📄 দারীদের নামের তালিকা
যাদের জন্য খায়বরের সম্পদ দানের ওসীয়ত রাসূলুল্লাহ্ (সা) করেছিলেন।
এঁরা হচ্ছেন দার ইব্ন হাবীব ইব্ন নুমারা ইব্ন নুমারা ইব্ন লাখমের বংশধর। এঁরা সিরিয়া থেকে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট এসেছিলেন। তাঁদের নাম হচ্ছে:
১. তামীম ইব্ন আওস
২. তার ভাই নাঈম ইব্ন আওস
৩. ইয়াযীদ ইব্ন কায়স
৪. উরফা ইব্ন মালিক-রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁর নাম আবদুর রহমান রাখেন।
ইব্ন হিশাম বলেন: কেউ কেউ তাকে উয্যা ইব্ন মালিক ও তার ভাইকে মুরান ইব্ন মালিক বলেছেন।
ইব্ন হিশাম তার ভাইকে মারওয়ান ইব্ন মালিক বলেছেন।
ইব্ন ইসহাক বলেন:
১৬. ফাকা ইব্ন নু'মান,
৭. জাবালা ইব্ন মালিক,
১৮. আবূ হিন্দ ইব্ন বারি'
৯. তার ভাই তাইয়্যব ইব্ন বারি রাসূলুল্লাহ্ (সা) তার নাম রাখেন আবদুল্লাহ্।
📄 যাদের জন্য খায়বরের সম্পদ দ্রানের ওসীয়ত রাসূলুল্লাহ্ (সা) করেছিলেন
আবদুল্লাহ্ ইব্ন আবূ বকর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) আবদুল্লাহ্ ইবন রাওয়াহাকে খায়বরে এ উদ্দেশ্যে প্রেরণ করতেন যে, তিনি যেন ইয়াহূদী ও মুসলমানদের মধ্যে ওজন বা মাপ ব্যতিরেকেই অনুমানের ভিত্তিতে শস্য ভাগাভাগি করেন। তিনি সেমতে অনুমানভিত্তিক ভাগাভাগি করতেন। যদি কোন ক্ষেত্রে ইয়াহুদীরা আপত্তি উত্থাপন করে বলতো যে, আমাদের উপর যুলুম করে ফেললেন বা আপনাদের অংশে বেশি নিয়ে নিয়েছেন, তখন তিনি বলতেন: ঠিক আছে, তোমরা চাইলে অংশ বদল করে তোমাদের অংশ আমাদেরকে দিতে পার, তখন তারা বলে উঠতো:
بهذا قامت السموات والارض
"এই ইনসাফ ও ভারসাম্যের কারণেই আসমান-যমীন কায়েম রয়েছে।"
আবদুল্লাহ্ ইব্ন রাওয়াহা এক বছর এই অনুমান ভিত্তিক ভাগাভাগির দায়িত্ব পালন করেন। তারপর মুতার যুদ্ধে তিনি শাহাদত লাভ করেন। আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। তারপর জাব্বার ইব্ন সাখর ইব্ন উমাইয়া ইব্ন খানসা, যিনি বনূ সালামার লোক ছিলেন, আবদুল্লাহ্ ইব্ন রাওয়াহার স্থলাভিষিক্ত হন এবং এ দায়িত্ব পালন করতে থাকেন।
📄 অনুমানের ভিত্তিতে ভাগাভাগি
আবদুল্লাহ্ ইব্ন আবূ বকর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) আবদুল্লাহ্ ইবন রাওয়াহাকে খায়বরে এ উদ্দেশ্যে প্রেরণ করতেন যে, তিনি যেন ইয়াহূদী ও مسلمانوں মধ্যে ওজন বা মাপ ব্যতিরেকেই অনুমানের ভিত্তিতে শস্য ভাগাভাগি করেন। তিনি সেমতে অনুমানভিত্তিক ভাগাভাগি করতেন। যদি কোন ক্ষেত্রে ইয়াহুদীরা আপত্তি উত্থাপন করে বলতো যে, আমাদের উপর যুলুম করে ফেললেন বা আপনাদের অংশে বেশি নিয়ে নিয়েছেন, তখন তিনি বলতেন: ঠিক আছে, তোমরা চাইলে অংশ বদল করে তোমাদের অংশ আমাদেরকে দিতে পার, তখন তারা বলে উঠতো:
بهذا قامت السموات والارض
"এই ইনসাফ ও ভারসাম্যের কারণেই আসমান-যমীন কায়েম রয়েছে।"
আবদুল্লাহ্ ইব্ন রাওয়াহা এক বছর এই অনুমান ভিত্তিক ভাগাভাগির দায়িত্ব পালন করেন। তারপর মুতার যুদ্ধে তিনি শাহাদত লাভ করেন। আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। তারপর জাব্বার ইব্ন সাখর ইব্ন উমাইয়া ইব্ন খানসা, যিনি বনূ সালামার লোক ছিলেন, আবদুল্লাহ্ ইব্ন রাওয়াহার স্থলাভিষিক্ত হন এবং এ দায়িত্ব পালন করতে থাকেন।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন আবূ বকর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) আবদুল্লাহ্ ইবন রাওয়াহাকে খায়বরে এ উদ্দেশ্যে প্রেরণ করতেন যে, তিনি যেন ইয়াহূদী ও مسلمانوں মধ্যে ওজন বা মাপ ব্যতিরেকেই অনুমানের ভিত্তিতে শস্য ভাগাভাগি করেন। তিনি সেমতে অনুমানভিত্তিক ভাগাভাগি করতেন। যদি কোন ক্ষেত্রে ইয়াহুদীরা আপত্তি উত্থাপন করে বলতো যে, আমাদের উপর যুলুম করে ফেললেন বা আপনাদের অংশে বেশি নিয়ে নিয়েছেন, তখন তিনি বলতেন: ঠিক আছে, তোমরা চাইলে অংশ বদল করে তোমাদের অংশ আমাদেরকে দিতে পার, তখন তারা বলে উঠতো:
بهذا قامت السموات والارض
"এই ইনসাফ ও ভারসাম্যের কারণেই আসমান-যমীন কায়েম রয়েছে।"
আবদুল্লাহ্ ইব্ন রাওয়াহা এক বছর এই অনুমান ভিত্তিক ভাগাভাগির দায়িত্ব পালন করেন। তারপর মুতার যুদ্ধে তিনি শাহাদত লাভ করেন। আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। তারপর জাব্বার ইব্ন সাখর ইব্ন উমাইয়া ইব্ন খানসা, যিনি বনূ সালামার লোক ছিলেন, আবদুল্লাহ্ ইব্ন রাওয়াহার স্থলাভিষিক্ত হন এবং এ দায়িত্ব পালন করতে থাকেন।
📄 আবদুল্লাহ্ ইব্ন সাহলের হত্যাকাণ্ড
ইয়াহুদীদের সংগের ব্যাপারটি এভাবে চলতে থাকে। মুসলমানরা তাদের মধ্যে এ ব্যাপারে আপত্তিকর কিছু প্রত্যক্ষ করেননি। শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর আমলেই আবদুল্লাহ্ ইব্ন সাহলের সাথে তারা বাড়াবাড়ি করে, এমন কি তারা তাঁকে হত্যা করে ফেলে। রাসূলুল্লাহ্ (সা) এবং মুসলমানগণ এ ব্যাপারে ইয়াহুদীদেরকে অভিযুক্ত করেন।
ইবন ইসহাক বলেন: যুহরী আমার নিকট সাহল ইব্ন আবূ হাসমার সূত্রে এবং বশীর ইবন ইয়াসার, বনূ হারিসার আযাদকৃত গোলাম-আমার নিকট সাহল ইব্ন আবু হাসমা থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ্ ইব্ন সাহলকে খায়বরে হত্যা করা হয়। তিনি তাঁর কতিপয় বন্ধু-বান্ধবের ওখানে খেজুর তুলতে গিয়ে ছিলেন। তারপর একটি ঝর্ণার মধ্যে ঘাড় মটকানো অবস্থায় তাঁকে পাওয়া যায়। ঘাড় মটকিয়ে মেরে তাঁর লাশ ঐ ঝর্ণায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর সঙ্গী-সাথীরা সে অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ পেয়ে তা দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করেন। তারপর তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট গিয়ে সমস্ত বিবরণ দেন।
টিকাঃ
১. বয়সের নবীন সুলভ জোশ, নিহত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠতর সম্পর্ক এবং সমাজে তাঁর প্রতিপত্তি থাকায় তিনি আগে আগে কথা বলছিলেন।
ইয়াহুদীদের সংগের ব্যাপারটি এভাবে চলতে থাকে। মুসলমানরা তাদের মধ্যে এ ব্যাপারে আপত্তিকর কিছু প্রত্যক্ষ করেননি। শেষ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর আমলেই আবদুল্লাহ্ ইব্ন সাহলের সাথে তারা বাড়াবাড়ি করে, এমন কি তারা তাঁকে হত্যা করে ফেলে। রাসূলুল্লাহ্ (সা) এবং মুসলমানগণ এ ব্যাপারে ইয়াহুদীদেরকে অভিযুক্ত করেন।
ইবন ইসহাক বলেন: যুহরী আমার নিকট সাহল ইব্ন আবূ হাসমার সূত্রে এবং বশীর ইবন ইয়াসার, বনূ হারিসার আযাদকৃত গোলাম-আমার নিকট সাহল ইব্ন আবু হাসমা থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ্ ইব্ন সাহলকে খায়বরে হত্যা করা হয়। তিনি তাঁর কতিপয় বন্ধু-বান্ধবের ওখানে খেজুর তুলতে গিয়ে ছিলেন। তারপর একটি ঝর্ণার মধ্যে ঘাড় মটকানো অবস্থায় তাঁকে পাওয়া যায়। ঘাড় মটকিয়ে মেরে তাঁর লাশ ঐ ঝর্ণায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর সঙ্গী-সাথীরা সে অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ পেয়ে তা দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করেন। তারপর তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট গিয়ে সমস্ত বিবরণ দেন।
টিকাঃ
১. বয়সের নবীন সুলভ জোশ, নিহত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠতর সম্পর্ক এবং সমাজে তাঁর প্রতিপত্তি থাকায় তিনি আগে আগে কথা বলছিলেন।