📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 নাজরানের এক নেতার ছেলের ইসলাম গ্রহণ

📄 নাজরানের এক নেতার ছেলের ইসলাম গ্রহণ


ইব্‌ন হিশাম বলেন: আমি জানতে পেরেছি যে, নাজরানেরা নেতারা তাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে সীলকৃত কিছু কিতাব উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন। যখন তাদের কোন নেতা মারা যেতেন এবং অন্য লোক নেতা নির্বাচিত হতেন, তখন তিনি আগের সীল না খুলে, তার উপর নতুন সীল মেরে দিতেন। রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সময় যিনি নেতা ছিলেন, তিনি একবার হাঁটার সময় হোঁচট খেয়ে পড়ে যান। এ সময় তাঁর ছেলে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর প্রতি উদ্দেশ্য করে বলে: দূরবর্তী ব্যক্তিটি হতভাগা। এ কথা শুনে তার পিতা বললেন: এরূপ বলো না; কারণ তিনি একজন নবী। আমাদের কাছে সংরক্ষিত কিতাবে তাঁর নাম লেখা রয়েছে। যখন তার পিতা মারা গেলেন, তখন তার ছেলে ঐ কিতাবের সীল ভেঙে তা পড়ে দেখার আগ্রহ সংবরণ করতে পারল না। সে তা খোলামাত্রই তাতে নবী (সা)-এর নাম দেখতে পেল। ফলে, সে ইসলাম গ্রহণ করল এবং একনিষ্ঠ মুসলিমান হয়ে গেল। পরবর্তীকালে ইনি হজ্জও করেছিলেন। এ ব্যক্তি রাসূল (সা)-এর প্রশংসা করে এক কবিতা আবৃত্তি করেন, যা হল: "আমার উটনীও খ্রিস্টধর্ম পরিত্যাগ করে আপনার দিকে ছুটে চলেছে, এমনকি তার পেটে সন্তান নিয়েও সে দৌড়াচ্ছে।"

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 পূর্বদিকে মুখ ফিরিয়ে তাদের সালাত আদায়

📄 পূর্বদিকে মুখ ফিরিয়ে তাদের সালাত আদায়


ইবন ইসহাক বলেন: মুহাম্মদ ইব্‌ন জা'ফর ইব্‌ন যুবায়র আমাকে জানিয়েছেন যে, এ খ্রিস্টান প্রতিনিধি দল যখন মদীনায় মসজিদে নববীতে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে উপস্থিত হল, তখন তিনি আসরের সালাত আদায় শেষ করেছিলেন। তাদের পরনে ছিল ইয়ামানী পোশাক এবং তারা বনূ হারিস ইব্‌ন কা'বের উটে সওয়ার হয়ে এসেছিল। প্রত্যক্ষদর্শী সাহাবীদের কেউ কেউ বলেছিলেন: তাদের মত আর কোন প্রতিনিধি দল আমরা আর কখনো দেখিনি। তারা যখন এসেছিল, তখন তাদের সালাতের সময় হয়েছিল। তারা মসজিদে নববীতেই পূর্বদিকে মুখ করে সালাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সা) সমবেত সাহাবীদের উদ্দেশ্য করে বললেন: তাদের সালাত আদায় করতে দাও। তখন তারা পূর্বদিকে মুখ ফিরিয়ে সালাত আদায় করল।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 তাদের নাম ও আকীদা

📄 তাদের নাম ও আকীদা


ইবন ইসহাক বলেন: আগন্তুকদের মধ্যে নেতৃস্থানীয় চৌদ্দজনের নাম হল:
আবদুল মাসীহ-যার উপাধি আকিব, আয়হাম-যার উপাধি সায়্যিদ, আবু হারিসা ইব্‌ন আলকামা-ইনি বনূ বকরের সদস্য; আওস, হারিস, যায়দ, কায়স, ইয়াযীদ, নাবীহ, খুয়ায়লিদ, আমর, খালিদ, আবদুল্লাহ্, ইউহান্নাস। তাদের মোট সংখ্যা ছিল ষাট। এ দলের পক্ষ থেকে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সঙ্গে কথা বলেন আবূ হারিসা ইব্‌ন আলকামা, আবদুল মাসীহ আকিব ও আয়হাম। এরা সকলে রোম সাম্রাজ্যের ধর্ম খ্রিস্টবাদের অনুসারী ছিল। তবে হযরত ঈসা সম্পর্কে তাদের কিছুটা মতপার্থক্য ছিল। কেউ কেউ বলত, তিনি স্বয়ং আল্লাহ্, কেউ কেউ বলত, তিনি আল্লাহ্র পুত্র। কেউ কেউ বলত, তিনি তিন খোদার তৃতীয় খোদা। ঈসা (আ) সম্পর্কে খ্রিস্টানরা এ ধরনের আকীদা পোষণ করত।
যারা তাঁকে স্বয়ং আল্লাহ্ বলে আখ্যায়িত করত, তাদের যুক্তি ছিল এই যে, তিনি মৃতদের জীবিত করতেন, রোগীদের রোগমুক্ত করতেন, অদৃশ্য সম্পর্কে খবর দিতেন এবং মাটি দিয়ে পাখির আকৃতি গঠন করে তাতে তিনি ফুঁক দিলে তা পাখি হয়ে যেত। এসবই তিনি আল্লাহ্র এ উক্তি অনুসারে করতেন যে, "তাকে আমি মানুষের জন্য একটি নিদর্শন বানাতে চাই।"
যারা তাকে আল্লাহ্র পুত্র বলে মনে করত, তাদের যুক্তি ছিল এই যে, তাঁর কোন পিতা ছিল বলে জানা যায় না, অথচ তিনি দোলনায় থাকা অবস্থায় কথা বলেছেন, যা ইতিপূর্বে আর কোন আদম সন্তান বলেনি।
পক্ষান্তরে, যারা বলত যে, হযরত 'ঈসা (আ) তিন খোদার তৃতীয়জন, তাদের যুক্তি এই যে, আল্লাহ্ তা'আলা সাধারণত এভাবে কথা বলে থাকেন যে, "আমরা সৃষ্টি করেছি", "আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি," ইত্যাদি। তিনি যদি একক হতেন, তা হলে বলতেন, "আমি সৃষ্টি করেছি", "আমি নির্দেশ দিয়েছি", "আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি" এবং "আমি করেছি"-এ ধরনের একবচন শব্দ ব্যবহার করতেন; বহু বচনের শব্দ ব্যবহার করতেন না। বস্তুত বিশ্বপ্রভু আসলে তিনজন : আল্লাহ্, মারইয়াম ও ঈসা (আ)। কুরআন তাদের এ তিনটি মতবাদই খণ্ডন করেছে। নাজরানী খ্রিস্টান প্রতিনিধি দলের সর্বোচ্চ নেতৃদ্বয় যখন রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সঙ্গে কথা বললেন, তখন তিনি তাদেরকে বললেন: "তোমরা ইসলাম গ্রহণ কর।" তারা বললেন: আমরা ইসলাম গ্রহণ করেছি। রাসূল (সা) বললেন: "তোমারা ইসলাম গ্রহণ করোনি। এখন কর।" তারা বললেন: "আমরা আপনারও আগে ইসলাম গ্রহণ করেছি।" রাসূলুল্লাহ্ (সা) বললেন: "তোমরা অসত্য বলছ। তোমাদের এ কথা যে, আল্লাহ্ পুত্র আছে, ক্রুশের পূজা করা এবং শূকর খাওয়া ইসলাম গ্রহণের পথে প্রতিবন্ধক।" তারা উভয়ে বললেন: "তা হলে ঈসার পিতা কে, হে মুহাম্মদ?" রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাদের এ কথার জবাব না দিয়ে চুপ করে থাকলেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 এদের সম্পর্কে কুরআনে যা নাযিল হয়েছে

📄 এদের সম্পর্কে কুরআনে যা নাযিল হয়েছে


এর জবাবে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আলে-ইমরানের প্রথম থেকে আশি আয়াতেরও ধিক আয়াত নাযিল করেন। সূরার শুরুতেই তিনি তাদের মিথ্যা ধারণা থেকে নিজের পবিত্রতা ঘোষণা করেছেন। বিশ্বের সৃষ্টি ও পরিচালনা উভয় ক্ষেত্রেই তিনি নিজের একক কর্তৃত্বের কথা ঘোষণা করেছেন। খ্রিস্টানরা এক্ষেত্রে আল্লাহর যে শরীক নির্ধারণ করেছে, এ দ্বারা তার প্রতিবাদ করা হয়েছে। আল্লাহ্ নিজেকে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী বলে ঘোষণা করেছেন। অথচ ঈসা মরণশীল ও স্থিতিহীন; অথচ তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে। আল্লাহ্ এ সূরায় আরো বলেন: "তিনি সত্যসহ আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন।” অর্থাৎ তারা যে বিষয়ে মতভেদ করছে, তার মীমাংসা তিনি এ কিতাবে করেছেন। তারপর তিনি বলেন: "এবং তিনি তাওরাত ও ইনজীল নাযিল করেছেন।” অর্থাৎ মূসার উপর তাওরাত এবং ঈসার উপর ইনজীল, যেমন অন্যান্য কিতাব পূর্বেকার অন্যান্য নবীর উপর নাযিল করেছেন। তারপর আল্লাহ্ বলেন: "এবং ফুরকান নাযিল করেছেন" অর্থাৎ ঈসা (আ) ও অন্যান্য নবীর ব্যাপারে বিভিন্ন দল ও গোষ্ঠীর মাঝে যে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছিল, তার মধ্যে কোন্টি সঠিক তা নির্ধারণ করার জন্য সর্বশেষ কিতাব কুরআন নাযিল করেছেন।
তারপর আল্লাহ্ বলেন: "যারা আল্লাহ্র নিদর্শনকে প্রত্যাখ্যান করে, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। আর আল্লাহ্ মহা পরাক্রমশালী দণ্ডদাতা।" অর্থাৎ আল্লাহ্ আয়াতগুলো নাযিল হওয়ার পর এবং তা জানার পর যারা সেগুলোকে অস্বীকার করেছে, তাদের উপর আল্লাহ্ প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন। তারপর আল্লাহ্ বলেন: "আল্লাহ্! আসমান ও যমীনে কিছুই তাঁর কাছে গোপন থাকে না।"
অর্থাৎ খ্রিস্টানরা যে দুরভিসন্ধি পোষণ করে, যে চক্রান্ত আঁটে এবং ঈসা (আ) যে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ্র বান্দা ও রাসূল, তা জানা সত্ত্বেও তাকে যে খোদা ও উপাস্য হিসাবে মানে এবং এসবই তারা শুধুমাত্র আল্লাহ্র প্রতি ঔদ্ধত্য দেখানো ও তাঁকে অমান্য করার জন্যই করে। তাদের এ সকল অপতৎপরতা আল্লাহ্ অবগত আছেন। এরপর আল্লাহ্ বলেন: "তিনি-ই মায়ের গর্ভে যেভাবে ইচ্ছা তোমাদের আকৃতি গঠন করেন।” অর্থাৎ ঈসাও অন্যান্য মানুষের মতই একজন মানুষ। তাঁকে আল্লাহ্ অন্যান্য আদম সন্তানের মত মায়ের পেটে আকৃতি দান করেছেন। কোন মানুষ তা ঠেকাতে পারেনি এবং এ কথা কেউ অস্বীকার করে না। মায়ের পেটেই যার জন্ম, সে কিভাবে খোদা হতে পারে? এরপরই আল্লাহ্ নিজের পবিত্রতা ঘোষণা করেন এবং মুশরিকরা তাঁর সঙ্গে যেসব জিনিসকে শরীক করে, তা থেকে নিজেকে মুক্ত ঘোষণা করে বলেন: "তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই; তিনি প্রবল পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।” এর অর্থ এই যে, যারা তাঁর সংগে কুফরী করে, তাদের থেকে তিনি যখনই চান প্রতিশোধ গ্রহণে পরাক্রমশালী। আর তিনি মহাজ্ঞানী-এ কথার তাৎপর্য এই যে, তিনি তাঁর বান্দাদের বোঝানোর ব্যাপারে দলীল উপস্থাপনে সূক্ষ্ম কৌশল ও দক্ষতার অধিকারী। এরপর আল্লাহ্ বলেন: "তিনিই আপনার প্রতি এ কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট, দ্ব্যর্থহীন; এগুলো কিতাবের মূল অংশ আর অন্যগুলো রূপক।" দ্ব্যর্থহীন ও অকাট্য আয়াতগুলোতেই রয়েছে আল্লাহ্ সংক্রান্ত সুস্পষ্ট বিবরণ, যুক্তি, বান্দাদের আখিরাতের মুক্তির পথনির্দেশনা এবং বিরোধী ও বাতিলপন্থীদের যুক্তি খণ্ডনকারী বক্তব্য। এসব আয়াতে কোন ঘোরপ্যাঁচের অবকাশ নেই, এগুলোর সুনির্দিষ্ট মর্মকেও বিকৃত করার কোন সুযোগ নেই। পক্ষান্তরে, অস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থবোধক আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের সুযোগ রয়েছে। এগুলো দিয়ে আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের পরীক্ষা করেন। যেমন হালাল-হারামের বিধান দিয়ে পরীক্ষা করেছেন। এগুলোর অর্থ বাতিলের পক্ষে ও সত্যের বিরুদ্ধে যায় এমন ব্যাখ্যা করা হয় কিনা, সেটাই পরীক্ষার বিষয়। পরবর্তী আয়াতে আল্লাহ্ বলেন: “যাদের অন্তরে সত্য-লংঘন প্রবণতা রয়েছে, শুধু তারাই ফিতনা এবং ভুল বাখ্যার উদ্দেশ্যে যা রূপক তার অনুসরণ করে।" অর্থাৎ যারা গুমরাহীর প্রতি আগ্রহী, তারা তাদের মনগড়া বাতিল ধ্যান-ধারণার পক্ষে দাঁড় করানোর জন্য দ্ব্যর্থবোধক আয়াতগুলোর উদ্দেশ্য প্রণোদিত ব্যাখ্যা দেয়। আল্লাহ্ বলেন: "ফিতনা অনুসন্ধানের জন্য এবং বিকৃত ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই” (তারা এ দ্ব্যর্থবোধক আয়াতগুলোর অনুসরণ করে)। অর্থাৎ আল্লাহ্ তা'আলা যেসব আয়াতে "আমরা সৃষ্টি করেছি", "আমরা ফায়সালা করেছি" ইত্যাদি বলেছেন, তা দ্বারা বিভ্রান্তি ও গুমরাহী ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এ সবের অপব্যাখ্যা করে। আল্লাহ্ বলেন: "আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না।" অর্থাৎ তারা যেসব আয়াতের অপব্যাখ্যা করে, তার প্রকৃত ব্যাখ্যা শুধু আল্লাহই জানেন। এরপর আল্লাহ্ বলেন: "আর জ্ঞানে যারা সুগভীর, তারা বলে, আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি, সমস্ত-ই আমাদের রবের নিকট থেকে আগত।” অর্থাৎ সকল আয়াতের উৎস যখন আল্লাহ্, তখন একটি অপরটির বিপরীত হয় কি করে? এরপর তারা স্পষ্ট আয়াতের বক্তব্যের আলোকেই অস্পষ্ট আয়াতেরও ব্যাখ্যা করে। ফলে আল্লাহ্ কিতাব সুসমন্বিত ও সুবিন্যস্ত কিতাবে পরিণত হয় এবং তা বাতিলের খণ্ডনকারী ও কুফরী অপনোদনকারী হিসাবে বহাল থাকে। তাই আল্লাহ্ পরবর্তী আয়াতে বলেন: "এবং বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরা ব্যতীত অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না।"
তারা এ বলে আল্লাহ্র কাছে দু'আ করে: “হে আমাদের রব! সরল পথ দেখানোর পর আমাদের অন্তরকে সত্য-লংঘনপ্রবণ করো না।" অর্থাৎ আমরা আমাদের মতিভ্রমের কারণে গুমরাহীর দিকে ঝুঁকে পড়লেও তুমি আমাদের বিপথগামী করো না। তারা আরো বলে: “(হে আল্লাহ্!) আমাদেরকে তোমার পক্ষ থেকে রহমত দান কর, তুমি-ই মহাদাতা।" এরপর আল্লাহ্ বলেন: "আল্লাহ্ সাক্ষ্য দেন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই, ফেরেশতাগণ এবং জ্ঞানীগণও; আল্লাহ্ ন্যায়নীতিতে প্রতিষ্ঠিত, তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।"
(হে মুহাম্মদ! আপনি যে ধর্মের উপর আছেন সেই) "ইসলাম আল্লাহর নিকট একমাত্র দীন।” অর্থাৎ এক আল্লাহ্র অনুগত্য করা এবং নবীদের সত্য বলে স্বীকার করাই একমাত্র ধর্ম। আল্লাহ্ আরো বলেন: "আর যাদের কিতাব দেওয়া হয়েছিল, তারা পরস্পর বিদ্বেষবশত তাদের নিকট জ্ঞান আসার পর মতানৈক্য ঘাটিয়েছিল। আর কেউ আল্লাহর নিদর্শনকে প্রত্যাখ্যান করলে, আল্লাহ্ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত তৎপর।" যদি তারা আপনার সংগে বিতর্কে লিপ্ত হয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00