📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 দাওস গোত্র

📄 দাওস গোত্র


দাওস গোত্র
- দাওস হল , উদসান ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইবন যাহরান ইব্‌ন কা'ব ইবন হারিস ইবন কা'ব ইবন আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন মালিক ইব্‌ নাযর ইবন আসাদ ইবনুল গাওস - এর পুত্র । মতান্তরে আবদুল্লাহ্ ইবন যাহ্বান ইন আসad ইবনুল গাওস - এর পুত্র ।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 হুবল

📄 হুবল


হুবল
ইবন ইসহাক বলেন : কা'বাঘরের ভেতরে একটি কূপের মধ্যে কুরায়শরা ‘ হুবল ' নামে একটি মূর্তি স্থাপন করেছিল ।
৬। ইবন হিশাম বলেন : ইনশাআল্লাহ্ যথাস্থানে তার আলোচনা করব ।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 ইসাফ ও নায়েলা প্রসংগে হযরত আয়েশা (রা)-এর বর্ণনা

📄 ইসাফ ও নায়েলা প্রসংগে হযরত আয়েশা (রা)-এর বর্ণনা


ইসাফ ও নায়েলা প্রসংগে হযরত আয়েশা ( রা ) -এর বর্ণনা
ইবন ইসহাক বলেন : তারা যমযম কূপের কাছে ইসাফ ও নায়েলা ( নামক দু'টি মূর্তি ) স্থাপন করেছিল । সেখানে তারা কুরবানী করত । ইসাফ ও নায়েলা ছিল জুরহুম গোত্রের দুই নারী - পুরুষ । ইসাফ হল বাগঈ - এর পুত্র আর নায়েলা হল ‘ দীক ’ - এর মেয়ে । ইসাফ কা'বাঘরের ভেতরে মায়েলার সাথে অপকর্মে লিপ্ত হল , তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাদের উভয়কে পাথরে পরিণত করলেন ।
ইব্‌ন ইসহাক বলেন : আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন বকর ইব্‌ন মুহাম্মদ ইব্‌ন আমর ইবন হাযম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে , আমরাহ বিন্ত আবদুর রহমান ইব্‌ন সা'দ ইবন যুরারাহ বলেছেন , হযরত আয়েশা ( রা ) -কে আমি বলতে শুনেছি , আমরা তো এই শুনে এসেছি যে , ইসাফ ও নায়েলা বনূ জুরহুমের একজন পুরুষ একজন মহিলা ছিল । তারা কা'বা শরীফে অভাবিতপূর্ব এক অপকর্ম করেছিল । ফলে আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে পাথরে রূপান্তরিত করে দিয়েছিলেন । আল্লাহ্ই অধিক জানেন ।
ইব্‌ন ইসহাক বলেন : আবূ তালিব বলেছেন :
وَحَيْثُ يُنْسِخُ الأَشْعُرُونَ رِكَابَهُمْ × بِمُفْضَى الشَّيْولِ مِنْ إِسَافِ وَنَاتْلِ
“ ইসাফ —— নায়েলার নিকটস্থ জলস্রোত প্রবাহিত হওয়ার স্থানে , যেখানে আশআরী সম্প্রদায় নিজেদের উট বসায় । ”
ইবন হিশাম বলেন : এ পংক্তিটি তার একটি কবিতার অংশবিশেষ । ইনশাআল্লাহ্ যথাস্থানে তা উল্লেখ করব ।

📘 সিরাতে ইবন হিশাম > 📄 আরবরা মূর্তি নিয়ে যা করত

📄 আরবরা মূর্তি নিয়ে যা করত


আরবরা মূর্তি নিয়ে যা করত
ইবন ইসহাক বলেন : তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ বাড়িতে এতটি করে মূর্তি স্থাপন করে রেখেছিল । তারা তার পূজা করত । তাদের কেউ যখন সফরের ইচ্ছা করত , তখন তারা বাহনে আরোহণ করার সময় মূর্তিটি স্পর্শ করত । সফরে রওয়ানা হওয়ার পূর্বে এটাই ছিল তাদের শেষ কাজ । ফিরে এসেও ঘরে প্রবেশের পূর্বে এটাই ছিল তাদের সর্বপ্রথম কাজ । তারপর আল্লাহ্ যখন তাঁর রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহ্ আলায়হি ওয়া সাল্লামকে তওহীদসহ প্রেরণ করলেন , তখন কুরায়শরা বলাবলি করল :
اجَعَلَ الألهة الها واحدًا إِنْ هَذَا لَشَى عُجَابٌ
“ ইনি কি সকল উপাস্যকে এক উপাস্যে পরিণত করেছেন ! এ তো বড় অদ্ভুত বিষয় । ” ( ৩৮ : ৫ )
আরবরা কা'বা শরীফের পাশাপাশি কয়েকটি ‘ তাগূত ' তথা মূর্তিঘর স্থাপন করে , এগুলোকে তারা কা'বা শরীফের মতো সম্মান করত । এগুলোর সেবক ও তত্ত্বাবধায়ক দল ছিল এবং কা'বা শরীফের মতো এগুলোর জন্যও পশু প্রেরণ করত এবং কা'ba শরীফের তওয়াফের মত সেগুলোরও তারা তওয়াফ করত এবং সেখানেও বলি দিত । অবশ্য সেগুলোর ওপর ক'বার শ্রেষ্ঠত্ব তারা স্বীকার করত । কেননা তারা জানত যে , কা'বা শ্রীফ হচ্ছে হযরত ইবরাহীম খলীল ( আ ) -এর নির্মিত ঘর এবং তাঁর মসজিদ ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00