📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত করা

📄 একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত করা


যে ব্যক্তি দুনিয়ার বিষয়াবলি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছে, নিশ্চয়ই সে বুঝেছে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ইচ্ছা হলো, মানুষ দুনিয়ার কামনা ও আকাঙ্ক্ষা থেকে নিজেকে যেন বিরত রাখে। সুতরাং যে ব্যক্তি দুনিয়ার কোনো বৈধ বিষয়েও আগ্রহ নিয়ে উপভোগ করার দিকে ঝুঁকেছে, সেখানেই সে তার প্রতিটি সুখের সাথে এক বা একাধিক দুঃখের মুখোমুখি হয়েছে। প্রতিটি স্বস্তির সাথে যুক্ত হয়েছে ক্লান্তি। প্রতিটি অপূর্ণ আস্বাদন তার চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে; কিছুতেই তৃপ্তি আসেনি।

এভাবে যখনই সে দুনিয়া থেকে কিছু অংশ উঠিয়ে নিয়েছে, দুনিয়াও তার থেকে সমপরিমাণ অংশ নিয়ে নিজের কমতি পুষিয়ে নিয়েছে। দুনিয়ার এ এক মহা নির্মম রীতি। বিনিময় ছাড়া সে কাউকে কিছুই প্রদান করে না। যেমন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত আয়েশা রা.-কে বেশি ভালোবেসেছিলেন, ঠিক প্রতিফলে কষ্টের অংশ হিসেবে তার ওপর 'ইফক' (অপবাদ)-এর ঘটনা আপতিত হয়েছে। তিনি যখন যায়নাব রা.-এর দিকে ঝুঁকেছেন, তখন আয়াতে বর্ণিত হয়েছে সেই ঘটনা—

'এরপর যায়দ যখন তার স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক ছিন্ন করল তখন আমি তাকে তোমার সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করে দিলাম; যাতে করে পালক পুত্রদের স্ত্রীদের ব্যাপারে মুমিনদের কোনো অসুবিধা না থাকে, যখন তারা তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক ছিন্ন করে।' [সুরা আহযাব : ৩৭]

অতএব, দুনিয়ার প্রতিটি সুখের সাথে লেগে আছে দুঃখ। এটা আমরা এভাবেও বুঝতে পারি, যখন কারও প্রেমাস্পদ বা কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির মিলন ও সান্নিধ্য অর্জন হয়, বুদ্ধিমত্তার চোখ তখনো দেখতে পায় পরমুহূর্তের ওত পেতে বসে থাকা কষ্টকর বিরহ ও বিচ্ছিন্নতা। তাই সেই প্রাপ্তির সময়ও মানুষের হৃদয় বিরহের চিন্তায় ব্যথিত হয়।

জনৈক কবি বলেন,

أتم الحزن عندي في سرور ... تيقن عنه صاحبه انتقالاً

সুখের মাঝেও আমার নিকট সবচেয়ে বড় দুঃখের বিষয় জানে সেই প্রিয়, অচিরেই হারিয়ে যাবে এই সুখের সময়।

সুতরাং বুদ্ধিমান ব্যক্তি বুঝতে পারে, দুনিয়াতে এসকল অপূর্ণতা ও পঙ্কিলতা প্রদানের দ্বারা আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্য হলো, মানুষ যেন দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্ত থাকে। এ কারণে দুনিয়াতে নিজের প্রয়োজন পরিমাণ অর্জনের প্রতিই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। দুনিয়ার জন্য অধিক ব্যস্ততা বর্জন করতে হবে। তাহলেই শুধু আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা ও ইবাদতে পূর্ণ মনোযোগ স্থাপন সম্ভব হবে। কিন্তু যে ব্যক্তি এসকল দিকে ভ্রূক্ষেপ করে না, তাকে একদিন বহু বঞ্চনার ওপর আফসোস করতে হবে। তখন সে আফসোস কোনো উপকারে আসবে না।

যে ব্যক্তি দুনিয়ার বিষয়াবলি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করেছে, নিশ্চয়ই সে বুঝেছে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ইচ্ছা হলো, মানুষ দুনিয়ার কামনা ও আকাঙ্ক্ষা থেকে নিজেকে যেন বিরত রাখে। সুতরাং যে ব্যক্তি দুনিয়ার কোনো বৈধ বিষয়েও আগ্রহ নিয়ে উপভোগ করার দিকে ঝুঁকেছে, সেখানেই সে তার প্রতিটি সুখের সাথে এক বা একাধিক দুঃখের মুখোমুখি হয়েছে। প্রতিটি স্বস্তির সাথে যুক্ত হয়েছে ক্লান্তি। প্রতিটি অপূর্ণ আস্বাদন তার চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে; কিছুতেই তৃপ্তি আসেনি।

এভাবে যখনই সে দুনিয়া থেকে কিছু অংশ উঠিয়ে নিয়েছে, দুনিয়াও তার থেকে সমপরিমাণ অংশ নিয়ে নিজের কমতি পুষিয়ে নিয়েছে। দুনিয়ার এ এক মহা নির্মম রীতি। বিনিময় ছাড়া সে কাউকে কিছুই প্রদান করে না। যেমন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত আয়েশা রা.-কে বেশি ভালোবেসেছিলেন, ঠিক প্রতিফলে কষ্টের অংশ হিসেবে তার ওপর 'ইফক' (অপবাদ)-এর ঘটনা আপতিত হয়েছে। তিনি যখন যায়নাব রা.-এর দিকে ঝুঁকেছেন, তখন আয়াতে বর্ণিত হয়েছে সেই ঘটনা—

'এরপর যায়দ যখন তার স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক ছিন্ন করল তখন আমি তাকে তোমার সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করে দিলাম; যাতে করে পালক পুত্রদের স্ত্রীদের ব্যাপারে মুমিনদের কোনো অসুবিধা না থাকে, যখন তারা তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক ছিন্ন করে।' [সুরা আহযাব : ৩৭]

অতএব, দুনিয়ার প্রতিটি সুখের সাথে লেগে আছে দুঃখ। এটা আমরা এভাবেও বুঝতে পারি, যখন কারও প্রেমাস্পদ বা কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির মিলন ও সান্নিধ্য অর্জন হয়, বুদ্ধিমত্তার চোখ তখনো দেখতে পায় পরমুহূর্তের ওত পেতে বসে থাকা কষ্টকর বিরহ ও বিচ্ছিন্নতা। তাই সেই প্রাপ্তির সময়ও মানুষের হৃদয় বিরহের চিন্তায় ব্যথিত হয়।

জনৈক কবি বলেন,

أتم الحزن عندي في سرور ... تيقن عنه صاحبه انتقالاً

সুখের মাঝেও আমার নিকট সবচেয়ে বড় দুঃখের বিষয় জানে সেই প্রিয়, অচিরেই হারিয়ে যাবে এই সুখের সময়।

সুতরাং বুদ্ধিমান ব্যক্তি বুঝতে পারে, দুনিয়াতে এসকল অপূর্ণতা ও পঙ্কিলতা প্রদানের দ্বারা আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্য হলো, মানুষ যেন দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্ত থাকে। এ কারণে দুনিয়াতে নিজের প্রয়োজন পরিমাণ অর্জনের প্রতিই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। দুনিয়ার জন্য অধিক ব্যস্ততা বর্জন করতে হবে। তাহলেই শুধু আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা ও ইবাদতে পূর্ণ মনোযোগ স্থাপন সম্ভব হবে। কিন্তু যে ব্যক্তি এসকল দিকে ভ্রূক্ষেপ করে না, তাকে একদিন বহু বঞ্চনার ওপর আফসোস করতে হবে। তখন সে আফসোস কোনো উপকারে আসবে না।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 কিছু উপদেশ

📄 কিছু উপদেশ


বুদ্ধিমান ব্যক্তি দুনিয়াতে তার জীবনযাপনকে বুদ্ধিমত্তার সাথেই পরিচালনা করে। সে যদি দরিদ্র হয়, উপার্জনের চেষ্টা করে। বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করে; যাতে অর্থের জন্য মানুষের নিকট হাত পাততে না হয়। অনাবশ্যক খরচের মাধ্যমগুলোকে কমিয়ে আনে এবং অল্পেতুষ্ট থাকে। এভাবেই সে মানুষের অপ্রীতিকর অনুগ্রহ ও দয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে। তখন সে মানুষের মাঝে নিজের সম্মান মর্যাদা ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়।

আর সে যদি ধনবান হয়, তাহলেও সে তার খরচের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকে। অবিবেচকের মতো নিজের সবকিছু বিলিয়ে দিয়ে নিজেই আবার অন্যের দারস্থ হয়ে পড়ে না।

কিন্তু নির্বোধ ব্যক্তি এ বিষয়ে ভীষণ বোকামি করে। সে খরচের ক্ষেত্রে অপচয়ের সীমায় চলে যায় এবং সম্পদ নিয়ে এমন প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়; যাতে তার বিপক্ষের লোকেরা তার খরচ দেখে চুপসে যায় এবং তার কাছে ছোট হয়ে যায়। এভাবে সে নিজেই তার সম্পদে চোখ লাগার ব্যবস্থা করে ফেলে।

কিন্তু আমাদের জন্য সর্বক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা উচিত। যা এবং যতটুকু গোপন রাখা উচিত, তা গোপন রাখাই ভালো। নতুবা পরিণামে বিপদে পতিত হতে হয়।

একবার এক ডুবুরী সাগরে অনেক সম্পদ খুঁজে পেল। অনেক মণি-মুক্তা-জহরত। এরপর সে কোনো দিকে খেয়াল না করে সমানে দু-হাতে এগুলো খরচ করতে শুরু করল। অচিরেই তার সম্পদের কথা মানুষদের মাঝে জানাজানি হয়ে গেল। প্রতিফলে একদিন তার সকল সম্পদ ডাকাতি হয়ে গেল। ডুবুরী আবার সেই আগেই মতোই নিঃস্ব, দরিদ্র ও সম্বলহীন হয়ে পড়ল।

স্মরণ রাখা উচিত—সম্পদ সংরক্ষণ করতে পারাও একটি বড় যোগ্যতার ব্যাপার। পরিমিত খরচ করবে। যা প্রকাশ করা উচিত নয়, তা গোপন রাখবে। এমনকি স্ত্রীর নিকটও সকল সম্পদের পরিমাণ প্রকাশ করা একটি বোকামিপূর্ণ কাজ। কারণ, সম্পদ যদি তুলনামূলক কম হয়, তবে স্ত্রীর নিকট নিজের মর্যাদা কমে যাবে। আর যদি সম্পদ বেশি হয়, তাহলে স্ত্রী বেশি বেশি ভরণপোষণ চাইবে, অলংকারাদি বানিয়ে দেওয়ার বায়না ধরবে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,

﴿وَلَا تُؤْتُوا السُّفَهَاءَ أَمْوَالَكُمُ الَّتِي جَعَلَ اللَّهُ لَكُمْ قِيَامًا﴾

তোমরা অবুঝদের হাতে তোমাদের সেই সম্পদ তুলে দিয়ো না, যাকে আল্লাহ তোমাদের জীবনযাপনের অবলম্বন বানিয়েছেন। [সূরা নিসা: ৫]

এভাবে সন্তানকেও পুরোপুরি সম্পদের কথা জানানো উচিত নয়। নিজের একান্ত গোপন বিষয়াবলিও সংরক্ষণ করা জরুরি এবং সে সম্পর্কে সর্বক্ষণ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এমনকি বন্ধু সম্পর্কেও সতর্ক থাকবে। কারণ, বন্ধুও কখনো শত্রুতে পরিণত হয়ে যেতে পারে! কবি বলেন,

إحذر عدوك مرة ... واحذر صديقك ألف مرة

فلربما انقلب الصدي ... ق فكان أعلم بالمضرة

শত্রুর ক্ষেত্রে সতর্ক হও একবার। বন্ধুর ক্ষেত্রে সতর্কতা হাজার বার।

বন্ধু যদি কখনো শত্রু হয়ে যায়- সে যে তোমার ক্ষতিতে বেশি খবরদার।

বুদ্ধিমান ব্যক্তি দুনিয়াতে তার জীবনযাপনকে বুদ্ধিমত্তার সাথেই পরিচালনা করে। সে যদি দরিদ্র হয়, উপার্জনের চেষ্টা করে। বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করে; যাতে অর্থের জন্য মানুষের নিকট হাত পাততে না হয়। অনাবশ্যক খরচের মাধ্যমগুলোকে কমিয়ে আনে এবং অল্পেতুষ্ট থাকে। এভাবেই সে মানুষের অপ্রীতিকর অনুগ্রহ ও দয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে। তখন সে মানুষের মাঝে নিজের সম্মান মর্যাদা ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়।

আর সে যদি ধনবান হয়, তাহলেও সে তার খরচের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকে। অবিবেচকের মতো নিজের সবকিছু বিলিয়ে দিয়ে নিজেই আবার অন্যের দারস্থ হয়ে পড়ে না।

কিন্তু নির্বোধ ব্যক্তি এ বিষয়ে ভীষণ বোকামি করে। সে খরচের ক্ষেত্রে অপচয়ের সীমায় চলে যায় এবং সম্পদ নিয়ে এমন প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়; যাতে তার বিপক্ষের লোকেরা তার খরচ দেখে চুপসে যায় এবং তার কাছে ছোট হয়ে যায়। এভাবে সে নিজেই তার সম্পদে চোখ লাগার ব্যবস্থা করে ফেলে।

কিন্তু আমাদের জন্য সর্বক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা উচিত। যা এবং যতটুকু গোপন রাখা উচিত, তা গোপন রাখাই ভালো। নতুবা পরিণামে বিপদে পতিত হতে হয়।

একবার এক ডুবুরী সাগরে অনেক সম্পদ খুঁজে পেল। অনেক মণি-মুক্তা-জহরত। এরপর সে কোনো দিকে খেয়াল না করে সমানে দু-হাতে এগুলো খরচ করতে শুরু করল। অচিরেই তার সম্পদের কথা মানুষদের মাঝে জানাজানি হয়ে গেল। প্রতিফলে একদিন তার সকল সম্পদ ডাকাতি হয়ে গেল। ডুবুরী আবার সেই আগেই মতোই নিঃস্ব, দরিদ্র ও সম্বলহীন হয়ে পড়ল।

স্মরণ রাখা উচিত—সম্পদ সংরক্ষণ করতে পারাও একটি বড় যোগ্যতার ব্যাপার। পরিমিত খরচ করবে। যা প্রকাশ করা উচিত নয়, তা গোপন রাখবে। এমনকি স্ত্রীর নিকটও সকল সম্পদের পরিমাণ প্রকাশ করা একটি বোকামিপূর্ণ কাজ। কারণ, সম্পদ যদি তুলনামূলক কম হয়, তবে স্ত্রীর নিকট নিজের মর্যাদা কমে যাবে। আর যদি সম্পদ বেশি হয়, তাহলে স্ত্রী বেশি বেশি ভরণপোষণ চাইবে, অলংকারাদি বানিয়ে দেওয়ার বায়না ধরবে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,

﴿وَلَا تُؤْتُوا السُّفَهَاءَ أَمْوَالَكُمُ الَّتِي جَعَلَ اللَّهُ لَكُمْ قِيَامًا﴾

তোমরা অবুঝদের হাতে তোমাদের সেই সম্পদ তুলে দিয়ো না, যাকে আল্লাহ তোমাদের জীবনযাপনের অবলম্বন বানিয়েছেন। [সূরা নিসা: ৫]

এভাবে সন্তানকেও পুরোপুরি সম্পদের কথা জানানো উচিত নয়। নিজের একান্ত গোপন বিষয়াবলিও সংরক্ষণ করা জরুরি এবং সে সম্পর্কে সর্বক্ষণ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এমনকি বন্ধু সম্পর্কেও সতর্ক থাকবে। কারণ, বন্ধুও কখনো শত্রুতে পরিণত হয়ে যেতে পারে! কবি বলেন,

إحذر عدوك مرة ... واحذر صديقك ألف مرة

فلربما انقلب الصدي ... ق فكان أعلم بالمضرة

শত্রুর ক্ষেত্রে সতর্ক হও একবার। বন্ধুর ক্ষেত্রে সতর্কতা হাজার বার।

বন্ধু যদি কখনো শত্রু হয়ে যায়- সে যে তোমার ক্ষতিতে বেশি খবরদার।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 পরিশিষ্ট

📄 পরিশিষ্ট


সকল প্রশংসা আল্লাহর। তারই দয়া ও অনুগ্রহে আমার দুর্বল চিন্তা যা কিছু ভেবেছিল, 'সইদুল খাতির' কিতাব আকারে সংক্ষিপ্তভাবে তা কলমবন্ধ করা সমাপ্ত হলো। আশা করা যায়, এর দ্বারা অন্তরের অনেক রোগের নিরাময় হবে। শরিয়তের সঠিক বিধান ও তার অনুপম সৌন্দর্য দ্বারা জীবনকে সজ্জিত করা সম্ভব হবে এবং প্রিয়তর আখলাক ও গুণাবলির মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে সজ্জিত করা যাবে।

আল্লাহ তাআলা এটাকে ওয়াজ ও নসিহতের ক্ষেত্রে মিম্বর ও মঞ্চের সঠিক দিকনির্দেশিকা করে দিন। এবং মানুষের হেদায়েতের জন্য করুন সবচেয়ে উপকারী কিতাব; যা তার নিজের সৌকর্য নিয়ে দ্বিপ্রহরের আলোর মতোই হবে উজ্জ্বল ও দীপ্তিময়।

সকল প্রশংসা আল্লাহর। তারই দয়া ও অনুগ্রহে আমার দুর্বল চিন্তা যা কিছু ভেবেছিল, 'সইদুল খাতির' কিতাব আকারে সংক্ষিপ্তভাবে তা কলমবন্ধ করা সমাপ্ত হলো। আশা করা যায়, এর দ্বারা অন্তরের অনেক রোগের নিরাময় হবে। শরিয়তের সঠিক বিধান ও তার অনুপম সৌন্দর্য দ্বারা জীবনকে সজ্জিত করা সম্ভব হবে এবং প্রিয়তর আখলাক ও গুণাবলির মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে সজ্জিত করা যাবে।

আল্লাহ তাআলা এটাকে ওয়াজ ও নসিহতের ক্ষেত্রে মিম্বর ও মঞ্চের সঠিক দিকনির্দেশিকা করে দিন। এবং মানুষের হেদায়েতের জন্য করুন সবচেয়ে উপকারী কিতাব; যা তার নিজের সৌকর্য নিয়ে দ্বিপ্রহরের আলোর মতোই হবে উজ্জ্বল ও দীপ্তিময়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00