📄 ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) এর যিকির
আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) এর ছাত্র হাফেয বাজ্জার (রহঃ) বলেন,
"وكان قد عرفت عادته؛ لا يكلمه أحد بغير ضرورة بعد صلاة الفجر فلا يزال في الذكر يسمع نفسه وربما يسمع ذكره من إلى جانبه، مع كونه في خلال ذلك يكثر في تقليب بصره نحو السماء . هكذا دأبه حتى ترتفع الشمس ويزول وقت النهي عن الصلاة.
وكنت مدة إقامتي بدمشق ملازمه جل النهار وكثيراً من الليل. وكان يدنيني منه حتى يجلسني إلى جانبه، وكنت أسمع ما يتلو وما يذكر حينئذ، فرأيته يقرأ الفاتحة ويكررها ويقطع ذلك الوقت كله ـ أعني من الفجر إلى ارتفاع الشمس ـ في تكرير تلاوتها
“শায়েখ (রহঃ) এর অভ্যাস ছিল যে, তার সাথে ফজরের পরে প্রয়োজন ব্যতীত কেউ কথা বলত না। ফজরের পরে তিনি এমনভাবে যিকির করতেন যে, তিনি শ্রবণ করতেন কখনও তার পাশের ব্যক্তিও শুনতে পেত। যিকিরের মাঝে মাঝে তিনি আসমানের দিকে তার দৃষ্টি ঘুরাতেন। সূর্যোদয় এবং নামায আদায়ের নিষিদ্ধ সময় অতিবাহিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি তাঁর আমল ছিল । আমি যখন দামেশকে অবস্থান করছিলাম, সারাদীন এবং রাতের অধিকাংশ তার সাথে অতিবাহিত করতাম । তিনি আমাকে তার নৈকট্য দানে ধন্য করেন, এমনকি তিনি আমাকে পাশে বসাতেন। তিনি কী পড়তেন এবং কী কী যিকির করতেন তা আমি শুনতে পেতাম । আমি দেখলাম যে, তিনি বার বার সূরা ফাতেহা পড়েন এবং এর মাঝেই সমস্ত সময় অতিবাহিত করেন অর্থাৎ ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত।”
[আল-আ'লামুল আলিয়া ফি মানাকিবি ইবনে তাইমিয়া, আল্লামা বাজ্জার (রহঃ), খ--১, পৃষ্ঠা-৩৮]
কখনও কখনও যিকির করতে করতে সকালের একটা অংশ কেটে যেত । আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রহঃ) বর্ণনা করেভেন-
أنه جاء إليه وقد ارتفع النهار فاستغرب جلوسه فقال له : ( هذه غدوتي لو لم أتغدها سقطت قواي )
“একদা ইবনুল কাইয়্যিম (রহঃ) তাঁর নিকট আগমন করেন, তখন সূর্য অনেক উপরে উঠে যাওয়া সত্ত্বেও আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) তাঁর যিকিরের হালতে রয়েছেন । আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রহঃ) এতে আশ্চর্যন্বিত হলেন। আল্লামা ইবনে তাইমিযা (রহঃ) বললেন, “যিকির হল আমার সকলের নাস্তা, যদি আমি এটি আহার না করি আমার শক্তি চলে যাবে”
[আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যিব, পৃষ্ঠা-৫৩, আর-রদ্দুল ওয়াফির, পৃষ্ঠা-৬৯]
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রহঃ) এর আমলও এটি ছিল । তিনিও দীর্ঘ সময় যিকির করতেন, এমনকি দীনের অনেক অংশ অতিবাহিত হয়ে যেত ।
[ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওযিয়া হায়াতুহু ও আছারুহু, পৃষ্ঠা-৪৬, আদ-দুরারুল কামিনা, আল্লামা ইবনে হাযার আসকালানী (রহঃ), খ--৪, পৃষ্ঠা-২১]
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রহঃ) ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) এর চেয়েও বেশি যিকির-আযকার করতেন। তিনি বলেছেন-
أن في الذكر أكثر من مائة فائدة
“যিকিরের মাঝে একশটিরও বেশি উপকারিতা রয়েছে”
[আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যিব, পৃষ্ঠা-৫২]
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম (রহঃ) তাঁর কিতাবে যিকেরর প্রায় ৯০ টি ফায়দা লিখেছেন।
[আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যিব, পৃষ্ঠা-৫২-১২০]
তাছাউফ বিদ্বেষী যে সমস্ত আহলে হাদীস বা সালাফী পূর্ববর্তী উলামায়ে কেরামের যিকির বা আমলকে বিদআত আখ্যা দেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে থাকে, তাদের কাছে নিবেদন হল, আপনারা আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) এর উপর বিদআতী হওয়ার ফয়সালা দিন! তিনি একটি নির্দিষ্ট সূরাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আমল হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং এটি ওযিফা হিসেবে প্রতিদিন পাঠ করতেন । শরীয়তে এর কোন দলিল নেই। এতে কোন সন্দেহ নেই যে, এটি আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) এর নিজস্ব একটি আমল । যদি যিকির ও ওযিফা পালন বিদআত হয়, তাহলে আপনাদের ফতওয়া অনুযাযী আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) বিদআতে লিপ্ত ছিলেন!
ইমাম যাহাবী (রহঃ) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন-
لم أر مثله في ابتهاله واستغاثته وكثرة توجهه
“আল্লাহর নিকট দু'য়া, ক্রন্দন, সাহায্য প্রার্থনা ও অধিক তাওয়াজ্জুহের অধিকারী তার মত আর কাউকে আমি দেখিনি”
[ওকাফাতুন বাহিয়্যা মিন হায়াতি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া, আবু ইয়াঝিন হামযা বিন ফা'য়ে আল ফাতহী, পৃষ্ঠা-৪ (শামেলা)]
📄 আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) এর দৃষ্টিতে বিদআত
আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) তাঁর কিতাব “ক্বাইদাতুন জালিলা ফিত তাউস্সুলি ওয়াল ওসিলা” তে লিখেছেন-
وكل بدعة ليست واجبة ولا مستحبة فهي بدعة سيئة وهي ضلالة باتفاق المسلمين ومن قال في بعض البدع إنها بدعة حسنة فإنما ذلك إذا قام دليل شرعي أنها مستحبة فأما ماليس بمستحب ولا واجب فلا يقول أحد من المسلمين إنها من الحسنات التي يتقرب بها إلى الله
“প্রত্যেক বিদআত যা মুস্তাহাব কিংবা ওয়াজিবের অন্তর্ভূক্ত নয়, তা বিদআতে সাইয়্যা (নিন্দনীয় বিদআত) । আর এটি উলামায়ে কেরামের সর্বসম্মতিক্রমে ভ্রষ্টতা । কোন কোন বিদআতের ক্ষেত্রে যারা বলেন যে, এটি বিদআতে হাসানা, এটি তখনই প্রযোজ্য হবে যখন প্রমাণিত হবে যে, তা মুস্তাহাব। আর যখন কোন বিদআত এমন হবে যে, তা মুসতাহাব বা ওয়াজিবের অন্তর্ভূক্ত নয়, সেটিকে কোন মুসলমান বিদআতে হাসানার অন্তর্ভূক্ত করে না, যার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়”
[ক্বাইদাতুন জালিলা ফিত তাউস্সুলি ওয়াল ওসিলাচ, পৃষ্ঠা-৪৬ (মাকতাবায়ে শামেলা)]
আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) সুস্পষ্টভাব বিদআতকে হাসানা ও সাইয়্যা হিসেবে ভাগ করেছেন। এবং বিদআতে হাসানা হওয়ার ক্ষেত্রে তিনি যে শর্ত দিয়েছেন, অন্যান্য উলামায়ে কেরামও একই শর্ত দিয়ে থাকেন।
আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) মাজমুউল ফাতাওয়ায় উল্লেখ করেছেন-
إِذَا الْبِدْعَةُ الْحَسَنَةُ - عِنْدَ مَنْ يُقَسِمُ الْبِدَعَ إِلَى حَسَنَةٍ وَسَيِّئَةٍ - لَا بُدَّ أَنْ يَسْتَحِبَّهَا أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ الَّذِينَ يُقْتَدَى بِهِمْ وَيَقُومُ دَلِيلٌ شَرْعِيٌّ عَلَى اسْتِحْبَابِهَا وَكَذَلِكَ مَنْ يَقُولُ : الْبِدْعَةُ الشَّرْعِيَّةُ كُلُّهَا مَذْمُومَةٌ لِقَوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْحَدِيثِ الصَّحِيحِ : { كُلُّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ } وَيَقُولُ قَوْلُ عُمَرَ فِي التَّرَاوِيحِ : " نِعْمَتْ الْبِدْعَةُ هَذِهِ " إِنَّمَا أَسْمَاهَا بِدْعَةً : بِاعْتِبَارِ وَضْعِ اللُّغَةِ . فَالْبِدْعَةُ فِي الشَّرْعِ عِنْدَ هَؤُلَاءِ مَا لَمْ يَقُمْ دليلٌ شَرْعِيٌّ عَلَى اسْتِحْبَابِهِ
“যারা বিদআতকে হাসানা ও সাইয়্যা হিসেবে ভাগ করেছেন, তাদের নিকট বিদআতে হাসান হওয়ার জন্য আবশ্যক হল, অনুসরণীয় কোন আলেম একে মুস্তাহাব মনে করেন, এবং এটি মুস্তাহাব হওয়ার ব্যাপারে শরীযতের দলিল পাওযা যায় । আর যারা বলে যে, শরীয়তে সকল বিদআতই নিন্দনীয়; কেননা রাসূল (সঃ) সহীহ হাদীসে বলেছেন, “প্রত্যেক বিদআতই ভ্রষ্টতা”, আর তারাবীহের ক্ষেত্রে হযরত উমর (রাঃ) যে বলেছেন, “এটি উত্তম একটি বিদআত” তিনি শাব্দিক অর্থে বিদআত বলেছেন, এদের নিকটও বিদআত হল, এমন আমল যার মুস্তাহাব হওয়ার ব্যাপারে শরীয়তের কোন দলিল নেই”
[মাজমুউল ফাতাওয়া,খ--২৭, পৃষ্ঠা-১৫২]
📄 আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) এর নিকট ইলমে বাতেন
আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) লিখেছেন-
عِلْمَ الْباطِنِ الَّذِي هُوَ عِلْمُ إِيمَانِ الْقُلُوبِ وَمَعَارِفِهَا وَأَحْوَالِهَا هُوَ عِلْمٌ بِحَقَائِقِ الْإِيمَانِ الْبَاطِنَةِ وَهَذَا أَشْرَفُ مِنْ الْعِلْمِ بِمُجَرَّدِ أَعْمَالِ الْإِسْلَامِ الظَّاهِرَةِ
“ইলমে বাতেন হল, জ্বলবের ইমান, মা'রেফাত, ও হালতের ইলম । ইলমে বাতেন হল, অভ্যন্তরীণ ঈমানের হাকীকত। শুধু বাহ্যিক আমলের চেয়ে ইলমে বাতেনের এই ইলম অধিক মর্যাদাবান”
[মাজমুউল ফাতাওয়া, খ--১১, পৃষ্ঠা-২২৫]
আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহঃ) বলেন-
وَفِيهِمْ مَنْ يُفَضّلُ عَلِيًّا فِي الْعِلْمِ الْبَاطِنِ كَطَرِيقَةِ الْحَرْبِي وَأَمْثَالِهِ وَيَدَّعُونَ أَنَّ عَلِيًّا كَانَ أَعْلَمَ بِالْبَاطِنِ وَأَنَّ هَذَا الْعِلْمَ أَفْضَلُ مِنْ جِهَتِهِ وَأَبُو بَكْرٍ كَانَ أَعْلَمَ بِالظَّاهِرِ . وَهَؤُلَاءِ عَكْسُ مُحَقِّقِي الصُّوفِيَّةِ وَأَئِمَّتِهِمْ فَإِنَّهُمْ مُتَّفِقُونَ عَلَى أَنَّ أَعْلَمَ الْخَلْقِ بِالْعِلْمِ الْبَاطِنِ هُوَ أَبُو بَكْرِ الصِّدِّيقُ . وَقَدْ اتَّفَقَ أَهْلُ السُّنَّةِ وَالْجَمَاعَةِ عَلَى أَنَّ أَبَا بَكْرٍ أَعْلَمُ الْأُمَّةِ بِالْبَاطِنِ وَالظَّاهِرِ وَحَكَى الْإِجْمَاعَ عَلَى ذَلِكَ غَيْرُ وَاحِدٍ
"শিয়াদের কেউ কেউ যেমন হারবী তরীকার লোকেরা ইলমে বাতেনের ক্ষেত্রে হযরত আলী (রাঃ) কে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করে এবং তারা দাবী করে যে, হযরত আলী (রাঃ) ইলমে বাতেনের ব্যাপারে অধিক জ্ঞাত ছিলেন এবং এ ইলম তাদের নিকট যাহিরের চেয়ে উত্তম । আর হযরত আবু বকর (রাঃ) যাহিরি ইলমের অধিকারী ছিলেন। এরা তাছাউফের ইমাম ও গবেষক সূফীগণের বিপরীত মত পোষণ করে । কেননা তাছাউফের ইমামগণ এ বিষয়ে একমত যে, ইলমে বাতেনের ব্যাপারে অধিক জ্ঞাত হলেন, হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত এ ব্যাপারে একমত যে, হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) ইলমে যাহের ও বাতেনের ব্যাপারে সর্বাধিক জ্ঞাত ছিলেন । এবং অনেকে এ ব্যাপারে ইজমার কথা বর্ণনা করেছেন।”
[মাজমুউল ফাতাওয়া, খ--১৩, পৃষ্ঠা-২৩৭]
📄 ইলমে বাতেনের হুকুম
وَأَمَّا إِذَا أُرِيدَ بِالْعِلْمِ الْبَاطِنِ الْعِلْمُ الَّذِي يَبْطُنُ عَنْ أَكْثَرِ النَّاسِ أَوْ عَنْ بَعْضِهِمْ فَهَذَا عَلَى نَوْعَيْنِ : " أَحَدُهُمَا " بَاطِنُ يُخَالِفُ الْعِلْمَ الظَّاهِرَ . و " الثَّانِي " لَا يُخَالِفُهُ فَأَمَّا الْأَوَّلُ فَبَاطِلٌ ؛ فَمَنْ ادَّعَى عِلْمًا بَاطِئًا أَوْ عِلْمًا بِبَاطِنِ وَذَلِكَ يُخَالِفُ الْعِلْمَ الظَّاهِرَ كَانَ مُخْطِئًا إِمَّا مُلْحِدًا زِنْدِيقًا وَإِمَّا جَاهِلًا ضَالَّا . وَأَمَّا الثَّانِي فَهُوَ بِمَنْزِلَةِ الْكَلَامِ فِي الْعِلْمِ الظَّاهِرِ قَدْ يَكُونُ حَقًّا وَقَدْ يَكُونُ بَاطِلًا فَإِنَّ الْبَاطِنَ إِذَا لَمْ يُخَالِفُ الظَّاهِرَ لَمْ يُعْلَمْ بُطْلَانُهُ مِنْ جِهَةِ مُخَالَفَتِهِ لِلظَّاهِرِ الْمَعْلُومِ فَإِنْ عُلِمَ أَنَّهُ حَقٌّ قُبِلَ وَإِنْ عُلِمَ أَنَّهُ بَاطِلٌ رُدَّ وَإِلَّا أُمْسِكَ عَنْهُ
“ইলমে বাতেন দ্বারা যদি এমন ইলম উদ্দেশ্য হয়, যা অধিকাংশ মানুষ কিংবা কিছু মানুষ থেকে গোপন থাকে, তবে এটি দু'প্রকার। প্রথম প্রকার, এমন ইলমে বাতেন যেটি ইলমে যাহেরের বিরোধী। দ্বিতীয় প্রকার, যেটি ইলমে যাহেরের বিরোধী নয়। প্রথম প্রকারের ইলমে বাতেন সম্পূর্ণ বাতেল, প্রত্যাখ্যাত। সুতরাং যে ব্যক্তি এমন ইলমে বাতেনের দাবী করল, যা বাহ্যিক শরীয়তে ইলমের বিপরীত তবে সে ভুল, অথবা মুরতাদ-যিন্দিক, অথবা পথভ্রষ্ট-মূর্খ। আর যদি ইলমে বাতেন ইলমে যাহেরের বিরোধী না হয়, তবে এটি ইলমে কালামের মত, কখনও এটি সত্য হয়, আবার কখনও এটি ভুল হয়। কোন একটি বিষয় ইলমে যাহেরের বিরোধী হলেই বাতিল সাব্যস্ত । এখন যদি জানা যায়, এ ইলমে বাতেন হক্ব তাহলে তা গ্রহণ করা হবে । আর যদি জানা যায় যে, এটি বাতেল, তবে তা প্রত্যাখ্যাত, নুতবা এধরণের ইলম থেকে বিরত থাকতে হবে”
[মাজমুউল ফাতাওয়া, খ--১৩, পৃষ্ঠা-২৩৬]