📄 বিদ্রোহী দলসমূহ
ইবন ইসহাক বলেন: কুরায়শ, গাতফান ও বনু কুরায়যার যেসব ব্যক্তি বিরোধী চক্র গড়ে তুলেছিল, তারা হচ্ছে—হুয়াই ইব্ন আখতাব, সালাম ইব্ন আবুল হুকায়ক; আবূ রাফি, রবী ইন্ন রবী ইব্ন আবুল হুকায়ক, আবূ আম্মার উহুহ্ ইব্ন আমির, হাওযা ইব্ন কায়স। এদের মধ্যে উহুহ, আবু আম্মার ও হাওযা ছিল ওয়ায়ল গোত্রোদ্ভূত আর বাদবাকী সবাই ছিল নযীর গোত্রের লোক। তারা যখন কুরায়শদের কাছে আসল, তখন কুরায়שরা বলল এঁরা হচ্ছেন ইয়াহুদীদের মধ্যে জ্ঞানী এবং এঁদের পূর্বেকার কিতাবের ইল্ম রয়েছে। এঁদের জিজ্ঞেস করে দেখ, তোমাদের ধর্ম উত্তম, নাকি মুহাম্মদের ধর্ম? তারা জিজ্ঞেস করল, তখন তারা জবাবে বলল : বরং তোমাদের ধর্মই উত্তম এবং মুহাম্মদ ও তার অনুসারীদের তুলনায় তোমরাই অধিকতর বিশুদ্ধ পথের অনুসারী। তখন তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন : اَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ أُوتُوا نَصِيبًا مِنَ الْكِتٰبِ يُؤْمِنُونَ بِالْجِبْتِ وَالطَّاغُوتِ - "তুমি কি সে সব লোককে দেখনি, যাদেরকে কিতাবের এক অংশ প্রদান করা হয়েছে, তারা মূর্তি এবং শয়তানকে বিশ্বাস করে থাকে?" (৪ : ৫১)
ইন্ন হিশাম বলেন: মহান আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য যত কিছুর পূজা-অর্চনা করা হয়ে থাকে, সেগুলো আরবদের নিকট জিত্ত (جبت)। আর যতকিছু হক থেকে গুমরাহ ও পথভ্রষ্ট করে, সেসবই তাগূত। جبت এর বহুবচন جبوت এবং طاغوت -এর বহুবচন طواغیت
ইবন হিশাম আরও বলেন: ইব্ন আবু নুজায়হ্ এর প্রমুখাৎ আমি জ্ঞাত হয়েছি যে, তিনি বলেছেন : جبت হচ্ছে : سحر বা জাদু আর তাগূত হচ্ছে শয়তান। وَيَقُولُونَ لِلَّذِينَ كَفَرُوا هَؤُلَاءِ اهْدَى مِنَ الَّذِينَ آمَنُوا سَبِيلاً . "তারা কাফিরদের সম্পর্কে বলে, এদের পথ মু'মিনদের তুলনায় অধিকতর সঠিক।" (৪:৫১)
ইবন ইসহাক বলেন: আল্লাহর বাণী: أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ عَلَى مَا أَنَّهُمُ اللهُ مِنْ فَضْلِهِ فَقَدْ أَتَيْنَا أَلَ إِبْرَاهِيمَ الْكِتٰبَ وَالْحِكْمَةَ وَأَتُيْنَهُمْ مُلكًا عَظِيمًا . "তারা কি এজন্যে মানুষকে ঈর্ষা করে যে, আল্লাহ তা'আলা তাঁর অনুগ্রহ কেন তাদের দান করলেন? নিঃসন্দেহে ইতিপূর্বে আমি ইবরাহীমের বংশধরকে কিতাব ও হিকমত প্রদান করেছি এবং তাদেরকে বিশাল রাজত্বও প্রদান করেছি।" (৪:৫৪)
ইবন ইসহাক বলেন: কুরায়শ, গাতফান ও বনু কুরায়যার যেসব ব্যক্তি বিরোধী চক্র গড়ে তুলেছিল, তারা হচ্ছে—হুয়াই ইব্ন আখতাব, সালাম ইব্ন আবুল হুকায়ক; আবূ রাফি, রবী ইন্ন রবী ইব্ন আবুল হুকায়ক, আবূ আম্মার উহুহ্ ইব্ন আমির, হাওযা ইব্ন কায়স। এদের মধ্যে উহুহ, আবু আম্মার ও হাওযা ছিল ওয়ায়ল গোত্রোদ্ভূত আর বাদবাকী সবাই ছিল নযীর গোত্রের লোক। তারা যখন কুরায়শদের কাছে আসল, তখন কুরায়শরা বলল এঁরা হচ্ছেন ইয়াহুদীদের মধ্যে জ্ঞানী এবং এঁদের পূর্বেকার কিতাবের ইল্ম রয়েছে। এঁদের জিজ্ঞেস করে দেখ, তোমাদের ধর্ম উত্তম, নাকি মুহাম্মদের ধর্ম? তারা জিজ্ঞেস করল, তখন তারা জবাবে বলল : বরং তোমাদের ধর্মই উত্তম এবং মুহাম্মদ ও তার অনুসারীদের তুলনায় তোমরাই অধিকতর বিশুদ্ধ পথের অনুসারী। তখন তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন : اَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ أُوتُوا نَصِيبًا مِنَ الْكِتٰبِ يُؤْمِنُونَ بِالْجِبْتِ وَالطَّاغُوتِ - "তুমি কি সে সব লোককে দেখনি, যাদেরকে কিতাবের এক অংশ প্রদান করা হয়েছে, তারা মূর্তি এবং শয়তানকে বিশ্বাস করে থাকে?" (৪ : ৫১)
ইন্ন হিশাম বলেন: মহান আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য যত কিছুর পূজা-অর্চনা করা হয়ে থাকে, সেগুলো আরবদের নিকট জিত্ত (جبت)। আর যতকিছু হক থেকে গুমরাহ ও পথভ্রষ্ট করে, সেসবই তাগূত। جبت এর বহুবচন جبوت এবং طاغوت -এর বহুবচন طواغیت
ইবন হিশাম আরও বলেন: ইব্ন আবু নুজায়হ্ এর প্রমুখাৎ আমি জ্ঞাত হয়েছি যে, তিনি বলেছেন : جبت হচ্ছে : سحر বা জাদু আর তাগূত হচ্ছে শয়তান। وَيَقُولُونَ لِلَّذِينَ كَفَرُوا هَؤُلَاءِ اهْدَى مِنَ الَّذِينَ آمَنُوا سَبِيلاً . "তারা কাফিরদের সম্পর্কে বলে, এদের পথ মু'মিনদের তুলনায় অধিকতর সঠিক।" (৪:৫১)
ইবন ইসহাক বলেন: আল্লাহর বাণী: أَمْ يَحْسُدُونَ النَّاسَ عَلَى مَا أَنَّهُمُ اللهُ مِنْ فَضْلِهِ فَقَدْ أَتَيْنَا أَلَ إِبْرَاهِيمَ الْكِتٰبَ وَالْحِكْمَةَ وَأَتُيْنَهُمْ مُلكًا عَظِيمًا . "তারা কি এজন্যে মানুষকে ঈর্ষা করে যে, আল্লাহ তা'আলা তাঁর অনুগ্রহ কেন তাদের দান করলেন? নিঃসন্দেহে ইতিপূর্বে আমি ইবরাহীমের বংশধরকে কিতাব ও হিকমত প্রদান করেছি এবং তাদেরকে বিশাল রাজত্বও প্রদান করেছি।" (৪:৫৪)
📄 ইয়াহুদীদের ওহী অস্বীকার
ইবন ইসহাক বলেন: সাকীন ও আদী ইব্ন যায়দ বলল: হে মুহাম্মদ! মূসার পর আল্লাহ্ আর কোন মানবের প্রতি ওহী নাযিল করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। তাদের এ উক্তির প্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
إِنَّا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ كَمَا أَوْحَيْنَا إِلى نُوحٍ وَالنَّبِيِّنَ مِنْ بَعْدِهِ وَأَوْحَيْنَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَاسْمَعِيلَ وَاسْحَقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَعِيسَى وَأَيُّوبَ وَيُونُسَ وَهُرُونَ وَسُلَيْمَنَ وَأَتَيْنَا دَاوُدَ زَبُورًا ، وَرُسُلًا قَدْ قَصَصْنَهُمْ عَلَيْكَ مِنْ قَبْلُ وَرُسُلًا لَمْ نَقْصُصْهُمْ عَلَيْكَ وَكَلَّمَ اللهُ مُوسَى تَكْلِيمًا ، رُسُلًا مُّبَشِّرِينَ وَمُنْذِرِينَ لِئَلا يَكُونَ لِلْناسِ عَلَى اللَّهِ حُجَّةٌ بَعْدَ الرُّسُلِ وَكَانَ اللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًا .
"নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট ওহী নাযিল করেছি যেমন ওহী নাযিল করেছিলাম নূহ এবং তার পরবর্তী নবীগণের প্রতি এবং ওহী নাযিল করেছিলাম ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকূব ও তাঁর বংশধরগণ, ঈসা, আইয়ূব, ইউনূস, হারূন ও সুলায়মানের নিকট। আর আমি দাউদকে যাবুর দিয়েছিলাম। আমি অনেক রাসূল প্রেরণ করেছি যাদের কথা পূর্বে আপনাকে বলেছি এবং অনেক রাসূল যাদের কথা আপনাকে বলিনি। আর মূসার সাথে আল্লাহ্ সরাসরি বাক্যালাপ করেছিলেন। সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী রাসূল প্রেরণ করেছি, যাতে রাসূল আসার পর আল্লাহ্র বিরুদ্ধে মানুষের কোন অভিযোগ না থাকে। আর আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" (৪: ১৬৩-১৬৪)
রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট তাদের একটি দল এসে হাযির হল। তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বললেন:
اما والله انكم لتعلمون اني رسول من الله اليكم
"শোন, আল্লাহর কসম! তোমরা অবশ্যই জান যে, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহ্র তরফ থেকে প্রেরিত রাসূল।"
তারা বলল: আমরা তো তা অবগত নই, আর না আমরা তার সাক্ষ্য দেব। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের সে উক্তি সম্পর্কে নাযিল করেন:
لكن اللهُ يَشْهَدُ بِمَا أَنْزَلَ إِلَيْكَ أَنْزَلَهُ بِعِلْمِهِ وَالْمَلَئِكَةُ يَشْهَدُونَ وَكَفَى بِاللهِ شَهِيدًا .
"আপনার প্রতি আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন, তা তিনি জেনেশুনে করেছেন। আল্লাহ্ এর সাক্ষী এবং ফেরেশতাগণও সাক্ষী এবং সাক্ষী হিসাবে আল্লাহ্-ই যথেষ্ট।” (৪: ১৬৬)
ইবন ইসহাক বলেন: সাকীন ও আদী ইব্ন যায়দ বলল: হে মুহাম্মদ! মূসার পর আল্লাহ্ আর কোন মানবের প্রতি ওহী নাযিল করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। তাদের এ উক্তির প্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
إِنَّا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ كَمَا أَوْحَيْنَا إِلى نُوحٍ وَالنَّبِيِّنَ مِنْ بَعْدِهِ وَأَوْحَيْنَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَاسْمَعِيلَ وَاسْحَقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَعِيسَى وَأَيُّوبَ وَيُونُسَ وَهُرُونَ وَسُلَيْمَنَ وَأَتَيْنَا دَاوُدَ زَبُورًا ، وَرُسُلًا قَدْ قَصَصْنَهُمْ عَلَيْكَ مِنْ قَبْلُ وَرُسُلًا لَمْ نَقْصُصْهُمْ عَلَيْكَ وَكَلَّمَ اللهُ مُوسَى تَكْلِيمًا ، رُسُلًا مُّبَشِّرِينَ وَمُنْذِرِينَ لِئَلا يَكُونَ لِلْناسِ عَلَى اللَّهِ حُجَّةٌ بَعْدَ الرُّسُلِ وَكَانَ اللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًا .
"নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট ওহী নাযিল করেছি যেমন ওহী নাযিল করেছিলাম নূহ এবং তার পরবর্তী নবীগণের প্রতি এবং ওহী নাযিল করেছিলাম ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকূব ও তাঁর বংশধরগণ, ঈসা, আইয়ূব, ইউনূস, হারূন ও সুলায়মানের নিকট। আর আমি দাউদকে যাবুর দিয়েছিলাম। আমি অনেক রাসূল প্রেরণ করেছি যাদের কথা পূর্বে আপনাকে বলেছি এবং অনেক রাসূল যাদের কথা আপনাকে বলিনি। আর মূসার সাথে আল্লাহ্ সরাসরি বাক্যালাপ করেছিলেন। সুসংবাদদাতা ও সাবধানকারী রাসূল প্রেরণ করেছি, যাতে রাসূল আসার পর আল্লাহ্র বিরুদ্ধে মানুষের কোন অভিযোগ না থাকে। আর আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" (৪: ১৬৩-১৬৪)
রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট তাদের একটি দল এসে হাযির হল। তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বললেন:
اما والله انكم لتعلمون اني رسول من الله اليكم
"শোন, আল্লাহর কসম! তোমরা অবশ্যই জান যে, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহ্র তরফ থেকে প্রেরিত রাসূল।"
তারা বলল: আমরা তো তা অবগত নই, আর না আমরা তার সাক্ষ্য দেব। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের সে উক্তি সম্পর্কে নাযিল করেন:
لكن اللهُ يَشْهَدُ بِمَا أَنْزَلَ إِلَيْكَ أَنْزَلَهُ بِعِلْمِهِ وَالْمَلَئِكَةُ يَشْهَدُونَ وَكَفَى بِاللهِ شَهِيدًا .
"আপনার প্রতি আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন, তা তিনি জেনেশুনে করেছেন। আল্লাহ্ এর সাক্ষী এবং ফেরেশতাগণও সাক্ষী এবং সাক্ষী হিসাবে আল্লাহ্-ই যথেষ্ট।” (৪: ১৬৬)
📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর প্রতি তাদের পাথর নিক্ষেপের ব্যাপারে ঐকমত্য
রাসূলুল্লাহ্ (সা) একদা বনূ আমিরের দুই ব্যক্তির রক্তপণ পরিশোধে সাহায্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে, যাদের আমর ইবন উমাইয়া যামারী হত্যা করেছিল, বনূ নাযীরের নিকট গমন করেন। তখন তারা গোপনে এরূপ বলাবলি করল যে, এ মুহূর্তের মতো মুহাম্মদকে এত নিকটে তোমরা আর কখনও পাবে না। সুতরাং এমন কে আছে, যে ঐ ঘরের উপর উঠে কোন বিরাট পাথরখণ্ড তাঁর উপর নিক্ষেপ করে তাঁর উপদ্রব থেকে আমাদের রক্ষা করবে? তখন আমর ইব্ন জাহাশ ইব্ন কা'ব বলল, আমি।
এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি সেখান থেকে চলে আসেনও এ সময় আল্লাহ্ তার ও তার সম্প্রদায়ের অভিপ্রায়ের কথা জানিয়ে দিয়ে নাযিল করেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَذْكُرُوا نِعْمَتَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ هُمَّ قَوْمٌ أَنْ يَبْسُطُوا إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ فَكَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنْكُمْ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَعَلَى اللهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ -
"হে মু'মিনগণ! তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর, যখন এক সম্প্রদায় তোমাদের বিরুদ্ধে হাত উত্তোলন করতে চেয়েছিল, তখন আল্লাহ্ তাদের হাত সংযত করেছিলেন এবং আল্লাহকে ভয় কর, আর আল্লাহ্-ই প্রতি মু'মিনগণ নির্ভর করুক।" (৫: ১১)
রাসূলুল্লাহ্ (সা) একদা বনূ আমিরের দুই ব্যক্তির রক্তপণ পরিশোধে সাহায্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে, যাদের আমর ইবন উমাইয়া যামারী হত্যা করেছিল, বনূ নাযীরের নিকট গমন করেন। তখন তারা গোপনে এরূপ বলাবলি করল যে, এ মুহূর্তের মতো মুহাম্মদকে এত নিকটে তোমরা আর কখনও পাবে না। সুতরাং এমন কে আছে, যে ঐ ঘরের উপর উঠে কোন বিরাট পাথরখণ্ড তাঁর উপর নিক্ষেপ করে তাঁর উপদ্রব থেকে আমাদের রক্ষা করবে? তখন আমর ইব্ন জাহাশ ইব্ন কা'ব বলল, আমি।
এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি সেখান থেকে চলে আসেনও এ সময় আল্লাহ্ তার ও তার সম্প্রদায়ের অভিপ্রায়ের কথা জানিয়ে দিয়ে নাযিল করেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَذْكُرُوا نِعْمَتَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ هُمَّ قَوْمٌ أَنْ يَبْسُطُوا إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ فَكَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنْكُمْ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَعَلَى اللهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ -
"হে মু'মিনগণ! তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর, যখন এক সম্প্রদায় তোমাদের বিরুদ্ধে হাত উত্তোলন করতে চেয়েছিল, তখন আল্লাহ্ তাদের হাত সংযত করেছিলেন এবং আল্লাহকে ভয় কর, আর আল্লাহ্-ই প্রতি মু'মিনগণ নির্ভর করুক।" (৫: ১১)
📄 ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানদের আল্লাহ্র প্রিয়জন হওয়ার দাবি
একদা নু'মান ইব্ন আযা, বাহরী ইবন উমর এবং শাস ইব্ন আদী রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলে। রাসূলুল্লাহ্ (সা)-ও তাদের সাথে কথা বলেন এবং তাদেরকে আল্লাহ্ দিকে দাওয়াত দেন এবং তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের পরিণাম সম্পর্কে তাদের হুশিয়ার করে দেন। তারা বলল: হে মুহাম্মদ! আপনি আমাদের কিসের ভয় দেখান। আল্লাহর কসম! আমরা হলাম আল্লাহর পুত্র এবং তাঁর প্রিয়জন, যেমন খ্রিস্টানরা বলে থাকে। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের সম্পর্কে নাযিল করেন: وَقَالَتِ الْيَهُودُ وَالنَّصْرَى نَحْنُ ابْنُو اللَّهِ وَاحِبَّاؤُهُ قُلْ فَلِمَ يُعَذِّبُكُمْ بِذُنُوبِكُمْ بَلْ أَنْتُمْ بَشْرٌ مِّمَّنْ خَلَقَ يَغْفِرُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَنْ يَشَاءُ وَلِلَّهِ مُلْكُ السَّمواتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَإِلَيْهِ الْمَصِيرُ -
"ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানগণ বলে, আমরা আল্লাহ্র পুত্র ও তাঁর প্রিয়। আপনি বলুন, তবে কেন তিনি তোমাদের পাপের জন্য তোমাদের শাস্তি দেন? না, তোমরা মানুষ তাদেরই মত, যাদের আল্লাহ্ সৃষ্টি করেছেন। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং তিনি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন; আসমান ও যমীনের এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তার সার্বভৌমত্ব আল্লাহ্-ই। আর প্রত্যাবর্তন তাঁর-ই দিকে।" (৫: ১৮)
একদা নু'মান ইব্ন আযা, বাহরী ইবন উমর এবং শাস ইব্ন আদী রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলে। রাসূলুল্লাহ্ (সা)-ও তাদের সাথে কথা বলেন এবং তাদেরকে আল্লাহ্ দিকে দাওয়াত দেন এবং তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের পরিণাম সম্পর্কে তাদের হুশিয়ার করে দেন। তারা বলল: হে মুহাম্মদ! আপনি আমাদের কিসের ভয় দেখান। আল্লাহর কসম! আমরা হলাম আল্লাহর পুত্র এবং তাঁর প্রিয়জন, যেমন খ্রিস্টানরা বলে থাকে। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের সম্পর্কে নাযিল করেন: وَقَالَتِ الْيَهُودُ وَالنَّصْرَى نَحْنُ ابْنُو اللَّهِ وَاحِبَّاؤُهُ قُلْ فَلِمَ يُعَذِّبُكُمْ بِذُنُوبِكُمْ بَلْ أَنْتُمْ بَشْرٌ مِّمَّنْ خَلَقَ يَغْفِرُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَنْ يَشَاءُ وَلِلَّهِ مُلْكُ السَّمواتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَإِلَيْهِ الْمَصِيرُ -
"ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানগণ বলে, আমরা আল্লাহ্র পুত্র ও তাঁর প্রিয়। আপনি বলুন, তবে কেন তিনি তোমাদের পাপের জন্য তোমাদের শাস্তি দেন? না, তোমরা মানুষ তাদেরই মত, যাদের আল্লাহ্ সৃষ্টি করেছেন। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং তিনি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন; আসমান ও যমীনের এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তার সার্বভৌমত্ব আল্লাহ্-ই। আর প্রত্যাবর্তন তাঁর-ই দিকে।" (৫: ১৮)