📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 নাষর কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে নির্যাতন

📄 নাষর কর্তৃক রাসূলুল্লাহ্ (সা)-কে নির্যাতন


নাযর ইবন হারিস ছিল কুরায়শ গোত্রের কুচক্রীদের অন্যতম । অন্যদের মত সেও রাসূলুল্লাহ্ (সা:) -এর উপর নির্যাতন চালাত এবং তাঁর সংগে শত্রুতা পোষণ করত । ইতিপূর্বে সে হীরায় গিয়েছিল এবং সেখান থেকে পারস্যের রাজাদের ইতিহাস জেনে এসেছিল । রুস্তম ও ইসফিন্দিয়ারের কাহিনী শুনে এসেছিল । যখনই রাসূলুল্লাহ (সা:) কোন বৈঠকে বসে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন এবং পূর্ববর্তী জাতিগুলো নাফরমানীর কারণে আল্লাহ্র তরফ থেকে কি ধরনের শাস্তি ভোগ করেছিল , তার উল্লেখ করে স্বজাতিকে সতর্ক করতেন , তখন রাসূলুল্লাহ্ (সা:) সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর সে তাঁর স্থানে বসে বলত : আল্লাহ্র কসম ! হে কুরায়শরা ! আমি মুহাম্মদের চাইতে উত্তম কথা বলতে পারি । এতএব তোমরা আমার কাছে এস । ত তোমাদের তাঁর চাইতে ভাল কথা শোনাব । তারপর সে পারস্যের রাজাদের এবং রুস্তম ও ইসফিন্দিয়ারের কাহিনী শোনাত । অবশেষে সে বলত , বল তো , মুহাম্মদ আমার চাইতে কোন কথাটি ভাল বলেছে ?
ইবন হিশাম বলেন , আমার জানামতে নাযর ইবন হারিস বলেছিল আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন অচিরেই আমি তার মত কথা নাযিল করব ।
ইবন ইসহাক বলেন আমার জানামতে , ইবন আব্বাস ( রা ) বলতেন , এ ব্যক্তি সম্পর্কে কুরআনে আটটি আয়াত নাযিল হয়েছে ।
যেমন : “ যখন তার কাছে আমার আয়াত আবৃত্তি করা হয় , তখন সে বলে , এ তো সেকালের উপকথা মাত্র । ” ( ৬৮ : ১৫ )

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 কুরায়শ কর্তৃক ইয়াহুদী পণ্ডিতদের কাছে রাসূলুল্লাহ্ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ

📄 কুরায়শ কর্তৃক ইয়াহুদী পণ্ডিতদের কাছে রাসূলুল্লাহ্ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ


নাযর ইব্‌ন হারিসের বক্তৃতার পর কুরায়শ নেতারা তাকে ও তার সাথে উক্‌বা ইব্‌ন আবূ মুআয়তকে মদীনার ইয়াহুদী পণ্ডিতদের কাছে পাঠাল । তারা তাদের দু'জনকে বলল , তারা যেন মুহাম্মদ সম্পর্কে তাদের জিজ্ঞেস করে , তাঁর গুণাবলী তাদের কাছে বর্ণনা করে এবং তাঁর বক্তব্য তাদেরকে অবহিত করে । কেননা তাঁরা পূর্ববর্তী কিতাবের অধিকারী । তাদের কাছে নবীদের সম্পর্কে এমন জ্ঞান রয়েছে যা আমাদের কাছে নেই ।
এরা উভয়ে মদীনায় গিয়ে ইয়াহুদী পণ্ডিতদের কাছে রাসূলুল্লাহ্ (সা:) সম্পর্কে জিজ্ঞস করল । তারা তাদেরকে তাঁর গুণাবলী জানাল এবং তারা তাঁর কিছু কিছু কথাও তাদের শোনাল । আর তারা ইয়াহুদী পণ্ডিতদের বলল , আপনারা তো তাওরাতের অধিকারী । আমরা আমাদের মধ্যে আবির্ভূত এ লোকটি সম্পর্কে আপনাদের কাছ থেকে জানার জন্য এসেছি । তখন ইয়াহূদী পণ্ডিতরা তাদের বলল , আমরা তোমাদের যৈ তিনটি বিষয়ের কথা বলে দিচ্ছি , তোমরা ডাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর । যদি সে এগুলো তোমাদের জানাতে পারে , তাহলে সে নিশ্চিতভাবেই একজন প্রেরিত নবী । আর যদি সে জানাতে না পারে , তবে তোমরা মনে করবে যে , সে একজন ভণ্ড , জালিয়াত । এরপর তার সম্পর্কে তোমরা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে । তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করবে এমন কতিপয় যুবক সম্পর্কে , যারা প্রাচীনকালে গায়ের হয়ে গিয়েছিল , দের ব্যাপারটা কি ? তাদের ঘটনা ছিল খুবই বিস্ময়কর । আর তোমরা তাকে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেসকরবে , যে সারা বিশ্ব পরিভ্রমণ করেছিল , তার ব্যপারটা কি ? আর তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করবে , রূহ কি জিনিস ? যদি সে এসব প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারে , তবে সে নিঃসন্দেহে নবী ; তোমরা তার অনুসরণ ব করবে । আর যদি সে তোমাদের প্রশ্নের সঠিক জবাব না দিতে পারে , তবে তোমরা বুঝবে , সে ভণ্ড , প্রতারক । তখন তোমরা তার ব্যাপারে যা ভাল মনে হয় , তা করবে । এরপর নাযর ইব্‌ন হারিস ও ও উকবা ইবন আবু মুআয়ত ইবন আবূ আমর ইব্‌ন উমায়্যা ইবন আবদ শামস ইবন আব্দ মানাফ ইবন কুসাই উভয়ে মক্কা অভিমুখে যাত্রা করল । তারা মক্কায় পৌঁছে কুরায়শ নেতাদের কাছে গিয়ে বলল , হে কুরায়শরা ! আমরা তোমাদের কাছে আমাদের ও মুহাম্মদের মধ্যকার বিরোধের একটা চূড়ান্ত মীমাংসা নিয়ে এসেছি । ইয়াহুদী পণ্ডিতরা আমাদের তাদের শেখানো কয়েকটা প্রশ্ন মুহাম্মদকে জিজ্ঞেস করতে বলেছেন । সে যদি তোমাদের এর জবাব দিতে পারে , তা হলে সে নবী , নচেৎ সে ৩০। কাজেই তোমরা তাঁর সম্পর্কে কি সিদ্ধান্ত নেবে , তা ভেবে দেখ ।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 কুরায়শ নেতাদের প্রশ্ন ও রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর জবাব

📄 কুরায়শ নেতাদের প্রশ্ন ও রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর জবাব


এরপর তারা রাসূলুল্লাহ (সা:) -এর কাছে এল এবং বলল হে মুহাম্মদ । প্রাচীনকালে যে একদল যুবক উধাও হয়ে গিয়েছিল , তাদের সম্পর্কে আমাদের অবহিত কর । তাদের ঘটনাটা ছিল অত্যন্ত বিস্ময়কর । আর অপর একজন পর্যটকের কাহিনী শোনাও । যিনি সমগ্র প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য পরিভ্রমণ করেছিলেন । আর আত্মা কি ? তা আমাাদের জানাও ? রাবী বলেন , তখন রাসূলুল্লাহ (সা:) তাদের বললেন , তোমরা আমাকে যা যা জিজ্ঞেস করেছ , তা আমি তোমাদের আগামীকাল জানাব । তবে তিনি ' ইনশাআল্লাহ ' বা আল্লাহ যদি চান এ কথাটি বলেন নি । এ কথা শুনে কুরায়শরা তাঁর কাছ থেকে চলে গেল । বর্ণনাকারীদের বর্ণনামতে জানা যায় যে , এরপর পনের দিন কেটে গেল , আল্লাহ্ তা'আলার তরফ থেকে তাঁর কাছে কোন ওহী আসল এবং জিবরীল ( আ ) ও তাঁর কাছ আসলেন না । এমনকি মক্কাবাসীরা দুর্নাম ছড়াতে লাগল । তারা বলল , মুহাম্মদ আমাদের কাছে আগামীকালের ওয়াদা করেছিল । অথচ সেদিন থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত পনের দিন হয়ে গেল । আমরা তাঁর কাছে যে সব প্রশ্ন করেছিলাম , সে তার একটিরও জবাব দিল না । অপরদিকে ওহী বন্ধ থাকায় স্বয়ং রাসূলুল্লাহ্ (সা:) -ও চিন্তিত হয়ে পড়লেন । মক্কাবাসীদের কথাবার্তাও তার কাছে বিব্রতকর হয়ে উঠল । অবশেষে তাঁর কাছে জিবরীল ( আ ) আল্লাহর কাছ থেকে সূরা কাহফ নিয়ে এলেন । ভাতে তাঁকে মক্কাবাসীদের জন্য উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণে ভর্ৎসনা ছিল । এ সূরায় তারা যে যুবকদের কথা তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিল তাদের খবর , বিশ্ব পরিভ্রমণকারী ব্যক্তি ও আত্মা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব ছিল ।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 কুরায়শ নেতাদের প্রশ্নের জবাব

📄 কুরায়শ নেতাদের প্রশ্নের জবাব


ইবন ইসহাক বলেন : আমাকে বলা হয়েছে যে , জিবরীল ( আ ) এলে রাসূলুল্লাহ্ তাঁকে বললেন : “ হে জিবরীল ( আ ) ! আপনি আমার কাছে আসতে এত বিলম্ব করেছেন যে , এতে আমার প্রতি লোকদের খারাপ ধারণা সৃষ্টি হয়েছে । ” তখন তাঁকে জিবরীল ( আ ) বললেন : “ আমরা আপনার রবের আদেশ ব্যতীত অবতরণ করি না । যা আমাদের সামনে ও পেছনে আছে এবং যা এ দুয়ের মাঝে , তা তাঁরই ; আর আপনার রব ভুলে যান না । ” ( ১৯ : ৬৪ )
এরপর মহান আল্লাহ্ সূরা কাহফ শুরু করেছেন নিজের প্রশংসা ও তাঁর রাসূলের নবুওয়তের বর্ণনার মাধ্যমে । কেননা তারা সবুজরাত অস্বীকার করেছিল । আল্লাহ্ বলেন : “ প্রশংসা আল্লাহরই , যিনি তাঁর বান্দার প্রতি এ কিতাব নাযিল করেছেন , অর্থাৎ মুহাম্মদ (সা:) -এর উপর এই মর্মে কিতাব নাযিল করেছেন যে , তুমি আমার পক্ষ থেকে প্রেরিত রাসূল । অর্থাৎ মধুওয়ত সম্পর্কে তারা যে প্রশ্ন করে , এ কিতাব তারই বাস্তব জবাব । আর তাতে তিনি বক্রতা রাখেননি ' অর্থাৎ খুবই ভারসাম্যপূর্ণ বানিয়েছেন এবং যাতে কোন মতভেদও নেই । একে করেছেন সুপ্রতিষ্ঠিত , তাঁর কঠিন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করার জন্য । এখানে কঠিন শাস্তি বলতে পার্থিব জীবনে ও আখিরাতের জীবনে যে যন্ত্রণাদায়ক শান্তি আল্লাহ্ দিবেন তার উভয়টাকেই বুঝানো হয়েছে । ' আর তাঁর পক্ষ থেকে অর্থ হচ্ছে তোমার রবের পক্ষ থেকে , যিনি তোমাকে একজন রাসূল করে পাঠিয়েছেন । আর মু'মিনগণ , যারা সৎকাজ করে ,
তাদের এ সুসংবাদ দেয়ার জন্য যে , তাদের জন্য রয়েছে উত্তম পুরস্কার , যাতে তারা হবে চিরস্থায়ী । অর্থাৎ চিরস্থায়ী জান্নাতে তারা থাকবে , যেখানে তাদের মৃত্যু হবে না । যারা তোমার আনীত দীনকে সত্য বলে মেনে নিয়েছে এবং তুমি যা যা করতে তাদের নির্দেশ দিয়েছ তা করেছে , তারা সেখানে কখনো মৃত্যুবরণ করবে না । আর সতর্ক করার জন্য তাদের , যারা বলে যে , আল্লাহ্ সন্তান গ্রহণ করেছেন । অর্থাৎ কুরায়শ বংশের সেই সব লোককে সতর্ক করার জন্য , যারা বলে যে , ' আমরা ফেরেশতাদের উপাসনা করি , তারা আল্লাহ্র মেয়ে । ' এ বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও ছিল না । অর্থাৎ সেইসব পূর্বপুরুষদের , যাদের বর্জন করা ও যাদের ধর্মের নিন্দা করাকে তারা গুরুতর অন্যায় বলে মনে করে “ তাদের মুখ - নিঃসৃত বাক্য কি সাংঘাতিক ! ” অর্থাৎ তাদের এ উক্তি যে , ফেরেশতারা আল্লাহর মেয়ে । তারা তো কেবল মিথ্যাই বলে । তারা এ বাণী বিশ্বাস না করলে সম্ভবত তাদের পেছনে ঘুরে তুমি দুঃখে নিজেকে ধ্বংস করে ফেলবে । অর্থাৎ হে মুহাম্মদ (সা:) । তুমি তাদের কাছ থেকে যা আশা করছ , তা যখন সফল হবে না , তখন তাদের চিন্তায় কি তুমি নিজেকে ধ্বংস করে ফেলবে ? ” অর্থাৎ তুমি এরূপ করো না ।
ইবন হিশাম বলেন : ' বাখিন নাফসাকা ' অর্থ নিজেকে ধ্বংসকারী । আবু উবায়দা আমাকে বলেছেন যে , কবি মুররুমা তার নিম্নোক্ত কবিতায়ও ' বাখিগুন ' শব্দটি এ অর্থে ব্যবহার করেছেন :
“ ওহে সে ব্যক্তি , যে নিজেকে এমন জিনিসের মহব্বতে ধ্বংস করেছে , যা অদৃষ্ট তার হাত থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে । ”
এর বহুবচন বাখিউন ও বাখ'আ । এটি তার কাব্যের একটি কবিতা ।
আরবরাও বলে থাকে : পাখা তু লাহু নাফসী ” অর্থাৎ আমি তার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি ।
"পৃথিবীর ওপর যা কিছু আছে , আমি সেগুলিকে তার শোভা করেছি মানুষকে এ পরীক্ষা করার জন্য যে , তাদের মধ্যে কর্মে কে শ্রেষ্ঠ । "
ইবন ইসহাক বলেন : অর্থাৎ কে আমার আদেশের অধিক অনুসারী এবং কে আমার বেশি অনুগত , তা পরীক্ষা করার জন্য ।
"আর তার ওপর যা কিছু আছে , তা অবশ্যই আমি উদ্ভিদশূন্য মাটিতে পরিণত করব । " অর্থাৎঃপৃথিবীর ওপর যা কিছু আছে , তার সবকিছুই ধ্বংস হবে ও বিলীন হবে , আর আমার দিকেই সব কিছুর প্রত্যাবর্তন করতে হবে । তখন আমি প্রত্যেককে তার কাজ অনুসারে প্রতিফল দেব । কাজেই আপনি এ পৃথিবীতে যা কিছু দেখতে ও শুনতে পান , তাতে আপনি মনক্ষুণ্ণ হবেন না ।
ইবন হিশাম বলেন : ' সাঈদ ' ( ) অর্থ পৃথিবী বা মাটি । এর বহুবচন সুউদ ।
যুক্তা একটি হরিণ শাবকের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন : “ মাথায় হাড়ের মধ্যে ক্রিয়াশীল মদ , তাকে যেন দুপুর বেলা যমীনের ওপর নিক্ষেপ করে । ”
এ কবিতাটি কবির একটি কাব্যের অন্তর্ভুক্ত ।

**টিকাঃ**
১. মা'মার ইবন রাশিদ যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন যে , কা'বা পুনঃনির্মাণের সময় কুরায়শীরা তার ভেতর তিনটি পিঠবিশিষ্ট একটি পাথর পায় । তার একপিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । যেদিন সূর্য ও চন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা করি , সেইদিন বাক্কা তৈরিরও পরিকল্পনা করি । ” বাদ বাকী অংশ ইবন ইসহাক উধৃত বাণীর সমার্থক । দ্বিতীয় পিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । আমিই রাহেম ( জরায়ু ) সৃষ্টি করেছি এবং এর সাথে মিলিয়ে নিজের একটি নাম রেখেছি ( অর্থাৎ রহীম ) । যে ব্যক্তি জরায়ুর সম্পর্ক ( অর্থাৎ আত্মীয়তার বন্ধন ) ছিন্ন করবে , তার সাথে আমিও সম্পর্ক ছিন্ন করব আর যে জরায়ুর সম্পর্ক রক্ষা করবে , আমিও তার সাথে সম্পর্ক রক্ষা করব । তৃতীয় পিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । কল্যাণ ও অকল্যাণের স্রষ্টা আমি । যার দ্বারা মানুষের উপকার হয় , তার জন্য সুসংবাদ । আর যার দ্বারা মানুষের ক্ষতি হয় , তার জন্য দুঃসংবাদ । ” ( জামে যুহরী - সীরাতে ইবন হিশামের টীকা দ্র . ) ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00