📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আনসারদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির প্রয়াস

📄 আনসারদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির প্রয়াস


ইবন ইসহাক বলেন: শাস ইব্‌ন কায়স ছিল বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এক জরাগ্রস্ত বৃদ্ধ। সে ছিল এক বদ্ধ কাফির এবং মুসলমানদের প্রতি চরম বিদ্বিষ্ট ও শত্রুভাবাপন্ন। সে একদা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর আওস ও খাযরাজ গোত্রীয় সাহাবীগণের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিল। তাঁরা একটি মজলিসে বসে পরস্পরে বাক্যালাপ করছিলেন। জাহিলিয়াতের যুগে তাঁদের মধ্যে বিরাজিত চরম বৈরিতার পর তাঁদের বর্তমান ঐক্য, সখ্য ও সম্প্রীতির সম্পর্ক লক্ষ্যে সে ক্রোধে ফেটে পড়ল। গরগর করে বলল: বনী কীলার সরদারেরা এ জনপদে বেশ মিলেমিশে বসেছে দেখছি। আল্লাহ্র কসম, এদের সরদারদের এ সমাবেশ আমাকে শান্তিতে থাকতে দেবে না। তখন সে তাঁদের সাথে বসা এক ইয়াহুদী যুবককে লক্ষ্য করে বলল: তুমি এদের প্রতি লক্ষ্য রাখবে এবং এদের সাথে মিলেমিশে বসবে। বু'আসের যুদ্ধের দিনের কথা এবং এরও পূর্বের কথা তাদের স্মরণ করিয়ে দেবে এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে তখন তারা যেসব বাগাড়ম্বরমূলক কবিতা প্রয়োগ করত, তা আবৃত্তি করে করে শুনাবে।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 বু'আস যুদ্ধের দিন

📄 বু'আস যুদ্ধের দিন


বু'আস যুদ্ধের দিন আওস ও খাযরাজ গোত্র একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। সেদিন আওস গোত্র খাযরাজ গোত্রকে যুদ্ধে পরাস্ত করেছিল। সেদিন আওসের নেতৃত্বে ছিল হুয়ায়র ইব্‌ন সাম্মাক আশ্হালী, আবূ উসায়দ ইব্‌ন হুযায়র এবং খাযরাজের নেতৃত্বে ছিল আমর ইব্‌ন নু'মান বায়াযী। তারা উভয়েই সেদিন নিহত হয়েছিল।
ইবন হিশাম বলেন: বু'আস যুদ্ধের বর্ণনা অনেক দীর্ঘ। সে সব বিবরণ দিতে গেলে মহানবী (সা)-এর সীরাত বর্ণনার ধারা ব্যাহত হবে বিধায় আমি সেসব বর্ণনা দান থেকে বিরত রইলাম।
ইবন ইসহাক বলেন: লোকটি তাই করল। তখন লোকজন পরস্পর বাকবিতণ্ডা ও ঝগড়া-বিবাদে প্রবৃত্ত হল। পরস্পরে বাগাড়ম্বর ও বাক্যবাণ প্রয়োগ চলল। এমনকি শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষ থেকে এক-এক ব্যক্তি একে অপরের প্রতি আক্রমণ করতে উদ্যত হল।
আওসের বনু হারিসা ইব্‌ন হারিস-এর আওস ইব্‌ন কুরাযী এবং খাযরাজের বনূ সালামা গোত্রের জাব্বার সাখার নামক দু'ব্যক্তি ময়দানে অবতীর্ণ হয়ে একে অপরকে যুদ্ধের জন্য চ্যালেঞ্জ দিতে লাগলেন। একজন অপরজনকে লক্ষ্য করে বলতে লাগলেন: তোমরা চাইলে আমরা এখনই সে যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারি। মোটকথা উভয় পক্ষ উত্তেজনার চরমে পৌঁছলেন। এমনকি মুকাবিলার স্থানরূপে কাল পাথুরে জমি নির্ধারিতও হয়ে গেল। উভয় পক্ষে অস্ত্র অস্ত্র রব উঠল এবং উভয় পক্ষই সেদিকে অগ্রসর হতে লাগলেন। এ খবরটি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট পৌঁছল। তিনি তাঁর কাছে যে মুহাজির সাহাবীরা ছিলেন, তাঁদেরকে নিয়ে সেদিকে রওয়ানা হল। সেখানে পৌঁছে তিনি (সা) তাঁদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন:
يامعشر المسلمين الله الله ابدعوى الجاهلية وانا بين اظهركم بعد ان هداكم الله للإسلام واكرمكم به وقطع به عنكم امر الجاهلية واستنقذ به من الكفر وألف به بين قلوبكم -
"দোহাই আল্লাহ্, দোহাই আল্লাহ্, হে মুসলিম সমাজ! জাহিলিয়াতের আত্মগরিমা নিয়ে তোমরা কি যুদ্ধে প্রবৃত্ত হবে অথচ আমি তোমাদের মধ্যে বর্তমান রয়েছি? ইতিমধ্যেই আল্লাহ্ তোমাদেরকে ইসলামের হিদায়াত দান করেছেন, তোমাদেরকে এর দ্বারা সম্মানিত মহিমামণ্ডিত করেছেন, এর দ্বারা তোমাদের মধ্য থেকে জাহিলিয়াতের উচ্ছেদ সাধন করেছেন, এর দ্বারা কুফরী থেকে তোমাদের নিষ্কৃতি দান করেছেন এবং এর দ্বারা তোমাদের অন্তরে সম্প্রীতি-সৌহার্দ্য জন্মিয়ে দিয়েছেন।"
তখন লোকজন উপলব্ধি করতে সমর্থ হল যে, এটা ছিল শয়তানের একটা বড় চক্রান্ত এবং শত্রুদের ষড়যন্ত্র মাত্র। তখন তারা কান্না জুড়ে দিল এবং আওস ও খাযরাজ গোত্রীয়রা একে অপরকে উষ্ণ আলিঙ্গন করলেন। তাঁরা রাসূলুল্লাহ (সা)-এর বাধ্য-অনুগতরূপে তাঁর গৃহে প্রত্যাবর্তন করলেন। এভাবে আল্লাহর শত্রু শাস ইবন কায়সের প্রজ্বলিত ষড়যন্ত্রের আগুন আল্লাহ্ নির্বাপিত করে দিলেন। শাস ইন্ন কায়স এবং তার অপকর্ম সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
قُلْ يَاهْلَ الْكِتَبِ لِمَ تَكْفُرُونَ بِأَيْتِ اللهِ - وَاللهُ شَهِيدٌ عَلَى مَا تَعْمَلُونَ - قُلْ لِأَهْلَ الْكِتَبِ لِمَ تَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ مَنْ أَمَنْ تَبْغُونَهَا عِوَجًا وَأَنْتُمْ شُهَدَاءُ وَمَا اللَّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ .
“হে আহলি কিতাব! তোমরা কেন আল্লাহর আয়াতসমূহকে অগ্রাহ্য করছ অথচ আল্লাহ্ তোমাদের কৃতকর্মসমূহ প্রত্যক্ষ করছেন। আপনি বলুন (হে রাসূল!) হে আহলি কিতাব! যারা ঈমান এনেছে, তাদেরকে কেন আল্লাহর পথ থেকে বাধা দিচ্ছ? তোমরা তাদের বক্রতা কামনা কর অথচ তোমরা (সত্য) প্রত্যক্ষকারী। আর তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে আল্লাহ্ মোটেই অনবহিত নন।” (৩: ৯৮-৯৯)
আর আওস ইব্‌ন কায়যী ও জাব্বার ইব্‌ন সাখার এবং তাদের সম্প্রদায়ভুক্ত সাথীদের ব্যাপারে-যারা ইবন কায়সের প্ররোচনায় পড়ে জাহিলিয়াতের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ تُطِيعُوا فَرِيقًا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الكتب يَرُدُّوكُمْ بَعْدَ إِيْمَانِكُمْ كَفِرِينَ . وَكَيْفَ تَكْفُرُونَ وَانْتُمْ تَتْلَى عَلَيْكُمْ أَيْتُ اللهِ وَفِيكُمْ رَسُولَهُ وَمَنْ يَعْتَصِمُ بِاللَّهِ فَقَدْ هُدِى إِلى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ حَقَّ تُقَتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ . وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا وَاذْكُرُوا نِعْمَتَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ كُنْتُمْ أَعْدَاءً فَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوْبِكُمْ فَاصْبَحْتُمْ بِنِعْمَتِهِ أَخْوَانًا وَكُنْتُمْ عَلَى شَفَا حُفْرَةٍ مِنْ النَّارِ فَانْقَدَكُمْ مِّنْهَا كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ أَيته لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ . وَلْتَكُنْ مِنْكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ، وَلَا تَكُونُوا كَالَّذِينَ تَفَرَّقُوا وَاخْتَلَفُوا مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْبَيِّنَتُ وَأُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ.
"হে বিশ্বাসীগণ! যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে, তোমরা যদি তাদের দলবিশেষের আনুগত্য কর, তবে তারা তোমাদেরকে ঈমান আনার পর আবার কাফির বানিয়ে ছাড়বে। আর তোমরা কেমন করে কুফরী করবে যখন আল্লাহ্র আয়াতসমূহ তোমাদের নিকট পঠিত হয় আর তোমাদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর রাসূল। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে শক্তভাবে অবলম্বন করে, সে অবশ্যই সরল পথের দিশাপ্রাপ্ত হয়। হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর যেভাবে তাঁকে ভয় করা উচিত সেভাবে, আর তোমরা মৃত্যুবরণ করো না মুসলিম অবস্থায় ব্যতিরেকে। ...... আর তাদের জন্যে রয়েছে মহাশাস্তি।" (৩: ১০০-১০৫)

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সাহাবীগণের অবমাননা প্রসঙ্গে যা নাযিল হয়

📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সাহাবীগণের অবমাননা প্রসঙ্গে যা নাযিল হয়


ইবন ইসহাক বলেন: যখন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন সালাম, সা'লাবা ইবন সা'য়া, উসায়দ ইব্‌ন সা'য়া, আসাদ ইবন উবায়দ এবং তাদের সাথে একত্রে ইসলাম গ্রহণকারী ইয়াহুদীরা ইসলাম গ্রহণ করে তাঁরা ঈমান আনলেন, সত্যকে গ্রহণ করলেন, ইসলামকে ভালবাসতে লাগলেন এবং তাতে বেশ ব্যুৎপত্তিও অর্জন করলেন, তখন ইয়াহুদী ধর্মনেতারা—যারা তখনো কুফরীর মধ্যে ছিল, তারা বলতে শুরু করল:
"মুহাম্মদের প্রতি যারা ঈমান এনেছে এবং তাঁর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছে, তারা আমাদের মধ্যকার দুষ্টলোক ব্যতীত অন্য কেউ নয়। যদি তারা সত্যই আমাদের ধর্মীয় নেতা হত, তাহলে তারা তাদের পূর্বপুরুষের ধর্ম পরিত্যাগ করে অন্য ধর্মের দিকে ধাবিত হত না।" তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের এ বক্তব্য সম্পর্কে নাযিল করেন:
لَيْسُوا سَوَاءً مِنْ أَهْلِ الْكِتَبِ أُمَّةٌ قَائِمَةً يَتْلُونَ أَيْتِ اللَّهِ أَنَاءَ الَّيْلِ وَهُمْ يَسْجُدُونَ .
"তারা সকলে সমান নয়। আহলি কিতাবের মধ্যে অবিচলিত একদল এমনও আছে, যারা রাতের বেলায় আল্লাহর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে এবং তারা সিজদা করে।" (৩: ১১৩)
ইব্‌ন হিশাম বলেন: اناء الليل মানে ساعات الليل রাতের প্রহরে প্রহরে। এর একবচন انى কবি মুতাখাল্লি হাযালী যাঁর আসল নাম মালিক ইব্‌ন উয়ায়মার—শব্দটি এভাবে ব্যবহার করেছেন তাঁর পুত্রশোকে লিখিত মর্সিয়া কবিতায়:
حلو ومر كعطف القدح شيمته × في كل اني قضاء الليل ينتعل
আর কবি লবীদ ইব্‌ন রবী'আ একটি বন্য গাধার বর্ণনা দিতে গিয়েও শব্দটি ব্যবহার করেছেন এভাবে:
يطرب اناء النهار كأنه × غوى سقاه في التجار نديم
আল্লাহ্ তা'আলা ঈমান আনয়নকারী ইয়াহুদীদের সম্পর্কে উক্ত আয়াতে আরো বলেন:
يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَيُسَارِعُونَ فِي الْخَيْرَاتِ وَأُولَئِكَ مِنَ الصَّلِحِينَ .
"তারা আল্লাহ্ এবং আখিরাতে ঈমান রাখে এবং সৎকাজের আদেশ করে ও অসৎকাজে বারণ করে এবং কল্যাণকর কাজসমূহে প্রতিযোগিতা করে, আর তারাই সৎকর্মশীলগণের অন্তর্ভুক্ত।”

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 ইয়াহুদীদের সাথে ঘনিষ্ঠতা ও অন্তরঙ্গতা স্থাপনের বিরুদ্ধে যা নাযিল হয়

📄 ইয়াহুদীদের সাথে ঘনিষ্ঠতা ও অন্তরঙ্গতা স্থাপনের বিরুদ্ধে যা নাযিল হয়


ইবন ইসহাক বলেন: কয়েকজন মুসলমান কয়েকজন ইয়াহুদীর সাথে তাদের প্রতিবেশী ও চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কারণে ঘনিষ্ঠতা রক্ষা করে চলতেন। আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে ইয়াহুদীদের সাথে ঘনিষ্ঠতা রক্ষা করতে বারণ করে নাযিল করলেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّنْ دُونِكُمْ لَا يَألُونَكُمْ خَبَالاً وَدُّوا مَا عَنتُمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَتِ إِنْ كُنْتُمْ تَعْقِلُونَ . هَانْتُمْ أَولا ، تُحِبُّونَهُمْ وَلَا يُحِبُّونَكُمْ وَتُؤْمِنُونَ بِالْكِتٰبِ كُلَّه
"হে মু'মিনগণ! তোমাদের নিজেদের লোক ছাড়া অন্যদেরকে ঘনিষ্ঠ বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের মধ্যে অনর্থ সৃষ্টিতে একটুও কুণ্ঠাবোধ করে না। তাদের কাম্য হচ্ছে তোমাদেরকে বিব্রত রাখা। তাদের মুখ থেকে বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ ইতিমধ্যেই ঘটে গেছে, আর তাদের অন্তঃকরণ যা গোপন করে রেখেছে, তা আরো জঘন্যতম। আমরা তোমাদের জন্যে আয়াতসমূহ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করে দিয়েছি-যদি তোমরা বুদ্ধিমান হয়ে থাক। তোমরা হচ্ছ সেসব লোক, যারা তাদের ভালবেসে থাক। কিন্তু তারা তোমাদের ভালবাসে না। আর তোমরা সমগ্র কিতাবে বিশ্বাস পোষণ করে থাক।"
অর্থাৎ তোমরা তোমাদের কিতাবে এবং তোমাদের পূর্বে নাযিলকৃত কিতাবসমূহের প্রতিও বিশ্বাস পোষণ করে থাক, অথচ তারা তোমাদের কিতাবকে অবিশ্বাস ও অগ্রাহ্য করে। সে হিসাবে তোমাদের তাদের তুলনায় বেশি বিদ্বেষ পোষণ করার কথা, অর্থাৎ তোমরাই বরং তাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ পোষণের অধিকতর হকদার।
وَإِذَا لَقُوكُمْ قَالُوا أَمَنَّا وَإِذَا خَلَوْا عَضُّوا عَلَيْكُمُ الْأَنَامِلَ مِنَ الْغَيْظِ قُلْ مُوتُوا بِغَيْظِكُمْ -
"তারা যখন তোমাদের সাথে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি আর যখন নিভৃতে সংগোপনে থাকে, তখন তোমাদের বিরুদ্ধে ক্রোধে অঙ্গুলি কামড়ায়। বলুন, তোরা তোদের ক্রোধ নিয়েই মর গিয়ে......।"

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00