📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 পরশ্রীকাতরতা মানুষের একটি জন্মগত স্বভাব

📄 পরশ্রীকাতরতা মানুষের একটি জন্মগত স্বভাব


সব জায়গায় দেখি, মানুষেরা পরশ্রীকাতরকে অনেক নিন্দা-মন্দ করে এবং খুবই খারাপ মনে করে। এবং তারা বলে, নিকৃষ্টতম মানুষই শুধু পরশ্রীকাতরতায় আক্রান্ত হয়। সে এর মাধ্যমে আল্লাহর নিয়ামতের বিরোধিতা করে এবং আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকে না। এবং তার অপর মুসলিম ভাইয়ের কল্যাণ দেখতে পায় না।
আমি বিষয়টা নিয়ে একটু চিন্তা-ভাবনা করলাম। দেখলাম, লোকজন যেভাবে বলে, প্রকৃত অর্থে বিষয়টা আসলে তেমন নয়। এখানে মূল বিষয় হলো মানুষের স্বভাব। মানুষের স্বভাব হলো, অন্য কেউ তার ওপরে উঠে যাক- এটা সে পছন্দ করে না কিংবা মেনে নিতে চায় না। সে যদি দেখে- তার কোনো বন্ধু তার চেয়ে ওপরে উঠে যাচ্ছে, এটা তার ওপর প্রভাব ফেলে এবং তার চেয়ে ওপরে উঠে যাওয়াটা সে পছন্দ করে উঠতে পারে না। সে বরং কামনা করে- সে নিজে যেখানে পৌঁছেছে, তার বন্ধু যেন সেখানে না পৌঁছায় কিংবা তার বন্ধু যা প্রাপ্ত হয়েছে, সে নিজেও যেন তা প্রাপ্ত হয়- যাতে তার বন্ধু যেন তার চেয়ে ওপরে উঠে না থাকতে পারে।
মাটি দ্বারা তৈরি মানুষের স্বভাবের মাঝে এই বিষয়টি একেবারে কাদা-মাটির মতোই মিশে আছে। আমি বলি, এটি কোনো দোষের বিষয় নয়। বরং দোষের বিষয় হলো- নিজের কথায় কিংবা কাজের মাধ্যমে এর প্রকাশ ঘটানো। অন্যের অনিষ্টের চেষ্টা করা। অন্যকে দমন করে নিজে উঁচুতে উঠতে চাওয়া।
নতুবা আমার নিজের মধ্যেও এই ঈর্ষার বিষয়টি রয়েছে। আমি আগে ভাবতাম, এটি বুঝি আমার কোনো গোপন রোগ ও নিম্নশ্রেণির মানসিকতা। কিন্তু পরবর্তীতে এ ব্যাপারে হজরত হাসান বসরি রহ. থেকে আমি একটি মন্তব্য পেয়ে যাই। তিনি বলেন, ليس من ولد آدم أحد إلا وقد خلق معه الحسد.... বনি আদমের এমন কোনো ব্যক্তি নেই, যার সাথে ঈর্ষা নেই।
তাই মানুষের কর্তব্য হলো, কথা এবং কাজের মাধ্যমে এটাকে অতিক্রম করে যাওয়া। নিজের কল্যাণ সকলেই চাইবে, সেটাই কর্তব্য- কিন্তু অন্যের ক্ষতি করে নয়।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না

📄 আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না


মুমিনের ঈমান প্রকাশ পায় তার বিপদ বা কষ্টের সময়। তখন সে বারবার দুআ করতে থাকে। কিন্তু দুআ কবুলের কোনো প্রভাব সে দেখতে পায় না। কিন্তু তাই বলে তার আশা এবং প্রত্যাশাও কমে যায় না। নিরাশার সকল কারণও যদি তার ক্ষেত্রে প্রবলতর হয়ে ওঠে, তবুও সে নিরাশ হয় না। কারণ, সে জানে, তার প্রতিপালক আল্লাহ তাআলা তার কল্যাণের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভালো জানেন। কিংবা তিনি হয়তো এখন তার থেকে ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে চান। তার ঈমানের দৃঢ়তা দেখতে চান। এর দ্বারা তিনি তার বান্দার অন্তরের পরিপূর্ণ সমর্পণকে দেখতে চান। তার কাছে যেন বান্দা আশ্রয়ের জন্য ঝুঁকে যায়। আরও বেশি বেশি দুআ ও প্রার্থনা করে।
কিন্তু যে ব্যক্তি দ্রুতই প্রার্থনা কবুল হওয়া দেখতে চায় এবং দ্রুত কবুল না হলে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে- এটা হবে তার দুর্বল ঈমানের প্রকাশ। সে ভাবতে থাকে দুআ কবুল হওয়াটা যেন তার অধিকার। সে যেন তার কাজের প্রতিদান প্রার্থনা করছে।
তুমি কি হজরত ইয়াকুব আলাইহিস সালামের ঘটনার কথা শোনোনি? দীর্ঘ ২৮ বছর তিনি পরীক্ষার মধ্যে ছিলেন। কিন্তু আশার মধ্যে কোনো হেরফের হয়নি। যখন হজরত মুসা আলাইহিস সালাম হারানোর পর তার ভাই বিনয়ামিনও তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল, তখনও তার আশা রহিত হয়নি। তিনি তখন বললেন,
(عَسَى اللَّهُ أَنْ يَأْتِينِي بِهِمْ جَمِيعًا)
আশা করা যায়, আল্লাহ আমার নিকট তাদের সকলকেই এনে দেবেন। [সুরা ইউসুফ : ৮৩]
ধৈর্যধারণ ও আশা জিইয়ে রাখার এই বিষয়টিই প্রতিফলিত হয়েছে আল্লাহ তাআলার এই বাণীর মধ্যে- তিনি ইরশাদ করেন-
أَمْ حَسِبْتُمْ أَنْ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ وَلَمَّا يَأْتِكُمْ مَثَلُ الَّذِينَ خَلَوْ مِنْ قَبْلِكُمْ مَسَّتْهُمُ الْبَأْسَاءُ وَالضَّرَّاءُ وَزُلْزِلُوا حَتَّى يَقُولُ الرَّسُولُ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ مَتَى نَصْرُ اللَّهِ أَلَا إِنَّ نَصْرُ اللَّهِ قَرِيبٌ )
(হে মুসলিমগণ!) তোমরা কি মনে করেছ, তোমরা জান্নাতে এমনিতেই প্রবেশ করবে, অথচ এখনও পর্যন্ত তোমাদের ওপর সেই রকম অবস্থা আসেনি, যেমনটা এসেছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর। তাদেরকে স্পর্শ করেছিল অর্থ-সংকট ও দুঃখ-কষ্ট এবং তাদেরকে করা হয়েছিল প্রকম্পিত, এমনকি রাসুল এবং তাঁর ঈমানদার সঙ্গীগণ বলে উঠেছিল, আল্লাহর সাহায্য কখন আসবে? মনে রেখো, আল্লাহর সাহায্য নিকটেই। [সুরা বাকারা : ২১৪]
এটা তো বিদিত বিষয়- দীর্ঘ কষ্ট ও পরীক্ষার পরে এবং পরিত্রাণের ব্যাপারে নৈরাশ্যের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরই কেবল রাসুল ও মুমিনদের থেকে এমন কথা প্রকাশ পেয়েছিল।
এ ক্ষেত্রে আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
لا يزال العبد بخير ما لم يستعجل، قيل له: وما يستعجل. قال: يقول: دعوت فلم يستجب لي.
বান্দা যতক্ষণ না তাড়াহুড়ো করছে, ততক্ষণ সে কল্যাণের মধ্যেই থাকবে। প্রশ্ন করা হলো, তাড়াহুড়ো বিষয়টা কী? তিনি বললেন, তাড়াহুড়োর বিষয়টি হলো, বান্দা বলতে থাকবে, প্রার্থনা করলাম, কিন্তু কই, আমার ডাকে তো সাড়া দেওয়া হলো না।'১০০
এ কারণে তুমি কিছুতেই কষ্ট ও পরীক্ষার সময়কে দীর্ঘ মনে করবে না। এবং বেশি বেশি দুআ করার ক্ষেত্রে বিরক্তি বা কষ্ট অনুভব করবে না। কারণ, তোমাকে তো পরীক্ষাই করা হচ্ছে- মেনে নাও কি না? এই ধৈর্যধারণ এবং প্রার্থনাও তোমার ইবাদত হিসেবে গণ্য হবে।
মোটকথা, বিপদ যদি দীর্ঘও হয়, তবুও আল্লাহ তাআলার রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। মুমিন কখনো নিরাশ হয় না।

টিকাঃ
১০০. সহিহ বোখারি: ১৯/৫৮৬৫, পৃষ্ঠা: ৪১৬ এবং মুসনাদে আহমদ: ২৬/১২৫৩৮, পৃষ্ঠা: ৮৫- মা. শামেলা।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 যুক্তির অনুসরণে মুক্তি

📄 যুক্তির অনুসরণে মুক্তি


যে ব্যক্তি শুধু ইন্দ্রিয় চাহিদার অনুসরণ করবে, সে ধ্বংস হবে। আর যে ব্যক্তি আকল বা যুক্তির অনুসরণ করবে, সে নিরাপদ থাকবে।
ইন্দ্রিয়শক্তি অনুধাবন করতে সক্ষম শুধু বর্তমানকে- দুনিয়াকে। কিন্তু আকল লক্ষ করে সকল সৃষ্ট বস্তুর দিকে। এর মাধ্যমে সে এমন এক স্রষ্টার পরিচয় লাভ করে- যিনি অনেক কিছু প্রদান করেছেন। অনেক কিছু ব্যবহার ও ভোগের বৈধতা দিয়েছেন। কিছু এমনিতেই ছেড়ে দিয়েছেন। আর কিছু নিষেধ করেছেন। এবং তিনি জানিয়েছেন, একদিন আমি তোমাদের জিজ্ঞাসা করব এবং তোমাদের পরীক্ষা করব- যাতে তোমাদের নিকট আমার অস্তিত্বের প্রকাশ ঘটে এভাবে যে, তোমাদের কিছু বিষয় খুবই মন চাইবে- কিন্তু আমার স্মরণে তা বর্জন করবে। এটাই হলো আমার জন্য তোমাদের ইবাদত। আর আমি তোমাদের জন্য এই পার্থিব আবাস ছাড়াও একটি আবাস নির্মাণ করেছি- যাতে আনুগত্যকারীদের পুরস্কার দেবো আর বিরোধিতাকারীদের শাস্তি দেবো।
যুক্তি এবং আকল এভাবেই লক্ষ করে এবং ভাবে।
কিন্তু শুধু ইন্দ্রিয়শক্তি- সে শুধু নিকট অনুভবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। বর্তমানের সুখ-আনন্দ দ্বারা সে তাড়িত হয়। যা চায়, সেদিকেই তাৎক্ষণিক উত্তেজনায় ছুটে যায়। এবং তার কিছু শাস্তিও সে পেয়ে যায়। যেমন, জিনা করলে 'রজম' করা হয়। মদ খেলে শাস্তি দেওয়া হয়। চুরি করলে হাত কাটা হয়। অনৈতিক কিছু করলে মানুষের মাঝে অপদস্থ হতে হয়। অলসতার মাধ্যমে জ্ঞান থেকে বিরত থেকে মূর্খতার মধ্যে ডুবে থাকতে হয়।
কিন্তু যে ব্যক্তি বুদ্ধি, যুক্তি ও আকলের অনুসরণ করে চলে, তার দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জায়গাতেই লাভ হয়। মানুষের মাঝে সম্মানের সাথে চলতে পারে। এবং যে ব্যক্তি নিছক ইন্দ্রিয়শক্তির চাহিদা অনুযায়ী চলে, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি এই বুদ্ধিমান ব্যক্তির জীবনযাপন মর্যাদাপূর্ণ ও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে।
যা বললাম, বুদ্ধিমান ব্যক্তি যেন এর থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং তার ভবিষ্যতের জীবন যুক্তি ও প্রমাণের ওপর পরিচালিত করে- তাহলেই সে নিরাপদ থাকতে পারবে।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 পূর্বসূরি আলেমগণের সুউচ্চ হিম্মত ও সাধনা

📄 পূর্বসূরি আলেমগণের সুউচ্চ হিম্মত ও সাধনা


আগের আলেমদের হিম্মত ও সাধনা ছিল অনেক উচ্চ। তাদের মনোবলও ছিল অনেক দৃঢ়। এগুলো বোঝা যায় তাদের রচিত বইপত্র পড়ে, যেগুলো তাদের জীবনের সারাংশ। তাদের এত এত রচনা- যুগের অতিবাহনে সেগুলোর অনেকই জীর্ণ হয়ে গেছে। কাগজ বিবর্ণ হয়ে গেছে। অথচ পড়ার কেউ নেই। কারণ, ইলম অন্বেষণকারীদের হিম্মত হীন হয়ে পড়েছে। তারা শুধু সংক্ষিপ্ততা খোঁজে। বড় বড় বিস্তৃত গ্রন্থের দিকে তারা যেন আগ্রহ রাখছে না। এরপর তো আরও ভয়াবহ সময় এসেছে। এখন তো অল্পকিছু পাঠ্যবিষয় সাব্যস্ত করে অন্যগুলো বর্জনের পর্যায়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তাই সেই বিশাল বিস্তৃত পূর্ববর্তীদের গ্রন্থগুলো পড়া এবং অনুলিপি করার অভাবে সেগুলো আরও জীর্ণ ও বিবর্ণ হয়ে হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু যে শিক্ষার্থী তার ইলমের মধ্যে পরিপূর্ণতা আনতে চায়, তার জন্য অবশ্যই উচিত হবে পূর্ববর্তীদের কিতাবগুলো সম্পর্কে অবগতি লাভ করা। সেগুলোর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বেশি বেশি অধ্যয়ন করা। তাহলে সেখানে সে আমাদের জাতির এমন বিস্ময়কর জ্ঞান এবং উচ্চ হিম্মতের সন্ধান পাবে- যা তার অন্তরকে করে তুলবে আরও শাণিত। উচ্চ মর্যাদা ও আসন প্রাপ্তির জন্য নিজের মধ্যে সৃষ্টি করবে একটি অমিততেজা আন্দোলন।
এছাড়া প্রতিটি কিতাবেই রয়েছে মানুষের জন্য উপকার। উপকারশূন্য কোনো কিতাব নেই।
কিন্তু আজকের দিনে আলেম ও প্রাজ্ঞজনদের জীবনাচরণ হয়ে পড়েছে কত নিম্নতর! তাদের মাঝে এমন কোনো উচ্চ হিম্মতসম্পন্ন ব্যক্তি চোখে পড়ে না- যাকে নবীনরা অনুসরণ করতে পারে। এমন কোনো তাকওয়াবান পরহেজগার ব্যক্তিরও সন্ধান পাই না- যার থেকে জাহেদ ব্যক্তি উপকার লাভ করতে পারে।
সুতরাং আল্লাহ তাআলার দোহাই দিয়ে তোমাদের বলি, তোমরা গুরুত্বের সাথে আমাদের সালাফদের জীবনী পাঠ করো। তাদের রচনাসমূহ অধ্যয়ন করো। তাদের কার্যাবলী সম্পর্কে অবহিত হও। তাদের তো এখন আর দেখা সম্ভব নয়- কিন্তু তাদের এই জীবনী ও কিতাবসমূহ অধ্যয়নের মাধ্যমেই যেন তাদেরকে দেখা হয়ে যাবে।
যেমন কবি বলেন,
فاتني أن أرى الديار بطرفي ... فلعلي أرى الديار بسمعي.
আমি আমার দু-চোখ দ্বারা তাদের আবাস ও বসবাস প্রত্যক্ষ করতে পারিনি। কিন্তু সেগুলো হয়তো আজ আমার শ্রবণের মাধ্যমে দেখতে পাব।
এবার আমি আমার অবস্থা সম্পর্কে বলি- কিতাব অধ্যয়নের ক্ষেত্রে কিছুতেই আমার পরিতৃপ্তি আসে না। শুধু মনে হয়- অধ্যয়ন করেই যাই। তাই যখনই আমার এমন কোনো কিতাব হস্তগত হয়, যা আগে আমি দেখিনি, তাহলে আমি সে কitাবের ওপর একটি ধনভান্ডারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ি। 'মাদরাসায়ে নিযামিয়া'তে যত কিতাব রয়েছে, আমি তার তালিকা বা সূচির ওপর নজর বুলিয়েছি। তাতে প্রায় ৬০ হাজার কিতাব রয়েছে। এভাবে আমি হজরত আবু হানিফা, হুমাইদি, আমাদের শাইখ আবদুল ওয়াহহাব ইবনে নাসের, আবু মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খাশশাব- তাদের সকলের কিতাব সম্পর্কে অবগতি লাভ করেছি। এছাড়াও আরও যেখানে যখন যে কিতাবগুলো সম্পর্কে জানতে সক্ষম হয়েছি, সেগুলো সম্পর্কেও জেনেছি।
আমি যদি বলি, আমি আমার জীবনে ২০ হাজার কিতাব অধ্যয়ন করেছি, তাহলে হয়তো এর চেয়েও বেশি অধ্যয়ন করেছি। অধ্যয়নে কখনো আমার পরিতৃপ্তি আসে না।
এভাবেই আমি সে সকল কিতাবের মাধ্যমে আমার জাতির সুউচ্চ জীবন সম্পর্কে জেনেছি। তাদের হিম্মত, সংরক্ষণ, ইবাদত এবং বিস্ময়কর সব ইলম সম্পর্কে জেনেছি। যে ব্যক্তি এগুলো অধ্যয়ন করবে না, সে তো এগুলো সম্পর্কে জানতে সক্ষম হবে না।
কিন্তু আমি যেহেতু তাদের অবস্থা দেখেছি ও জেনেছি, তাই আজকের সময়ের মানুষের হিম্মত ও সাধনার অবস্থা আমার নিকট খুবই তুচ্ছ ও নিম্ন মনে হয়। চিন্তা করা যায়! কোথা থেকে কোথায় নেমে এসেছে আমাদের ইলম ও হিম্মত!!

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00