📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আবু ওয়াহবের সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সম্পর্ক

📄 আবু ওয়াহবের সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সম্পর্ক


আবু ওয়াহবের সাথে রাসুলুল্লাহ্ (সা:) -এর সম্পর্ক
ইবন ইসহাক বলেন উল্লিখিত আৰু ওয়াহর রাসূলুল্লাহ্ (সা:) -এর পিতার মামা ছিলেন । তিনি ছিলেন । একজন মর্যাদাবান ব্যক্তি । তার সম্পর্কে আরবের জনৈক কবি বলেন :
“ আবূ ওয়াহবের সম্মানার্থে যদি আমার উটনী পাঠিয়ে দেই , তাহলে তার মজলিস থেকে তার ( উটনীর ) হাওদা বিফল ও খালি যাবে না । তার বংশ লতিকা পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে , তা ' লুআই ' ইবন গালিবের উভয় শাখার সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল ধারা । আবূ ওয়াহব অন্যায়ের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য দরবার ডাকেন , তার পিতামহ ও মাতামহ শ্রেষ্ঠ পূর্বপুরুষদের মধ্যমণি । আবূ ওয়াবের উনুনে সব সময় রান্নার কাজ চলত এবং তার পাত্রগুলো সব সময় রুটিতে পরিপূর্ণ থাকত । পাত্রগুলোর ওপর চর্বির পরত লেগে থাকত ।

আবু ওয়াহবের সাথে রাসুলুল্লাহ্ (সা:) -এর সম্পর্ক
ইবন ইসহাক বলেন উল্লিখিত আৰু ওয়াহর রাসূলুল্লাহ্ (সা:) -এর পিতার মামা ছিলেন । তিনি ছিলেন । একজন মর্যাদাবান ব্যক্তি । তার সম্পর্কে আরবের জনৈক কবি বলেন :
“ আবূ ওয়াহবের সম্মানার্থে যদি আমার উটনী পাঠিয়ে দেই , তাহলে তার মজলিস থেকে তার ( উটনীর ) হাওদা বিফল ও খালি যাবে না । তার বংশ লতিকা পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে , তা ' লুআই ' ইবন গালিবের উভয় শাখার সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল ধারা । আবূ ওয়াহব অন্যায়ের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য দরবার ডাকেন , তার পিতামহ ও মাতামহ শ্রেষ্ঠ পূর্বপুরুষদের মধ্যমণি । আবূ ওয়াবের উনুনে সব সময় রান্নার কাজ চলত এবং তার পাত্রগুলো সব সময় রুটিতে পরিপূর্ণ থাকত । পাত্রগুলোর ওপর চর্বির পরত লেগে থাকত ।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 কা'বা সংস্কারের কাজ কুরায়শ কর্তৃক নিজেদের মধ্যে বণ্টন

📄 কা'বা সংস্কারের কাজ কুরায়শ কর্তৃক নিজেদের মধ্যে বণ্টন


কা'বা সংস্কারের কাজ কুরায়শ কর্তৃক নিজেদের মধ্যে বন্টন
তারপর কুরায়শ কা'বাগৃহ সংস্কারের কাজ নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিল । দরজার দিকের অংশ সংস্কারের ভার পড়ল বনূ আবদ মানাফ ও বনূ যুহরা নামক কুরায়শ গোত্রদ্বয়ের ওপর । রুকনে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানীর মধ্যবর্তী অংশ বনূ মাখযূম গোত্রের ওপর এবং তাদের সাথে আরো কয়েকটি কুরায়শী গোত্র যুক্ত হল । কা'বার ছাদ পড়ল বনূ জুমাহ ও বনূ সাহমের ভাগে । এ দু'টি গোত্র হল আমর ইবন হুসায়স ইবন কা'ব ইবন লুআই - এর বংশধর । হিজরের অংশ সংস্কারের দায়িত্ব অর্পিত হল বনু আবদুদদার ইবন কুসাই , বনূ আসাদ ইবন আবদুল উয্যা ইব্‌ন কুসাই ও বনূ আদী ইবন কা'ব ইব্‌ন লুআই - এর ওপর । এ অংশটিকেই হাতীম বলা হয় । '

**টিকাঃ**
১. হাতীমের শব্দার্থ ধ্বংসপ্রাপ্ত । এরূপ নামকরণের কারণ এই যে , এই স্থানটিতে লোকেরা এত বেশি ভিড় জমাত যে , একে অপরের দ্বারা মারা যাওয়ার উপক্রম হত । কারো কারো মতে এর কারণ এই যে , জাহিলী যুগে এই স্থানে এসে লোকেরা পরিধেয় বস্ত্র খুলে নগ্ন হয়ে যেত । ( শারহুস সীরাহ — আবূ যর )

কা'বা সংস্কারের কাজ কুরায়শ কর্তৃক নিজেদের মধ্যে বন্টন
তারপর কুরায়শ কা'বাগৃহ সংস্কারের কাজ নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিল । দরজার দিকের অংশ সংস্কারের ভার পড়ল বনূ আবদ মানাফ ও বনূ যুহরা নামক কুরায়শ গোত্রদ্বয়ের ওপর । রুকনে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানীর মধ্যবর্তী অংশ বনূ মাখযূম গোত্রের ওপর এবং তাদের সাথে আরো কয়েকটি কুরায়শী গোত্র যুক্ত হল । কা'বার ছাদ পড়ল বনূ জুমাহ ও বনূ সাহমের ভাগে । এ দু'টি গোত্র হল আমর ইবন হুসায়স ইবন কা'ব ইবন লুআই - এর বংশধর । হিজরের অংশ সংস্কারের দায়িত্ব অর্পিত হল বনু আবদুদদার ইবন কুসাই , বনূ আসাদ ইবন আবদুল উয্যা ইব্‌ন কুসাই ও বনূ আদী ইবন কা'ব ইব্‌ন লুআই - এর ওপর । এ অংশটিকেই হাতীম বলা হয় । '

**টিকাঃ**
১. হাতীমের শব্দার্থ ধ্বংসপ্রাপ্ত । এরূপ নামকরণের কারণ এই যে , এই স্থানটিতে লোকেরা এত বেশি ভিড় জমাত যে , একে অপরের দ্বারা মারা যাওয়ার উপক্রম হত । কারো কারো মতে এর কারণ এই যে , জাহিলী যুগে এই স্থানে এসে লোকেরা পরিধেয় বস্ত্র খুলে নগ্ন হয়ে যেত । ( শারহুস সীরাহ — আবূ যর )

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 ওয়ালীদ ইব্‌ন মুগীরা, কা'বাঘর ভাগ ও ভাগ অংশের নীচে প্রাপ্ত বস্তুসমূহ

📄 ওয়ালীদ ইব্‌ন মুগীরা, কা'বাঘর ভাগ ও ভাগ অংশের নীচে প্রাপ্ত বস্তুসমূহ


ওয়ালীদ ইবন মুগীরা , কা'বাঘর ভাঙা ও ভাঙা অংশের নিচে প্রাপ্ত বস্তুসমূহ
কা'বাঘর ভাঙতে গিয়ে লোকদের মধ্যে আতংকের সঞ্চার হল । এই অবস্থা দেখে ওয়ালীদ ইবন মুগীরা ঘোষণা করল : “ কা'বাঘর ভাঙার কাজের উদ্বোধন আমিই করছি । ” এই বলেই সে কোদাল হাতে নিয়ে কা'বাঘরের ওপর গিয়ে দাঁড়াল এবং বলতে লাগল । “ হে আল্লাহ্ ! আমরা যেন ভয় - ভীতির শিকার না হই । হে আল্লাহ্ ! আমরা শুধু কল্যাণের উদ্দেশ্যেই এ কাজ করছি । ” ইবন হিশাম বলেন : কারো কারো মতে , সে বলেছিল : “ হে আল্লাহ্ ! আমরা যেন বিপথগামী না হই । ” তারপর সে রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদের কোণ থেকে খানিকটা ভেঙে ফেলল । সেই রাতটি লোকেরা অপেক্ষা করল এবং মনে মনে বলল , দেখা যাক , এর ফলে যদি ওয়ালীদের কোন ক্ষতি হয় , তাহলে আর না ভেঙে আগে যে অবস্থায় ছিল সেই অবস্থায় পুনর্বহাল করে নেব । আর যদি কোন বিপদাপদ না ঘটে , তাহলে মনে করব যে , আল্লাহ্ আমাদের কাজে সন্তুষ্ট । তারপর আরো ভাঙব । পরদিন সকালে ওয়ালীদ আবার তার কাজে ফিরে এল । সে এবং তার সাথে জনতাও কা'বাঘর ভাঙতে লাগল । এভাবে ইবরাহীম আলায়হিস সাল্লামের ভিত্ পর্যন্ত গিয়ে থামল । তারপর তারা সবাই উটের পিঠের উঁচু হাড় সদৃশ একটি দুর্লভ সবুজ পাথর পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছল , যার একটি আর একটি সাথে যুক্ত ছিল ।
ইবন ইসহাক বলেন : এই ঘটনার বর্ণনাকারীদের একজন আমাকে বলেছেন যে , ভাঙার কাজে নিয়োজিত জনৈক কুরায়শী ভিত ভাঙবার জন্য দুটো পাথরের মাঝখান দিয়ে যেই শাবল ঢুকিয়েছে , যাতে তার একটা উঠে আসে , অমনি একটি পাথর নড়ে ওঠার সাথে সাথে গোটা মক্কা নগরী কেঁপে উঠল । এর ফলে সঙ্গে সঙ্গে সকলে ভিত ভাঙার কাজ বন্ধ করল ।

**টিকাঃ**
১. মা'মার ইবন রাশিদ যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন যে , কা'বা পুনঃনির্মাণের সময় কুরায়শীরা তার ভেতর তিনটি পিঠবিশিষ্ট একটি পাথর পায় । তার একপিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । যেদিন সূর্য ও চন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা করি , সেইদিন বাক্কা তৈরিরও পরিকল্পনা করি । ” বাদ বাকী অংশ ইবন ইসহাক উধৃত বাণীর সমার্থক । দ্বিতীয় পিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । আমিই রাহেম ( জরায়ু ) সৃষ্টি করেছি এবং এর সাথে মিলিয়ে নিজের একটি নাম রেখেছি ( অর্থাৎ রহীম ) । যে ব্যক্তি জরায়ুর সম্পর্ক ( অর্থাৎ আত্মীয়তার বন্ধন ) ছিন্ন করবে , তার সাথে আমিও সম্পর্ক ছিন্ন করব আর যে জরায়ুর সম্পর্ক রক্ষা করবে , আমিও তার সাথে সম্পর্ক রক্ষা করব । তৃতীয় পিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । কল্যাণ ও অকল্যাণের স্রষ্টা আমি । যার দ্বারা মানুষের উপকার হয় , তার জন্য সুসংবাদ । আর যার দ্বারা মানুষের ক্ষতি হয় , তার জন্য দুঃসংবাদ । ” ( জামে যুহরী - সীরাতে ইবন হিশামের টীকা দ্র . ) ।

ওয়ালীদ ইবন মুগীরা , কা'বাঘর ভাঙা ও ভাঙা অংশের নিচে প্রাপ্ত বস্তুসমূহ
কা'বাঘর ভাঙতে গিয়ে লোকদের মধ্যে আতংকের সঞ্চার হল । এই অবস্থা দেখে ওয়ালীদ ইবন মুগীরা ঘোষণা করল : “ কা'বাঘর ভাঙার কাজের উদ্বোধন আমিই করছি । ” এই বলেই সে কোদাল হাতে নিয়ে কা'বাঘরের ওপর গিয়ে দাঁড়াল এবং বলতে লাগল । “ হে আল্লাহ্ ! আমরা যেন ভয় - ভীতির শিকার না হই । হে আল্লাহ্ ! আমরা শুধু কল্যাণের উদ্দেশ্যেই এ কাজ করছি । ” ইবন হিশাম বলেন : কারো কারো মতে , সে বলেছিল : “ হে আল্লাহ্ ! আমরা যেন বিপথগামী না হই । ” তারপর সে রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদের কোণ থেকে খানিকটা ভেঙে ফেলল । সেই রাতটি লোকেরা অপেক্ষা করল এবং মনে মনে বলল , দেখা যাক , এর ফলে যদি ওয়ালীদের কোন ক্ষতি হয় , তাহলে আর না ভেঙে আগে যে অবস্থায় ছিল সেই অবস্থায় পুনর্বহাল করে নেব । আর যদি কোন বিপদাপদ না ঘটে , তাহলে মনে করব যে , আল্লাহ্ আমাদের কাজে সন্তুষ্ট । তারপর আরো ভাঙব । পরদিন সকালে ওয়ালীদ আবার তার কাজে ফিরে এল । সে এবং তার সাথে জনতাও কা'বাঘর ভাঙতে লাগল । এভাবে ইবরাহীম আলায়হিস সাল্লামের ভিত্ পর্যন্ত গিয়ে থামল । তারপর তারা সবাই উটের পিঠের উঁচু হাড় সদৃশ একটি দুর্লভ সবুজ পাথর পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছল , যার একটি আর একটি সাথে যুক্ত ছিল ।
ইবন ইসহাক বলেন : এই ঘটনার বর্ণনাকারীদের একজন আমাকে বলেছেন যে , ভাঙার কাজে নিয়োজিত জনৈক কুরায়শী ভিত ভাঙবার জন্য দুটো পাথরের মাঝখান দিয়ে যেই শাবল ঢুকিয়েছে , যাতে তার একটা উঠে আসে , অমনি একটি পাথর নড়ে ওঠার সাথে সাথে গোটা মক্কা নগরী কেঁপে উঠল । এর ফলে সঙ্গে সঙ্গে সকলে ভিত ভাঙার কাজ বন্ধ করল ।

**টিকাঃ**
১. মা'মার ইবন রাশিদ যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন যে , কা'বা পুনঃনির্মাণের সময় কুরায়শীরা তার ভেতর তিনটি পিঠবিশিষ্ট একটি পাথর পায় । তার একপিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । যেদিন সূর্য ও চন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা করি , সেইদিন বাক্কা তৈরিরও পরিকল্পনা করি । ” বাদ বাকী অংশ ইবন ইসহাক উধৃত বাণীর সমার্থক । দ্বিতীয় পিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । আমিই রাহেম ( জরায়ু ) সৃষ্টি করেছি এবং এর সাথে মিলিয়ে নিজের একটি নাম রেখেছি ( অর্থাৎ রহীম ) । যে ব্যক্তি জরায়ুর সম্পর্ক ( অর্থাৎ আত্মীয়তার বন্ধন ) ছিন্ন করবে , তার সাথে আমিও সম্পর্ক ছিন্ন করব আর যে জরায়ুর সম্পর্ক রক্ষা করবে , আমিও তার সাথে সম্পর্ক রক্ষা করব । তৃতীয় পিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । কল্যাণ ও অকল্যাণের স্রষ্টা আমি । যার দ্বারা মানুষের উপকার হয় , তার জন্য সুসংবাদ । আর যার দ্বারা মানুষের ক্ষতি হয় , তার জন্য দুঃসংবাদ । ” ( জামে যুহরী - সীরাতে ইবন হিশামের টীকা দ্র . ) ।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 রুকনে ইয়ামানীতে যে লিপি পাওয়া গেল

📄 রুকনে ইয়ামানীতে যে লিপি পাওয়া গেল


রুকনে ইয়ামানীতে যে লিপি পাওয়া গেল
ইবন ইসহাক বলেন : আমার কাছে বর্ণনা করা হয়েছে যে , ভাঙার কাজ করতে গিয়ে কুরায়শী জনতা রুকনে ইয়ামানীতে সুরিয়ানী ভাষায় লেখা একখানা প্রাচীন লিপি পায় । লিপিটি কি , তা তারা বুঝতে পারল না । জনৈক ইয়াহুদী তাদেরকে পড়ে শোনাল । তাতে লেখা ছিল : আমি আল্লাহ্ বাক্কার ( মক্কার ) অধিপতি । যেদিন আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছি , যেদিন সূর্য ও চন্দ্রকে রূপদান করেছি , সেদিন বাক্কাকে সৃষ্টি করেছি এবং তার চারপাশে সাতজন অনুগত ফেরেশতা দিয়ে ঘিরে রেখেছি । তার দু'পাশের দুই আখশাব ( পাহাড় ) যতদিন টিকে থাকবে , ততদিন বাক্কাও টিকে থাকবে । পানি ও দুধের ভেতরে তার অধিবাসীদের কল্যাণ নিহিত । '
ইবন হিশাম বলেন : ‘ আখশাব ' অর্থ হল পাহাড় । আখশাবান এর দ্বিবচন । অর্থাৎ মক্কার দুটো পাহাড় ।

**টিকাঃ**
১. মা'মার ইবন রাশিদ যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন যে , কা'বা পুনঃনির্মাণের সময় কুরায়শীরা তার ভেতর তিনটি পিঠবিশিষ্ট একটি পাথর পায় । তার একপিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । যেদিন সূর্য ও চন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা করি , সেইদিন বাক্কা তৈরিরও পরিকল্পনা করি । ” বাদ বাকী অংশ ইবন ইসহাক উধৃত বাণীর সমার্থক । দ্বিতীয় পিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । আমিই রাহেম ( জরায়ু ) সৃষ্টি করেছি এবং এর সাথে মিলিয়ে নিজের একটি নাম রেখেছি ( অর্থাৎ রহীম ) । যে ব্যক্তি জরায়ুর সম্পর্ক ( অর্থাৎ আত্মীয়তার বন্ধন ) ছিন্ন করবে , তার সাথে আমিও সম্পর্ক ছিন্ন করব আর যে জরায়ুর সম্পর্ক রক্ষা করবে , আমিও তার সাথে সম্পর্ক রক্ষা করব । তৃতীয় পিঠে লেখা ছিল : “ আমি বাক্কার অধিপতি আল্লাহ্ । কল্যাণ ও অকল্যাণের স্রষ্টা আমি । যার দ্বারা মানুষের উপকার হয় , তার জন্য সুসংবাদ । আর যার দ্বারা ক্ষতি হয় , তার জন্য দুঃসংবাদ । ” ( জামে যুহরী - সীরাতে ইবন হিশামের টীকা দ্র . ) ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00