📄 সূফার পরে সা'দ গোত্রের কর্তৃত্ব লাভ
সূফার পরে সা'দ গোত্রের কর্তৃত্ব লাভ
ইবন ইসহাক বলেন : কংকর নিক্ষেপের পর মিনা থেকে ফেরার সময় সূফা গোত্রের লোকেরা পথের দু'ধারে দাঁড়িয়ে যেত এবং তাদের লোকেরা সম্পূর্ণ যাওয়ার আগে অন্যদের যেতে দিত না । যতদিন তাদের কর্তৃত্ব ছিল , ততদিন তারা এরূপ করে । তারপর নিকটতর পৈতৃক সূত্রের সুবাদে তাদের উত্তরসূরী বনূ সা'দ ইব্ন যায়দ মানাত ইব্ন তামীম এর উত্তরাধিকারী হয় । তারপর হয় বনূ সা'দ এদেরই একটি শাখা বংশ— সাফওয়ান ইব্ন আল - হারিস ইব্ন শিজনা উত্তরাধিকার লাভ করে ।
📄 সাফওয়ানের বংশ পরিচয়
সাফওয়ানের বংশ পরিচয়
ইব্ন হিশাম বলেন : সাফওয়ান ছিল জানাব ইব্ন শিজনা ইব্ন উতারিদ ইব্ন আওফ ইব্ন কা'ব ইব্ন সা'দ ইব্ন যায়দ মানাত ইব্ন তামীমের পুত্র ।
📄 সফিওয়ান ও তার পুত্রগণ এবং হজ্জ মওসুমে তাদের অনুমতি প্রদান
সাফওয়ান ও তার পুত্রগণ এবং হজ্জ মওসুমে তাদের অনুমতি প্রদান
ইবন ইসহাক বলেন : হজ্জ মওসুমে আরাফা থেকে যাত্রার অনুমতি দানের দায়িত্ব ছিল সাফওয়ানের এবং পরবর্তীতে তাঁর সন্তানদের । এই অনুমতি প্রদানের সর্বশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছিলেন কারিব ইব্ন সাফওয়ান , যার সময় ইসলামের অভ্যুদয় ঘটে ।
আওস ইব্ন তামীম ইব্ন মিগরা সাদী বলেন , “ যতদিন লোকেরা আরাফার ময়দানে হজ্জ আদায় করবে , ততদিন বলা হবে : হে সাফওয়ানের বংশ ! তোমরা ( যাত্রার ) অনুমতি দাও । ” ইবন হিশাম বলেন : এই পংক্তিটি আওস ইব্ন মিগরা রচিত একটি কাসীদার অংশবিশেষ
📄 আদওয়ান গোত্রের মুযদালিফা থেকে যাত্রা
আদওয়ান গোত্রের মুযদaliফা থেকে যাত্রা
( এ সম্পর্কে যুল - ইসবা - এর কবিতা ) হুরসান ইব্ন আমর ওরফে যুল - ইসবা আদওয়ানী বলেন ( যুল - ইসবা নামের কারণ এই যে , তিনি হাতের অতিরিক্ত একটা আংগুল কেটে ফেলেছিলেন ) :
“ এই আদওয়ান গোত্রের নামে কে ওযর পেশ করতে পারে , তারা হল এই ভূখণ্ডের অজগর । তারা নিজেরাও পরস্পরে যুলুম করে থাকে ; কেউ কাউকে খাতির করে না ।
“ কিন্তু তাদের মাঝে এমন কিছু নেতৃস্থানীয় লোক রয়েছে , যারা কাজের প্রতিদান পুরাপুরি দান করে থাকে । .
“ তাদের মাঝে এমন লোকও আছে যারা মানুষের হজ্জ বিষয়ক সুন্নত , ফরয ( অর্থাৎ আরাফা ও মিনা থেকে যাত্রার ) অনুমতি দেয় ।
“ তাদের মাঝে এমন বিচারকও রয়েছেন , ' যার বিচারে চুল পরিমাণও রদবদল হয় না । এই পংক্তিগুলো তাঁর একটি কবিতার অংশবিশেষ ।