📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 ইয়াহুদীদের ওহী অস্বীকার

📄 ইয়াহুদীদের ওহী অস্বীকার


ইবন ইসহাক বলেন: সাকীন ও আদী ইব্‌ন যায়দ বলল: হে মুহাম্মদ! মূসার পর আল্লাহ্ আর কোন মানবের প্রতি ওহী নাযিল করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। তাদের এ উক্তির প্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
إِنَّا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ كَمَا أَوْحَيْنَا إِلى نُوحٍ وَالنَّبِيِّنَ مِنْ بَعْدِهِ وَأَوْحَيْنَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَاسْمَعِيلَ وَاسْحَقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَعِيسَى وَأَيُّوبَ وَيُونُسَ وَهُرُونَ وَسُلَيْمَنَ وَأَتَيْنَا دَاوُدَ زَبُورًا ، وَرُسُلًا قَدْ قَصَصْنَهُمْ عَلَيْكَ مِنْ قَبْلُ وَرُسُلًا لَمْ نَقْصُصْهُمْ عَلَيْكَ وَكَلَّمَ اللهُ مُوسَى تَكْلِيمًا ، رُسُلًا مُّبَشِّرِينَ وَمُنْذِرِينَ لِئَلا يَكُونَ لِلْناسِ عَلَى اللَّهِ حُجَّةٌ بَعْدَ الرُّسُلِ وَكَانَ اللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًا .
"নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট ওহী নাযিল করেছি যেমন ওহী নাযিল করেছিলাম নূহ এবং তার পরবর্তী নবীগণের প্রতি এবং ওহী নাযিল করেছিলাম ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকূব ও তাঁর বংশধরগণ, ঈসা, আইয়ূব, ইউনূস, হারূন ও সুলায়মানের নিকট। আর আমি দাউদকে যাবুর দিয়েছিলাম। আমি অনেক রাসূল প্রেরণ করেছি যাদের কথা পূর্বে আপনাকে বলেছি এবং অনেক রাসূল যাদের কথা আপনাকে বলিনি। আর মূসার সাথে আল্লাহ্ সরাসরি বাক্যালাপ করেছিলেন। সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী রাসূল প্রেরণ করেছি, যাতে রাসূল আসার পর আল্লাহ্র বিরুদ্ধে মানুষের কোন অভিযোগ না থাকে। আর আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" (৪: ১৬৩-১৬৪)
রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট তাদের একটি দল এসে হাযির হল। তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বললেন:
اما والله انكم لتعلمون اني رسول من الله اليكم
"শোন, আল্লাহর কসম! তোমরা অবশ্যই জান যে, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহ্র তরফ থেকে প্রেরিত রাসূল।"
তারা বলল: আমরা তো তা অবগত নই, আর না আমরা তার সাক্ষ্য দেব। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের সে উক্তি সম্পর্কে নাযিল করেন:
لكن اللهُ يَشْهَدُ بِمَا أَنْزَلَ إِلَيْكَ أَنْزَلَهُ بِعِلْمِهِ وَالْمَلَئِكَةُ يَشْهَدُونَ وَكَفَى بِاللهِ شَهِيدًا .
"আপনার প্রতি আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন, তা তিনি জেনেশুনে করেছেন। আল্লাহ্ এর সাক্ষী এবং ফেরেশতাগণও সাক্ষী এবং সাক্ষী হিসাবে আল্লাহ্-ই যথেষ্ট।” (৪: ১৬৬)

ইবন ইসহাক বলেন: সাকীন ও আদী ইব্‌ন যায়দ বলল: হে মুহাম্মদ! মূসার পর আল্লাহ্ আর কোন মানবের প্রতি ওহী নাযিল করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। তাদের এ উক্তির প্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
إِنَّا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ كَمَا أَوْحَيْنَا إِلى نُوحٍ وَالنَّبِيِّنَ مِنْ بَعْدِهِ وَأَوْحَيْنَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَاسْمَعِيلَ وَاسْحَقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَعِيسَى وَأَيُّوبَ وَيُونُسَ وَهُرُونَ وَسُلَيْمَنَ وَأَتَيْنَا دَاوُدَ زَبُورًا ، وَرُسُلًا قَدْ قَصَصْنَهُمْ عَلَيْكَ مِنْ قَبْلُ وَرُسُلًا لَمْ نَقْصُصْهُمْ عَلَيْكَ وَكَلَّمَ اللهُ مُوسَى تَكْلِيمًا ، رُسُلًا مُّبَشِّرِينَ وَمُنْذِرِينَ لِئَلا يَكُونَ لِلْناسِ عَلَى اللَّهِ حُجَّةٌ بَعْدَ الرُّسُلِ وَكَانَ اللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًا .
"নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট ওহী নাযিল করেছি যেমন ওহী নাযিল করেছিলাম নূহ এবং তার পরবর্তী নবীগণের প্রতি এবং ওহী নাযিল করেছিলাম ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকূব ও তাঁর বংশধরগণ, ঈসা, আইয়ূব, ইউনূস, হারূন ও সুলায়মানের নিকট। আর আমি দাউদকে যাবুর দিয়েছিলাম। আমি অনেক রাসূল প্রেরণ করেছি যাদের কথা পূর্বে আপনাকে বলেছি এবং অনেক রাসূল যাদের কথা আপনাকে বলিনি। আর মূসার সাথে আল্লাহ্ সরাসরি বাক্যালাপ করেছিলেন। সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী রাসূল প্রেরণ করেছি, যাতে রাসূল আসার পর আল্লাহ্র বিরুদ্ধে মানুষের কোন অভিযোগ না থাকে। আর আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" (৪: ১৬৩-১৬৪)
রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট তাদের একটি দল এসে হাযির হল। তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বললেন:
اما والله انكم لتعلمون اني رسول من الله اليكم
"শোন, আল্লাহর কসম! তোমরা অবশ্যই জান যে, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহ্র তরফ থেকে প্রেরিত রাসূল।"
তারা বলল: আমরা তো তা অবগত নই, আর না আমরা তার সাক্ষ্য দেব। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের সে উক্তি সম্পর্কে নাযিল করেন:
لكن اللهُ يَشْهَدُ بِمَا أَنْزَلَ إِلَيْكَ أَنْزَلَهُ بِعِلْمِهِ وَالْمَلَئِكَةُ يَشْهَدُونَ وَكَفَى بِاللهِ شَهِيدًا .
"আপনার প্রতি আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন, তা তিনি জেনেশুনে করেছেন। আল্লাহ্ এর সাক্ষী এবং ফেরেশতাগণও সাক্ষী এবং সাক্ষী হিসাবে আল্লাহ্-ই যথেষ্ট।” (৪: ১৬৬)

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর প্রতি তাদের পাথর নিক্ষেপের ব্যাপারে ঐকমত্য

📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর প্রতি তাদের পাথর নিক্ষেপের ব্যাপারে ঐকমত্য


রাসূলুল্লাহ্ (সা) একদা বনূ আমিরের দুই ব্যক্তির রক্তপণ পরিশোধে সাহায্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে, যাদের আমর ইবন উমাইয়া যামারী হত্যা করেছিল, বনূ নাযীরের নিকট গমন করেন। তখন তারা গোপনে এরূপ বলাবলি করল যে, এ মুহূর্তের মতো মুহাম্মদকে এত নিকটে তোমরা আর কখনও পাবে না। সুতরাং এমন কে আছে, যে ঐ ঘরের উপর উঠে কোন বিরাট পাথরখণ্ড তাঁর উপর নিক্ষেপ করে তাঁর উপদ্রব থেকে আমাদের রক্ষা করবে? তখন আমর ইব্‌ন জাহাশ ইব্‌ন কা'ব বলল, আমি।
এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি সেখান থেকে চলে আসেনও এ সময় আল্লাহ্ তার ও তার সম্প্রদায়ের অভিপ্রায়ের কথা জানিয়ে দিয়ে নাযিল করেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَذْكُرُوا نِعْمَتَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ هُمَّ قَوْمٌ أَنْ يَبْسُطُوا إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ فَكَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنْكُمْ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَعَلَى اللهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ -
"হে মু'মিনগণ! তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর, যখন এক সম্প্রদায় তোমাদের বিরুদ্ধে হাত উত্তোলন করতে চেয়েছিল, তখন আল্লাহ্ তাদের হাত সংযত করেছিলেন এবং আল্লাহকে ভয় কর, আর আল্লাহ্-ই প্রতি মু'মিনগণ নির্ভর করুক।" (৫: ১১)

রাসূলুল্লাহ্ (সা) একদা বনূ আমিরের দুই ব্যক্তির রক্তপণ পরিশোধে সাহায্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে, যাদের আমর ইবন উমাইয়া যামারী হত্যা করেছিল, বনূ নাযীরের নিকট গমন করেন। তখন তারা গোপনে এরূপ বলাবলি করল যে, এ মুহূর্তের মতো মুহাম্মদকে এত নিকটে তোমরা আর কখনও পাবে না। সুতরাং এমন কে আছে, যে ঐ ঘরের উপর উঠে কোন বিরাট পাথরখণ্ড তাঁর উপর নিক্ষেপ করে তাঁর উপদ্রব থেকে আমাদের রক্ষা করবে? তখন আমর ইব্‌ন জাহাশ ইব্‌ন কা'ব বলল, আমি।
এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি সেখান থেকে চলে আসেনও এ সময় আল্লাহ্ তার ও তার সম্প্রদায়ের অভিপ্রায়ের কথা জানিয়ে দিয়ে নাযিল করেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَذْكُرُوا نِعْمَتَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ هُمَّ قَوْمٌ أَنْ يَبْسُطُوا إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ فَكَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنْكُمْ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَعَلَى اللهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ -
"হে মু'মিনগণ! তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর, যখন এক সম্প্রদায় তোমাদের বিরুদ্ধে হাত উত্তোলন করতে চেয়েছিল, তখন আল্লাহ্ তাদের হাত সংযত করেছিলেন এবং আল্লাহকে ভয় কর, আর আল্লাহ্-ই প্রতি মু'মিনগণ নির্ভর করুক।" (৫: ১১)

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানদের আল্লাহ্র প্রিয়জন হওয়ার দাবি

📄 ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানদের আল্লাহ্র প্রিয়জন হওয়ার দাবি


একদা নু'মান ইব্‌ন আযা, বাহরী ইবন উমর এবং শাস ইব্‌ন আদী রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলে। রাসূলুল্লাহ্ (সা)-ও তাদের সাথে কথা বলেন এবং তাদেরকে আল্লাহ্ দিকে দাওয়াত দেন এবং তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের পরিণাম সম্পর্কে তাদের হুশিয়ার করে দেন। তারা বলল: হে মুহাম্মদ! আপনি আমাদের কিসের ভয় দেখান। আল্লাহর কসম! আমরা হলাম আল্লাহর পুত্র এবং তাঁর প্রিয়জন, যেমন খ্রিস্টানরা বলে থাকে। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের সম্পর্কে নাযিল করেন: وَقَالَتِ الْيَهُودُ وَالنَّصْرَى نَحْنُ ابْنُو اللَّهِ وَاحِبَّاؤُهُ قُلْ فَلِمَ يُعَذِّبُكُمْ بِذُنُوبِكُمْ بَلْ أَنْتُمْ بَشْرٌ مِّمَّنْ خَلَقَ يَغْفِرُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَنْ يَشَاءُ وَلِلَّهِ مُلْكُ السَّمواتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَإِلَيْهِ الْمَصِيرُ -
"ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানগণ বলে, আমরা আল্লাহ্র পুত্র ও তাঁর প্রিয়। আপনি বলুন, তবে কেন তিনি তোমাদের পাপের জন্য তোমাদের শাস্তি দেন? না, তোমরা মানুষ তাদেরই মত, যাদের আল্লাহ্ সৃষ্টি করেছেন। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং তিনি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন; আসমান ও যমীনের এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তার সার্বভৌমত্ব আল্লাহ্-ই। আর প্রত্যাবর্তন তাঁর-ই দিকে।" (৫: ১৮)

একদা নু'মান ইব্‌ন আযা, বাহরী ইবন উমর এবং শাস ইব্‌ন আদী রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলে। রাসূলুল্লাহ্ (সা)-ও তাদের সাথে কথা বলেন এবং তাদেরকে আল্লাহ্ দিকে দাওয়াত দেন এবং তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের পরিণাম সম্পর্কে তাদের হুশিয়ার করে দেন। তারা বলল: হে মুহাম্মদ! আপনি আমাদের কিসের ভয় দেখান। আল্লাহর কসম! আমরা হলাম আল্লাহর পুত্র এবং তাঁর প্রিয়জন, যেমন খ্রিস্টানরা বলে থাকে। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের সম্পর্কে নাযিল করেন: وَقَالَتِ الْيَهُودُ وَالنَّصْرَى نَحْنُ ابْنُو اللَّهِ وَاحِبَّاؤُهُ قُلْ فَلِمَ يُعَذِّبُكُمْ بِذُنُوبِكُمْ بَلْ أَنْتُمْ بَشْرٌ مِّمَّنْ خَلَقَ يَغْفِرُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَنْ يَشَاءُ وَلِلَّهِ مُلْكُ السَّمواتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَإِلَيْهِ الْمَصِيرُ -
"ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানগণ বলে, আমরা আল্লাহ্র পুত্র ও তাঁর প্রিয়। আপনি বলুন, তবে কেন তিনি তোমাদের পাপের জন্য তোমাদের শাস্তি দেন? না, তোমরা মানুষ তাদেরই মত, যাদের আল্লাহ্ সৃষ্টি করেছেন। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং তিনি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন; আসমান ও যমীনের এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তার সার্বভৌমত্ব আল্লাহ্-ই। আর প্রত্যাবর্তন তাঁর-ই দিকে।" (৫: ১৮)

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 মূসা (আ)-এর পর কোন কিতাব নাযিল হওয়ার ব্যাপারে তাদের অস্বীকৃতি

📄 মূসা (আ)-এর পর কোন কিতাব নাযিল হওয়ার ব্যাপারে তাদের অস্বীকৃতি


ইবন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) ইয়াহুদীদের ইসলামের দিকে দাওয়াত দিলেন, এ ব্যাপারে তাদের উৎসাহিত করলেন এবং তিনি তাদের আল্লাহ্ শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলেন। তখন তারা তাঁর কথা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করল এবং তাঁর আনীত শরীআতকে অগ্রাহ্য করল।
তখন মুআয ইব্‌ন জাবাল, সা'দ ইবন উবাদা এবং উব্বা ইব্‌ন ওয়াব (সা) তাদের লক্ষ্য করে বললেন: হে ইয়াহূদী সম্প্রদায়! আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ্র কসম, তোমরা নিশ্চয়ই অবগত আছ যে, তিনি আল্লাহর রাসূল। তাঁর আবির্ভূত হওয়ার পূর্বে তোমরা তাঁর কথা আমাদের কাছে বলাবলি করতে এবং তাঁর গুণাবলীর কথা আমাদের সামনে আলোচনা করতে।
তখন রাফি' ইব্‌ন হুরায়মলা এবং ওয়াহ্ ইব্‌ন ইয়াহুযা বলল: আমরা কস্মিনকালেও এ ব্যাপারে তোমাদের কাছে কিছু বলিনি। আর মূসার পর আল্লাহ্ কোন কিতাবও নাযিল করেননি। আর কোন সুসংবাদদাতা বা সতর্ককারীও তিনি আর প্রেরণ করেননি। তখন আল্লাহ্ তাদের দু'জনের উক্ত মন্তব্যের প্রেক্ষিতে নাযিল করেন:
يَأَهْلَ الْكِتٰبِ قَدْ جَاءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ عَلَى فَتْرَةٍ مِّنَ الرُّسُلِ أَنْ تَقُولُوا مَا جَاءَنَا مِنْ بَشِيرٍ وَلَا نَذِيرٍ فَقَدْ جَاءَكُمْ بَشِيرٌ وَنَذِيرٌ وَاللَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ -
"হে কিতাবীগণ! রাসূল প্রেরণে বিরতির পর আমার রাসূল তোমাদের নিকট এসেছেন, যিনি তোমাদের নিকট স্পষ্টভাবে বর্ণনা করছেন যাতে তোমরা বলতে না পার, কোন সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী আমাদের নিকট আসেননি; এখনতো তোমাদের নিকট একজন সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী এসেছেন। আল্লাহ্ সব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।" (৫: ১৯)
এরপর তাদের কাছে মূসা (আ) এবং তাদের হাতে তাঁর দুর্ভোগ পোহানো, তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গ এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তার প্রতিফল ভোগ এবং দীর্ঘ চল্লিশ বছর পর্যন্ত তাদের ভূ-পৃষ্ঠে লক্ষ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানোর কথা আল্লাহ্ বর্ণনা করেছেন।

ইবন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) ইয়াহুদীদের ইসলামের দিকে দাওয়াত দিলেন, এ ব্যাপারে তাদের উৎসাহিত করলেন এবং তিনি তাদের আল্লাহ্ শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলেন। তখন তারা তাঁর কথা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করল এবং তাঁর আনীত শরীআতকে অগ্রাহ্য করল।
তখন মুআয ইব্‌ন জাবাল, সা'দ ইবন উবাদা এবং উব্বা ইব্‌ন ওয়াব (সা) তাদের লক্ষ্য করে বললেন: হে ইয়াহূদী সম্প্রদায়! আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ্র কসম, তোমরা নিশ্চয়ই অবগত আছ যে, তিনি আল্লাহর রাসূল। তাঁর আবির্ভূত হওয়ার পূর্বে তোমরা তাঁর কথা আমাদের কাছে বলাবলি করতে এবং তাঁর গুণাবলীর কথা আমাদের সামনে আলোচনা করতে।
তখন রাফি' ইব্‌ন হুরায়মলা এবং ওয়াহ্ ইব্‌ন ইয়াহুযা বলল: আমরা কস্মিনকালেও এ ব্যাপারে তোমাদের কাছে কিছু বলিনি। আর মূসার পর আল্লাহ্ কোন কিতাবও নাযিল করেননি। আর কোন সুসংবাদদাতা বা সতর্ককারীও তিনি আর প্রেরণ করেননি। তখন আল্লাহ্ তাদের দু'জনের উক্ত মন্তব্যের প্রেক্ষিতে নাযিল করেন:
يَأَهْلَ الْكِتٰبِ قَدْ جَاءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ عَلَى فَتْرَةٍ مِّنَ الرُّسُلِ أَنْ تَقُولُوا مَا جَاءَنَا مِنْ بَشِيرٍ وَلَا نَذِيرٍ فَقَدْ جَاءَكُمْ بَشِيرٌ وَنَذِيرٌ وَاللَّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ -
"হে কিতাবীগণ! রাসূল প্রেরণে বিরতির পর আমার রাসূল তোমাদের নিকট এসেছেন, যিনি তোমাদের নিকট স্পষ্টভাবে বর্ণনা করছেন যাতে তোমরা বলতে না পার, কোন সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী আমাদের নিকট আসেননি; এখনতো তোমাদের নিকট একজন সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী এসেছেন। আল্লাহ্ সব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।" (৫: ১৯)
এরপর তাদের কাছে মূসা (আ) এবং তাদের হাতে তাঁর দুর্ভোগ পোহানো, তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গ এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তার প্রতিফল ভোগ এবং দীর্ঘ চল্লিশ বছর পর্যন্ত তাদের ভূ-পৃষ্ঠে লক্ষ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানোর কথা আল্লাহ্ বর্ণনা করেছেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00