📄 যাম'আ ও তার সাথীদের উক্তি এবং এর জবাবে এ আয়াত নাযিল হয়
ইবন ইসহাক বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁর সম্প্রদায়কে ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকলেন। তিনি তাদের সাথে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করতে থাকলেন এবং তাদের আহ্বান জানালেন চূড়ান্ত পর্যায়ে। শেষে যাম'আ ইব্ন আসওয়াদ, নাফ্র ইবন হারিস, আসওয়াদ ইব্ন আব্দ ইয়াগুস, উবায় ইব্ন খালাফ ও 'আস ইব্ন ওয়ায়ল তাঁকে বলল: হে মুহাম্মদ! তোমার সাথে যদি কোন ফেরেশতা নিযুক্ত করা হত, যে তোমার পক্ষে কথা বলত এবং মানুষ তা চাক্ষুষ দেখত! তাদের এ উক্তির জবাবে আল্লাহ্ তা'আলা নাযিল করেন:
وَقَالُوا لَوْلا أُنْزِلَ عَلَيْهِ مَلَكٌ وَلَوْ أَنْزَلْنَا مَلَكًا لَّقُضِيَ الْأَمْرُ ثُمَّ لَا يُنْظَرُوْنَ - وَلَوْ جَعَلْتُهُ مَلَكًا لَّجَعَلْتُهُ رَجُلاً وَلَلَبَسْنَا عَلَيْهِمْ مَّا يَلْبَسُونَ -
“তারা বলে, তাঁর নিকট কোন ফেরেশতা কেন প্রেরিত হয় না? যদি আমি ফেরেশতা প্রেরণ করতাম তা হলে তাদের কর্মের চূড়ান্ত ফয়সালাই তো হয়ে যেত, আর তাদের কোন অবকাশ দেওয়া হতনা। যদি তাকে ফেরেশতা করতাম, তবে তাকে মানুষের আকৃতিতেই প্রেরণ করতাম, আর তাদের সেরূপ বিভ্রমে ফেলতাম, যেরূপ বিভ্রমে তারা এখন রয়েছে।” (৬ : ৮-৯)
📄 ওয়ালীদ ও তার সাথীদের উক্তি এবং এর জবাবে এ আয়াত নাযিল হয়
ইবন ইসহাক বলেন : একদা রাসূলুল্লাহ্ (সা) ওয়ালীদ ইব্ন মুগীরা, উমাইয়া ইব্ন খালাফ ও আবু জাহল ইব্ন হিশাম-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা তাঁকে দেখে পরস্পরে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করল। তাদের সে আচরণে তিনি রাগান্বিত হন। তখন আল্লাহ্ তাদের এ আচরণ সম্পর্কে এ আয়াত নাযিল করেন:
وَلَقَدِ اسْتُهْزِئَ بِرُسُلٍ مِّنْ قَبْلِكَ فَحَاقَ بِالَّذِينَ سَخِرُوا مِنْهُمْ مَّا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ -
"তোমার পূর্বেও অনেক রাসূলকেই ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা হয়েছে। পরিণামে তারা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করছিল তাই বিদ্রুপকারীদের পরিবেষ্টন করেছে।” (৬ : ১০)।