📘 হৃদয় জুড়ানো সালাত 📄 আগে দর্শনধারী

📄 আগে দর্শনধারী


ওযুর ব্যাপারে কিছু কথা না-বললেই নয়। আমরা অনেকে ওযু করি অনেকটা অভ্যাসবশত, যেন এতে তেমন বিশেষ কিছু নেই। মনে করি, এটি সালাতের আগের আবশ্যক আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কিন্তু ওযু এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু।

ওযু কীভাবে করতে হয়, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কীভাবে করেছেন, পানি অপচয় করা যাবে না ইত্যাদি তথ্য হয়তোবা আপনি ইতোমধ্যে জানেন। মুখ, মাথা, হাত, পা সব তো ধোয়া হচ্ছেই। অন্তর কোথায়? নিয়ত তো অন্তরেই থাকে। কত সাধারণ আটপৌরে কাজ মিযানের পাল্লা ভারি করে দেয় এই এক নিয়তের কারণে।

তাই অন্তর যখন কোনো কাজে মগ্ন হয়, তখন সত্যিকার অর্থেই ওই কাজ হয়ে ওঠে ওজনদার। অন্য সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সম্মিলিত সাওয়াবের চেয়েও বেশি উপার্জন করতে সক্ষম অন্তর। তাই এখন থেকে ওযুর সময় কেবল হাত-মুখ ধুয়েই ক্ষান্ত হবেন না; বরং নিয়তের মাঝে কিছু বিষয় যুক্ত করে জিতে নিন আকর্ষণীয় সাওয়াব। ওযু করতে যাবেন আল্লাহর আদেশ পালনের নিয়তে। সুরা মায়িদার ষষ্ঠ আয়াতে যেমনটি আছে—

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ...

হে ঈমানদারগণ, যখন সালাতের জন্য উঠবে, তখন তোমাদের মুখমণ্ডল এবং উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধুয়ে নেবে। আর মাথা মাসাহ করবে এবং দুই পা ধৌত করবে গোড়ালি পর্যন্ত।[১]

আরো নিয়ত রাখবেন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণের।

নিয়ত করবেন মন্দ কর্মের আবর্জনা থেকে নিজেকে মুক্ত করার। পবিত্র না হয়ে আল্লাহর সাক্ষাতে যেতে নেই। ওযু বাহ্যিক ময়লা পরিষ্কার করে দেবে, যাতে এরপর সালাতে দাঁড়িয়ে অন্তরের ময়লা পরিষ্কার করতে পারেন। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে উত্তমরূপে ওযু করে, পানির শেষ ফোঁটা শরীর থেকে গড়িয়ে পড়া পর্যন্ত তার গুনাহ ঝরে যেতে থাকে। অথবা এমনকি নখের নিচ থেকে পানি গড়িয়ে পড়া পর্যন্তও।[১] প্রতিটি অঙ্গের গুনাহ ঝরে পড়ে ওযুর ফলে। হাত, পা, মুখমণ্ডল, চোখ, মুখ। অদেখা এই পরিচ্ছন্ন প্রক্রিয়াকে কল্পনার চোখে দেখার চেষ্টা করুন। দেখুন আল্লাহর রহমতের আশায় ভরা অন্তর নিয়ে। ওযু শেষে পাঠ করুন কালিমাতুশ শাহাদাহ। তারপর বলুন—

اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ وَاجْعَلْنِي مِنَ الْمُتَطَهِّرِينَ
আল্লাহুম্মাজ' আলনি মিনাত্তাওওয়াবীন, ওয়াজ' আলনি মিনাল মুতাত্বহহিরীন

অর্থ : হে আল্লাহ, আমাকে আপনার প্রতি প্রত্যাবর্তনকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।[২]

যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকারের আগেই মানুষ অনেক সময় লাগিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করে নেয়। সেখানে আপনি দেখা করতে যাচ্ছেন বিশ্বজাহানের মালিক আল্লাহর সাথে। ওযু আপনার রবের সামনে দাঁড়ানোর আগে নিজেকে পরিপাটি করে নেওয়ার অন্যতম মাধ্যম। ওযুর এই সৌন্দর্য আমাদের সঙ্গ দেবে আখিরাতেও। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ইশ, যদি আমার ভাইদের দেখা পেতাম।[৩] এখানে তিনি বুঝিয়েছেন উম্মাহর পরবর্তী সময়ে আসন্ন প্রজন্মগুলোর কথা। অর্থাৎ, আমরা! বিচারদিবসে তিনি আমাদের চিনবেন চেহারায় ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ওযুর চিহ্ন দেখে। তাই নবিজি আমাদের ওযুর অঙ্গগুলো ফরয অংশের চেয়েও বেশি করে ধুতে বলেছেন।[৪] যেমন: কনুই ও গোড়ালির একটু ওপর পর্যন্ত। এই অতিরিক্ত প্রচেষ্টায় শুধু গুনাহই মাফ হবে না, বেড়ে যাবে আমাদের মর্যাদাও।

ওযুর মর্যাদা অকল্পনীয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক সকালে বিলাল রাযিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন, তুমি জান্নাতে আমার আগে গেলে কী করে? জান্নাতে আমার সামনে সামনে তোমার পায়ের আওয়াজ শুনেছি। মানে সেবক যেভাবে মনিবের সামনে সামনে চলে, সেরকম। বিলাল রাযিয়াল্লাহু আনহু জবাব দিলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, আমি আজান দেওয়ার পরপরই দুই রাকআত সালাত পড়ি। আর ওযু ছুটে যাওয়া মাত্রই আবার ওযু করে নিই।

ও, এ কারণেই। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মন্তব্য করলেন।[১]

ওযু শেষ করেই আমরা কালিমাতুশ শাহাদাহ পড়ে জান্নাতের আটটি দরজাই নিজেদের জন্য খুলে নিই, যাতে ইচ্ছেমতো যেকোনোটি দিয়ে প্রবেশ করা যায়। আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়া আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ (أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللَّهِ) [২]

টিকাঃ
[১] সুরা মায়িদা, আয়াত : ৬
[১] সহিহ মুসলিম: ১৮১৫
[২] সহিহ মুসলিম : ২৩৪; জামিউত তিরমিযি: ৫৫
[৩] মুসনাদু আহমাদ: ১২৫৭৯
[৪] সহিহুল বুখারি : ১৩৬; এই কথাটুকু রাসুলের নয়; বরং আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহুর।
[১] সহিহুল বুখারি : ১১৪৯; সহিহ মুসলিম: ২৪৫৮
[২] সহিহ মুসলিম: ২৩৪; সুনানু আবি দাউদ: ১৬৯; জামিউত তিরমিযি: ৫৫

📘 হৃদয় জুড়ানো সালাত 📄 তাকবিরে তাহরিমা কালে

📄 তাকবিরে তাহরিমা কালে


আল্লাহু আকবার বলার মাধ্যমে আল্লাহর সাথে একটি কথোপকথন শুরু করি আমরা, যার নাম সালাত। আচ্ছা, কখনো কি ভেবে দেখেছেন, আমরা কেন আল্লাহু আকবার বলেই সালাত শুরু করি? এর বদলে সুবহানাল্লাহ কেন বলি না? কারণ আছে। আল্লাহু আকবার বলে আমরা সাক্ষ্য দিই যে, অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে আল্লাহর বড়ত্ব-মহত্ত্ব অনেক অনেক বেশি। তিনি আমাদের চাকরির চেয়ে বড়, আমাদের ব্যবসার চেয়ে বড়, ঘুমের চেয়ে বড়, টাকার চেয়ে বড়, পরিবারের চেয়ে, সন্তানের চেয়ে, শত কাজ আর ব্যস্ততার চেয়ে বড়। তাই আল্লাহু আকবার বলে আমরা আত্মসমর্পণের ভঙ্গিতে দুটি হাত তুলি। পেছনে ছুঁড়ে ফেলি সেই সব পার্থিব ব্যস্ততাকে।

বান্দা সালাতে দাঁড়ালে আল্লাহ আদেশ দেন, আমার ও বান্দার মধ্যকার আবরণ তুলে দাও! যেই মুহূর্তে আপনি আল্লাহু আকবার ঘোষণা করেন, ঠিক তখন থেকে আল্লাহর চেহারা আপনার প্রতি পূর্ণরূপে নিবিষ্ট। আপনি বিমুখ না হলে তিনিও মুখ ফিরিয়ে নেন না। আপনার এই বিমুখতা শারীরিকও হতে পারে, হতে পারে আত্মিকও। হতে পারে আপনি এদিক-ওদিক মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছেন। অথবা হতে পারে আপনার মন ঘুরে বেড়াচ্ছে পার্থিব ব্যাপারে। এই বিমুখতা শুরু হওয়া মাত্রই আল্লাহ ডেকে বলেন, আমার চেয়েও উত্তম কিছুর দিকে মুখ ফেরাচ্ছ? আদেশ করেন আবারও সেই আবরণ নামিয়ে দেওয়ার।

মনে করুন, আপনার দিকে ঘুরে আছে ক্যামেরা। তাতে টকটকে লাল রঙের একটি বাতি জানান দিচ্ছে সরাসরি সম্প্রচার। কেমন লাগে তখন? সালাতে আল্লাহু আকবার বলার সাথে সাথে সেই বাতিটি জ্বলে উঠেছে। কিন্তু আপনার দর্শক সাধারণ কোনো মানুষ নয়। সারা জগতের মালিক দেখছেন আপনাকে। আপনি সহ সবকিছু যার হাতে আছে ও চিরকাল থাকবে। তাঁরই তত্ত্বাবধানে সারা জগত চলছে ও চলবে নিখুঁতভাবে। ছোটবড় কোনোকিছুই তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়। এবার বলুন, কেমন লাগছে সালাতে দাঁড়িয়ে। প্রবলভাবে ধুকপুক করছে না হৃদপিণ্ডটা?

আল্লাহু আকবার বলার পর এবার তিলাওয়াতের দিকে এগোচ্ছেন। আর আপনার দেহমন দিয়ে সংঘটিত প্রতিটি গুনাহ বেয়ে উঠতে শুরু করেছে আপনার কাঁধে ও মাথায়। প্রত্যেকটি রুকু ও সিজদার সময় একে একে ঝরে পড়ে যাবে তারা।[১] স্বভাবতই রুকু-সিজদা লম্বা করার প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠা উচিত আমাদের।

একটু আগেও যেসব কাজ করা জায়িয ছিল, আল্লাহু আকবার বলার সাথে সাথে সেগুলো হয়ে যায় নাজায়িয। খাওয়া, কথাবার্তা, অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া। হলোটা কী? কেন এই পার্থক্য? কারণ, এই পর্যায়ের এক সাক্ষাতে এ ধরনের কাজ অশোভন। দাস তার মনিবের ডাকে সাড়া দিয়ে তাঁর সামনে বিনীতভাবে দাঁড়িয়ে আছে। এখন ওসবের সময় নয়।

এখনো মন এদিক-ওদিক যাচ্ছে? এজন্যই তো আমরা সালাতের প্রতিটি নড়াচড়ায় আল্লাহু আকবারের পুনরাবৃত্তি করি। এগুলো একেকটি স্মরণিকা। মনোযোগ পুনরুদ্ধারের নতুন নতুন সুযোগ।

টিকাঃ
[১] সহিহু ইবনি হিব্বান: ১৭৩৪; হাদিসটি সহিহ।

📘 হৃদয় জুড়ানো সালাত 📄 রাজাকে সম্ভাষণ, শত্রুর বিতাড়ন

📄 রাজাকে সম্ভাষণ, শত্রুর বিতাড়ন


‘আল্লাহু আকবার’ বলার সাথে সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে আপনি সালাতে প্রবেশ করলেন। এবার দৃষ্টি অবনত রাখুন সিজদার জায়গায়। বাম হাতের ওপর ডান হাত রেখে বেঁধে রাখুন হৃদয়ের কাছাকাছি। কেন?

ধরুন একটি রাজপ্রাসাদে ঢুকলেন আপনি। দূরে কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। কারো দৃষ্টি উদ্ধতভাবে সম্মুখ পানে আর হাত আরাম করে দুপাশে ছড়ানো। আরেকদল মানুষ আবার মাটির দিকে তাকিয়ে হাত দুটো এক করে ধরে আছে নিজেদের সামনে। দাঁড়ানোর এই ভঙ্গি দেখেই বুঝে যাবেন, কারা রাজপরিবারের লোক আর কারা সেবক। তাই না?

অতএব বান্দা হিসেবে রবের সামনে বিনয় সহকারে দাঁড়ানোই স্বাভাবিক। রবের সামনে দাঁড়ানোর চিন্তাটা মাথায় আসলে তো আপনা থেকেই বিনয় চলে আসার কথা। তবে মনে রাখতে হবে, আল্লাহর সামনে বিনীত হওয়া মানে আসলে সম্মানিত হওয়া। কারণ এর ফলে মানুষ অন্য সব অযথা বিনয় থেকে মুক্ত হয়ে যায়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে আল্লাহর কাছে নিজেকে ছোট করে, আল্লাহ তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন।[১]

টিকাঃ
[১] সহিহ মুসলিম: ২৫৮৮; জামিউত তিরমিযি: ২০২৯

📘 হৃদয় জুড়ানো সালাত 📄 এখনই সময় রাজাধিরাজকে যথাযথ সম্ভাষণ জানানোর, সানা পড়ার

📄 এখনই সময় রাজাধিরাজকে যথাযথ সম্ভাষণ জানানোর, সানা পড়ার


মহামহিম আপনি, হে আল্লাহ! প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আপনারই তরে। আপনার নাম মহান, আপনার মর্যাদা সর্বোন্নত, আপনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই।

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একাধিক সানা শিক্ষা দিয়েছেন। যেকোনোটিই বেছে নিয়ে পড়া যায়। একেকটি সানা আমাদের সালাতে যুক্ত করে অনন্য একেকটি গুণ। তাই একেক সালাতে একেক সানা পড়লে এই পবিত্র মুহূর্তে মনোযোগ দেওয়া আরো সহজ হয়।

পাশাপাশি বিতাড়িত করতে হবে শত্রুকেও। এই পবিত্র মুহূর্ত, এই মহিমান্বিত সাক্ষাৎ দেখে হিংসায় দাউদাউ করে জ্বলে শয়তান। তার উদ্দেশ্যই হয়ে দাঁড়ায় প্রিয়তম রবের সাথে আপনার এই মুহূর্তগুলোকে চুরি করা, আপনাকে সাওয়াব থেকে বঞ্চিত করা। সালাত শেষে তাই হয়ত দেখা যাবে আপনি পূর্ণ সাওয়াবের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ বা এক-পঞ্চমাংশ কিংবা এমনকি এক-দশমাংশ পেয়ে বসে আছেন। কারণ, সালাতে শুধু একনিষ্ঠ মনোেযাগের অংশটুকুই কবুল হয়। হাশরের মাঠে কেউ কেউ আসবে নব্বই বছরের সালাত আদায়ের আমলনামা নিয়ে। কিন্তু প্রচন্ড হতাশা ও বিস্ময় নিয়ে দেখবে সাওয়াব লিপিবদ্ধ হয়েছে মাত্র চার কি পাঁচ বছরের সালাতের জন্য।

এর কারণ শয়তান। দেখেন না ঠিক সালাতের সময়ই কেন যেন প্রতিটা দুনিয়াবি কাজ-কর্ম-ব্যস্ততা-চিন্তা হঠাৎ করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে? দিনের পর দিন বা এমনকি মাসের পর মাস ধরে ভুলে থাকা জিনিস মনে পড়ে যায় সালাতে দাঁড়ানো মাত্রই। এমনকি জায়নামাযের আল্পনাগুলোও বলতে শুরু করে কত যে রঙবেরঙের গল্প! আপনি হয়তো লড়াই করে আবার মনোযোগ ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু শয়তান দমে যাওয়ার পাত্র নয়। নাকের কাছে ভনভন করা মাছির মতো বারবার ফিরে আসে সে।

তাহলে এর সমাধান কী? এই দুর্বল আমরা তাহলে কোন উপায় অবলম্বন করব? কার কাছে সাহায্য চাইব? সেই প্রিয়তম রবেরই কাছে! তাঁরই নাম নিয়ে তাঁরই সৃষ্টির অপকর্ম থেকে চাইব আশ্রয়। সালাত শুরুর আগেই তাই আত্মবিশ্বাস সহকারে বলব, আ'ঊযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রজীম, আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই বিতাড়িত শয়তান থেকে। বলেই দেখুন না কেমন শক্তি ভর করে আপনার মাঝে!

ফন্ট সাইজ
15px
17px