📄 বাস প্রসংগে
বাল প্রসংগে
( ' বাল ' - এর পরিচয় এবং কবি যুহায়র - এর বংশ পরিচয় ) : পণ্ডিতদের মতে ‘ বাস্ল ’ হল সম্মানিত আটটি মাস । এ মাসগুলো আরবরা সর্বসম্মতভাবেই সম্মান করত । তখন তারা আরবের যে কোন এলাকায়ই ইচ্ছা , নির্ভয়ে যাতায়াত করত । যুহায়র ইব্ন আবূ সালমা বন্ মুররাহ্ সম্পর্কে বলেন , ইব্ন হিশাম বলেন , যুহায়র হলেন বনূ মুযায়নাহ্ ইব্ন উদ্দ ইব্ন তাবিখাহ ইব্ন ইলিয়াস ইবন মুযার বংশের । মতান্তরে যুহায়র ইব্ন আবূ সালমা হলেন গাফ্ফান বংশের । অন্য মতে তিনি ছিলেন গাতফান গোত্রের মিত্র ।
“ ভেবে দেখ , মারাওয়া এলাকা এবং তার বাড়িঘরগুলো কখনো তাদের থেকে শূন্য থাকে না । এগুলো শূন্য হলেও ‘ নাখল ’ এলাকা তাদের থেকে শূন্য হবে না ।
“ আমি যে সব শহরে এদের সাথে অবস্থান করেছি , তাদের সাথে আমার বন্ধুত্ব ছিল , সে সব এলাকায় তারা না থাকলেও ভয়ের কারণ নেই , কেননা তারা সম্মানের অধিকারী ( বাল ) । ” ইবন হিশাম ( র ) বলেন : এই পংক্তি দুটো তার একটি কবিতার অংশবিশেষ ।
ইবন ইসহাক ( র ) বলেন : কায়স ইব্ন সা'লাবা গোত্রের কবি আ'শা বলেন :
“ বাল - এর উসীলাতেই তোমরা আশ্রয় পেলে যা আমাদের দৃষ্টিতে সম্মানিত । আর আমরা আমাদের প্রতিবেশী যাদেরকে আশ্রয় দিয়েছি , তারা তোমাদের জন্য হালাল এবং তাদের স্ত্রীও । “ ইবন হিশাম বলেন , এ পংক্তিটি তার এক কবিতায় অংশবিশেষ । ”
📄 কা'ব-এর সন্তান-সন্তুতি এবং তাদের জননী
কা'ব - এর সন্তান - সন্তুতি এবং তাদের জননী
ইব্ন ইসহাক বলেন : কা'ব ইবন লুআঈ - এর তিন ছেলে - মুররা ইবন কা'ব , আদী ইব্ন কা'ব এবং হুসায়স ইবন কা'ব । আর তাদের মা হলেন ওয়াহশিয়্যা বিন্ত শায়বান ইবন মুহারিব ইন ফি ইব্ন মালিক ইব্ নযর ।
📄 মুররা-এর সন্তান-সন্তুতি এবং জননী
মুররা - এর সন্তান - সন্তুতি এবং জননী
মুররা ইবন কা'ব - এর তিন পুত্র - কিলাব ইব্ন মুররা , তায়ম ইবন মুররা , ইয়াকাযা ইন মুররা । কিলাবের মা হলেন হিন্দ বিন্ত সুরায়র ইব্ন সা'লাবা ইব্ন হারিস ইব্ন ফিহর ইবন মালিক ইব্ন কিনানা ইব্ন খুযায়মা । আর ইয়াকাযার মা হলেন ইয়ামানের আসদ বংশের বারিক গোত্রের ‘ বারিকিয়্যা ' নাম্নী এক মহিলা । অনেকের মতে তিনি তায়ম - এর মা ছিলেন । মতান্তরে , ' তায়ম কিলাবের মা হিন্দ বিন্ত সুরায়রের ছেলে ।
📄 বারিকের বংশ পরিচিতি
বারিকের বংশ পরিচিতি
ইবন হিশাম বলেন : বারিক হলেন , আদী ইব্ন হারিসা ইব্ন আমর ইব্ন ‘ আমির ইব্ন হারিসা ইব্ন ইমরাউল কায়স ইব্ন সা'লাবা ইব্ন মাযিন ইব্ন আসদ ইবনুল গাওসের বংশধর । এরা হলেন , শানুআ বংশের অন্তর্ভুক্ত । কুমায়ত ইব্ন যায়দ বলেন :
“ আযদ শানুআ শিংবিহীন মাথা নিয়ে আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে । তাদের ধারণা যে , তাদের শিং রয়েছে ।
“ আমরা বনূ বারিককে বলিনি যে , তোমরা অন্যায় করেছ । আর আমরা তাদের এও বলিনি যে , তোমরা আমাদের ক্ষমা করে দাও । ”
ইব্ন হিশাম বলেন : এ পংক্তি দু'টো কুমায়তের এক কবিতার অংশবিশেষ । আর ‘ বারিক ’ নামে তাদের নামকরণের কারণ এই যে , তারা বারিক ( বিদ্যুৎ ) -এর অনুসরণ করেছিল ।