📄 সন্তুষ্টি
ধৈর্য সম্পর্কে পূর্বের অধ্যায়টি যখন শেষ করলাম, তখন আমার অভ্যন্তর থেকে একটি আওয়াজ এলো। বলা হলো, কদর বা ভাগ্যলিপির ওপর ধৈর্যধারণের কিছু ব্যাখ্যা করার সুযোগ দাও। সেখানে শুধু কিছু উদাহরণ দিয়েই আলোচনার সমাপ্ত করেছ।
আর সন্তুষ্টির অবস্থা নিয়েও কিছু বর্ণনা দাও। কারণ, সন্তুষ্টি যেন এমন এক প্রভাতী মৃদুমন্দ বাতাস, যার কথা শুনলেও আত্মার আরাম হয়।
আমি বললাম, তবে হে আওয়াজকারী, উত্তর শুনে নাও। এর সঠিকতাও বুঝে নাও।
পরিচয় ও নৈকট্যের প্রতিফলে আহৃত এক বোধের নাম হলো সন্তুষ্টি। তুমি যদি আল্লাহকে যথার্থভাবে চিনতে পারো, তবে তার সকল ফয়সালায়ই সন্তুষ্ট হবে। ভাগ্যের ফয়সালায় অনেক সময় কিছু তিক্ততা ও অপ্রিয়তা থাকে, কিন্তু আনুগত্যকারী বান্দা নিজের কষ্ট সত্ত্বেও এগুলোতে সন্তুষ্ট থাকে। আর যারা আরেফ- আল্লাহর পরিচয়ে পূর্ণ জ্ঞানের অধিকারী, তাদের কাছে পরিচিতি ও নৈকট্যের মিষ্টতার কারণে আল্লাহ তাআলার কোনো ফয়সালাই আর তিক্ত থাকে না। খোদার সকল ফয়সালাতেই তাদের সন্তুষ্টি। তাদের আনন্দ ও সম্মতি।
এভাবেই পরিচিতির মাধ্যমে তারা মুহাব্বত ও ভালোবাসার দিকে ধাবিত হয়। অবশেষে জীবনের সকল তিক্ততাই মিষ্টিতে পরিণত হয়। যেমন এক কবি বলেন,
عذابه فيك عذب وبعده فيك قرب وأنت عندي كروحي بل أنت منها أحب حسبي من الحب أني لما تحب أحب
তার শাস্তিও তোমার কাছে মিষ্ট, তার দূরত্বও তোমার কাছে আনে নৈকট্য।
তুমি আমার কাছে আমার আত্মার মতোই, বরং তোমাকে তার চেয়েও বেশি ভালোবাসি।
আমার ভালোবাসার জন্য এটাই যথেষ্ট— তুমি যা ভালোবাসো, আমিও তা-ই ভালোবাসি।
কিন্তু আমার অভ্যন্তর চিৎকার করে বলে উঠল, তুমি আমাকে বলো, আমি আসলে কিসের ওপর সন্তুষ্ট হব? তুমি আমার জন্য নির্ধারণ করে দাও— আমি কি তার পক্ষ থেকে অসুস্থতা ও দরিদ্রতার প্রতি সন্তুষ্ট হব? আমি কি তার ইবাদতে অলসতার প্রতি সন্তুষ্ট হব? আমি তার প্রতি ভালোবাসা পোষণকারী ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকার প্রতি সন্তুষ্ট হব? তুমি আসলে আমার জন্য নির্ধারণ করে দাও, কোনগুলোর প্রতি আমার সন্তুষ্টি থাকবে আর কোনগুলোর প্রতি থাকবে না।
আমি বললাম, তুমি যে প্রশ্ন করেছ, তা খুবই সুন্দর প্রশ্ন। তাহলে এবার শোনো—
স্রষ্টার পক্ষ থেকে যা আসে, তার সকল কিছুর প্রতিই সন্তুষ্ট থাকবে। কিন্তু অলসতা, উদাসীনতা ও ইবাদতে পশ্চাৎপদতা— এগুলো সবই তোমার পক্ষ থেকে। সুতরাং তোমার এই অনুচিত কাজের প্রতি তুমি কিছুতেই সন্তুষ্ট থাকবে না। তোমার ওপর তাঁর যে হকগুলো রয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে সর্বদা সচেতন থাকবে। যে কাজগুলো তাঁর নৈকট্য অর্জনে সহজ হয়, সেগুলোর ওপর অটল ও অনড় থাকবে। কিন্তু চেষ্টা-পরিশ্রমের বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলার প্রতি কখনো সন্তুষ্ট থাকবে না।
যা শুধু স্রষ্টার পক্ষ থেকেই হয়, যেখানে তোমার কোনো অংশ নেই, তেমন সকল বিষয়েই সন্তুষ্ট থাকবে। যেমন একটি ঘটনা বর্ণনা করা হয়— হজরত রাবেয়া বসরি রহ.-এর নিকট একজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হলো, লোকটি ময়লার স্থান থেকে খাবার খুঁটে খায়। তাঁর সম্পর্কে বলা হলো, ‘সে কি আল্লাহ তাআলার কাছে দুআ করতে পারে না যে, আল্লাহ যেন তার জন্য সুন্দরভাবে খাদ্যের সংস্থান করে দেন।’
এ কথা শুনে হজরত রাবেয়া বসরি রহ. বললেন, সন্তুষ্ট ব্যক্তি কখনো বিকল্প খোঁজে না। যে ব্যক্তি মারেফাতের স্বাদ পেয়ে গেছে, সে ব্যক্তি তার মাঝে ভালোবাসার স্বাদ পেয়ে গেছে। তাই সে তাঁর যেকোনো কাজের প্রতিই সন্তুষ্টি ও সম্মতি প্রকাশ করে।
সুতরাং প্রথমে ইলমের দলিলের মাধ্যমে মারেফাত অর্জনে চেষ্টা-পরিশ্রম করতে হবে। এরপর মারেফাতের চাহিদা অনুযায়ী ইবাদতের মধ্যে মোজাহাদা করতে হবে। আশা করা যায়, এটিই তার মধ্যে মুহাব্বত ও ভালোবাসার সৃষ্টি করবে। আর বান্দার জন্য তখন তা কতই না সুন্দর ও মজাদার হবে।
হাদিসে কুদসিতে এসেছে— عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ اللَّهَ قَالَ ... وَمَا تَقَرَّبَ إِلَيَّ عَبْدِي بِشَيْءٍ أَحَبَّ إِلَيَّ مِمَّا افْتَرَضْتُ عَلَيْهِ وَمَا يَزَالُ عَبْدِي يَتَقَرَّبُ إِلَيَّ بِالنَّوَافِلِ حَتَّى أُحِبَّهُ فَإِذَا أَحْبَبْتُهُ كُنْتُ سَمْعَهُ الَّذِي يَسْمَعُ بِهِ وَبَصَرَهُ الَّذِي يُبْصِرُ بِهِ ...
হজরত আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, বান্দা যে কাজের মাধ্যমে আমার নৈকট্য অর্জন করে, তার মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় হলো আমি তার ওপর যে ফরজ অর্পণ করেছি, তা আদায় করা। এমনিভাবে সে নফলগুলোর মাধ্যমে আমার নিকটবর্তী হতে থাকে- একপর্যায়ে আমি তাকে ভালোবাসি। আর আমি যখন তাকে ভালোবাসি, তখন আমি তার শ্রবণেন্দ্রিয় হয়ে যাই, যা দ্বারা সে শোনে। আমি তার দৃষ্টি হয়ে যাই, যা দ্বারা সে দেখে। [সহিহ বোখারি: ৬০২১]
বান্দার জন্য এর চেয়ে বড় খুশি ও আনন্দের আর কী হতে পারে!
📄 জীবিকা অর্জনের পথ ও পদ্ধতি
অধিকাংশ আলেমের কৈশোর ও যৌবনের শুরুর সময় ইলম অন্বেষণে মগ্ন থাকায় জীবিকা অর্জনের কাজ থেকে তাদের বিরত থাকতে হয়। কিন্তু শিক্ষা সমাপ্তির পর তাদেরও জীবিকার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু এখন আর বায়তুল মাল থেকে তাদের কাছে কিছু আসে না; আবার পরিচিত-আহবাব-বন্ধুদের থেকেও যা আসে, তা তাদের জন্য যথেষ্ট হয় না। তখন বাধ্য হয়েই তাদেরকে বিভিন্ন লাঞ্ছনা ও অপদস্থতার মুখোমুখি হতে হয়।
এটার মধ্যে আমি দুটি হিকমত দেখতে পাই।
১. এই অপদস্থতার মাধ্যমে নিজেদের অহংকারকে দমিয়ে রাখার শিক্ষা নেওয়া।
২. সওয়াবের মাধ্যমে নিজেদের উপকৃত করা।
📄 অন্তরকে স্বস্তিতে রাখা
জাহেদদের মধ্যে একটি দল আছে, যারা আলেমদের বৈধ জিনিসের দিকে অগ্রসর হওয়াকে দোষারোপ করে। তারা তাদের মূর্খতার কারণেই এমনটি বলে। তাদের কাছে যদি ইলমের দৌলত থাকত, তাহলে তারা এভাবে আলেমদের দোষারোপ করত না।
আরেকটি কারণ হতে পারে—মানুষের মেজাজ ও স্বভাব এক রকম নয়। কিছু মানুষ কঠিন ও সংগ্রামী জীবনযাপন করতে পারে। কেউ আবার কঠোর জীবন সইতে পারে না। সুতরাং কারও জন্য নিজের সক্ষমতার মানদণ্ড দিয়ে অন্যকে পরিমাপ করা উচিত নয়।
তবে হ্যাঁ, আমাদের একটি মানদণ্ড রয়েছে—আর তা হলো শরিয়ত। শরিয়তের মধ্যে কিছু বিধানে সহজতা রয়েছে, আবার সহজতার সুযোগ গ্রহণ না করে কঠিনতার ওপর আমল করার বৈধতাও রয়েছে। সুতরাং কেউ যদি কোনো বিধানের ক্ষেত্রে সহজতার ওপর আমল করে, তাহলে তাকে মন্দ বলা বা তিরস্কার করা উচিত নয়। কারণ, কখনো কখনো কঠোরতা বাদ দিয়ে সহজতার ওপর আমল করাই উত্তম—সার্বিক উপকারিতার বিষয় প্রাধান্য দিয়ে।
জাহেদরা যদি জানত, ইলমের দ্বারা আল্লাহর যে মারেফাতের সৃষ্টি হয়, তার কারণে অন্তরসমূহ তার ভয়ে সচেতন থাকে, তাহলে তারাও শরীর সংরক্ষণের দিকে মনোযোগী হতো- যাতে শরীর নামক বাহনটি আরও শক্তিশালী হয়।
ইলম ও আমলের মাধ্যম হলো অন্তর ও চিন্তা-ফিকির। যখন মাধ্যম স্বাচ্ছন্দ্য ও যথার্থ হবে, তখন আমলও শ্রেষ্ঠভাবে আদায় হবে। এটি এমন এক বিষয়- যা ইলম ছাড়া বোঝা যাবে না।
ইলম সম্পর্কে অজ্ঞ ও মূর্খ থাকার কারণে, তারা যেগুলো জানে না, সেগুলোকে অস্বীকার করে বসে। অন্যায় মনে করে। এবং ধারণা করে- ইবাদতের মূল লক্ষ্যই বুঝি শরীরকে ক্লান্ত করা এবং খাদ্য-উপকরণ না থাকা। অথচ তারা বোঝে না, সচেতনভাবে ভয় করার জন্য একটি স্থির অন্তর ও সুস্থতারও প্রয়োজন আছে।
যেমন, জনৈক ব্যক্তি বলেন, روجوا القلوب تعي الذكر -অন্তরকে স্বস্তি দাও, সেই জিকিরকে বাঁচিয়ে রাখবে।
📄 সুফিতত্ত্ব এবং মূর্খতার প্রসার
জগতে অস্তিত্বশীল জিনিসের মধ্যে ইলমের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কিছু নেই। আর এটা হবেই বা না কেন, এটাই হলো সকল কিছুর দলিল? ইলম না থাকা মানে অজ্ঞতা ও ভ্রষ্টতা।
শয়তানের গোপন চক্রান্তের মধ্যে একটি হলো, মানুষের অন্তরে সাধারণ ইবাদতকে সুশোভিত করে তোলা-যাতে করে সে যেন তাকে শ্রেষ্ঠ ইবাদত ইলম থেকে বিরত রাখতে পারে।
এমনকি আমাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে একটি দলকে শয়তান এই ধোঁকার মধ্যে ফেলেছিল। এ কারণে তাদের অনেকেই তাদের কিতাব মাটির নিচে দাফন করে দিয়েছিলেন। কেউ সমুদ্রে নিক্ষেপ করেছিলেন তাদের কিতাব।
যারা এমনটি করেছিলেন, আমি তাদের ব্যাপারে সুধারণা রেখে বলি, তাদের সে কিতাবগুলোর মধ্যে হয়তো কোনো অশুদ্ধ মত বা কথা ছিল, সে কারণে তারা এগুলোর প্রচার-প্রসার পছন্দ করেননি। নতুবা তার মধ্যে যদি বিশুদ্ধ ইলম থাকে, যার পরিণাম ভালো, তবে তো তা পুড়িয়ে ফেলা কিংবা সমুদ্রে নিক্ষেপ করার অর্থ সম্পদের বিনষ্ট করা—যা জায়েয নয়।
ইবলিস এমন চক্রান্তে কিছু সুফিকেও ফেলেছিল। এ কারণে তারা তাদের ছাত্রদের লেখার জন্য দোয়াত-কলম রাখতে নিষেধ করতেন। এ ব্যাপারে জাফর খুলদি একটি ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, আমি এক মজলিসে বললাম, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য যদি আমার সুফিত্ব চলে যাওয়ার কথা বলা হয়, তবে আমি আমার সুফিত্বের অক্ষুণ্ণতার ক্ষেত্রে অঢেল প্রমাণ তোমাদের নিকট উপস্থিত করতে পারি, যা আমি আবুল আব্বাস আদ-দাওরির মজলিসে বসে লিখেছি।
তখন এক সুফি দাঁড়িয়ে বলল, 'এসব কাগুজে লেখার কথা ছাড়ো, তুমি আমাদের কাছে রুহানি ইলম নিয়ে এসো।
মজলিসের মধ্যে এ সময় আমি এক সুফির হাতেও একটি দোয়াত দেখতে পেলাম। হঠাৎ আরেক সুফি তার দিকে কটাক্ষ দৃষ্টি হেনে বলল, 'তোমার সতর ঢাকো' [দোয়াত-কলম]। এরপর তারা আমার নিকট শিবলীর কবিতা আবৃত্তি করে বলল,
إذا طالبوني بعلم الورق بزرت عليهم بعلم الخرق
তারা যখন আমার নিকট কাগজের ইলম অন্বেষণ করল, আমি তখন তাদের নিকট রুহানি ইলম নিয়ে আবির্ভূত হলাম।
এটা হলো ইবলিসের এক গোপন চক্রান্ত। তাদের ওপর ইবলিস তার ইচ্ছাকে বাস্তবায়িত করেছে। ইবলিস এটা করেছে দুটি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। যেমন-
১. ইবলিস চেয়েছে তারা যেন এভাবেই অজ্ঞতার অন্ধকারের মধ্যেই হেঁটে চলে।
২. প্রতিদিন পৃথিবীতে যত ইলম বাড়ছে, তারা যেন সেগুলোকে পর্যবেক্ষণ করা থেকে বিরত থাকে।
ইবলিস এভাবেই ইলমকে মানুষ থেকে গোপন রাখতে চায়। কারণ, ইলম মানুষের ঈমান ও মারেফাতকে শক্তিশালী করে। তার আমল-আখলাকের ভুলগুলো ধরিয়ে দেবে। বিশেষ করে, ইলম জানা থাকলে তখন সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবিদের পথ-পদ্ধতিকে পর্যবেক্ষণ করে ‘সিরাতে মুস্তাকিমে’ উঠে পড়বে। ইবলিসের হলো এই ভয়।
সুতরাং ইবলিস-শয়তান তার গোপন চক্রান্তের মাধ্যমে চেয়েছে, মুমিনের সামনে ইলমের এই সকল রাস্তা বন্ধ করে দিতে। মানুষের সামনে প্রকাশ করেছে যে, আসল উদ্দেশ্য হলো আমল; নিছক ইলম নয়। আর এই ধোঁকায় আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে এটাও লুকিয়ে রেখেছে—ইলমও যে এক প্রকার আমল এবং ইলম ছাড়া আমল হয় না।
সুতরাং ইবলিসের এই গোপন চক্রান্ত থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, ইলমই হলো মূল স্তম্ভ। সর্বোচ্চ আলো। কখনো কখনো ইলমের এই পাতাগুলো উল্টানো নফল রোজা ও নামাজ থেকেও উত্তম। হজ ও জিহাদ থেকেও শ্রেষ্ঠ কর্ম।
ইলম থেকে বিমুখ থাকার কারণে বহু মানুষ নিজের ইবাদতের মধ্যে প্রবৃত্তির অনুসরণ করে চলেছে। অসংখ্য মানুষ নফল আদায় করতে গিয়ে নিজের অকাট্য ফরজকে নষ্ট করে ফেলছে। স্পষ্ট ওয়াজিবকে তরক করে নিজের ধারণাপ্রসূত উত্তম কাজে [অথচ শরিয়তে সেটা উত্তম নয়] নিমগ্ন রয়েছে। আহা! তার কাছে যদি ইলমের একটি আলোকবর্তিকা থাকত, তাহলে সে নিশ্চয় সঠিক পথটি পেত।
এতক্ষণ যা উল্লেখ করলাম, এগুলো নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করো। ইনশাআল্লাহ সঠিক পথটি পেয়ে যাবে।