📄 বনু কুরায়যা অভিযানে যাঁরা শহীদ হন
ইবন ইসহাক বলেন: বনু কুরায়যা অভিযানে মুসলিমদের মধ্যে খাল্লাদ ইব্ন সুওয়ায়দ ইব্ন ছা'লাবা ইব্ন আমর শহীদ হন। তিনি ছিলেন হারিস ইব্ন খাযরাজ গোত্রের লোক। তাঁর উপর একটি যাঁতা নিক্ষেপ করা হয়। এতে তিনি সাংঘাতিক রকমের আহত হন। রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁর সম্পর্কে বলেছিলেন: সে দুই শহীদের সমান সওয়াব লাভ করবে।
বনু কুরায়যার অবরোধকালে আসাদ ইব্ন খুযায়মা গোত্রের আবু সিনান ইব্ন মিহসান ইব্ন হুরছান মারা গেলে, তাকে বনু কুরায়যার কবরস্থানে দাফন করা হয়, যেখানে তারা তাদের লোকদের দাফন করতো। ইসলাম পরবর্তীকালেও তারা তাদের মৃতদেরকে এখানে দাফন করতে থাকে।
📄 কুরায়শদের সম্পর্ক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর উক্তি
খন্দকের যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তনের পর রাসূলুল্লাহ্ (সা) মুসলমানদের এই সুসংবাদ দেন যে, এরপর আর কখনও কুরায়শরা তোমাদের উপর আক্রমণ চালাবে না; বরং তোমরাই হবে তাদের উপর আক্রমণকারী। বস্তুত এরপর আর কখনও কুরায়שরা আক্রমণ করার সাহস করেনি বরং রাসূলুল্লাহ্ (সা)-ই তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে থাকেন। অবশেষে আল্লাহ্ তা'আলার সাহায্যে তিনি মক্কা মুকররামাও জয় করেন।
📄 বনু কুরায়যা যুদ্ধের শহীদগণ
ইবন ইসহাক বলেন: বনু কুরায়যার যুদ্ধের দিন একজন মুসলমান, শহীদ হন। তিনি হচ্ছেন বনূ হারিস ইন্ন খাযরাজের খাল্লাদ ইব্ন সুওয়াদ ইব্ন ছা'লাবা ইব্ন আমর। তাঁর উপর একটি যাঁতা নিক্ষেপ করা হলে তাঁর মাথা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়, ফলে তিনি আহত হয়ে শহীদ হন। তাদের ধারণা রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁর ব্যাপারে বলেন: তাঁর জন্য দু'জন শহীদের সমান সওয়াব রয়েছে।
রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন বনু কুরায়যা অবরোধ করে রেখেছিলেন; সে সময় বনূ আসাদ ইব্ খুযায়মার মিত্র আবু সিনান ইব্ন মিহত্সান ইবন হুরছان ইন্তিকাল করেন। তাঁকে বনু কুরায়যার ঐ সমাধি ক্ষেত্রে দাফন করা হয়, যেখানে তারা তখন তাদের নিজেদের শবদেহসমূহ সমধিস্থ করতো। ইসলাম যুগেও এখানে তারা তাদের মৃতদের সমাধিস্থ করতো।
📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর একটি ভবিষ্যদ্বাণী
আমার জানা মতে, খন্দক যুদ্ধ শেষে যখন যোদ্ধারা ফিরে আসছিলেন, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন: এ বছরের পর কুরায়שরা আর তোমাদের সাথে লড়তে আসবে না বরং তোমরাই তাদের বিরুদ্ধে লড়তে যাবে। সত্যি সত্যি তাই হয়েছিল। এরপর আর কুরায়শরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহস পায়নি বরং রাসূলুল্লাহ্ (সা)-ই তাদের বিরুদ্ধে নিরন্তর লড়ে যান। এভাবে আল্লাহ্র তাকে মক্কা বিজয়ের গৌরব দান করেন।