📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আনসার-মুহাজিরগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন

📄 আনসার-মুহাজিরগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন


ইবন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁর সাহাবী আনসার ও মুহাজিরগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করে দেন।
তখন তিনি বললেন-আমার কাছে যে বর্ণনা পৌঁছেছে, সে অনুসারে আর তিনি যা বলেন নি, তা বলেছেন বলে বলা থেকে আল্লাহ্ আমাকে রক্ষা করুন-তোমরা পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও আল্লাহ্র পথে। তারপর তিনি আলী ইব্‌ন আবু তালিবের হাত ধরে বললেন। এ হচ্ছে আমার ভাই অথচ রাসূলুল্লাহ্ (সা) হলেন রাসূলগণের সরদার ও মুত্তাকীগণের ইমাম এবং রাব্বুল আলামীনের রাসূল-যাঁর কোন তুলনা নেই, বান্দাদের মধ্যে যাঁর কোন নযীর নেই। তিনি ও আলী (রা) ভাই ভাই! আর হামযা ইব্‌ন আবদুল মুত্তালিব (রা) ছিলেন আসাদুল্লাহি আসাদু রাসূলিহী- আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের সিংহ এবং রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর চাচা। তাঁরই ভাই হলেন রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর আযাদকৃত যায়দ ইব্‌ন হারিসা। উহুদ যুদ্ধের সময় মৃত্যু সন্ধিক্ষণে তিনি তাঁকেই তাঁর অন্তিম বাণী বলে গিয়েছিলেন।
জা'ফর ইব্‌ন আবূ তালিব "যুল জানাহায়ন আত-তাইয়ার ফিল জান্নাত" (দুই পক্ষবিশিষ্ট জান্নাতে উড্ডয়নশীল) এবং বনূ সালামা গোত্রের মু'আযইব্‌ন জাবাল দু'জন হলেন পরস্পরে ভাই।
ইব্‌ন হিশাম বলেন: জা'ফর ইব্‌ন আবূ তালিব (রা) তখন আবিসিনিয়ায় থাকার দরুন অনুপস্থিত ছিলেন।
ইবন ইসহাক বলেন: আবু বকর সিদ্দীক ইব্‌ন আবু কুহাফা (রা) এবং বলোহারিস ইব্‌ন খাযরাজ গোত্রের খারিজা ইব্‌ন যুহায়র হলেন পরস্পরের ভাই।
উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রা) এবং বনূ সালিম ইব্‌ন আওফ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন আওফ ইব্‌ন খাযরাজের ইতবান ইবন মালিক ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ হলেন।
আবু উবায়দা ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন জাররাহ- যাঁর আসল নাম ছিল আমির ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ এবং বনূ আবদুল আশহালের সা'দ ইব্‌ন মুআয ইব্‌ন নু'মান তাঁরা হলেন পরস্পর ভাই ভাই।
আবদুর রহমান ইব্‌ন আওফ (রা) ও হারিস ইব্‌ন খাযরাজ গোত্রের সা'দ ইব্‌ন রবী হলেন পরস্পর ভাই ভাই।
যুবায়র ইব্‌ন আওয়াম বনু আবদুল আশহালের সালামা ইবন সালামা ইব্‌ন ওয়াকশ হলেন পরস্পর ভাই ভাই। কেউ কেউ বলেন, বরং যুবায়র ও বনূ যুহার মিত্র আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ হলেন পরস্পর ভাই ভাই।
উসমান ইব্‌ন আফফান এবং বনূ নাজ্জারের আওস ইব্‌ন সাবিত ইব্‌ন মুনযির হলেন পরস্পর ভাই ভাই। তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ্ এবং বনূ সালমার কা'ব ইব্‌ন মালিক হলেন পরস্পর ভাই ভাই। সা'দ ইব্‌ন যায়দ ইব্‌ন আমর ইব্‌ নুফায়ল এবং বনূ নাজ্জারের উবায় ইব্‌ন কা'ব হলেন পরস্পর ভাই ভাই। মুস'আব ইবন উমায়র ইবন হাশিম এবং বনু নাজ্জারের আবু আইয়ূব খালিদ ইব্‌ন যায়দ হলেন পরস্পর ভাই ভাই। আবু হুযায়ফা ইব্‌ন উত্বা ইব্‌ন রবী'আ এবং আবদুল আশহালের আব্বাদ ইব্‌ন বাশার ইব্‌ন ওয়াকশ, বনূ মাখযূমের মিত্র আম্মার ইব্‌ন ইয়াসির এবং বনু আব্দ আশহলের মিত্র বনূ আবদ আক্সের হুযায়ফা ইব্‌ন ইয়ামান হলেন পরস্পর ভাই ভাই।
কেউ কেউ বলেন: সাবিত ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন শাম্মাস, যিনি বলোহারিস ইব্‌ন খাযরাজ গোত্রীয় লোক এবং রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর খতীব ছিলেন-তিনি ও আম্মার ইব্‌ন ইয়াসির (রা) ছিলেন পরস্পর ভাই ভাই।
আবু যার, যাঁর আসল নাম ছিল কারীর ইবন জুনাদা আল-গিফারী তাঁর ভ্রাতৃত্ব বন্ধন হয় বনূ সাঈদা ইব্‌ন কা'ব ইব্‌ন খাযরাজের আল-মু'নিক লিয়ামৃত (মৃত্যুর দিকে দ্রুত ধাবমান) উপাধিধারী মুনযির ইবন আমরের সংগে।
ইব্‌ন হিশাম বলেন: আমি একাধিক আলিমের মুখে এরূপ শুনেছি: আবূ যার হচ্ছেন জুন্দুব ই জুনাদা।
ইবন ইসহাক বলেন: হাতির ইব্‌ন আবূ বালতা'আ, যিনি বনূ আসাদ ইব্‌ন আবদুল উয্যার মিত্র ছিলেন, তাঁর এবং বনু আমর আওফের উওয়ায়ম ইবন সাঈদার মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন স্থাপিত হয়। আর সালমান ফারসী ও আবু দারদা (রা) বলোহারিস গোত্রের উওয়ায়মির ইবন সা'লাবা হলেন পরস্পর ভাই ভাই।
ইবন হিশাম বলেন: উওয়ায়মির ইবন আমিরকে কেউ কেউ বলেছেন উওয়ায়মির ইবন যায়দ।
ইবন ইসহাক বলেন: আবূ বকর (রা)-এর আযাদকৃত বিলাল (রা) যিনি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর মুয়াযযিন ছিলেন তাঁর ভ্রাতৃত্ব বন্ধন হয় আবু রুয়ায়হা আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আবদুর রহমান খাসআমীর সংগে, পরে কাযা নামক দু'জনের মধ্যকার একজনের সাথে।
এঁরাই হচ্ছেন সেই সব সাহাবী-যাঁদের মধ্যে নবী করীম (সা) নিজে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন স্থাপন করে দিয়েছিলেন বলে আমাদের কাছে বর্ণনা করা হয়েছে।
উমর ইবন খাত্তাব (রা) যখন সিরিয়ার সাহাবীগণের (ভাতা দানের) তালিকা প্রস্তুত করিয়েছিলেন আর বিলাল (রা) তখন সিরিয়াই অবস্থান করছিলেন, তিনি জিহাদের উপলক্ষে সেখানে স্থায়ীভাবে অবস্থান করতে শুরু করেছিলেন- তখন উমর (রা) বিলাল (রা)-কে জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কার সংগে নাম তালিকাভুক্ত করবেন হে বিলাল! তিনি বললেন: আবু রুয়ায়হার সংগে। আমি কখনো তাঁর নিকট থেকে বিচ্ছিন্ন হবো না। তা এ কারণে যে, আমার এবং তাঁর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববন্ধন স্বয়ং রাসূলুল্লাহ্ (সা) স্থাপন করে দিয়েছিলেন। তখন তিনি বিলাল (রা)-কে আবূ রুওয়াহা (রা)-এর সঙ্গেই যুক্ত করে দিলেন এবং আবিসিনিয়ার তালিকা তিনি খাসআমের সংগে যুক্ত করে দেন। তাই বিলাল (রা) তাঁদেরই সংগে ছিলেন, আর অদ্যবধি সিরিয়ায় তা খাসআমের সংগেই যুক্ত রয়েছে।

টিকাঃ
১. আবু উবায়দ তদীয় কিতাবুল আমওয়ালে এই চুক্তিপত্রকে জিযিয়া নির্ধারণের পূর্বের মুসলিমরা যখন দুর্বল ছিলেন তখনকার ব্যাপার বলে উল্লেখ করে লিখেছেন, এ চুক্তিনামা অনুযায়ী ইয়াহুদীরা তখন মুসলমানদের সাথে যুদ্ধে শরীক হয়ে গনীমতও লাভ করত।
২. রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে মদীনায় পদার্পণের পর এ ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করে দেন- যাতে করে তাদের একাকীত্ব এবং স্বজনহারার বেদনা লাঘব হয় এবং একে অপরের সাহায্যে শক্তিশালী হয়ে উঠেন। তারপর যখন ইসলাম শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং অবস্থার পরিবর্তন ঘটে, তখন আল্লাহ্ নাযিল করেন ه وأولوا الْأَرْحَامِ بَعْضُهُمْ أولى ببعض في كتب الله" উত্তরাধিকারের ব্যাপারে আত্মীয়তা সম্পর্কই বিচার্য ব্যাপার।" তারপর সমস্ত মু'মিন মুসলমানকে পরস্পর ভাই ভাই বলে উল্লেখ করা হয়। ইরশাদ 2 : إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ اخْوَةُ "মু'মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই।" (ভালবাসা ও ইসলাম প্রচারের বিষয়ে)।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আবূ উমামা (রা)

📄 আবূ উমামা (রা)


ইবন ইসহাক বলেন: ঐ মাসগুলোতে আবু উমামা আস'আদ ইব্‌ন যুরারা (রা) ইন্তিকাল করেন। মসজিদে নব্বীর তখন নির্মাণ কাজ চলছিল। গল-রোগ বা হুপিং কাশিতে তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন।
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আবূ বকর ইব্‌ন মুহাম্মদ ইব্‌ন আমর ইবন হাযম (র) ইয়াহইয়া ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আবদুর রহমান ইব্‌ন আস'আদ ইব্‌ন যুরারা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন:
بئس الميت ابو امامة ليهود ومنافقى العرب يقولون : لو كان نبيا لم يمت صاحبه ، ولا املك لنفسي ولا لصاحبي من الله شيئًا
"আবু উমামার মৃত্যু আরবের ইয়াহুদী ও মুনাফিকদের জন্যে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা বলে: এ ব্যক্তি [অর্থাৎ নবী করীম (সা) যদি নবীই হত, তাহলে তাঁর সঙ্গী মারা যেতনা,
অথচ আল্লাহ্র ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমি না আমার নিজের ব্যাপারে কোন ক্ষমতা বা ইখতিয়ার রাখি, আর না আমার সাহাবীদের ব্যাপারে।"
ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট আসিম ইবন উমর ইবন্ন কাতাদা আনসারী বর্ণনা করেছেন: যখন আবূ উমামা আস'আদ ইব্‌ন যুরারা ইন্তিকাল করলেন, তখন বনূ নাজ্জারের লোকজন রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সঙ্গে সমবেত হলেন। তাঁরা তাঁর নিকট আরয করলেন:
"ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমাদের মধ্যে তাঁর কী মর্যাদা ছিল তা আপনি জানেন। তাঁর স্থলে আমাদের বিষয়াদি দেখাশোনার (নেতৃত্বের) জন্যে আমাদের মধ্য থেকে একজন লোক নিযুক্ত করে দিন। জবাবে রাসূলুল্লাহ্ (সা) বললেন:
انتم اخوا لي وانا بما فيكم وانا نقيبكم
"আপনারা হচ্ছেন আমার মামার গোষ্ঠীর লোক। আপনাদের বিষয়াদি দেখাশোনার জন্যে আমি নিজেই দায়িত্ব নিলাম। আমিই আপনাদের নকীব (সরদার) রূপে রইলাম।" রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাদের কাউকে বাদ দিয়ে অপর কাউকে প্রাধান্য দানকে অপসন্দ করলেন। আর এটা বনূ নাজ্জারের জন্যে একটি বৈশিষ্ট্য, যার জন্য তারা অন্যান্য সম্প্রদায়ের কাছে গর্বিত ছিলেন। কারণ স্বয়ং রাসূলুল্লাহ্ (সা) ছিলেন তাঁদের নকীব বা সরদার।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আযানের ইতিবৃত্ত

📄 আযানের ইতিবৃত্ত


ইবন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) মদীনায় শান্তিতে বসবাস করতে লাগলেন। তাঁর মুহাজির ভাইগণ তাঁর কাছে সমবেত হলেন। আনসারদের অবস্থা সুদৃঢ় হল। ইসলাম সুসংহত হল। তখন সালাত সুপ্রতিষ্ঠিত হল। যাকাত ও সিয়াম ফরয করা হল। ইসলামী হুদূদ বা দন্ডবিধি প্রবর্তিত হল। হালাল ও হারাম নির্ধারিত হল। ইসলাম তাঁদের মধ্যে পরিপূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হল। আনসার গোত্র তখন: هم الذين تبؤوا الدار والايمان
"তারা হিজরত ভূমি ও ঈমানে পাকাপোক্ত হয়ে গেছে” অভিধায় অভিহিত হল। রাসূলুল্লাহ্ (সা) যখন মদীনায় পদার্পণ করলেন, তখন লোকজন সালাতের নির্ধারিত সময়ে বিনা আহবানেই তাঁর কাছে এসে সমবেত হত। রাসূলুল্লাহ্ (সা) মদীনা আগমণের পর ইয়াহুদীদের বিউগলের মত বিরাট একটি বিউগল বানিয়ে তা বাজিয়ে সালাতের জন্যে তাদের আহবানের মত আহবান জানাতে মনস্থ করলেন। কিন্তু পরে এটা তাঁর মনঃপূত হলনা। তারপর তিনি ঘন্টা বাজাবার নির্দেশ দিলেন। মুসলমানদেরকে সালাতের জন্যে আহবানের উদ্দেশ্যে একটি ঘন্টা বানানোও হল।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন যায়দ (রা)-এর স্বপ্ন

📄 আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন যায়দ (রা)-এর স্বপ্ন


তাঁরা যখন এরূপ চিন্তা-ভাবনা করছেন এমন সময় আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন যয়দ ইবন সা'লাবা ইব্‌ন আব্দ রাব্বিহ-যিনি ছিলেন বলোহারিস ইন্ন খাযরাজ গোত্রের লোক-আহবান পদ্ধতি স্বপ্নে দেখলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট এসে বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্ (সা)! জনৈক ব্যক্তি গতরাতে আমার কাছে এলেন। সবুজ দু'টি বস্ত্র পরিহিত এক ব্যক্তি হাতে একটি ঘন্টাসহ আমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিল। আমি তাকে বললাম : হে আল্লাহ্র বান্দা! তুমি-কি এ ঘন্টাটি বিক্রি করবে? সে ব্যক্তি বলল, তুমি এ দিয়ে কি করবে? আমি বললাম : আমরা এটা দ্বারা সালাতের জন্যে আহবান জানাব। সে ব্যক্তি বলল: আমি কি তোমাকে এর চাইতে উত্তম পন্থা বলে দেবনা? আমি বললাম : সে কি? জবাবে সে ব্যক্তি বলল: তুমি বলবে : الله اكبر الله اكبر الله اكبر الله اكبر اشهد ان لا اله الا الله اشهد ان لا اله الا الله اشهد ان محمدا رسول الله اشهد ان محمدا رسول الله حي على الصلاة حي على الصلوة حي على الفلاح حي على الفلاح الله اكبر الله اكبر لا اله الا الله
তিনি যখন এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে অবহিত করলেন, তখন তিনি বললেন:
انها لرؤيا حق ان شاء الله فقم مع بلال فالقها عليه فليؤذن بها فانه اندى صوتا منك -
"ইনশা আল্লাহ এটা হচ্ছে সত্য স্বপ্ন, তুমি বিলালের সাথে দাঁড়িয়ে যাও এবং তাকে এগুলো শিখিয়ে দাও, যেন সে এগুলো আযানে বলে। কেননা সে তোমার তুলনায় উচ্চকণ্ঠধারী।" তারপর বিলাল যখন উচ্চকণ্ঠে এ শব্দগুলোর দ্বারা আযান দিলেন, তখন উমর (রা) ইব্‌ন খাত্তাব আপন ঘর থেকে তা শুনতে পেয়ে চাদর হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে আসলেন। তিনি তখন বলছিলেন : ইয়া নাবী-আল্লাহ্! আপনাকে যে সত্তা সত্যসহ প্রেরণ করেছেন তাঁর কসম, আমিও অনুরূপ স্বপ্ন দেখেছি। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) বললেন :
فلله الحمد على ذالك
"এর জন্য আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি।"

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00