📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 আমলদার আলেম

📄 আমলদার আলেম


আমি আমার এ ক্ষুদ্র জীবনে অনেক ‘মাশায়েখ’-এর সাক্ষাৎ পেয়েছি। তাদের একেকজনের অবস্থা ছিল একেক রকম। ইলমের ক্ষেত্রেও তাদের অবস্থা ও মর্যাদা ছিল ভিন্ন ভিন্ন। তবে তাদের মধ্যে আমাকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত করেছেন তারাই, যাদের ইলমের সাথে আমলও ছিল। অথচ তাদের চেয়ে অন্যদের ইলম হয়তো বেশিই ছিল- কিন্তু তাদের দ্বারা তেমন বেশি উপকার হয়নি।
আমি আলেম-মুহাদ্দিসদের এমন ব্যক্তিদের সাথেও সাক্ষাৎ করেছি, যারা ছিলেন অনেক জ্ঞানের অধিকারী। বুঝমান। প্রাজ্ঞ। তাদের কলবে ও কিতাবে সংরক্ষিত ছিল অনেক ইলম ও জ্ঞান। কিন্তু তাদের মজলিস ছিল গিবতে ভরপুর। অন্যদের অবস্থান নির্ণয়ের (জারহ ও তাদিল শাস্ত্র) সুযোগে তারা গিবত করে বেড়াত। এবং হাদিসের এই পঠনের ওপর তারা প্রতিদান গ্রহণ করত। সম্মান বজায় রাখতে গিয়ে যেকোনো প্রশ্নের দ্রুত উত্তর প্রদান করত- অথচ ভুলের দিকে ভ্রক্ষেপ করত না। তাদের সত্যানুসন্ধান নেই। যাচাই- বাছাই নেই।
আমি আবদুল ওয়াহহাব আনমাতি রহ.-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি ছিলেন ‘সালাফে সালেহিন’-এর পথ ও পদ্ধতির ওপর অটল একজন ব্যক্তিত্ব। তার মজলিসে কখনো গিবত শোনা যায়নি। হাদিস শ্রবণের ক্ষেত্রে তিনি কখনো প্রতিদান গ্রহণ করতেন না। আমি যখন তার নিকট ‘কিতাবুর রাকাইক’-এর হাদিসগুলো পাঠ করি, তার চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হতে দেখেছি। তিনি হাদিস শুনছেন—আর তার দুটি চোখ দিয়ে বিরামহীন অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে! আমার সেই ছোট বয়সে তার এই আশ্চর্য হৃদয়বিগলিত ক্রন্দন তখনই আমার অন্তরের মাঝে এক অন্য ধরনের অবস্থা সৃষ্টি করেছিল। আসলে তিনি ছিলেন সেই সকল মহান মনীষীদের অন্তর্ভুক্ত—আগের যুগে আমাদের আকাবিরদের গুণাবলি যেমন শোনা যায়।
এছাড়াও আমি শাইখ আবু মানসুর আল-জাওয়ালিকি রহ. এর সাক্ষাৎ পেয়েছি। তিনি ছিলেন খুবই চুপচাপ ধরনের মানুষ। যা বলতেন, কঠিনভাবে যাচাই-বাছাই ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে দৃঢ়তার সাথেই বলতেন।
তার মজলিসে কোনো প্রশ্ন করা হলে, কখনো কখনো তার ছাত্ররা তার উত্তরে হয়তো তাড়াহুড়া করে ফেলত। কিন্তু তিনি তাদের থামিয়ে দিতেন। বিষয়টির ওপর দীর্ঘ পর্যালোচনার পর নিশ্চিত হয়ে তারপর উত্তর দিতে বলতেন।
তিনি বেশি বেশি রোজা রাখতেন। চুপচাপ থাকতেন। কথা কম বলতেন।
আমি এই দুই ব্যক্তির মাধ্যমে যেভাবে অধিক পরিমাণে উপকৃত হয়েছি, আর কারও দ্বারা তেমন উপকৃত হতে পারিনি। এর দ্বারা আমি একটি জিনিস খুব ভালোভাবে বুঝেছি, আর তা হলো এই-
الدليل بالفعل أرشد من الدليل بالقول.
কথার প্রমাণের চেয়ে কাজের প্রমাণ অনেক বেশি কার্যকর ও হৃদয়গ্রাহী।
এছাড়াও আমি এমন অনেক শাইখকে দেখেছি, যাদের একান্ত সময়গুলো ছিল হাসি-মজাক ও বিলাসিতায় পূর্ণ। এ কারণে তাদের লিখিত ও সংরক্ষিত অসংখ্য কিতাব থাকা সত্ত্বেও তারা মানুষের অন্তরে জায়গা করে নিতে পারেনি। তাদের জীবদ্দশায়ও মানুষরা তাদের দ্বারা বেশি উপকৃত হতে পারেনি। আর তাদের মৃত্যুর পর তো তারা মানুষের অন্তর থেকে একেবারেই মুছে গেছে। এ কারণে পরে আর কেউ তাদের সেসকল কিতাব ও রচনার দিকে দৃষ্টিপাতও করেনি।
আল্লাহর দোহাই! ইলমের সাথে আমল করো। কেননা, এটাই হলো মূল কাজ।
তার চেয়ে দুর্ভাগা আর কে আছে, যে তার গোটা জীবন ইলমের সাধনায় অতিবাহিত করল, কিন্তু আমল করল না? সে তো দুনিয়ার ভোগ-বিলাস থেকেও বঞ্চিত হলো, আবার আখেরাতের সমূহ কল্যাণের জন্যও কিছু করল না। আখেরাতে সে তো আমলে নিঃস্ব হয়ে উঠবেই- সেই সাথে নিজের বিপক্ষে নিজেই নিয়ে উঠবে এক শক্তিশালী দলিল।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 শান্তির ক্ষেত্রে নিজেকে নিরাপদ মনে না করা

📄 শান্তির ক্ষেত্রে নিজেকে নিরাপদ মনে না করা


আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কত মহান ও ক্ষমতাধর!
তাকে যে চিনতে পেরেছে, সে তাকে ভয় করবেই। আর যে তার শাস্তি ও আজাব থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করছে, সে আসলে তাকে চিনতেই পারেনি। এ ব্যাপারে আমি একটি আশ্চর্য বিষয় চিন্তা করে বের করলাম। বিষয়টি হলো এই-
আল্লাহ তাআলা কখনো কাউকে এমনভাবে ঢিল দেন, যেন তাকে তিনি ছেড়েই দিয়েছেন। এভাবে জালেমের হাত বাড়তেই থাকে। তাকে যেন আটকে রাখার কেউ নেই। ক্রমে তার ঔদ্ধত্য বাড়তেই থাকে। এরপরও অন্তর ফিরে আসে না বা ভীত হয় না- তখন তিনি হঠাৎ তাকে তার ক্ষমতা দিয়ে কঠোরভাবে ধরে বসেন।
কিন্তু মাঝখানে এই যে তাকে অবকাশ দেওয়া, ঢিল দেওয়া- এর মাঝে দুটো অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লুকিয়ে আছে-
১. জুলুমের মাধ্যমে ধৈর্যশীলদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া।
২. জালেমকে ফিরে আসার সুযোগ প্রদান করা।
এদিকে ধৈর্যশীলের ধৈর্যের কারণে তার ওপর আল্লাহর প্রতিদান নেমে আসে। আর জালেমের নিকৃষ্টতম কাজের আধিক্যের কারণে তার শাস্তিরও প্রবৃদ্ধি হতে থাকে।
আবার কখনো কখনো মানুষের নিকট জালেমের শাস্তির কারণটি মানুষের অগোচর থাকে। হঠাৎ তার ওপর শাস্তি দেখে মানুষরা বলাবলি করতে থাকে- অমুককে তো আমরা ভালো বলেই জানি। তার ওপর এ বিপদ আসার কী কারণ?
তখন অদৃশ্যের ভাগ্য এসে বলতে থাকে, এটি তার গোপন পাপের শাস্তি। তার সেই গোপন পাপ শাস্তির মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসে গেল। আল্লাহ হলেন মহান সত্তা- যার কাছে কিছুই গোপন নেই। তাই শাস্তিও অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু বান্দা যদি তাওবা করে, তখন মানুষের গোনাহকে এমনভাবে গোপন করেন, যেন তিনি তা জানেনই না! আর অন্য মানুষের জানার প্রশ্নই ওঠে না।
কিন্তু তিনি কখনো কাউকে ঢিল দেন আর তাই দেখে জালেম আরও ভুল ও অবাধ্যতার মধ্যে অগ্রসর হয়। আবার তিনিই যখন ধরে বসেন, তার ভয়াবহতায় মানুষের অন্তর কেঁপে কেঁপে উঠতে থাকে। ভয়ে বিহ্বল হয়ে পড়ে।
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন। আমিন।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 নফসকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া

📄 নফসকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া


আমি একবার ইলম, ইলমের ঝোঁক এবং তার চর্চায় মশগুল থাকা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলাম। লক্ষ করলাম—এগুলো অন্তরকে যেমন শক্তি প্রদান করে আবার মনের মধ্যে এক ধরনের কঠোরতাও সৃষ্টি করে।
অন্তরের শক্তির প্রয়োজন আছে। কারণ, অন্তরের এই শক্তি যদি না থাকত এবং তার একটি দীর্ঘ আশা না থাকত, তবে আর সে ইলমে মগ্ন থাকতে পারত না। যেমন, আমি হাদিস লিখি এবং এগুলো বর্ণনা করার আশা রাখি। এগুলো রচনা শুরু করেছি এবং সেগুলো শেষ করার প্রত্যাশা করি। আমি একটি দীর্ঘজীবন কামনা করি। আরও কত কত কাজ করার স্বপ্ন দেখি।
কিন্তু আমি যখন শুধু ‘মোআমালা’র বিষয়ে চিন্তা করি, তখন এসকল বাহ্যিক প্রত্যাশা কমে আসে। তখন শুধু আখেরাতের ভাবনা আসে। দুনিয়ার কাজের ব্যাপারে অন্তর দমে যায়। চোখ দিয়ে অশ্রু নামে। প্রার্থনায় নত হয়ে পড়ি। তখন মনের মধ্যে অন্য ধরনের এক প্রশান্তি অনুভব করি। আর অবস্থা এমন হয়—যেন আমি মোরাকাবার মধ্যে রয়েছি।
অবশ্যই আমি মানি, ইলম হলো সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সম্পদ। সবচেয়ে শক্তিশালী দলিল। সবচেয়ে মর্যাদার বিষয়। তার জন্য কিছু এদিক-সেদিক হলেও, ইলমের ব্যাপারে আমার কোনো অভিযোগ নেই।
আর ‘মোআমালা’— তাতেও অনেক উপকারিতা রয়েছে, যেগুলোর দিকে একটু আগে আমি নিজেই ইশারা করেছি, তবুও সেটা যেন এমন অলস ভীরু ব্যক্তির কাজ—যে শুধু নিজের অন্তরের পরিশুদ্ধি নিয়ে ব্যস্ত থাকে— অন্যের হেদায়াতের ব্যাপারে কিছুই করে না। নিজের নির্জনতা নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে। মানুষদের তাদের প্রতিপালকের সাথে মিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে না। আমার মনে হয়, এক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি হলো, আলেম ব্যক্তি সঠিকভাবে তার ইলমচর্চায় লেগে থাকবে—সাথে সাথে অন্তরকে মোরাকাবা ও মোশাহাদার চাবুকে মৃদু মৃদু আঘাত করবে। তবে এত প্রবল আঘাত করবে না— যাতে আবার পূর্ণভাবে ইলমচর্চায় মশগুল হতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু আমার অবস্থার কথা বলি—
আমি আমার অন্তরের দুর্বলতা ও অধিক কোমলতার কারণে অধিক কবর জিয়ারত এবং মুমূর্ষু ব্যক্তির নিকট উপস্থিত হওয়াকে পছন্দ করি না। কারণ, এটি আমার চিন্তার মধ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে এবং ইলমচর্চা থেকে বের করে অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুর চিন্তার মধ্যে ফেলে দেয়। মনে হয়—আমি যেন আর বেঁচে থাকব না! বাহ্যিক কাজগুলো তখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে যায়।
তবে এক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, ওষুধ হতে হবে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী। এ কারণে যার অন্তর কিছুটা কঠোর ও কঠিন, যার কাছে এমন মোরাকাবা একেবারেই অনুপস্থিত—যা তাকে গোনাহ থেকে ফিরিয়ে রাখতে পারে, তার জন্য উচিত হবে বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করা এবং মুমূর্ষু ব্যক্তিদের কাছে উপস্থিত হওয়া, কবর জিয়ারত করা এবং অন্তরকে নরম করার চেষ্টা করা।
কিন্তু যার অন্তর আগে থেকেই নরম ও কোমল, তার বিদ্যমান অবস্থাই তার যথেষ্ট। তাকে বরং এখন এমন কিছু ভালো কাজে ব্যস্ত হয়ে থাকা উচিত— যেগুলো তাকে আরও বেশি নরম হওয়া থেকে ভুলিয়ে রাখবে। যাতে সে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারে এবং নিজের কাজ-কর্মের ক্ষেত্রে যত্নবান হতে পারে।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও কখনো কখনো হাসি-মজাক করতেন। আয়েশা রা. এর সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করতেন। গল্প করতেন। এভাবে নফসকে কিছুটা স্বস্তি ও বিশ্রাম দিতেন।
যে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনী অধ্যয়ন করেছে, সে বুঝবে, নফসকে স্বস্তি প্রদানের যে কথা আমি বলছি, তার প্রয়োজন আছে।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 মৃত্যুক্ষণ

📄 মৃত্যুক্ষণ


অনেক সৌভাগ্যের একটি বিষয় হলো, মৃত্যুর সময় মুমূর্ষু ব্যক্তির উপলব্ধি আসা। কারণ, তখন যে সচেতনতা আসে, তার কোনো বর্ণনা হয় না। তখনকার অস্থিরতারও কোনো সীমা থাকে না। তখন সে অতীতের ত্রুটিগুলোর ওপর আফসোস করতে থাকে।
মুমূর্ষু ব্যক্তি কামনা করে, সে যদি এবারের মতো বেঁচে যায়, তবে এতদিনের ছুটে যাওয়া ভালো কাজগুলো সে করবে। অতীতের সকল ভুল-ত্রুটির ওপর তাওবা করবে যথার্থভাবে- মৃত্যুর ওপর তার যেমন দৃঢ় বিশ্বাসের রয়েছে।
আর যখন এ কাজগুলো না করেই নিজের মৃত্যুর আশঙ্কা করে, সেই চিন্তা ও আফসোস মৃত্যুর আগেই যেন তাকে মেরে ফেলার উপক্রম হয়।
কথা হলো, সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকা অবস্থায় এই উপলব্ধিগুলোর সামান্য অণু পরিমাণও যদি কারও অর্জিত হতো, তাহলে সে দৃঢ় তাকওয়ার ওপর আমল করার কারণে তার সকল উদ্দেশ্য অর্জিত হয়ে যেত। সে আরেফদের কাতারে উঠে যেতে সক্ষম হতো। কিন্তু আফসোসের কথা হলো, এই উপলব্ধি আমাদের আগে থেকে হয় না।
কিন্তু বুদ্ধিমান তো সেই ব্যক্তি, যে নিজের ক্ষেত্রে মৃত্যু-মুহূর্তের উপলব্ধিগুলো অনুধাবন করে নেয় এবং সে অনুযায়ী আমল করে। যদিও মৃত্যুর বাস্তব সেই অবস্থা অনুভব করা কখনো সম্ভব নয়, তবুও নিজের উপলব্ধির সক্ষমতা অনুপাতে কল্পনা করে নেওয়া যায়। এভাবে সে প্রবৃত্তির বাসনা থেকে নিজেকে বিরত রাখে এবং কল্যাণের দিকে ধাবিত হয়।
হজরত হাবিব আজমি রহ.৭২ থেকে বর্ণিত রয়েছে, তিনি প্রতিদিন সকালে স্ত্রীকে বলতেন, 'আমি যদি আজ মারা যাই, তবে অমুক আমাকে গোসল দেবে আর অমুক আমাকে বহন করে নিয়ে যাবে।'
একবার হজরত মারুফ কারখি রহ. এক ব্যক্তিকে বললেন, 'আপনি আমাদের জোহরের নামাজে ইমামতি করুন।' লোকটি বলল, 'আমি যদি আপনাদের জোহরের নামাজে ইমামতি করি, তাহলে হয়তো আসরের নামাজ আর পড়াতে পারব না।'
হজরত মারুফ রহ. তাকে বললেন, 'তার মানে আপনি আশা করে বসে আছেন যে, আপনি আসর পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন। জীবন সম্পর্কে কত দীর্ঘ আপনার আশা!

টিকাঃ
৭২. পুরো নাম: আবু মুহাম্মদ আল ফারসি। বসরার অধিবাসী। তিনি ছিলেন সেখানকার বিখ্যাত আবেদ ও জাহেদ। মুস্তাজাবুদ দাওয়া। তার থেকে অনেক কারামত প্রকাশ পেয়েছে। তিনি ১৩৯ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ৬/২৮১ : হিলইয়াতুল আওলিয়া ৬/২৮০।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00