📄 কুরায়শরা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সঙ্গে আপোস-নিস্পত্তির জন্য আবু তালিবের কাছে এলে তাদের সম্পর্কে যা নাযিল হয়
রাবী বলেন: কুরায়শদের যে দলটি আবূ তালিবের কাছে এসেছিল এবং তাদের ও রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর মাঝে যে কথপোকথন হয়েছিল, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা 'সাদ'-এর এ আয়াতগুলো নাযিল করেন:
ص وَالْقُرْآنِ ذِي الذِكْرِ بَلِ الَّذِينَ كَفَرُوا فِي عِرَّةٍ وَشِقَاقٍ ...... أَجَعَلَ الْأَلِهَةَ إِلَهَا وَاحِدًا إِنَّ هَذَا لَشَيْ عُجَابٌ - وَانْطَلَقَ الْمَلَأُ مِنْهُمْ أَنِ امْشُوا وَاصْبِرُوا عَلَى الْهَتِكُمْ إِنَّ هَذَا لَشَيْ يُرَادُ - مَا سَمِعْنَا بِهذا في الملةِ الْآخِرَةِ إِنْ هذا الا اختلاق
"সাদ, শপথ উপদেশপূর্ণ কুরআনের! আপনি অবশ্যই সত্যবাদী কিন্তু কাফিররা ঔদ্ধত্য ও বিরোধিতায় ডুবে আছে। এদের পূর্বে আমি কত জনগোষ্ঠী ধ্বংস করেছি। তখন তারা আর্ত-চীৎকার করেছিল। কিন্তু তখন পরিত্রাণের কোনই উপায় ছিল না। এরা বিস্ময়বোধ করছে যে, এদের নিকট এদেরই মধ্য হতে একজন সতর্ককারী আসল এবং কাফিররা বলে, এতো এক যাদুকর, মিথ্যাবাদী। সে কি বহু ইলাহের পরিবর্তে এক ইলাহ বানিয়ে নিয়েছে? এ তো এক অত্যাশ্চর্য ব্যাপার! এদের প্রধানেরা সরে পড়ে এই বলে, তোমরা চলে যাও এবং তোমাদের দেবতাগুলোর পূজায় তোমরা অবিচলিত থাক। নিশ্চয়ই এ ব্যাপারটি উদ্দেশ্যমূলক। আমরা তো অন্য ধর্মাদর্শে এরূপ কথা শুনিনি; এ এক মনগড়া উক্তি মাত্র।" (৩৮: ১-৭)
অন্য ধর্মাদর্শ বলতে তারা খ্রিস্টধর্মকে বুঝিয়েছে, যেহেতু খ্রিস্টানরা এরূপ বলত যে, إِنَّ الله ثالث ثلثة (আল্লাহ্ তো তিনের তৃতীয়) (৫:৭৩)। এরপর আবূ তালিবের ইন্তিকাল হয়ে যায়।