📄 'রুযা' উপাসনালয় ও তার সেবায়েত
' রুমা ' উপাসনালয় ও তার সেবায়েত
ইবনে ইসহাক বলেন : বনূ রবী'আহ ইবন কা'ব ইবন সা'দ ইব্ন যায়দ মানাত ইব্ন তামীম -এর ‘ রুযা ' নামক একটি উপাসনালয় ছিলো । ইসলামের যুগে তা ধসিয়ে দেয়া হয় । সে উপলক্ষেই মুসতাওগির ইবন রবীআহ্ ইবন কা'ব ইবন সা'দ বলেন :
“ রুয়া উপাসনালয়ে এমন কঠিন আঘাত হেনেছিলাম যে , তাকে কালো বিরানভূমি বানিয়ে ছেড়েছিলাম । ”
📄 মুসতাওগির ও তার যুগ
ইবন হিশাম ( রা ) বলেন : পংক্তিটি বনূ সা'দের জনৈক ব্যক্তির নামেও বর্ণিত হয়েছে ।
মুসতাওগির ও তার যুগ
কথিত আছে , মুসতাওগির তিনশ ত্রিশ বছর বয়স পেয়েছিল । মুযার বংশে সেই ছিল বয়সে প্রাচীন ব্যক্তি । সে বলত :
“ এতশত বছরের সুদীর্ঘ জীবনে আমার অরুচি ধরে গেছে ।
“ দু'শ - এর পরে আরও একশ তারপরও মাসে যতদিন তত বছর ( মোট ৩৩০ বছর ) পার হয়ে এসেছি ।
“ আগামী দিন কি বিগত দিনেরই মত নয় ? অর্থাৎ দিন অতিক্রম করছে আর রাত মৃত্যুর পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । ”
অনেকে এই কবিতাগুলো যুহায়র ইবন জানাব কালবীর নামে বর্ণনা করেছেন ।
📄 ফুল কা'আবাত ও তার সেবায়েত
যুল - কা‘আবাত ও তার সেবায়েত
ইব্ন ইসহাক বলেন : সান্দাদ এলাকায় ওয়াইল ও ইয়াদের দু'ছেলে বাকর ও তাগলিব - এর যুল - কা‘আবাত নামে একটি উপাসনালয় ছিল ।
এই উপাসনালয় সম্পর্কে বনূ কায়স ইব্ন সালাবাহ গোত্রের আশা বলেন :
* “ খাওয়ারনাক , ’ ‘ সাদীর ’ ও বারিক ' নামক এলাকায় মাঝে সানদাদ এলাকার চতুষ্কোণ ঘরের কসম । ”
ইব্ন হিশাম বলেন ” : এই পংক্তিটি আসওয়াদ ইবন ইয়াফুর নাহ্শালীর একটি কবিতার অংশবিশেষ । নাহশাল হল দারিম ইবন মালিক ইব্ন হানযালা ইব্ন মালিক ইব্ন যায়দ মানাত ইবন তামীম - এর পুত্র ।
আবূ মুহরিয খালাফ আহমার এর কাছে পংক্তিটি এভাবে শুনেছি :
“ তারা খাওয়ারনাক , সাদীর , বারিক ও সিন্দাদ এলাকার সম্মানিত ঘরের মালিক । ”
📄 'বাহীরাহ, 'সাইবাহ্' 'ওয়াসীলাহ্' ও 'হামী'-এর বিবরণ
‘ বাহীরাহ , ‘ সাইবাহ্ ’ ‘ ওয়াসীলাহ্ ' ও ' হামী ' - এর বিবরণ
X
ইবন ইসহাক - এর মতে ' বাহীরাহ্ হলো সাইবাই নামক উটনীর মাদী শাবক । যে উটনী পরপর দশটি শুধু মাদী ( একটিও নর নয় ) শাবক প্রসব করে , অকে ... বলে । ‘ সাইবাহ্ ’ উটনীকে খোলা ছেড়ে দেওয়া হত । তাতে আরোহণ করা হত না , তার লোম আহরণ করা হত না এবং মেহমান ছাড়া কেউ তার দুধ পান করত না । এরপ্র মাদী বাচ্চা হলে তার কান ফেড়ে মা উটনীটির সাথে ছেড়ে দেয়া হত এবং মা উটনীটির মতই তার উপর আরোহণ করা হত না , তার লোম কাটা হত না এবং মেহমান ছাড়া কেউ তার দুধ পান করত না । ‘ সাইবাহর ’ এই মাদী বাচ্চাটিই হল ‘ বাহীরাহ্ ' ।