📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 সাহায্য কেবল আল্লাহ্রই

📄 সাহায্য কেবল আল্লাহ্রই


আল্লাহ্ তা'আলা বলেন: وَمَا جَعَلَهُ اللهُ إِلَّا بُشْرَى لَكُمْ وَلِتَطْمَئِنَّ قُلُوبُكُمْ بِهِ وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ.
আল্লাহ্ তো এটাকে কেবল তোমাদের জন্য সুসংবাদ ও তোমাদের চিত্ত-প্রশান্তির-হেতু করেছেন এবং সাহায্য শুধু পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময় আল্লাহর নিকট হতেই হয় (৩: ১২৬)।
আল্লাহ্ তা'আলা বলেন: আমার যে সব ফেরেশতা সৈন্য তোমাদের জন্য নির্ধারিত করেছি, তা শুধু এ জন্য যে তোমাদের অন্তরে যেন প্রশান্তি লাভ হয়। কেননা, তোমাদের দুর্বলতা আমার জানা রয়েছে, আর সাহায্য তো একমাত্র আমার কাছ থেকেই হতে পারে। কেননা, একমাত্র আমিই তো ক্ষমতা ও শক্তির অধিকারী। আর এটা এজন্যে যে, মর্যাদা ও হুকুম করার অধিকার একমাত্র আমারই, আমার কোন সৃষ্টির নয়।
এরপর আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
لِيَقْطَعَ طَرَفًا مِّنَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَوْ يَكْبِتَهُمْ فَيَنْقَلِبُوا خَائِبِينَ.
কাফিরদের এক অংশকে নিশ্চিহ্ন করার অথবা লাঞ্ছিত করার জন্য, ফলে তারা নিরাশ হয়ে ফিরে যায় (৩: ১২৭)।
অর্থাৎ যাতে তিনি মুশরিকদের কতককে হত্যার মাধ্যমে ধ্বংস করে দেন, তাদের থেকে প্রতিশোধ নেয়ার লক্ষ্যে অথবা তাদের ব্যর্থ মনোরথ করে ফিরিয়ে দেন অর্থাৎ তাদের মধ্যে যারা অবশিষ্ট রয়ে গিয়েছে তাদের ব্যর্থ করে ফিরিয়ে দেন। তারা যা আশা করেছিল তার কিছুই তারা লাভ করতে পারেনি।
ইবন হিশম বলেন : يَكْبُتَهُمْ অর্থাৎ তিনি তাদের কঠিন পেরেশানীতে ফেলে দেবেন এবং তাদের উদ্দেশ্য পণ্ড করে দেবেন।
কবি যুররুম্মাহ্ বলেন:
ما انس من شجن لا أنس موقفنا * في حيرة بين مسرور و مكبوت
দুঃখ আমি যতই ভুলে যাই, কিন্তু সে পরিস্থিতির কথা আমি ভুলি না, যা ছিল আনন্দ ও পরাজয়ের মধ্যবর্তী হতভম্বতার অবস্থা।
يَكْبُتَهُمْ (এর আর একটি অর্থ হলো: তাদের অধোমুখে ফেলে দেবেন।
ইন্ন ইসহাক বলেন: এরপর আল্লাহ্ তা'আলা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামকে লক্ষ্য করে বলেন:
لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظُلِمُونَ .
তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দিবেন-এ বিষয়ে তোমার করণীয় কিছুই নেই, কারণ তারা যালিম (৩: ১২৮)।
অর্থাৎ আমার বান্দাদের ব্যাপারে তোমার কোন নির্দেশ চলতে পারে না। কিন্তু তাদের ব্যাপারে আমি তোমাকে যে নির্দেশ দেই অথবা দয়া পরবশ হয়ে তাদের ক্ষমা করে দেই; তবে ইচ্ছা করলে আমি তাদের ক্ষমা করতে পারি; কিংবা ইচ্ছা করলে আমি তাদের গুনাহের কারণে শাস্তি দিতে পারি। আর এটা আমার হক।
فَأَنَّهُمْ ظَلَمُونَ অর্থাৎ তারা আমার অবাধ্য হয়ে এ শাস্তির যোগ্য হয়েছে।
وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ অর্থাৎ আল্লাহ্ আল্লাহ্ তা'আলা বান্দাদের গুনাহ্ করা সত্ত্বেও তাদের ক্ষমা করে দেন এবং তাদের প্রতি রহম করেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 সুদ হারাম হওয়া সম্পর্কে

📄 সুদ হারাম হওয়া সম্পর্কে


এরপর আল্লাহ্ তা'আলা বলেন: يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا الرِّبُوا أَضْعَافًا مُضَاعَفَةٌ
হে মু'মিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেও না (৩: ১৩০)। অর্থাৎ যখন তোমরা বিধর্মী ছিলে, তখন তোমাদের ধর্মকর্তৃক হারামকৃত যে সব বস্তু তোমরা ভক্ষণ করতে, এখন আল্লাহ্ত্কর্তৃক হিদায়েতপ্রাপ্ত হয়ে, ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার পর, তা ভক্ষণ করো না।
وَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার (৩: ১৩০)। অর্থাৎ আল্লাহর আনুগত্য কর, আশা করা যায় যে, আল্লাহ্ তা'আলা তোমাদের যে শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন, তা থেকে তোমরা পরিত্রাণ পাবে এবং তিনি যে সওয়াবের প্রতি তোমাদের উদ্বুদ্ধ করেছেন, তা তোমরা লাভ করতে পারবে।
وَاتَّقُوا النَّارَ الَّتِي أُعِدَّتْ لِلْكَافِرِينَ এবং তোমরা সেই আগুনকে ভয় করো, যা কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে (৩: ১৩১)। অর্থাৎ আমাকে অস্বীকারকারীদের জন্য যে জাহান্নام আবাসস্থল হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, সুতরাং তাকে ভয় কর।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের আনুগত্য

📄 আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের আনুগত্য


আল্লাহ্ তা'আলা আরও বলেন : وَأَطِيعُوا اللهَ وَالرَّسُولُ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ তোমরা আল্লাহ্ ও রাসূলের আনুগত্য কর, যাতে তোমরা কৃপালাভ করতে পার (৩: ১৩২)। এখানে সে সব লোকদের নিন্দা করা হয়েছে যারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের ঐসব নির্দেশ অমান্য করেছে, যা উহুদের যুদ্ধে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া হয়েছিল।
وَسَارِعُوا إِلى مَغْفِرَةٍ مِّنْ رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَوتُ وَالْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ. তোমরা ধাবমান হও আপন প্রতিপালকের ক্ষমার দিকে এবং সেই জান্নাতের দিকে, যার বিস্তৃতি আসমান ও যমীনের ন্যায়, যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে মুত্তাকীদের জন্য (৩: ১৩৩)। অর্থাৎ এ জান্নাত ঐসব লোকদের আবাসস্থল যারা আমার এবং আমার রাসূলের আনুগত্য করে।
আল্লাহ্ তা'আলা আরো বলেন:
الَّذِينَ يُنْفِقُونَ فِي السَّراء والضراء والكظِمِينَ الغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ .
যারা সচ্ছল এবং অসচ্ছল অবস্থায় ব্যয় করে এবং যারা ক্রোধ সংবরণকারী এবং মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল; আল্লাহ্ সৎকর্মপরায়ণদের ভালবাসেন (৩: ১৩৪)।
অর্থাৎ, এই গুণগুলোই হলো ইহসান। যে-ই এ গুণের অধিকারী হবে, আমি তাকে ভালবাসব। আল্লাহ্ আরো বলেন:
وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَنْ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إلا اللهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَى مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ .
এবং যারা কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে অথবা নিজেদের প্রতি যুলুম করলে, আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আর আল্লাহ্ ব্যতীত কে পাপ ক্ষমা করবে? এবং তারা যা করে ফেলে, জেনে শুনে তারই পুনরাবৃত্তি করে না (৩: ১৩৫)।
অর্থাৎ তাদের দ্বারা কোন অশ্লীল কাজ হয়ে গেলে কিংবা তারা কোন গুনাহ করে নিজের উপর যুলুম করে ফেললে। তাদের মনে হয় যে আল্লাহ্ তা'আলা এগুলো নিষেধ করেছেন এবং এগুলো তাদের জন্য হারাম করেছেন। ফলে তারা তওবা ও ইস্তিগফার করে নেয় এবং বুঝে নেয় যে, এসব গুনাহ্ কিংবা অপরাধ শুধুমাত্র আল্লাহই ক্ষমা করতে পারেন।
وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَى مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ - আর তারা জেনে শুনে তারই পুনরাবৃত্তি করে না (৩: ১৩৫)।
অর্থাৎ এরা সেই মুশরিকদের মত নিজেদের গুনাহের উপর অনড় থাকে না। মুশরিকরা তো নিজেদের কুফরের উপর বাড়াবাড়ি করে, অথচ তারা জানে যে, তাদের উপর আমি ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করা হারাম করেছি। এরপর আল্লাহ্ বলেন:
أولَئِكَ جَزَاؤُهُمْ مُغْفِرَةٌ مِّنْ رَّبِّهِمْ وَجَنَّتُ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهُرُ خَلِدِينَ فِيهَا وَنِعْمَ أَجْرُ العملين.
ওরাই তারা, যাদের পুরস্কার তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে ক্ষমা এবং এমন জান্নাত, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত; সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আর সৎকর্মশীলদের পুরস্কার কত উত্তম! (৩: ১৩৬)।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 মিথ্যাশ্রয়ীদের পরিণাম থেকে শিক্ষা গ্রহণ

📄 মিথ্যাশ্রয়ীদের পরিণাম থেকে শিক্ষা গ্রহণ


তারপর আল্লাহ্ তা'আলা মুসলমানদের উপর নাযিলকৃত বিপদাপদ, তাদের উপর আপতিত পরীক্ষাসমূহ ও তাদের মাধ্যে যাদেরকে শাহাদতের জন্য মনোনীত করেছেন, তা আলোচনা করেন।
সুতরাং মুসলমানদের সান্ত্বনাদান, তাদের কৃতকর্মের প্রশংসা ও তাদের প্রতিদানের কথা উল্লেখ করে আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِكُمْ سُنَنٌ فَسِيرُوا فِي الْأَرْضِ فَانْظُرُوا كَيْفَ كَانَ عَاقِبَةُ الْمُكَذِّبِينَ.
তোমাদের পূর্বে বহু বিধানগত হয়েছে, সুতরাং তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ মিথ্যাশ্রয়ীদের কি পরিণাম (৩: ১৩৭)।
অর্থাৎ 'আদ, ছামুদ, লূত ও আসহাবে মাদয়ান যারা আমার রাসূলদের মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল আমার সাথে শরীক করেছিল। তাদের শাস্তি ও প্রতিশোধে যে সব ঘটনাবলী অতীতে আমি ঘটিয়েছি, তা পর্যবেক্ষণ কর। এখনও যারা তাদের মত আচরণ করবে, তাদের পরিণামও তাই হবে। আসলে আমি তাদেরকে ঢিল দিয়েছি, যাতে মুসলমানদের পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে যে পরাভূত করে কাফিরদের দল সামান্য মজবুত করে দেয়া হয়েছিল, এর কারণে এ ধারণা যেন না হয় যে, আমার ও তোমাদের (মুসলমানদের) শত্রুদের থেকে প্রতিশোধ নেয়া হবে না।
এরপর আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
هذا بَيَانُ لِلنَّاسِ وَهُدًى وَمَوْعِظَةٌ لِلْمُتَّقِينَ.
এটা মানবজাতির জন্য স্পষ্ট বর্ণনা এবং মুত্তাকীদের জন্য হিদায়াত ও উপদেশ। (৩: ১৩৮)
অর্থাৎ এটা লোকদের জন্য ব্যাখ্যা স্বরূপ, যদি তারা হিদায়াত ও উপদেশ গ্রহণ করে নেয়।
هُدًى وَمَوْعِظَةٌ অর্থ নূর ও আদব। لِّلْمُتَّقِينَ অর্থ যে আমার আনুগত্য করে এবং আমার নির্দেশ সম্পর্কে অবগত।
এরপর আল্লাহ্ বলেন:
وَلَا تَهِنُوا وَلَا تَحْزَنُوا
তোমরা হীনবল হয়ো না এবং দুঃখিত হয়ো না (৩: ১৩৯)। অর্থাৎ তোমরা দুর্বল হয়ে পড়ো না এবং তোমাদের এ বিপদের কারণে তোমরা নিরাশ হয়ে যেও না।
وَأَنْتُمُ الْأَعْلَوْنَ إِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِينَ
বরং তোমরাই বিজয়ী হবে, যদি তোমরা মু'মিন হও। (৩: ১৩৯)।
অর্থাৎ আমার রাসূল আমার পক্ষ থেকে যা কিছু তোমাদের কাছে এনেছে, যদি তোমরা তা পুরোপুরি সত্য প্রতিপন্ন করতে থাক, তবে বিজয় ও সাহায্য তোমরাই পাবে।
এরপর আল্লাহ্ তা'আলা বলেন: إِن يَمْسَسْكُمْ قَرْحٌ فَقَدْ مَسَّ الْقَوْمَ قَرْحٌ مِّثْلُهُ وَتِلْكَ الْأَيَّامُ نُدَاوِلُهَا بَيْنَ النَّاسِ
যদি তোমাদের আঘাত লেগে থাকে, তবে অনুরূপ আঘাত তাদেরও তো লেগেছে। মানুষের মধ্যে এই দিনগুলোর পর্যায়ক্রমে আমি আবর্তন ঘটাই (৩: ১৪০)। অর্থাৎ লোকদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য একবার কাউকে এবং অন্যবার অন্যকে শক্তি ও রাজত্ব দান করি।
وَلِيَعْلَمَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا وَيَتَّخِذَ مِنْكُمْ شُهَدَاءَ وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ الظَّلِمِينَ
যাতে আল্লাহ্ মু'মিনগণকে জানতে পারেন এবং তোমাদের মধ্য হতে কতককে শহীদরূপে গ্রহণ করতে পারেন এবং আল্লাহ্ যালিমদের পছন্দ করেন না (৩: ১৪০)। অর্থাৎ আল্লাহ্ মু'মিন ও মুনাফিকদের মাঝে পার্থক্য করার জন্য এবং মু'মিনদের মধ্যে যাদের সৌভাগ্য দান করার ইচ্ছা তাদেরকে শাহাদতের সৌভাগ্য দান করার জন্য এরূপ করেন। আলোচ্য আয়াতে যালিম দ্বারা মুনাফিকদের বুঝানো হয়েছে, যারা মুখে তো ঈমানের কথা প্রকাশ করতো, কিন্তু তাদের অন্তর নাফরমানীতে ভরা ছিল।
وَلِيُمَحِّصَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا
এবং যাতে আল্লাহ্ মু'মিনদেরকে পরিশোধন করতে পারেন (৩: ১৪১)। অর্থাৎ যাতে প্রকৃত মু'মিনদের পরীক্ষা হয়ে যায় এবং একথাও জানা যয়ে যায় যে, তাদের মাঝে কি পরিমাণ সবর, সহনশীলতা ও বিশ্বাস বিদ্যমান রয়েছে।
وَيَمْحَقَ الْكَفِرِينَ
আর যাতে তিনি কাফিরদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে পারেন (৩: ১৪১)। অর্থাৎ যাতে মুনাফিকদের মুখের সে সব কথা বাতিল করতে পারেন, যা তাদের অন্তরে নেই, যার ফলে তাদের মনের লুকায়িত কুফর প্রকাশ পেয়ে যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00