📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 প্রথম 'আকাবায় অংশগ্রহণকারী বনূ সাওয়াদের লোক

📄 প্রথম 'আকাবায় অংশগ্রহণকারী বনূ সাওয়াদের লোক


১০. কুত্বা ইন্ন আমির (রা)। তিনি সাওয়াদ গোত্রের লোক। তাঁর বংশ তালিকা এরূপ : কুত্বা ইব্‌ন আমির ইব্‌ন হাদীদা ইব্‌ন আম্ম ইন্ন গান্ম ইন্ন সাওয়াদ ইব্‌ন গানম ইব্‌ন কা'ব ইবন সালামা।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 প্রথম 'আকাবায় অংশগ্রহণকারী বনূ 'আওসের লোক

📄 প্রথম 'আকাবায় অংশগ্রহণকারী বনূ 'আওসের লোক


১১. আবুল হায়সাম ইবন তায়্যিহান (রা)। তিনি আওস গোত্রের শাখা 'আব্দ আশহাল ইব্‌ন জুশাম ইব্‌ন হারিস ইন্ন খায়রাজ ইবন 'আমর ইবন মালিক ইব্‌ন আওস ইব্‌ন হারিসা ইবন সা'লাবা ইব্‌ন আমার ইবন আমিরের লোক। তাঁর আসল নাম মালিক। ইন্ন হিশাম বলেন: আবুল হায়সামের পিতার নাম তায়হান ও তায়্যিহান-উভয়ভাবেই উচ্চারিত হয়।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 প্রথম 'আকাবায় অংশগ্রহণকারী বনু 'আমরের লোক

📄 প্রথম 'আকাবায় অংশগ্রহণকারী বনু 'আমরের লোক


১২. উওয়ায়ম ইব্‌ন সাঈদা (রা)। তিনি আমর ইব্‌ন আওফ ইব্‌ন মালিক ইব্‌ন আওস গোত্রের লোক।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 'আকাবায় বায়'আতকারীদের থেকে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর গৃহীত প্রতিশ্রুতি

📄 'আকাবায় বায়'আতকারীদের থেকে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর গৃহীত প্রতিশ্রুতি


ইবন ইসহাক বলেন: আমার নিকট ইয়াযীদ ইব্‌ন আবূ হাবীব (র) মারসাদ ইব্‌ আবদুল্লাহ্ ইয়াযানী (র) থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন উসায়লা সানাবিহী (র) থেকে, তিনি 'উবাদা ইবন সামিত (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: প্রথম 'আকাবার বায়'আতে আমিও শরীক ছিলাম। আমরা ছিলাম মোট বারজন। আমরা নারীদের বায়'আতের ন্যায় রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট বায়'আত করলাম। তখনও জিহাদ ফরয হয়নি। আমরা এই মর্মে বায়'আত করলাম যে, আমরা আল্লাহর সঙ্গে কোন শরীক স্থির করব না, চুরি করব না, ব্যভিচার করব না, সন্তান হত্যা করব না, সজ্ঞানে মিথ্যা রচনা করে রটাব না এবং সৎকার্যে তাঁর অবাধ্যতা করব না। তখন রাসূলুল্লাহ বললেন: যদি তোমরা এর এ অংগীকার পূর্ণ কর, তবে তোমাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। আর যদি তোমরা কোনটা লংঘন কর, তবে তোমাদের ব্যাপার আল্লাহ্ তা'আলার ইচ্ছাধীন থাকবে; তিনি চাইলে শাস্তি দেবেন, নয় ক্ষমা করে দেবেন।
ইবন ইসহাক বলেন: 'আইয ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ খাওলানী আবূ ইদরীস (র)-এর সূত্রে ইমাম যুহরী (র) বর্ণনা করেন যে, 'উবাদা ইবন সামিত (রা) বলেছেন, আমরা প্রথম 'আকাবার রাতে এই মর্মে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর নিকট বায়'আত করি যে, আমরা আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছু শরীক স্থির করব না, চুরি করব না, ব্যভিচার করব না, সন্তান হত্যা করব না, সজ্ঞানে অপবাদ রচনা করে রটাব না এবং কোন সৎকার্যে তাঁর অবাধ্যতা করব না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা) বললেন: যদি তোমরা এগুলো পূরণ কর, তবে তোমাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। আর যদি এর কোনটি লংঘন কর এবং তার কারণে দুনিয়াতে তোমাদের শাস্তি দেওয়া হয়, তবে সে শাস্তি ঐ অপরাধের জন্য প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ হবে। পক্ষান্তরে যদি তা তোমাদের জন্য কিয়ামত পর্যন্ত গোপন রাখা হয়, তাহলে তোমাদের এ বিষয়টি আল্লাহর ইচ্ছাধীন থাকবে। তিনি চাইলে শাস্তি দেবেন, অথবা মাফ করে দেবেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00