📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 'আমর ইবন মালিক গোত্র থেকে যাঁরা এ বায়'আতের শরীক হন

📄 'আমর ইবন মালিক গোত্র থেকে যাঁরা এ বায়'আতের শরীক হন


বনূ আমর ইবন মালিক ইব্‌ন নাজ্জার গোত্র-যাদেরকে বনূ হুদায়লা বলা হয়ে থাকে। ইন হিশام বলেন: হুদায়লা হচ্ছেন মালিক ইবন যায়দ মানাত ইব্‌ন হাবীব ইব্‌ন আবদ্‌ হারিসা ইব্‌ন মালিক ইব্‌ন গায়ব ইব্‌ন জুশাম ইব্‌ন খাযরাজ-এর কন্যা। এ বংশের মধ্য থেকে ছিলেন—
১৯. আওস ইব্‌ন সাবিত ইব্‌ন মুনযির ইব্‌ন হারাম ইব্‌ন আমর ইব্‌ন যায়দ মানাত ইব্‌ন আদী ইব্‌ন আমর ইব্‌ন মালিক ইব্‌ন নাজ্জার। ইনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
২০. আবূ তালহা। তাঁর আসল নাম যায়দ। বংশপঞ্জী এরূপ : যায়দ ইব্‌ন সাহল ইব্‌ন আসওয়াদ ইব্‌ন হারাম ইব্‌ন আমর ইব্‌ন যায়দ মানাত ইব্‌ন আদী ইব্‌ন মালিক ইব্‌ন নাজ্জার। ইনিও বদর যুদ্ধে শরীক ছিলেন। এ বংশের এই দু'জন শরীক হয়েছেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 বনু মাযিন ইব্‌ নাজ্জার থেকে যাঁরা এ বায়'আতে শরীক হন

📄 বনু মাযিন ইব্‌ নাজ্জার থেকে যাঁরা এ বায়'আতে শরীক হন


২১. কায়স ইব্‌ন আবূ সা'সা'আ। আবূ সা'সা'আর আসল নাম হচ্ছে আমর। তাঁর বংশপঞ্জী এরূপ : আমর ইব্‌ন যায়দ ইব্‌ন আওফ ইব্‌ন মাবযূল ইব্‌ন আমর ইব্‌ন গানম ইব্‌ন মাযিন। ইনি বদর যুদ্ধে শহীদ হন। রাসূলুল্লাহ্ (সা) সেদিন তাঁকে মুসলিম বাহিনীর পশ্চাদ্বর্তী অংশে দায়িত্ব প্রদান করে রেখেছিলেন।
২২. আমর ইব্‌ন গাযিয়া ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা'লাবা ইব্‌ন খানসা ইব্‌ন মাবযূল ইব্‌ন আমর ইব্‌ন গানম ইব্‌ন মাযিন।
এ গোত্রের ঐ দু'জনই ছিলেন। এ নিয়ে আকাবায় হাযির বনূ নাজ্জার গোত্রের মোট এগারজন ছিলেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 'আমর ইব্‌ন গাযিয়ার সঠিক বংশপঞ্জী

📄 'আমর ইব্‌ন গাযিয়ার সঠিক বংশপঞ্জী


ইবন হিশাম বলেন : আমর ইব্‌ন গাযিয়া ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা'লাবা ইব্‌ন খানসা হচ্ছেন ঐ ব্যক্তি যাঁকে ইব্‌ন ইসহাক গাযিয়া ইব্‌ন আমর ইব্‌ন আতিয়্যা ইব্‌ন খানসা বলে উল্লেখ করেছেন।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 বালাহারিস ইব্‌ন খাযরাজ গোত্র থেকে এ বায়'আতে যাঁরা শরীক হয়েছেন

📄 বালাহারিস ইব্‌ন খাযরাজ গোত্র থেকে এ বায়'আতে যাঁরা শরীক হয়েছেন


ইবন ইসহাক বলেন : বালাহারিস ইব্‌ন খাযরাজ গোত্র থেকে শরীক ছিলেন:
২৩. সা'দ ইব্‌ন রবী' ইব্‌ন আমর ইব্‌ন আবূ যুহায়র ইব্‌ন মালিক ইব্‌ন ইমরাউল কায়স ইব্‌ন মালিক (আসগার) ইব্‌ন সা'লাবা ইব্‌ন কা'ব ইব্‌ন খাযরাজ ইব্‌ন হারিস। ইনি একজন নকীব ছিলেন। বদর যুদ্ধে হাযির ছিলেন এবং উহুদের যুদ্ধে শাহাদত বরণ করেন।
২৪. খারিজা ইব্‌ন যায়দ ইব্‌ন আবূ যুহায়র ইব্‌ন মালিক ইব্‌ন ইমরাউল কায়স ইব্‌ন মালিক ইব্‌ন সা'লাবা ইব্‌ন কা'ব ইব্‌ন খাযরাজ ইব্‌ন হারিস। ইনিও বদর এবং উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে উহুদ যুদ্ধে শাহাদত বরণ করেন।
২৫. আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন রাওয়াহা ইব্‌ন সা'লাবা ইব্‌ন ইমরাউল কায়স ইব্‌ন আমর ইব্‌ন ইমরাউল কায়স (আল-আকবর) ইব্‌ন মালিক (আল-আসগার) ইব্‌ন সা'লাবা ইব্‌ন কা'ব ইব্‌ খাযরাজ ইব্‌ন হারিস। ইনিও একজন নকীব। বদর, উহুদ ও খন্দকসহ প্রত্যেকটি যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। অবশ্য মক্কা বিজয় ও তৎপরবর্তীগুলি ছাড়া। মৃতার যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর পক্ষ থেকে নিযুক্ত আমীররূপে তিনি শাহাদত বরণ করেন।
২৬. বশীর ইবন সা’দ ইবন সা’লাবা ইব্‌ন খাল্লাস ইব্‌ন যায়দ ইবন মালিক ইবন সা’লাবা ইব্‌ন কা’ব ইব্‌ন খাযরাজ ইবন হারিস আবু নু’মান ইব্‌ন বশীর। ইনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
২৭. আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন যায়দ ইবন সা’লাবা ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন যায়দ মানাত ইব্‌ন হারিস ইব্‌ন খাযরাজ। ইনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ইনি সেই বিখ্যাত ব্যক্তি যাঁকে নামাযের জন্যে আহবানের পদ্ধতি স্বপ্নে দেখানো হয়েছিল। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর কাছে এসে তা বিবৃত করলে তিনি (সা) সে মর্মে আদেশ দান করেন।
২৮. খাল্লাদ ইব্‌ন সুওয়ায়দ ইবন সা’লাবা ইব্‌ন আমর ইবন আমর ইবন ইমরাউল কায়স ইবন মালিক (আল-আসগার) ইবন সা’লাবা ইব্‌ন কা’ব ইব্‌ন খাযরাজ। ইনি বদর, উহুদ ও খন্দকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বনূ কুরায়যার যুদ্ধের দিন তিনি শাহাদত বরণ করেন। বন্ কুরায়যার দুর্গসমূহের মধ্যকার একটি দুর্গ থেকে তাঁর উপর একটি যাঁতা নিক্ষিপ্ত হয় এবং এতে তাঁর মস্তকে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়। তাঁর কথা আলোচনা প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন: তার জন্যে দুইজন শহীদের সওয়াব নির্ধারিত রয়েছে।
২৯. ‘উকবা ইব্‌ন আমর ইবন সা’লাবা ইবন উসায়রা ইবন উসায়রা ইবন জাদারা ইব্‌ আওফ ইব্‌ন হারিস ইব্‌ন খাযরাজ, তাঁর কুনিয়াত ছিল আবূ মাসউদ। ‘আকাবায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ইনি ছিলেন বয়সে সর্বকনিষ্ঠ। তিনি হযরত মু’আবিয়া (রা)-এর আমলে ইন্তিকাল করেন। ইনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন নি। সর্বমোট এ গোত্রের এই সাত ব্যক্তি আকাবায় অংশগ্রহণ করেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00