📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আমির ও তাঁর স্ত্রী এবং বনু জাহশের হিজরত

📄 আমির ও তাঁর স্ত্রী এবং বনু জাহশের হিজরত


ইবন ইসহাক বলেন: আবূ সালামার পর যিনি সর্বপ্রথম মদীনা শরীফে মুহাজিররূপে আগমন করেন তিনি হচ্ছেন বনূ 'আদী ইব্‌ন কা'বের মিত্র আমির ইব্‌ন রবী'আ। তাঁর সাথে তাঁর সহধর্মিণী লায়লা বিন্ত আবূ হাসমা ইব্‌ন গানিম ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আওফ ইব্‌ন উবায়দ ইব্‌ন আদী ইব্‌ন কা'ব ছিলেন।
তারপর আসেন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন জাহশ ইব্‌ন রিআব ইব্‌ন ইয়া'মার ইব্‌ন সাবুরা ইব্‌ন মুররা ইবন কাসীর ইব্‌ন গام ইব্‌ন দূদান ইব্‌ন আসাদ ইব্‌ন খুযায়মা। ইনি বনূ উমাইয়া ইব্‌ আব্দ শামসের মিত্র ছিলেন। তিনি তাঁর সাথে তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর ভাই আব্দ ইব্‌ন জাহশকেও সাথে নিয়ে এসেছিলেন-তিনি আবু আহমদ নামে পরিচিত, আর আবু আহমদ ছিলেন অন্ধ। তিনি মক্কার উঁচু এলাকা থেকে নীচু এলাকায় কোন পথ প্রদর্শকের সাহায্য ব্যতিরেকেই চলাফেরা করতে পারতেন। তিনি একজন কবি ছিলেন এবং ফার'আ বিন্ত আবু সুফইয়ান ইব্‌ন হার্ব তাঁর সহধর্মিণী ছিলেন। তাঁর মা ছিলেন আবদুল মুত্তালিব ইবন হাশিমের কন্যা উমায়মা।
জাহশের' পুত্র-কন্যাদের হিজরতের ফলে তাঁদের ঘর জনমানবহীন হয়ে যায়। তখন উত্তা ইব্‌ন রবী'আ, আব্বাস ইব্‌ন আবদুল মুত্তালিব, আবু জাহল ইব্‌ন হিশাম ইব্‌ন মুগীরা মক্কা শরীফের উঁচু অঞ্চলের দিকে যাওয়ার পথে এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিল-যার ধ্বংসাবশেষের কাছে এখন আবান ইবন উসমানের বাড়ি অবস্থিত-তখন বিরান বাড়ির দরজা বাতাসে দুলছে আর ঠাস ঠাস আওয়াজ হচ্ছে দেখে এক দীর্ঘ নিশ্বাস নিয়ে উৎবা ইবন রবী'আ বলে উঠল:
وكل دار وان طالت سلامتها × يوما ستدركها النكباء والحوب
"প্রতি বাড়ি যদিও তা থাকুক শত সালামতে একদিন তা বিরান হবে, উজাড় হওয়ার শব্দ হবে।"
ইবন হিশাম বলেন: এ পংক্তিটি আবূ দুয়াদ ইয়াদী কর্তৃক রচিত।
ইবন ইসহাক বলেন: তারপর উতবা ইব্‌ন রবী'আ বলল: জাহশের পুত্রকন্যাদের বাড়ি আজ তার বাসিন্দাশূন্য। তখন আবূ জাহল তাকে লক্ষ্য করে বলে উঠল: একা বাপের একা এক সন্তানের জন্যে তুমি কী কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছ হে?
আবু জাহল তার এ বাক্যাংশে قل ابن قل শব্দ ব্যবহার করে।
ইবন হিশাম বলেন: قل মানে একাকী একজন। লবীদ ইব্‌ন রবী'আ তার কবিতাংশে এ শব্দটি এ অর্থেই ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেছেন:
كل بني حرة مصيرهم * قل و ان اكثرث من العدسد
"হাররা গোত্রের সবার প্রত্যাবর্তনস্থল এক, তাদের সংখ্যা যত অধিকই হোক না কেন।"
ইবন ইসহাক বলেন: তারপর সে বলল এটা হচ্ছে আমার এই ভ্রাতুষ্পুত্রটির কাজেরই ফল। সে আমাদের দলে ভাঙ্গন সৃষ্টি করেছে। সম্প্রীতিতে চিড় ধরিয়েছে এবং আমাদেরকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে।

টিকাঃ
১. জাহশের পুত্র-কন্যাগণ: এঁরা হচ্ছেন (১) আবদুল্লাহ্ ও (২) আবু আহমদ, যাঁর নাম ছিল আব্দ। তাঁদের আরেক ভাই (৩) উবায়দুল্লাহ্ ইসলাম গ্রহণ করেন। তারপর তিনি খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হন এরা হাবশায় হিজরত করেন। (৪) উম্মুল মু'মিনীন যয়নাব বিন্ত জাহশ ছিলেন তাদেরই বোন যিনি পূর্বে যায়দ ইব্‌ন হারিসার পত্নী ছিলেন আর যাঁর সম্পর্কে আয়াত অবতীর্ণ হয়: فَلَمَّا قَضَى زَيْدٌ مِّنْهَا وَطَراً زَوْجِنَّكَهَا (৫) উম্মে হাবীব বিন্ত জাহশ-যিনি অস্বাভাবিক রজঃস্রাবে ভুগতেন এবং আবদুর রহমান ইব্‌ন আওফের স্ত্রী ছিলেন। (৬) হামনা বিন্ত জাহশ-ইনি মুস'আব ইব্‌ন উমায়রের স্ত্রী ছিলেন। ইনিও অতিরিক্ত রজঃস্রাবের রোগিণী ছিলেন। বর্ণিত আছে যে, যয়নাবও অনুরূপ অতিরিক্ত রজঃস্রাবে ভুগতেন। মুওয়াত্তায় আছে, যয়নাব বিন্ত জাহশ-যিনি আবদুর রহমান ইব্‌ন আওফের স্ত্রী ছিলেন এবং যিনি অতিরিক্ত রজঃস্রাবে ভুগতেন-অথচ যয়নাব কস্মিনকালেও আবদুর রহমান ইব্‌ন আওফের সহধর্মিণী ছিলেন না। আর কেউ তা বলেনও নি এবং কেউ এ ভুল তথ্য গ্রহণও করবে না। আসলে আবদুর রহমানের স্ত্রী ছিলেন তাঁর বোন উম্মে হাবীব। তাঁকে উম্মু হাবীবাও বলা হয়ে থাকে। অবশ্য আমাদের শায়খ আবু আবদুল্লাহ্ মুহাম্মদ ইব্‌ নাজাহ্ আমাকে বলেছেন যে, উম্মু হাবীবের নামও ছিল যয়নাব। তাহলে কথা দাঁড়াচ্ছে-তাঁদের দু'জনের নামই ছিল যয়নাব। একজনের কুনিয়াত বা ডাকনাম তাঁর আসল নামের চাইতে বেশি প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। যার ফলে তাঁর আসল নাম চিরতরে চাপা পড়ে গেছে। তা হলে মুওয়াত্তার হাদীসে কোন ভুল' বা ভ্রান্ত ধারণার কিছু নেই। আল্লাহই সম্যক অবগত। যয়নাব বিন্ত জাহশের আসল নাম ছিল বাররা। রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁর নামকরণ করেন যয়নাব বলে। অনুরূপভাবে উম্মু সালামার দুহিতা যয়নাব যিনি নবী করীম (সা)-এর রবীবাহ্ (পালিতা কন্যা) ছিলেন তাঁর নামও ছিল বাররা। রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁর নামও পাল্টিয়ে দিয়ে যয়নাব রাখেন। এটা যেন তাঁর এ মনোভাবেরই অভিব্যক্তি ছিল যে, কোন মহিলা তাঁর নিজের নাম নিজেই বাররা বা পূণ্যবতী বলবে এটা তিনি পসন্দ করছিলেন না। আর জাহশ ইব্‌ন রিআবের নাম ছিল বুররা। যয়নাব বিন্ত জাহশ রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে লক্ষ্য করে বলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্! যদি আপনি আমার পিতার নামটিও পরিবর্তন করে দিতেন, কেননা বুররা নামটি খুবই ছোট। বর্ণিত আছে যে, জবাবে রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন: তোমার পিতা যদি মুসলমান হতেন তাহলে আমরা আমাদের আহলে বায়তের নামে তার নামকরণ করতাম, বরং আমি তার নামকরণ করছি জাহশ বলে আর জাহশ নামটি বুররা থেকে বড়।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আরো অনেক সম্প্রদায়ের হিজরত

📄 আরো অনেক সম্প্রদায়ের হিজরত


আবূ সালামা ইব্‌ন আবদুল আসাদ, আমির ইব্‌ন রবীআ, আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন জাহশ ও তাঁর ভাই আবূ আহমদ ইব্‌ন জাহশ কুবায় বনূ আমর ইব্‌ন আওফের মহল্লায় মুবাশির ইন্ন আবদুল মুনযিরের বাড়িতে বাস করতেন। তারপর মুহাজিরগণ দলে দলে আসতে লাগলেন। বনূ গাম ইব্‌ন দূদান-যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সঙ্গে নারী-পুরুষ সকলেই হিজরত করে মদীনায় চলে আসেন।
এঁরা হলেন: আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন জাহশ এবং তাঁর ভাই আবূ আহমদ ইব্‌ন জাহশ, উক্কাশা ইব্‌ন মিহসান, শুজা' ও উকবা, ওয়াহবের পুত্রদ্বয় এবং আরবাদ ইবন হুমায়রা। ইবন হিশাম বলেন: তাকে ইব্‌ন হুমায়রা বলে ডাকা হত।
ইবন ইসহাক বলেন (এঁদের মধ্যে আরো ছিলেন) মুনকিষ ইব্‌ নুবাতা, সাঈদ ইব্‌ রুকায়শ, মুহরিয ইব্‌ন নাযলা, ইয়াযীদ ইব্‌ন রুকায়শ, কায়স ইব্‌ন জাবির, আমর ইব্‌ মিহসান, মালিক ইব্‌ন আমর, সাফওয়ান ইব্‌ন আমর, সাকাফ ইব্‌ন আমর, রবী'আ ইন্ন আকসাম, যুবায়র ইবন উবায়দ, তামাম ইবন উবায়দা, সাখবারা ইবন উবায়দা ও মুহাম্মদ ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন জাহশ।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 এদের স্ত্রীলোকদের হিজরত

📄 এদের স্ত্রীলোকদের হিজরত


তাঁদের নারীদের মধ্যে ছিলেন: যয়নাব বিন্ত জাহশ, উম্মু হাবীব বিন্ত জাহש, জুযামা বিন্ত জান্দাল, উন্মু কায়স বিন্ত মিহসান, উম্মু হাবীব বিন্ত সুমামা, আমিনা বিন্ত রুকায়শ, সাখবারা বিনত তামীম এবং হামনা বিনত জাহশ।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আবূ আহমদ ইব্‌ন জাহশের কবিতা

📄 আবূ আহমদ ইব্‌ন জাহশের কবিতা


আবূ আহমদ ইব্‌ন জাহশ ইব্‌ন রি'আব হিজরতের আহবান পাওয়ামাত্র আসাদ ইব্‌ খুযায়মা গোত্রের তাদের স্বজাতির নিকট থেকে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দিকে হিজরত করে যাওয়ার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন (কবিতা): "উম্মু আহমদ (কবির স্ত্রী) যদি সাফা ও মারওয়ার মধ্যবর্তী স্থানে আল্লাহর নামে কোন শপথ বাক্য উচ্চারণ করে, তা হলে সে তার শপথ অবশ্যই পূর্ণ করবে। আমরা ছিলাম সেই গোষ্ঠী যারা মক্কায়ই ছিলাম-যাবৎ না আমাদের স্থূলকায়রা ক্ষীণকায় হয়ে যায়- আমরা অবিরতভাবে সেখানেই বসবাস করে যাই। ওখানেই তাঁবু স্থাপন করে বসবাস শুরু করেছিলেন (আমাদের পূর্বপুরুষ) গানন্ম ইন্ন দূদান। তারপর রীতিমত তিনি সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন (তাঁর বংশধররা এখানে স্থায়ী বসতি স্থাপন করে) তারপর গানন্ম গোত্র সেখান থেকে ঊষালগ্নে বেরিয়ে পড়ে এবং তাদের যাত্রা সহজতর হয়ে যায়। এক-একজন দু'-দু'জন করে তারা আল্লাহর দিকে (হিজরত করে) চলেছেন। আল্লাহর রাসূলের সত্য দীন এখন তাদের দীন।"
আবু আহমদ ইব্‌ন জাহশ আরো বলেন (কবিতা): "উম্মু আহমদ যখন প্রত্যক্ষ করল যে, সেই সত্তার ভরসায় আমি সফরের জন্য উদ্যত যাঁকে আমি না দেখেই ভয় করি এবং কম্পিত হই, তখন সে বলে, একান্ত যদি তুমি সফরই করবে, তাহলে ইয়াসরিব থেকে দূরে অন্য কোন শহরে আমাদেরকে নিয়ে চল। জবাবে আমি তাকে বললাম: না হে! বরং ইয়াসরিবই আমাদের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যস্থল আর পরম করুণাময় যা চান বান্দা তাই করে থাকে। আমার চেহারা (মনোযোগ) আল্লাহ্ ও রাসূলের দিকেই নিবিষ্ট। আর তাঁর দিকে যার চেহারা নিবিষ্ট থাকে, সে কখনো ব্যর্থকাম হয় না। আমরা কত অন্তরঙ্গ বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী এবং অশ্রুবিসর্জনকারিণী ও আর্তবিলাপকারিণী বান্ধবীদেরকে ছেড়ে এসেছি। তারা ধারণা করে, আমরা আমাদের শহর থেকে দূরে চলে যাচ্ছি রক্তপণের সন্ধানে আর আমাদের বিবেচনায় আমরা আমাদের অভীষ্টের দিকেই এগিয়ে চলেছি।
আমি গান গোত্রকে তাদের প্রাণ রক্ষার জন্যে এবং সত্যের দিকে আহবান জানিয়েছি- যখন লোকের জন্যে সত্য সমুজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।
আল্লাহ্র প্রশংসা যে, যখন আহবানকারী তাদেরকে সত্যের দিকে, মুক্তির দিকে আহবান জানিয়েছেন, তখন তারা পূর্ণোদ্যমে সে আহবানে সাড়া দিয়েছে।
আমাদের এবং আমাদের ঐ বন্ধুদের যারা সত্যপথ থেকে দূরে রয়েছে এবং আমাদের বিরুদ্ধে অন্যদেরকে সাহায্য করেছে ও অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করেছে তাদের দৃষ্টান্ত হল- এমন দুটো বাহিনী-যাদের একদলের সত্যকে গ্রহণের তাওফীক জুটেছে ও তারা সুপথপ্রাপ্ত হয়েছে, আর অপর দল শাস্তি পেয়েছে।
তারা অবাধ্যাচরণ করেছে এবং মিথ্যা আশার মরীচিকার পেছনে ছুটেছে। ইবলীস শয়তান তাদেরকে সত্য থেকে বিভ্রান্ত পদস্খলিত করেছে, ফলশ্রুতিতে তারা হতাশ এবং বঞ্চনার শিকার হয়েছে।
আমরা নবী মুহাম্মদ (সা)-এর বাণীর দিকে প্রত্যাবর্তিত হয়েছি। আমাদের মধ্যকার সত্যের পৃষ্ঠপোষকতাকারীরা পবিত্রতা অর্জন করেছে এবং তাদেরকে পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।
আমরা নৈকট্য বিধানকারী আত্মীয়তা বন্ধনের দ্বারা তাদের নৈকট্য লাভে তৎপর হই। আর সত্যিকারের নৈকট্য অর্জন না করলে কেবল আত্মীয়তা দ্বারা প্রকৃত নৈকট্য অর্জন হয়ে উঠে না।
আমাদের পর আর কোন্ ভাগিনেয় তোমাদের উপর ভরসা করবে শুনি, আর আমার শ্বশুরালয়ের আত্মীয়তার পর কোন্ শ্বশুরালয়ের আত্মীয়তার উপর নির্ভর করা যাবে?
যখন লোকজন পরস্পরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, তাদের আত্মীয়তা সম্পর্ককে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হবে, তখনই জানতে পারবে সত্যের পথে কারা অধিকতর বিচরণশীল ছিল।"
ইবন হিশাম বলেন: যে পংক্তিসমূহে وَلَنا يشرب এবং اذ لا تقرب শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে, তা ইব্‌ন ইসহাক ছাড়া অপর বর্ণনাকারীদের দ্বারা বর্ণিত হয়েছে।
ইন্ন হিশাম বলেন: যেখানে اذ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে তা ।১। অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে, যেমনটি আল্লাহ্ তা'আলার বাণী : اَذْ الظَّلِمُوْنَ مَوْقُوْقُوْنَ عِنْدَ رَبِّهِمْ আয়াতে ব্যবহার করা হয়েছে।
আবুল নজম আল-'আজলী বলেন: ثم جزاء الله عنا اذ جزى * جنات عدن في العلالي والعلا "তারপর আল্লাহ্ যখন আমাদের পক্ষ থেকে তাদেরকে প্রতিফল দান করবেন, তখন দান করবেন বালাখানাসমূহে চিরসবুজ বাগ-বাগিচা এবং উচ্চতর মর্যাদা।"

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00