📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 উপদেশ গ্রহণে মানুষের বৈশিষ্ট্য

📄 উপদেশ গ্রহণে মানুষের বৈশিষ্ট্য


মানুষ যখন ওয়াজ বা বক্তৃতা শোনে, তখন তার মধ্যে এক ধরনের আবেগ ও জাগরণের সৃষ্টি হয়। কিন্তু যখন সে আলোচনার মজলিস থেকে বেরিয়ে আসে, তখন তার মধ্যে সেই আবেগ ও জাগ্রতভাব আর থাকে না। তার হৃদয়ে আবার ফিরে আসে আগের সেই কঠিন অলসতা ও উদাসীনতা।

আমি এর কারণ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে লাগলাম- কেন এমনটি হয়? লক্ষ করে দেখলাম, এক্ষেত্রে মানুষের অবস্থার মধ্যে বৈচিত্র্য রয়েছে। একেক জনের অবস্থা একেক রকম। তবে তাদের সাধারণ অবস্থা হলো, উপদেশ শোনার সময়ে আর পরে অন্তর এক অবস্থায় থাকে না। দু-সময়ের চেতনা ও আবেগে তাই স্বভাবতই ভিন্নতা পরিদৃষ্ট হয়। সাধারণভাবে এটি হয় দুই কারণে-

১. ওয়াজ-উপদেশ হলো চাবুকের মতো। চাবুক যখন শরীরে আঘাত করে তখন যেভাবে আঘাত ও ব্যথা লাগে, পরে আর সেই আঘাত ও ব্যথা থাকে না।

২. মানুষ ওয়াজ-উপদেশ শোনার সময়ে এক ধরনের তৃপ্তি ও উপভোগ্যতার মধ্যে অবস্থান করে। তার শরীর ও মন দুনিয়ার সকল কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে। হৃদয় থাকে শ্রবণের প্রতি নিমগ্ন। অন্তর থাকে বিগলিত। কিন্তু যখন সে মজলিস থেকে বেরিয়ে আসে এবং জীবনের নানান ব্যস্ততা ও কাজের সঙ্গে জড়িয়ে যায় তখন তার পারিপার্শ্বিকতা তাকে আবার সেগুলোর দিকেই আকৃষ্ট করে ফেলে। তাকে আবার নগদ সুখ, দুঃখ ও পার্থিবতার দিকে টেনে নেয়。

এবার বলুন, তখন কীভাবে অন্তরের সেই অবস্থা বাকি থাকবে, উপদেশ শোনার সময় তার যে অবস্থা ছিল?

তো এটিই হলো মানুষের সাধারণ অবস্থা। তবে হ্যাঁ, প্রভাব অবশিষ্ট থাকার ক্ষেত্রে জাগ্রত মননের অধিকারী ব্যক্তিদের অবস্থা ভিন্নতর হয়ে থাকে। যেমন,

১. এমন কিছু প্রত্যয়ী ব্যক্তি আছে, যারা কোনো প্রকার দ্বিধা ছাড়া দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করে নেয়। এরপর সময়ের অতিক্রম সত্ত্বেও যাদের চেতনা ও প্রত্যয়ের মধ্যে কোনো পরিবর্তন আসে না। তারা সব সময় লক্ষ্য ও সংকল্পের ব্যাপারে সজাগ ও সচেতন থাকে। মনের কোনো দুর্বল মুহূর্তেও যদি নিজের ভেতর কোনো পরিবর্তন দেখতে পায়, তাহলে তৎক্ষণাৎ তার সচেতন প্রাণ বিচলিত হয়ে ওঠে। এই তারতম্য সে কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। যেমন হজরত হানজালা রা.-এর ঘটনা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবার থেকে বাড়িতে ফিরে আসার পর হৃদয়ের পরিবর্তন দেখে তিনি নিজের ব্যাপারে বলে উঠেছিলেন, نافق حنظلة হানজালা তো মুনাফিক হয়ে গেছে। আহা, কে বুঝবে ঈমানের এই দৃঢ়তা!

২. দ্বিতীয় প্রকার ব্যক্তিরা হলো এমন, যাদের আগের সেই উদাসীন মন কখনো তাদেরকে উদাসীনতার মধ্যে ডুবিয়ে রাখে। আবার কখনো শ্রুত উপদেশগুলি আমলের দিকে উৎসাহিত করে। তাদের দৃষ্টান্ত সেই গমের শীষের মতো, বাতাস যাকে একবার এক দিকে দোলায়, তো আরেকবার অন্য দিকে।

৩. তৃতীয় প্রকার ব্যক্তিরা হলো তারা, উপদেশের প্রভাব যাদের ভেতর ঠিক ততক্ষণ কার্যকর থাকে, যতক্ষণ তারা শোনে। এরপর সব ভুলে বসে থাকে। তাদের দৃষ্টান্ত শুকনো পাথরের ওপর প্রবাহিত পানির মতো।

টিকাঃ
*. এর দ্বারা সেই হাদিসের দিকে ইশারা করা হয়েছে- যা ইমাম মুসলিম রহ. তাঁর 'সহিহ মুসলিম' এ উল্লেখ করেছেন। সেখানে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে এভাবে- عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيَّ عَنْ حَنْظَلَةَ الْأُسَيِّدِي قَالَ وَكَانَ مِنْ كُتَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَقِيَنِي أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ كَيْفَ أَنْتَ يَا حَنْظَلَةُ قَالَ قُلْتُ نَافَقَ حَنْظَلَةُ قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ مَا تَقُولُ قَالَ قُلْتُ نَكُونُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُذَكِّرُنَا بِالنَّارِ وَالْجَنَّةِ حَتَّى كَأَنَّا رَأَي عَيْنٍ فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَافَسْنَا الْأَزْوَاجَ وَالْأَوْلَادَ وَالضَّيْعَاتِ فَنَسِينَا كَثِيرًا قَالَ أَبُو بَكْرٍ فَوَاللَّهِ إِنَّا لَتَلْقَى مِثْلَ هَذَا فَانْطَلَقْتُ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ حَتَّى دَخَلْنَا عَلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ نَافَقَ حَنْظَلَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَا ذَاكَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَكُونُ عِنْدَكَ تُذَكَّرُنَا بِالنَّارِ وَالْجَنَّةِ حَتَّى كَأَنَّا رَأَي عَيْنٍ فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِكَ عَافَسْنَا الْأَزْوَاجَ وَالْأَوْلَادَ وَالضَّيْعَاتِ نَسِينَا كَثِيرًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنْ لَوْ تَدُومُونَ عَلَى مَا تَكُونُونَ عِنْدِي وَفِي الذِّكْرِ لَصَافَحَتْكُمُ الْمَلَائِكَةُ عَلَى فُرُشِكُمْ وَفِي طُرُقِكُمْ وَلَكِنْ يَا حَنْظَلَةُ سَاعَةً وَسَاعَةً ثَلَاثَ مَرَّات . [সহিহ মুসলিম: ৪/১২-১৩/ ২১০৬-২১০৭, মুসনাদে আহমদ: ৪/৪৬]

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 দুনিয়ার সাথে হৃদয়ের বন্ধন

📄 দুনিয়ার সাথে হৃদয়ের বন্ধন


দুনিয়ার প্রতি মানুষের রয়েছে বর্ণনাতীত আকর্ষণ। দুনিয়ার প্রতি মানুষের এই যে বন্ধন ও আকর্ষণ, এর প্রেরণা ভেতর থেকেই উদ্ভূত। কিন্তু আখেরাতের প্রতি তার ঝোঁক বা আকর্ষণ সে তুলনায় অনেক ক্ষীণ। আখেরাতের প্রতি মানুষের যে আকর্ষণ, তা মানবপ্রকৃতির বাইরের কোনো পারিপার্শ্বিকতা থেকে সৃষ্ট। বাইরে থেকে আমদানিকৃত।

কিন্তু বাস্তবতা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান ও ধারণা নেই, তারা ভাবে—মানুষের বুঝি আখেরাতের প্রতিই আকর্ষণ বেশি। কোরআন ও হাদিসের সতর্কবাণীর প্রেক্ষিতে কোনো মুমিনের নিকট বাহ্যত এমনটা মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা এর থেকে ভিন্ন। কেননা, দুনিয়ার প্রতি মানুষের আকর্ষণের উদাহরণ হলো নিম্নভূমির দিকে পানির প্রবহমানতার মতো। পানি সহজেই নিচের দিকে ধাবিত হয়। কিন্তু আখেরাতের প্রতি মানুষের আকর্ষণের দৃষ্টান্ত হলো পাহাড়-চূড়ায় পানির উত্থিত হওয়ার মতো। পানি সে দিকে গড়াতে চায় না। অনেক কষ্ট ক্লেশ, পরিশ্রম ও কৌশলের মাধ্যমেই সেখানে ওঠা সম্ভব হয়। এ কারণে শরিয়তপ্রণেতা আল্লাহ তাআলা ভয় ও ভীতির মাধ্যমে এবং আশা ও প্রত্যাশার মাধ্যমে সচেতন বান্দাদের অন্তরে আখেরাতের আকর্ষণ জাগিয়ে তোলেন। তাকে বহু রকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাগ্রত রাখেন। এটা এমনিতেই হওয়া সম্ভব ছিল না।

অন্যদিকে দুনিয়ার স্বাদ ও আস্বাদনের দিকে মানুষের প্রবৃত্তির ঝোঁক হলো স্বভাবগত। নিম্নদেশে ধাবিত হওয়ার মতো সহজ। কিন্তু এগুলোকে দমিয়ে রেখে আখেরাতের দিকে ধাবিত হওয়াই হলো দৃঢ় প্রত্যয়ের কাজ। এর জন্যই রয়েছে পুরস্কার।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 পরিণামের প্রতি দৃষ্টি রাখা

📄 পরিণামের প্রতি দৃষ্টি রাখা


যে ব্যক্তি পর্যবেক্ষণের দৃষ্টি ফেলে কোনো বিষয়ের সূচনাতেই তার পরিণতি লক্ষ করে নিতে পারে, সে সেই বিষয়ের কল্যাণ লাভ করে এবং অকল্যাণ থেকে মুক্তি পায়। অপরদিকে যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ের পরিণামের কথা চিন্তা করে না, তার ওপর প্রবৃত্তি প্রবল হয়ে যায়। ফলে সে যা থেকে পেতে চেয়েছিল নিরাপত্তা ও নির্ভরতা, তা থেকেই সে প্রাপ্ত হয় কষ্ট ও অনিষ্টতা। আর যে ব্যাপারে সে কামনা করেছিল শান্তি ও স্বস্তি, তা থেকে প্রাপ্ত হয় ক্লান্তি ও অস্বস্তি।

যদিও কথাটি পরীক্ষাযোগ্য এবং ঘটিতব্য একটি বিষয়ের দর্শন; কিন্তু এটাকে একটি পরীক্ষিত অতীতের দ্বারাও প্রমাণ করা যায়। যেমন ধরো—তুমি তোমার জীবনের কিছু ক্ষেত্রে আল্লাহর আনুগত্য করেছ, আবার কিছু ক্ষেত্রে তাঁর অবাধ্যতাও করেছ। এখন বলো, এখনো কি তোমার মধ্যে রয়ে গেছে সেই গোনাহের স্বাদ ও অনুভব? কিংবা সেই আনুগত্যের ক্লান্তি ও ক্লেশ? দুটোর কোনোটিই কিন্তু তোমার মধ্যে এখন অবশিষ্ট নেই। তোমার বর্তমান থেকে দুটো জিনিসই মুছে গেছে। কিন্তু অবশিষ্ট থেকে গেছে সেই গোনাহের পরিণাম ও প্রতিফল। এর শাস্তি তোমাকে পেতে হবে।

হায়, গোনাহের সেই অবস্থা যদি মনের খেয়ালে এসে আবার মনের খেয়ালেই হারিয়ে যেত! গোনাহটি যদি কার্যে পরিণত না করা হতো, তাহলে কতই না ভালো হতো!

এভাবে তুমি অনেক মানুষকে মৃত্যুর সময় কৃত গোনাহের কারণে বারবার আফসোস করতে দেখেছ। স্মরণ রেখো, গোনাহের স্বাদ ও আস্বাদন এক সময় রূপান্তরিত হয় গলার কাঁটায়। মজা তো ফুরিয়ে যায় অল্পতেই; কিন্তু বাকি থাকে তার দুঃখ ও দুর্দশা এবং অনুতাপ ও অনুশোচনার ক্লেশ।

আমাকে বলো, তোমার অর্জিত জ্ঞান তোমাকে কি কোনো জিনিসের পরিণাম সম্পর্কে ভাবতে শেখায় না?

জনৈক কবি বলেন, فراقب العواقب تسلم ولا تمل مع هوى الحس فتندم. সুতরাং হে বন্ধু, পরিণাম সম্পর্কে ভেবে অগ্রসর হও, নিরাপদ থাকবে। প্রবৃত্তির চাহিদার দিকে ঝুঁকে পড়ো না কিছুতেই, অন্যথায় লজ্জিত হবে।

📘 হৃদয়ের দিনলিপি > 📄 প্রতারণার সঙ্গে বসবাস

📄 প্রতারণার সঙ্গে বসবাস


যে ব্যক্তি দুনিয়ার পরিণাম সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করে, সে অবশ্যই সতর্ক ও সচেতন হয়। সফরের দীর্ঘ পথ সম্পর্কে যার রয়েছে নিশ্চিত বিশ্বাস, সে অবশ্যই পাথেয় সঞ্চয় করে, প্রস্তুতি গ্রহণ করে। অথচ হে বন্ধু,

ما أعجب أمرك يا من يوقن بأمر ثم ينساه، ويتحقق ضرر حال ثم يغشاه . وتخشى الناس والله أحق أن تخشاه

তোমার বিষয়টি কত আশ্চর্যজনক—একটি বিষয়কে নিশ্চিত জেনেও আবার সেটাকে ভুলে যাও।

ব্যাপক ক্ষতি ও বিপদের বাস্তবতা জেনেও অন্যদিকে লিপ্ত হও।

ভয় করছ মানুষকে; অথচ আল্লাহকেই তোমার অধিক ভয় করা উচিত।

এ কী বিস্ময়কর ব্যাপার!

দুনিয়ার অনিশ্চিত কোনো বিপদের সামান্য আশঙ্কাও তোমাকে কাবু করে ফেলে; অথচ আখেরাতের মতো একটি নিশ্চিত অনিবার্য বিষয় তোমার মাঝে কোনো প্রভাব ফেলছে না!

আরও অধিক আশ্চর্যের ব্যাপার তো হলো, তুমি ধোঁকা ও প্রতারণার উপকরণ নিয়ে তৃপ্ত ও আনন্দিত হয়ে আছ। কাঙ্ক্ষিত বিষয়ের অন্বেষণ ছেড়ে অনর্থক বিষয় নিয়েই মত্ত রয়েছ। অদেখা জগৎকে ভুলে প্রকাশ্য জগতেই পুরো বুঁদ হয়ে আছ। রোগের যাতনা ভুলে সাময়িক সুস্থতা নিয়ে রয়েছ প্রতারিত। আসন্ন কষ্ট ও দুর্ভোগের কথা ভুলে বর্তমানের অবকাশ নিয়ে রয়েছ উল্লসিত। অথচ অন্যের মৃত্যু কি তোমার মৃত্যুর পয়গাম নিয়ে আসেনি? অন্যের কবর-শয্যা কি তোমার কবর-শয্যার খবর দেয় না? হায়, সামান্য এই ভোগ-বিলাস তোমাকে মহা ধ্বংসের চেতনা থেকে কীভাবেই না বিমুখ করে রেখেছে!

كأنك لم تسمع بأخبار من مضى .. ولم تر في الباقين ما يصنع الدهر ! فإن كنت لا تدري فتلك ديارهم .... محاها مجال الريح بعدك والقبر !

আহা, তুমি যেন বিগত মানুষের কোনো সংবাদই শোনোনি! বিরাজিত মানুষদের নিয়ে কালের চক্র যে নির্মম খেলাটা খেলেছে— তা-ও যেন দেখোনি তুমি।

এতদিনেও যদি না জানো, আজ অন্তত তাকিয়ে দেখো তাদের বাড়ি- ঘরের দিকে—যুগের ঘূর্ণিবায়ু সেসব ধ্বসিয়ে দিয়েছে কবে। এবং জেনে রেখো, তোমার মৃত্যুর পরও এমনই অবস্থা হবে তোমার কবরের।

তুমি নিজেই কত প্রাসাদ-অট্টালিকাবাসীকে দেখেছ, কিছুতেই তারা প্রাসাদ ছেড়ে কবরে নামতে চায়নি। তবুও তাদের নামতে হয়েছে; বরং নামানো হয়েছে। আরও কত অট্টালিকাবাসীকে দেখেছ, তাদেরকে নিজেদের অট্টালিকা থেকে সরানো হয়েছে... এরপর তাদের শত্রুরাই চেপে বসেছে সেই অট্টালিকায়।

তাই হে প্রতিমুহূর্তে কবরের দিকে এগিয়ে যাওয়া যাত্রী, তোমার কাজ দেখে মনে হয়, তুমি যেন কবরের ভয়াবহ দুর্ভোগ সম্পর্কে কিছুই জানো না। এ তোমার কেমন আচরণ!

وكيف تنام العين وهي قريرة ... ولم تدر من أي المحلين تنزل؟

এখনো নিশ্চিন্তে ঘুমায় তোমার দু-চোখ, অথচ সে এখনো জানে না, কবরে কী ধরনের শয্যায় সে শায়িত হবে!

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00