামে অবিচল থাকেন এবং ধর্মত্যাগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। তিনি সাহসিকতার সাথে তার সম্প্রদায়ের ধর্মত্যাগের বিরোধিতা করেন এবং মুসলিমদের পাশে থাকেন।
📄 মুনযির ইবন সাবীর ইসলাম গ্রহণ
ইবন ইসহাক বলেন: আবদুল কায়স গোত্রের মুনযির ইবন সাবীর ছিলেন একজন পণ্ডিত এবং পারস্য সম্রাট কিসরার নিকট রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর দূত আল-আলা ইবন আল-হাদরামী-এর সহকারী। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মুসলিমদের একজন জ্ঞানী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হন। তিনি তার সম্প্রদায়ের নিকট ইসলামের দাওয়াত দেন এবং মুসলিমদের সাহায্য করেন।
📄 বনু হানাফীর প্রতিনিধিদলের আগমন এবং তাদের সাথে ছিল মুসায়লামা কায্যাব
ইবন ইসহাক বলেন: বনু হানাফী গোত্রের প্রতিনিধিদল রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট আসেন, যাদের সাথে মুসায়লামা কায্যাবও ছিল। তারা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট ইসলাম সম্পর্কে প্রশ্ন করে এবং নিজেদের জন্য কিছু সুযোগ-সুবিধা চায়।
📄 মুসায়লামার নবুওয়াত দাবি
ইবন ইসহাক বলেন: মুসায়লামা কায্যাব বনু হানাফীর প্রতিনিধিদলের সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট আসার পর নবুওয়াতের দাবি করে। সে নিজেকে আল্লাহর রাসূল হিসেবে দাবি করে এবং কুরআনের অনুরূপ কিছু আয়াত তৈরি করার চেষ্টা করে। রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাকে একজন মিথ্যাবাদী হিসেবে চিহ্নিত করেন।