📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 রাসূলুল্লাহ (সা)-এর পার্বত্য ঘাঁটিতে উপনীত হওয়া প্রসংগে

📄 রাসূলুল্লাহ (সা)-এর পার্বত্য ঘাঁটিতে উপনীত হওয়া প্রসংগে


ইবন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (স) যখন পার্বত্য ঘাঁটিতে উপনীত হলেন, তখন আলী ইব্‌ন আবূ তালিব (রা) পানির সন্ধানে বের হয়ে উহুদের পাশ্ববর্তী মিহরাস জলাশয় থেকে তাঁর ঢাল ভরে পানি নিয়ে এলেন এবং রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর খিদমতে পান করার জন্য তা পেশ করলেন। তিনি তাতে দুর্গন্ধ অনুভব করে অপছন্দ করলেন, তা পান করলেন না, বরং তা দিয়ে তাঁর পবিত্র চেহারার রক্ত ধৌত করলেন। আর তিনি তাঁর মাথায় এ পানি ঢালার সময় বলতে লাগলেন: সে ব্যক্তির উপর আল্লাহ্র গযব খুবই কঠোর, যে তাঁর নবীর চেহারা রক্তে রঞ্জিত করেছে।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 সা'দ ইব্‌ন আবূ ওয়াক্কাসের ঈমানী জযাব

📄 সা'দ ইব্‌ন আবূ ওয়াক্কাসের ঈমানী জযাব


আমার কাছে সালিহ্ ইব্‌ন্ন কায়সান জনৈক ব্যক্তির সুত্রে সা'দ ইব্‌ন আবূ ওয়াক্কাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন: আল্লাহ্র কসম! আমার অন্তরে কোন মানুষকে হত্যা করার তীব্র ইচ্ছা কখনো জন্মেনি, যতটা আমার ভাই উতবাকে হত্যা করার ব্যাপারে জন্মেছিল। যদিও আমি জানতাম যে, এ কারণে আমি আমার সম্প্রদায়ের কাছে ঘৃণিত হয়ে যাব। কিন্তু আমার জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর এ ইরশাদই যথেষ্ট যে, সে ব্যক্তির উপর আল্লাহর গযব খুবই কঠোর, যে তাঁর রাসূলের চেহারা রক্তে রঞ্জিত করেছে।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 কুরায়শদের পশ্চদ্ধাবন প্রসংগে

📄 কুরায়শদের পশ্চদ্ধাবন প্রসংগে


ইবন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) তার সাথীদের সংগে ঘাঁটিতে ছিলেন, এমন সময় কুরায়শের কিছু লোক পাহাড়ের চূড়ায় আক্রমণের উদ্দেশ্যে উঠে গেল।
ইবন হিশামের বর্ণনা মতে, এ দলের দলপতি ছিলেন খালিদ ইব্‌ন ওয়ালীদ।
ইন্ন ইসহাক বলেন: তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) বললেন: اللَّهُمَّ إِنَّهُ لَا يَنْبَغِي لَهُمْ أَنْ يُعْلُونَا
হে আল্লাহ্! তাদের জন্য আমাদের উপর চড়াও হওয়া উচিত হবে না। অবশেষে উমর (রা)-সহ মুহাজিরদের একটি দল তীব্র মুকাবিলা করে তাদের পাহাড় থেকে নামিয়ে দেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 তালহা (রা) কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা) সাহায্যকরণ

📄 তালহা (রা) কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা) সাহায্যকরণ


ইন্ন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) পাহাড়ের একটি টিলায় আরোহণ করতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু তিনি আহত হওয়ার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, এছাড়া তিনি দুটো লৌহ বর্ম পরিহিত ছিলেন, এ কারণে তিনি সেখানে আরোহণ করতে সক্ষম হলেন না। তখন তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ্ (রা) এসে তাঁর কাছে বসে গেলেন এবং রাসূলুল্লাহ তাঁর সাহায্যে টিলার উপর চড়ে নিজেকে সামলে নিলেন।
তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছিলেন : তালহা নিজের উপর জান্নাত ওয়াজিব করে নিয়েছে, যখন সে আল্লাহ্র রাসূলের জন্য এ খিদমতটি আঞ্জাম দিয়েছে।
এ তথ্য আমি পেয়েছি ইয়াহইয়া ইব্‌ন আব্বাদ ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন যুবায়র (রা) থেকে।
ইবন হিশাম বলেন : আমি ইকরামা (রা)-এর সূত্রে আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আব্বাস (রা) থেকে এ তথ্য পেয়েছি যে, রাসূলুল্লাহ (সা) সেদিন সেই ঘাঁটির ধাপে চড়তে পারেন নি।
ইবন হিশাম আরও বলেন : গুফরা (রা)-এর আযাদকৃত গোলাম উমর বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) উহুদ যুদ্ধের দিন আহত হওয়ার কারণে সালাত বসে পড়িয়েছিলেন। আর মুসলমানরাও তাঁর পিছনে বসেই সালাত আদায় করেছিলেন।

ইন্ন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) পাহাড়ের একটি টিলায় আরোহণ করতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু তিনি আহত হওয়ার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, এছাড়া তিনি দুটো লৌহ বর্ম পরিহিত ছিলেন, এ কারণে তিনি সেখানে আরোহণ করতে সক্ষম হলেন না। তখন তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ্ (রা) এসে তাঁর কাছে বসে গেলেন এবং রাসূলুল্লাহ তাঁর সাহায্যে টিলার উপর চড়ে নিজেকে সামলে নিলেন।
তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছিলেন : তালহা নিজের উপর জান্নাত ওয়াজিব করে নিয়েছে, যখন সে আল্লাহ্র রাসূলের জন্য এ খিদমতটি আঞ্জাম দিয়েছে।
এ তথ্য আমি পেয়েছি ইয়াহইয়া ইব্‌ন আব্বাদ ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন যুবায়র (রা) থেকে।
ইবন হিশাম বলেন : আমি ইকরামা (রা)-এর সূত্রে আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আব্বাস (রা) থেকে এ তথ্য পেয়েছি যে, রাসূলুল্লাহ (সা) সেদিন সেই ঘাঁটির ধাপে চড়তে পারেন নি।
ইবন হিশাম আরও বলেন : গুফরা (রা)-এর আযাদকৃত গোলাম উমর বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) উহুদ যুদ্ধের দিন আহত হওয়ার কারণে সালাত বসে পড়িয়েছিলেন। আর মুসলমানরাও তাঁর পিছনে বসেই সালাত আদায় করেছিলেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00