📘 সিরাতে ইবন হিশাম 📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা) সকাশে ইয়াহুদী-নাসারাদের কলহ

📄 রাসূলুল্লাহ্ (সা) সকাশে ইয়াহুদী-নাসারাদের কলহ


ইবন ইসহাক বলেন, যখন নাজরানের খ্রিস্টানেরা রাসূলুল্লাহ্ (সা) সমীপে উপস্থিত হয়, তখন ইয়াহূদী পণ্ডিতেরাও সেখানে এসে উপস্থিত হয়। তারা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সামনে পরস্পরে কলহে প্রবৃত্ত হয়। তখন রাফি' ইবন হুরায়মালা বলে: তোমরা কোন সঠিক বস্তুর উপর প্রতিষ্ঠিত নও। সে তখন ঈসা আলায়হিস সালাম ও ইনজীলের সত্যতা অস্বীকার করে। তখন জবাবে নাজরানবাসীদের মধ্য থেকে জনৈক খ্রিস্টান ইয়াহুদীদের উদ্দেশে বলে উঠল: তোমরা কোন সঠিক বস্তুর উপর প্রতিষ্ঠিত নও। এ ব্যক্তি মূসা আলায়হিস্ সালাম ও তাওরাতের সত্যতার প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করল। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের এ বাদানুবাদ সম্পর্কে নযিল করেন:
وَقَالَتِ الْيَهُودُ لَيْسَتِ النَّصْرَى عَلَى شَيْءٍ وَقَالَتِ النَّصْرَى لَيْسَتِ الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ وَهُمْ يَتْلُوْنَ الْكِتَبَ كَذَلِكَ قَالَ الَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ مِثْلَ قَوْلِهِمْ فَاللَّهُ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ الْقِيمَةِ فِيْمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ
"ইয়াহুদীরা বলে, খ্রিস্টানেরা আসলে কোন ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত নয় এবং খ্রিস্টানেরা বলে, ইয়াহুদীরা আসলে কোন ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত নয়, অথচ তারা কিতাব পড়ে থাকে। অনুরূপভাবে যারা কিছুই জানে না, তারাও ওদের মত কথা বলে। আল্লাহ্ই কিয়ামতের দিন তাদের মধ্যে সে সব ব্যাপারে বিচার-মীমাংসা করবেন—যা নিয়ে তারা মতবিরোধে লিপ্ত ছিল।” (২: ১১৩)
অর্থাৎ তাদের উভয় পক্ষই তাদের কিতাবে সেসব ব্যাপারের সত্যতা সম্পর্কে পাঠ করে থাকে যেগুলোকে তারা অস্বীকার বা অগ্রাহ্য করে থাকে। অর্থাৎ ইয়াহুদীরা ঈসা আলায়হিস সালামকে অস্বীকার করে অথচ তাদের কাছে রক্ষিত তাওরাতে আছে যে, মূসা আলায়হিস সালামের মাধ্যমে ঈসা আলায়হিস্ সালামকে সত্য নবীরূপে মান্য করার অঙ্গীকার আল্লাহ্ তাদের নিকট থেকে গ্রহণ করেছিলেন। আর ইনজীল কিতাবে মূসা আলায়হিস সালাম ও তাওরাত কিতাবের সত্যতার এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে। অথচ তাদের প্রত্যেক পক্ষ অপর পক্ষের সত্যতার কথা অস্বীকার ও অগ্রাহ্য করে চলেছে।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম 📄 ইয়াহুদীদের ভ্রান্ত ধারণা

📄 ইয়াহুদীদের ভ্রান্ত ধারণা


ইবন ইসহাক বলেন: রাফি' ইবন হুরায়মালা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে লক্ষ্য করে বলে: হে মুহাম্মদ! যদি আপনি সত্য সত্যই আল্লাহর পক্ষ থেকে রাসূল হয়ে থাকেন, তবে আপনি আল্লাহকে বলুন, তিনি যেন আমাদের সাথে কথা বলেন—যা আমরা নিজেরাও শুনতে পাই। তখন তার এ বক্তব্য সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
وَقَالَ الَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ لَوْ لَا يُكَلِّمُنَا اللهُ أَوْ تَأْتِينَا أَيَةٌ كَذَلِكَ قَالَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ مِّثْلَ قَوْلِهِمْ تَشَابَهَتْ قُلُوبُهُمْ قَدْ بَيَّنَا الْآيَتِ لِقَوْمٍ يُوقِنُونَ
"আর যারা অজ্ঞ তারা বলে, আল্লাহ্ কেন আমাদের সাথে কথা বলেন না, অথবা আমাদের কাছে কেন নিদর্শন আসে না? তাদের পূর্ববর্তীরাও তাদের মত ইতিপূর্বে বলেছে। তাদের পরস্পরের অন্তরের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে। নিশ্চয়ই আমি আমার নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করেছি দৃঢ় প্রত্যয়শীল সম্প্রদায়ের জন্যে।” (২: ১১৮)

📘 সিরাতে ইবন হিশাম 📄 খ্রিস্টানদের ভ্রান্ত দাবি

📄 খ্রিস্টানদের ভ্রান্ত দাবি


আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন সূরিয়া আল-আ'ওয়ার আল-ফাতয়ূনী রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে লক্ষ্য করে বলে: আমরা যে ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত আছি, এটাই হচ্ছে সঠিক পথ। সুতরাং হে মুহাম্মদ! আপনি আমাদের অনুসরণ করুন, তাহলে সঠিক পথের সন্ধান পাবেন। খ্রিস্টানরাও অনুরূপ কথা বলে। তখন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন সূরিয়া এবং খ্রিস্টানদের উক্ত বক্তব্য সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করলেন:
وَقَالُوا كُونُوا هُودًا أَوْ نَصْرَى تَهْتَدُوا قُلْ بَلْ مِلَّةَ اِبْرَاهِمَ حَنِيفًا وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ
"তারা বলে: তোমরা ইয়াহুদী অথবা নাসারা হয়ে যাও, তাহলে তোমরা সঠিক পথের সন্ধান পেয়ে যাবে। হে রাসূল! আপনি বলুন, ইবরাহীমের মিল্লাত (আমরা অনুসরণ করি—যিনি) একনিষ্ঠ এবং তিনি মুশরিক বা অংশীবাদী ছিলেন না।” (২: ১৩৫)
তারপর আল্লাহ্ তা'আলা নিম্নোক্ত আয়াত পর্যন্ত আনুপূর্বিক কাহিনী বর্ণনা করেন: تِلْكَ أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُمْ مَا كَسَبْتُمْ وَلَا تُسْأَلُونَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ "তারা ছিল এক উম্মত, অতীত হয়ে গেছে। তাদের জন্যে তাদের কৃত কাজের ফল, আর তোমাদের জন্যে তোমাদের কৃতকার্যের ফল। আর তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে তোমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে না।” (২: ১৪১)

📘 সিরাতে ইবন হিশাম 📄 কাবার দিকে কিবলা পরিবর্তনকালে ইয়াহুদীদের বক্তব্য

📄 কাবার দিকে কিবলা পরিবর্তনকালে ইয়াহুদীদের বক্তব্য


ইবন ইসহাক বলেন: যখন সিরিয়ার দিক থেকে কা'বার দিকে কিবলা পরিবর্তিত হল, এ কিবলা পরিবর্তনের ঘটনাটি ঘটে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর মদীনা শরীফে শুভাগমনের সতের মাসের মাথায় রজব মাসে। তখন রিফাআ ইব্‌ন কায়স, কুরদম ইব্‌ন Amr, কা'ব ইব্‌ন আশরাফ, রাফি 'ইব্‌ন আবু রাফি', কা'ব ইবন আশরাফের মিত্র হাজ্জাজ ইব্‌ন Amr, রবী' ইবন রবী' ইব্‌ন আবুল হুকায়ক ও কিনানা ইব্‌ন রবী' ইব্‌ন আবুল হুকায়ক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল: হে মুহাম্মদ! আপনি যে কিবলার উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন তা থেকে কে আপনাকে ফিরিয়ে দিল, অথচ আপনি দাবি করেন যে, আপনি ইব্রাহীমের মিল্লাত ও দীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছেন? আপনি যে কিবলাপন্থী ছিলেন, তাতে প্রত্যাবর্তন করুন, তাহলে আমরা আপনার অনুসারী হয়ে যাব এবং আপনাকে সত্য নবী বলে মানব। আর এ কথা দ্বারা তারা তাঁকে দীন থেকে সরিয়ে নিতে সচেষ্ট হয়। তখন এ ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
سَيَقُولُ السُّفَهَاءُ مِنَ النَّاسِ مَا وَلَهُمْ عَنْ قِبْلَتِهِمْ الَّتِي كَانُوا عَلَيْهَا قُلْ لِلَّهِ الْمُشْرِقُ وَالْمَغْرِبُ يَهْدِي مَنْ يَشَاءُ إِلى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمَ - وَكَذَلِكَ جَعَلْنَكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لَتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ .
وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيداً * وَمَا جَعَلْنَا الْقِبْلَةَ الَّتِي كُنْتَ عَلَيْهَا إِلَّا لِنَعْلَمَ مَنْ يَتَّبِعُ الرَّسُولَ مِمَّنْ يَنْقَلِبُ عَلَى عَقِبَيْه
"লোকদের মধ্যকার নির্বোধরা অচিরেই বলবে-ওদেরকে সেই কিবলা থেকে কিসে ফিরাল, যার উপর তারা প্রতিষ্ঠিত ছিল? আপনি বলুন, আল্লাহ্রই মালিকানাধীন পূর্বও, পশ্চিমও। আল্লাহ্ যাকে ইচ্ছা সরল-সঠিক পথে পরিচালিত করে থাকেন। আর এভাবে আমি তোমাদের বানিয়েছি মধ্যবর্তী বা শ্রেষ্ঠ উম্মত-যাতে করে তোমরা সমগ্র মানব জাতির ব্যাপারে সাক্ষী হতে পার আর রাসূল হবেন তোমাদের সপক্ষে সাক্ষী। আর যে কিবলার উপর আপনি ছিলেন, তা এজন্যেই আমি কিবলারূপে নির্ধারিত করেছিলাম যেন পৃষ্ঠ প্রদর্শনকারীদের মধ্য থেকে রাসূলের প্রকৃত অনুসারীদেরকে আমি (তাদের আনুগত্যের মাধ্যমে) চিনে নিতে পারি।” (২: ১৪২-১৪৩)
অর্থাৎ এটা ছিল নিছক পরীক্ষা যে, কারা রাসূলের অনুসারী আর কারা তাঁর বিরোধী।
وَان كَانَتْ لكَبِيرَةً إِلا عَلَى الَّذِينَ هَدَى اللَّهُ
"এটা অত্যন্ত গুরুত্বের ব্যাপার, তবে তাদের জন্যে নয়, যাদেরকে আল্লাহ্ সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন।” (২: ১৪৩) অর্থাৎ যাদেরকে আল্লাহ্ ফিতনা থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। অর্থাৎ আল্লাহ্ যাদেরকে অবিচল রেখেছেন।
وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُضِيْعَ إِيْمَانَكُمْ
"আর আল্লাহ্ তোমাদের ঈমানকে বরবাদ করতে পারেন না।"
অর্থাৎ প্রথম কিবলার প্রতি এবং তোমাদের নবীর প্রতি তোমাদের ঈমানকে এবং পরবর্তী কিবলামুখী হওয়ার ব্যাপারে তাঁর প্রতি তোমাদের আনুগত্যকে তিনি বিনষ্ট ও বাতিল করে দেবেন এমন হতে পারে না। অর্থাৎ উভয় কিবলার আনুগত্যের পুরস্কারই তিনি তোমাদের অবশ্যই প্রদান করবেন।
إِنَّ اللَّهَ بِالنَّاسِ لَرَءُوفٌ رَّحِيمٌ
"নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ মানুষের প্রতি অত্যন্ত মমতাময় ও পরম করুণাশীল।" তারপর আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضُهَا فَوَلَّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَحَيْثُ مَا كُنْتُمْ فَوَلُّوا وُجُوهَكُمْ شَطْرَه -
"আকাশের দিকে বারবার আপনার মুখ ফিরিয়ে তাকানোটা দেখে থাকি, অতএব তারপর অবশ্যই আমি সেই কিবলার দিকে ফিরিয়ে দেব-যা আপনার পসন্দনীয়। সুতরাং (হে রাসূল!) আপনি মাসজিদুল হারামের দিকে মুখ করুন এবং (হে মু'মিনগণ!) তোমরাও যে যেখানে থাক না কেন, তোমাদের মুখ সেদিকেই ফিরাও!" (২: ১৪৪)
ইবন হিশাম বলেন: শাতর শব্দের অর্থ نحو সেদিকে।
Amr ইবন আহমার আল-বাহিলী আর বাহিলা ছিলেন ইয়াসূর ইবন সা'দ ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন আয়লান-এর পুত্র। উক্ত Amr ইব্‌ন আহ্মার তাঁর একটি উষ্ট্রীর প্রশংসা করতে গিয়ে বলেন:
تعدو بنا شطر جمع وهي عاقدة × قد كارب العقد من ايفادها الحقبا
তাঁর কবিতায় ব্যবহৃত এ শাতর শব্দটি এ অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে।
উক্ত পংক্তিতে কবি বলেছেন: "সে (মানে উষ্ট্রীটি) আমাদেরকে নিয়ে মুজদালিফার দিকে দ্রুত চলে যায়। অথচ তার লেজকে সে রেখেছিল সংকুচিত করে। তার সংকুচিত লেজ তখন তার দ্রুতগতির দরুন তার পেটের সাথে হাওদা বাঁধার রশির সাথে জড়িয়ে রয়েছিল। কায়স্ ইব্‌ন খুওয়ায়লিদ হুযালী তার উষ্ট্রীর বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন:
ان النعوس بها داء مخامرها * فشطرها نظر العينين محسور
"নাউস নাম্নী উষ্ট্রীর শিরায় সংক্রামক রোগ প্রবাহিত। এজন্যে তার দিকে দৃষ্টিপাতে চক্ষুদ্বয়ে ক্লান্তি নেমে আসে-মানে এর পিঠে চড়ে সফরের ভরসা পাওয়া যায় না।"
ইবন হিশাম বলেন: নাউস হচ্ছে তার উষ্ট্রী। তা ছিল রোগাক্রান্ত। সুতরাং তার দিকে কবি ক্লান্ত দৃষ্টিতে তাকান محسور শব্দটি এখানে حسیر অর্থে ব্যবহৃত।
وَإِنَّ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَبَ لَيَعْلَمُونَ أَنَّهُ الْحَقُّ مِنْ رَّبِّهِمْ وَمَا اللَّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا يَعْمَلُونَ
"যাদের কিতাব দেয়া হয়েছে তারা অবশ্যই জ্ঞাত আছে যে, (কিবলা পরিবর্তনের) ব্যাপারটি যথার্থই তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে নির্ধারিত আর আল্লাহ্ তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অনবহিত নন।"
وَلَئِنْ آتَيْتَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَبَ بِكُلِّ آيَةٍ مَّا تَبِعُوا قَبْلَتَكَ، وَمَا أَنْتَ بِتَابِعٍ قِبْلَتَهُمْ ۚ وَمَا بَعْضُهُمْ يتابع قِبْلَةَ بَعْضٍ وَلَئِنِ اتَّبَعْتَ أَهْوَاءَهُمْ مِّنْ بَعْدِ مَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ إِنَّكَ إِذًا لَّمِنَ الظَّلِمِينَ
"আপনি যদি কিতাবপ্রাপ্ত সম্প্রদায়ের নিকট সমস্ত নিদর্শনও নিয়ে আসেন, তবুও তারা আপনার কিবলার অনুসরণ করবে না, আর আপনিও (হে রাসূল!) তাদের কিবলার অনুসরণ করবেন না। আর তারাও একে অপরের কিবলার অনুসরণ করবে না। আপনি যদি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেন আপনার কাছে জ্ঞান এসে পৌঁছার পরও, তাহলে আপনি নিশ্চিতভাবে যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।” (২ : ১৪৫)
الْحَقُّ مِنْ رَبِّكَ فَلا تَكُونَنَّ مِنَ الْمُمْتَرِيْنَ
" “الْحَقُّ مِنْ رَبِّكَ فَلا تَكُونَنَّ مِنَ الْمُمْتَرِيْنَ সত্য তো তা যা আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রেরিত। সুতরাং (এ ব্যাপারে) আপনি অবশ্যই সংশয়কারীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।” (২ : ১৪৭)

ফন্ট সাইজ
15px
17px