📄 আবু সুফিয়ান ও হামযা (রা)
ইবন ইসহাক বলেন: বনূ হারিছ ইব্ন মানাতের লোক হুলায়স ইব্ন যাবান সে সময় হাবায়শ গোত্রের সরদার ছিলেন। তিনি আবু সুফিয়ানের কাছ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। আর তখন সে হামযা ইব্ন আবদুল মুত্তালিবের মাড়িতে তার বর্শার ফলা দ্বারা এই বলে আঘাত করছিল : )ذق عقق( মজাটা বুঝো, হে নাফরমান কোথাকার। এ অবস্থা দেখে হুলায়স বললেন: হে বনূ কিনানা! কুরায়শদের এই সরদার আপন চাচাত ভাই (হামযা (রা)-এর মরা লাশের সাথে যে আচরণ করছে, তোমরা তা দেখতে পাচ্ছ। তখন আবু সুফিয়ান বললেন: হতভাগা, আমার এ আচরণ গোপন করো, কারণ এটা ছিল একটা বিচ্যুতি।
ইবন ইসহাক বলেন: বনূ হারিছ ইব্ন মানাতের লোক হুলায়স ইব্ন যাবান সে সময় হাবায়শ গোত্রের সরদার ছিলেন। তিনি আবু সুফিয়ানের কাছ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। আর তখন সে হামযা ইব্ন আবদুল মুত্তালিবের মাড়িতে তার বর্শার ফলা দ্বারা এই বলে আঘাত করছিল : )ذق عقق( মজাটা বুঝো, হে নাফরমান কোথাকার। এ অবস্থা দেখে হুলায়স বললেন: হে বনূ কিনানা! কুরায়শদের এই সরদার আপন চাচাত ভাই (হামযা (রা)-এর মরা লাশের সাথে যে আচরণ করছে, তোমরা তা দেখতে পাচ্ছ। তখন আবু সুফিয়ান বললেন: হতভাগা, আমার এ আচরণ গোপন করো, কারণ এটা ছিল একটা বিচ্যুতি।
📄 উমর ইবন খাত্তাব (রা) ও আবু সুফিয়ান
যুদ্ধ শেষে আবু সুফিয়ান যখন ফেরার ইচ্ছা করলো, তখন সে পাহাড়ের উপর চড়ে চীৎকার করে (নিজেকে সম্বোধন করে) বলতে লাগলেন:
আবু সুফিয়ান! কাজের কাজ করলে? যুদ্ধে আবর্তন বিবর্তন ঘটেই। এক যুদ্ধে আরেকটি যুদ্ধের প্রতিশোধ হয়ে যায়।
أعل هبل
হে হুবাল! তোমার ধর্মের জয় হোক। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) উমর (রা)-কে নির্দেশ দিলেন, উঠ, তার জবাব দাও এবং বল:
الله أعلى وأجل
لاسواء قتلانا في الجنة وقتلاكم في النار
আল্লাহ্ই শ্রেষ্ঠ ও মহান। আমরা আর তোমরা সমান নই। আমাদের নিহতরা জান্নাতে আর তোমাদের নিহতরা জাহান্নামে।
এ জবাব শুনে আবু সুফিয়ান বললেন: হে উমর এদিকে এসো। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) উমর (রা)-কে বললেন: তুমি তার কাছে যাও এবং দেখ তার কি হয়েছে। উমর (রা) তার কাছে গেলে আবু সুফিয়ান তাঁকে বললেন: আল্লাহ্র কসম দিয়ে বলছি, হে উমর! বলতো আমরা কি মুহাম্মাদ (সা)-কে হত্যা করেছি? উমর (রা) জবাব দিলেন: মোটেই নয়। তিনি তো এখনও তোমার সব কথা শুনছেন। আবু সুফিয়ান বললেন: তোমাকে আমি ইব্ন কামিআ থেকে অধিক সত্যবাদি, বিশ্বস্ত মনে করি। সে তো বলছিল, আমি মুহাম্মদ (সা)-কে হত্যা করে ফেলেছি।
ইব্ন হিশাম বলেন: ইব্ন কামিআর নাম ছিল আবদুল্লাহ্।
যুদ্ধ শেষে আবু সুফিয়ান যখন ফেরার ইচ্ছা করলো, তখন সে পাহাড়ের উপর চড়ে চীৎকার করে (নিজেকে সম্বোধন করে) বলতে লাগলেন:
আবু সুফিয়ান! কাজের কাজ করলে? যুদ্ধে আবর্তন বিবর্তন ঘটেই। এক যুদ্ধে আরেকটি যুদ্ধের প্রতিশোধ হয়ে যায়।
أعل هبل
হে হুবাল! তোমার ধর্মের জয় হোক। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) উমর (রা)-কে নির্দেশ দিলেন, উঠ, তার জবাব দাও এবং বল:
الله أعلى وأجل
لاسواء قتلانا في الجنة وقتلاكم في النار
আল্লাহ্ই শ্রেষ্ঠ ও মহান। আমরা আর তোমরা সমান নই। আমাদের নিহতরা জান্নাতে আর তোমাদের নিহতরা জাহান্নামে।
এ জবাব শুনে আবু সুফিয়ান বললেন: হে উমর এদিকে এসো। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) উমর (রা)-কে বললেন: তুমি তার কাছে যাও এবং দেখ তার কি হয়েছে। উমর (রা) তার কাছে গেলে আবু সুফিয়ান তাঁকে বললেন: আল্লাহ্র কসম দিয়ে বলছি, হে উমর! বলতো আমরা কি মুহাম্মাদ (সা)-কে হত্যা করেছি? উমর (রা) জবাব দিলেন: মোটেই নয়। তিনি তো এখনও তোমার সব কথা শুনছেন। আবু সুফিয়ান বললেন: তোমাকে আমি ইব্ন কামিআ থেকে অধিক সত্যবাদি, বিশ্বস্ত মনে করি। সে তো বলছিল, আমি মুহাম্মদ (সা)-কে হত্যা করে ফেলেছি।
ইব্ন হিশাম বলেন: ইব্ন কামিআর নাম ছিল আবদুল্লাহ্।
📄 আবু সুফিয়ানের হুমকি
ইবন ইসহাক বলেন: এরপর আবু সুফিয়ান ঘোষণা করলেন: হে মুসলিম সম্প্রদায়! তোমাদের নিহতদের কতকের মুছলা করা হয়েছে, (নাক, কান কেটে দেওয়া হয়েছে)। কিন্তু আল্লাহ্র কসম! আমি এতে সন্তুষ্টও নই এবং অসন্তুষ্টও নই। আমি এ ব্যাপারে নির্দেশও দেইনি, এ থেকে নিষেধও করিনি।
আবু সুফিয়ান তার সঙ্গীদের নিয়ে ফিরে যাওয়ার সময় বললেন: আগামী বছর বদর প্রান্তরে তোমাদের সাথে আমাদের আবার যুদ্ধ হবে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) জনৈক সাহাবীকে বললেন: বল, ঠিক আছে। তোমাদের ও আমাদের মাঝে এই কথা রইলো।
ইবন ইসহাক বলেন: এরপর আবু সুফিয়ান ঘোষণা করলেন: হে মুসলিম সম্প্রদায়! তোমাদের নিহতদের কতকের মুছলা করা হয়েছে, (নাক, কান কেটে দেওয়া হয়েছে)। কিন্তু আল্লাহ্র কসম! আমি এতে সন্তুষ্টও নই এবং অসন্তুষ্টও নই। আমি এ ব্যাপারে নির্দেশও দেইনি, এ থেকে নিষেধও করিনি।
আবু সুফিয়ান তার সঙ্গীদের নিয়ে ফিরে যাওয়ার সময় বললেন: আগামী বছর বদর প্রান্তরে তোমাদের সাথে আমাদের আবার যুদ্ধ হবে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) জনৈক সাহাবীকে বললেন: বল, ঠিক আছে। তোমাদের ও আমাদের মাঝে এই কথা রইলো।
📄 আলী (রা) কর্তৃক মুশরিক বাহিনীর অনুসরণ
এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সা) আলী ইব্ন আবু তালিব (রা)-কে নির্দেশ দিলেন: তাদের পিছু পিছু গিয়ে তাদের গতিবিধি লক্ষ্য কর। যদি তুমি দেখ তারা অশ্বপাল এক পাশে হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, আর নিজেরা উটে আরোহণ করেছে, তবে মনে করবে, তারা মক্কায় ফিরে যাচ্ছে। আর যদি তারা ঘোড়ায় আরোহণ করে, উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে যায়, তবে মনে করবে, তারা মদীনার দিকে রওনা হয়েছে। ঐ সত্তার কসম! যাঁর হাতে আমার জীবন, যদি তারা মদীনা আক্রমণ করার ইচ্ছা করে, আমি নিজেই তাদের দিকে অগ্রসর হব এবং তাদের সাথে অবশ্যই যুদ্ধ করব।
আলী ইব্ন আবু তালিব (রা) বলেন: আমি তাদের অনুসরণ করতে গিয়ে লক্ষ্য করলাম যে, তারা তাদের ঘোড়াগুলো একপাশে রেখে, নিজেরা উটের উপর আরোহণ করেছে এবং মক্কার দিকে রওনা হয়েছে।