📄 বনূ সা'লাবার
বনু সা'লাবা ইব্ন ফিতয়ূন থেকে ছিল— আবদুল্লাহ ইব্ন সূরিয়া আল-আওয়ার। তার যুগে গোটা হিজায ভূমিতে তাওরাতের এতবড় পণ্ডিত আর কেউ ছিলেন না। ইবন সালুবা। মুখায়রিক-ইয়াহুদীদের ধর্মীয় নেতা এবং পণ্ডিত, পরে ইসলাম গ্রহণ করেন।
📄 বনু কায়নুকার
যায়দ ইব্ন লাসীত—কেউ কেউ একে ইব্ন্ন লুসায়ত বলে অভিহিত করেছেন। ইন্ন হিশামও এ নামেই অভিহিত করেন। সা'দ ইবন হুনায়ফ, মাহমূদ ইব্ন সায়হান, উযায়য ইব্ন আবূ উযায়য, আবদুল্লাহ্ ইব্ন সায়ফ, ইন্ন হিশাম বলেন: কেউ কেউ একে আবদুল্লাহ্ ইব্ন যায়ফ নামেও অভিহিত করেছেন। ইবন ইসহাক বলেন: সুয়ায়দ ইব্ন্ন হারিস, রিফা'আ ইব্ন কায়স, ফানহাস, আশইয়া', নু'মান ইব্ন আযা, বাহরী ইব্ন আমর, শাস ইব্ন আদী, শাস ইব্ন কায়স, যায়দ ইবনুল হারিস, নু'মান ইব্ন আমর, সুকায়ন ইব্ন আবূ সুকায়ন, আদী ইব্ন যায়দ, নু'মান ইব্ন আবু আওফা, আবূ আনাস, মাহমূদ ইব্ন দাহিয়া, মালিক ইবন সায়ফ। ইবন হিশাম বলেন: তাকে কেউ কেউ ইব্ন যায়ফও বলেছেন। ইবন ইসহাক বলেন: কা'ব ইব্ন রাশিদ, আযির, রাফি' ইব্ন আবূ রাফি', খালিদ ও আযার ইব্ন আবু আযার। ইবন হিশাম বলেন: তাকে কেউ কেউ আযর ইব্ন আবু আযরও বলেছেন। ইবন ইসহাক বলেন: রাফি' ইবন হারিসা, রাফি' ইবন হুরায়মালা, রাফি' ইব্ খারিজা, মালিক ইব্ন আওফ, রিফা'আ ইব্ন যায়দ ইব্ন তাবৃত, আবদুল্লাহ ইব্ন সালাম ইবন হারিসা, তিনি ছিলেন তাদের শ্রেষ্ঠ শাস্ত্রবিদ ও পণ্ডিত ব্যক্তি। তাঁর পূর্ব নাম ছিল হুসায়ন (حصین)। ইসলাম গ্রহণের পর রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁর নাম রাখেন আবদুল্লাহ্। তাঁরা সবাই ছিলেন বনু কায়নুকা'র লোক।
📄 বনু কুরায়যার
যুবায়র ইব্ন যাতা ইব্ন ওয়াহব, উয্যাল ইব্ন শাময়েল, কা'ব ইব্ন আসাদ, বনু কুরায়যার পক্ষ থেকে যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল, যা আহযাব যুদ্ধের দিন ভঙ্গ করে দেওয়া হয়। শামূয়েল ইবন যায়দ, জাবল ইবন আমর ইব্ন সুকায়না, নাহ্হাম ইব্ন যায়দ, কুরদাম ইব্ন কা'ব, ওয়াহব ইন্ন যায়দ, নাফি' ইব্ন আবূ নাফি', আবু নাফি', আদী ইব্ন যায়দ, হারিস ইব্ন আওফ, কুরদাম ইব্ন খায়দ, উসামা ইবন হাবীব, রাফি' ইব্ন রুমায়লা, জাবাল ইব্ন আবু কুশায়র, ওয়াহব ইব্ন ইয়াহুযা এরা সকলেই ছিল বনু কুরায়যার লোক।
টিকাঃ
ফিতয়ূন শব্দটি মূলত হিব্রু ভাষায়। ইয়াহুদী সরদার অর্থে ব্যবহৃত।
📄 বনু যুরায়কের
লবীদ ইব্ন আ'সম-এ ব্যক্তিই রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে তাঁর সহধর্মিণীদের নিকট গমন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে জাদু করেছিল।