📄 পথের মঞ্জিলসমূহ
ইবন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন খায়বরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন, তখন তিনি ইসর পাহাড়ের পথ ধরে অগ্রসর হন। সেখানে তিনি একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর সাহবায় গিয়ে পৌঁছেন। তারপর সদলবলে রাজী প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। এ মঞ্জিলটি খায়বর ও গাতফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। উদ্দেশ্য ছিল এই যে, এ ভাবে তাঁরা গাতফান ও খায়বরবাসীদের মধ্যে অন্তরায় হয়ে যাবেন। ফলে, গাতফানবাসীরা খায়বরবাসীদের কোনরূপ সাহায্য বা রসদপত্র পৌঁছাতে সমর্থ হবে না। কেননা, গাতফানবাসীরা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর বিরুদ্ধে খায়বরবাসীদের সমর্থক ও সাহায্যকারী ছিল।
ইবন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন খায়বরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন, তখন তিনি ইসর পাহাড়ের পথ ধরে অগ্রসর হন। সেখানে তিনি একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর সাহবায় গিয়ে পৌঁছেন। তারপর সদলবলে রাজী প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। এ মঞ্জিলটি খায়বর ও গাতফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। উদ্দেশ্য ছিল এই যে, এ ভাবে তাঁরা গাতফান ও খায়বরবাসীদের মধ্যে অন্তরায় হয়ে যাবেন। ফলে, গাতফানবাসীরা খায়বরবাসীদের কোনরূপ সাহায্য বা রসদপত্র পৌঁছাতে সমর্থ হবে না। কেননা, গাতফানবাসীরা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর বিরুদ্ধে খায়বরবাসীদের সমর্থক ও সাহায্যকারী ছিল।
📄 গাতফানীদের সাহায্য করার চেষ্টা
আমার নিকট এ মর্মে তথ্য পৌঁছেছে যে, গাতফানীরা যখন সংবাদ পেলো যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) খায়বরে মঞ্জিল স্থাপন করেছেন, তখন তারা লোকজনকে সমবেত করে তাঁর বিরুদ্ধে ইয়াহূদীদের সাহায্য করার মানসে বের হয়। কিন্তু এক মঞ্জিল পথ অতিক্রম করতেই তাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে এমনি ধারণায় উপনীত হয় যে, এটা তাদের জন্য শুভ হচ্ছে না এবং তাদের সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের এ উদ্যোগের বিরোধী, তখন তারা ফিরে যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। এভাবে তারা রাসূলুল্লাহ্ (সা) ও খায়বরবাসীদের তাদের নিজেদের ব্যাপার নিজেদের মধ্যেই ফয়সালা করার জন্য ছেড়ে দেয়।
আমার নিকট এ মর্মে তথ্য পৌঁছেছে যে, গাতফানীরা যখন সংবাদ পেলো যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) খায়বরে মঞ্জিল স্থাপন করেছেন, তখন তারা লোকজনকে সমবেত করে তাঁর বিরুদ্ধে ইয়াহূদীদের সাহায্য করার মানসে বের হয়। কিন্তু এক মঞ্জিল পথ অতিক্রম করতেই তাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে এমনি ধারণায় উপনীত হয় যে, এটা তাদের জন্য শুভ হচ্ছে না এবং তাদের সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের এ উদ্যোগের বিরোধী, তখন তারা ফিরে যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। এভাবে তারা রাসূলুল্লাহ্ (সা) ও খায়বরবাসীদের তাদের নিজেদের ব্যাপার নিজেদের মধ্যেই ফয়সালা করার জন্য ছেড়ে দেয়।
📄 দুর্গসমূহের অধিকার
রাসূলুল্লাহ্ (সা) একের পর এক তাদের ধন-সম্পদ ও দুর্গসমূহ অধিকার করতে থাকেন। তাদের দুর্গসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম তিনি 'নাঈম' দুর্গ অধিকার করেন। এ কেল্লার কাছেই মাহমূদ ইবন মাসলামাকে যাঁতার চাক্কির পাট উপর থেকে নিক্ষপ করে শহীদ করা হয়। তারপর কামূস দুর্গ জয় করা হয়। এটা ছিল বনু আবুল হুকায়কের দুর্গ। এখানে রাসূলুল্লাহ্ (সা) সুফিয়্যা বিন্ত হুয়াই ইব্ন আখতাবসহ অনেক যুদ্ধবন্দী লাভ করেন। সুফিয়্যা ছিলেন কিনানা ইব্ন রবী ইব্ন আবুল হুকায়কের স্ত্রী। তাঁর দু'জন চাচাতো বোনও ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সা) সুফিয়্যাকে তাঁর নিজের জন্যে বেছে নেন।'
রাসূলুল্লাহ্ (সা) একের পর এক তাদের ধন-সম্পদ ও দুর্গসমূহ অধিকার করতে থাকেন। তাদের দুর্গসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম তিনি 'নাঈম' দুর্গ অধিকার করেন। এ কেল্লার কাছেই মাহমূদ ইবন মাসলামাকে যাঁতার চাক্কির পাট উপর থেকে নিক্ষপ করে শহীদ করা হয়। তারপর কামূস দুর্গ জয় করা হয়। এটা ছিল বনু আবুল হুকায়কের দুর্গ। এখানে রাসূলুল্লাহ্ (সা) সুফিয়্যা বিন্ত হুয়াই ইব্ন আখতাবসহ অনেক যুদ্ধবন্দী লাভ করেন। সুফিয়্যা ছিলেন কিনানা ইব্ন রবী ইব্ন আবুল হুকায়কের স্ত্রী। তাঁর দু'জন চাচাতো বোনও ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সা) সুফিয়্যাকে তাঁর নিজের জন্যে বেছে নেন।'
📄 খায়বর দিবসে রাসূলুল্লাহ্ (সা) যে সব জিনিস নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন
দাহইয়া ইব্ন খলীফা কালবী রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে সুফিয়্যার জন্যে দরখাস্ত করেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন তাঁকে নিজের জন্যে বেছে নেন, তখন তার চাচাতো বোন দু'টি তিনি দাহ্ইয়াকে দান করেন। খায়বরে প্রচুর দাসীবাঁদী মুসলমানদের অধিকারে আসে।
সেদিন মুসলমানরা গৃহপালিত গাধার গোশত আহার করেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) দাঁড়িয়ে কতিপয় বস্তু নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং সে গুলোর নামও ঘোষণা করেন।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর ইব্ন যামরা ফিযারী আবদুল্লাহ্ ইব্ন আবূ সলীতের সূত্রে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন: আমাদের কাছে যখন গৃহপালিত গাধার গোশত খাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিষেধাজ্ঞা এসে পৌঁছে, তখন আমাদের ডেকচীগুলোতে গৃহপালিত গাধার গোস্ত টগবগ করে ফুটছিলো। আমরা তক্ষণি ডেকচী উপুড় করে তা ফেলে দেই।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট আবদুল্লাহ্ ইব্ন আবূ নূজায়হ্ মাকতুলের সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) সেদিন তাঁদেরকে যুদ্ধবন্দী গর্ভবতী দাসীদের সাথে সহবাস করতে বারণ করে দেন। সাথে সাথে তিনি আরও যে সব ব্যাপারে নিষেধ করেন, সেগুলো হলো:
* গৃহপালিত গাধার গোশত ভক্ষণ,
* হিংস্র নখ ওয়ালা পশুর গোশত ভক্ষণ,
* গনীমতের মাল বিক্রি করা (ভাগবণ্টনের পূর্বে)।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট সালাম ইব্ন কারকারা, আমর ইবন দীনারের সূত্রে, তিনি জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ্ আনসারী থেকে, আর জাবির (রা) খায়বরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন নি, বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে বারণ করেন, তখন তিনি লোকদের ঘোড়ার গোশত খেতে অনুমতি প্রদান করেন।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট ইয়াযীদ ইব্ন আবূ হাবীব, তুজায়বের আযাদকৃত গোলাম আবূ মারযুকের সূত্রে। তিনি হান্শ সানআনী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: একবার আমার মাগরিব অঞ্চলে রুয়ায়ফি ইব্ন সাবিত আনসারী (রা)-এর সংগে সহযোদ্ধারূপে যুদ্ধ করি। তিনি জারবা নামক মাগরিবের একটি গ্রাম জয় করেন, তারপর আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিতে দাঁড়ান। তখন তিনি বলেন:
"হে লোক সকল! আজ আমি তোমাদের তা বলবো, যা আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে খায়বর দিবসে আমাদের বলতে শুনেছি, তার বাইরে আজ অন্য কিছু আমি তোমাদের বলবো না।"
সে দিন রাসূলুল্লাহ্ (সা) আমাদের মধ্যে দাঁড়ান, তারপর তিনি বলেন: আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি যার বিশ্বাস রয়েছে, এমন কোন ব্যক্তির পক্ষে এটা বৈধ নয় যে, সে পরের ক্ষেতে পানি সিঞ্চন করবে। অর্থাৎ গর্ভবতী যুদ্ধবন্দী মহিলাদের সাথে সহবাস করবে।
যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস পোষণ করে, তার জন্যে এটা বৈধ নয় যে, কোন যুদ্ধবন্দী গর্ভবতী মহিলার গর্ভ প্রসবের পূর্বে তার সাথে সহবাস করবে।
আল্লাহ্ ও পরকালে বিশ্বাসী কারো জন্যে এটা বৈধ নয় যে, গনীমতের মাল ভাগবণ্টনের পূর্বে সে তা থেকে কিছু বিক্রি করবে।
আল্লাহ্ ও পরকালে বিশ্বাসী কারো জন্যে এটা বৈধ নয় যে, সে গনীমতের কোন জন্তুকে বাহনরূপে ব্যবহার করে, দুর্বল করে, তারপর তা গনীমত তহবিলে ফেরত দেবে।
আর এটাও আল্লাহ্ ও পরকালে বিশ্বাসী কোন ব্যক্তির পক্ষে বৈধ নয় যে, গনীমতের দ্রব্য সামগ্রী থেকে কোন বস্ত্র পরিধান করে, তা জীর্ণ করে, পরে আবার তাতে জমা দেবে।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট ইয়াযীদ ইব্ন আবদুল্লাহ্ ইব্ন কুসায়ত উবাদা ইব্ন সামিত (রা) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খায়বর দিবসে রাসূলুল্লাহ্ (সা) আমাদের কাঁচা সোনা ও স্বর্ণমুদ্রার মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় বা বিনিময় করতে এবং কাঁচা রূপা এবং রৌপ্যমুদ্রায় বিনিময় করতে নিষেধ করেন। তিনি বলেন :
ابتاعوا تبر الذهب بالورق العين وتبر الفضة بالذهب العين
রৌপ্যমুদ্রার বিনিময়ে কাঁচা সোনার এবং কাঁচা রৌপ্যের বিনিময় স্বর্ণমুদ্রার বিকিকিন বা বিনিময় করবে।
দাহইয়া ইব্ন খলীফা কালবী রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে সুফিয়্যার জন্যে দরখাস্ত করেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন তাঁকে নিজের জন্যে বেছে নেন, তখন তার চাচাতো বোন দু'টি তিনি দাহ্ইয়াকে দান করেন। খায়বরে প্রচুর দাসীবাঁদী মুসলমানদের অধিকারে আসে।
সেদিন মুসলমানরা গৃহপালিত গাধার গোশত আহার করেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) দাঁড়িয়ে কতিপয় বস্তু নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং সে গুলোর নামও ঘোষণা করেন।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর ইব্ন যামরা ফিযারী আবদুল্লাহ্ ইব্ন আবূ সলীতের সূত্রে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন: আমাদের কাছে যখন গৃহপালিত গাধার গোশত খাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিষেধাজ্ঞা এসে পৌঁছে, তখন আমাদের ডেকচীগুলোতে গৃহপালিত গাধার গোস্ত টগবগ করে ফুটছিলো। আমরা তক্ষণি ডেকচী উপুড় করে তা ফেলে দেই।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট আবদুল্লাহ্ ইব্ন আবূ নূজায়হ্ মাকতুলের সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) সেদিন তাঁদেরকে যুদ্ধবন্দী গর্ভবতী দাসীদের সাথে সহবাস করতে বারণ করে দেন। সাথে সাথে তিনি আরও যে সব ব্যাপারে নিষেধ করেন, সেগুলো হলো:
* গৃহপালিত গাধার গোশত ভক্ষণ,
* হিংস্র নখ ওয়ালা পশুর গোশত ভক্ষণ,
* গনীমতের মাল বিক্রি করা (ভাগবণ্টনের পূর্বে)।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট সালাম ইব্ন কারকারা, আমর ইবন দীনারের সূত্রে, তিনি জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ্ আনসারী থেকে, আর জাবির (রা) খায়বরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন নি, বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে বারণ করেন, তখন তিনি লোকদের ঘোড়ার গোশত খেতে অনুমতি প্রদান করেন।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট ইয়াযীদ ইব্ন আবূ হাবীব, তুজায়বের আযাদকৃত গোলাম আবূ মারযুকের সূত্রে। তিনি হান্শ সানআনী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: একবার আমার মাগরিব অঞ্চলে রুয়ায়ফি ইব্ন সাবিত আনসারী (রা)-এর সংগে সহযোদ্ধারূপে যুদ্ধ করি। তিনি জারবা নামক মাগরিবের একটি গ্রাম জয় করেন, তারপর আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিতে দাঁড়ান। তখন তিনি বলেন:
"হে লোক সকল! আজ আমি তোমাদের তা বলবো, যা আমি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে খায়বর দিবসে আমাদের বলতে শুনেছি, তার বাইরে আজ অন্য কিছু আমি তোমাদের বলবো না।"
সে দিন রাসূলুল্লাহ্ (সা) আমাদের মধ্যে দাঁড়ান, তারপর তিনি বলেন: আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি যার বিশ্বাস রয়েছে, এমন কোন ব্যক্তির পক্ষে এটা বৈধ নয় যে, সে পরের ক্ষেতে পানি সিঞ্চন করবে। অর্থাৎ গর্ভবতী যুদ্ধবন্দী মহিলাদের সাথে সহবাস করবে।
যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস পোষণ করে, তার জন্যে এটা বৈধ নয় যে, কোন যুদ্ধবন্দী গর্ভবতী মহিলার গর্ভ প্রসবের পূর্বে তার সাথে সহবাস করবে।
আল্লাহ্ ও পরকালে বিশ্বাসী কারো জন্যে এটা বৈধ নয় যে, গনীমতের মাল ভাগবণ্টনের পূর্বে সে তা থেকে কিছু বিক্রি করবে।
আল্লাহ্ ও পরকালে বিশ্বাসী কারো জন্যে এটা বৈধ নয় যে, সে গনীমতের কোন জন্তুকে বাহনরূপে ব্যবহার করে, দুর্বল করে, তারপর তা গনীমত তহবিলে ফেরত দেবে।
আর এটাও আল্লাহ্ ও পরকালে বিশ্বাসী কোন ব্যক্তির পক্ষে বৈধ নয় যে, গনীমতের দ্রব্য সামগ্রী থেকে কোন বস্ত্র পরিধান করে, তা জীর্ণ করে, পরে আবার তাতে জমা দেবে।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট ইয়াযীদ ইব্ন আবদুল্লাহ্ ইব্ন কুসায়ত উবাদা ইব্ন সামিত (রা) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খায়বর দিবসে রাসূলুল্লাহ্ (সা) আমাদের কাঁচা সোনা ও স্বর্ণমুদ্রার মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় বা বিনিময় করতে এবং কাঁচা রূপা এবং রৌপ্যমুদ্রায় বিনিময় করতে নিষেধ করেন। তিনি বলেন :
ابتاعوا تبر الذهب بالورق العين وتبر الفضة بالذهب العين
রৌপ্যমুদ্রার বিনিময়ে কাঁচা সোনার এবং কাঁচা রৌপ্যের বিনিময় স্বর্ণমুদ্রার বিকিকিন বা বিনিময় করবে।