📘 হযরত আলী রাঃ জীবন ও খিলাফত 📄 বিজ্ঞতম ফকীহ ও বিচারক

📄 বিজ্ঞতম ফকীহ ও বিচারক


একাধিক সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ ﷺ হতে প্রামাণ্যরূপে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, তোমাদের বিজ্ঞতম বিচারক (اقضاكم على) হলেন আলী।

হযরত আলী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ আমাকে ইয়ামানে পাঠালেন। আমি তখন অল্প বয়স্ক যুবক। আমি বললাম, আপনি আমাকে এমন এক কাওমের নিকট পাঠাচ্ছেন, যাদের মাঝে বিভিন্ন ঘটনা সংঘটিত হবে, অথচ বিচার সম্পর্কে আমার কোন জ্ঞান নেই। তিনি বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ্ তোমার জিহ্বাকে সঠিক পথে পরিচালিত করবেন এবং তোমার হৃদয় (সত‍্যের ওপর) স্থির রাখবেন। হযরত আলী (রা) বলেন, এরপর কোন দুই বাদী-বিবাদীর মাঝে বিচার করতে গিয়ে কখনো আমি সংশয়গ্রস্ত হইনি। [মুসনাদে আহমাদ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৮৩]

হযরত উমর (রা) এমন কোন জটিল সমস্যা সম্পর্কে আল্লাহর পানাহ চাইতেন যার সমাধানের জন্য আবুল হাসান [আলী (রা)] উপস্থিত নেই। হযরত উমর (রা) হতে নিম্নোক্ত মন্তব্যও বর্ণিত হয়েছে, لو لا على لهلك عمر "আলী না হলে উমর ধ্বংস হয়ে যেতো।" [ইযালাতুল খাফা, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৬৮]

তাছাড়া হযরত উমর (রা) যখনই কোন জটিল সমস্যার সম্মুখীন হতেন তখন আফসোস করে বলতেন, قضية ولا ابا حسن لها "এ এমন সমস্যা যার সমাধানের জন্য কোন আবুল হাসান নেই।" [আল আবকারিয়াতুল ইসলামিয়‍্যাহ, পৃষ্ঠা-৯৬৮]

হযরত আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)-এর সূত্রে আবূ আমর বর্ণনা করেছেন। হযরত ইবন মাসউদ (রা) বলেন, আমরা এমন আলোচনা করতাম যে, মদীনাবাসীদের মাঝে আলী বিন আবূ তালিব (রা) হলেন বিজ্ঞতম বিচারক।

হযরত আলী (রা)-এর অতি সূক্ষ্ম ও প্রজ্ঞাপূর্ণ বিচারের একটি নমুনা হলো মুসনাদে আহমদে নিজস্ব সনদে বর্ণিত নিম্নোক্ত হাদীস:

হযরত আলী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ আমাকে ইয়ামান পাঠালেন। আমি এক কাওমের নিকট উপনীত হলাম যারা সিংহ শিকারের জন্য একটি গর্ত তৈরি করেছিলো। গর্তের তীরে লোকেরা যখন ঠেলাঠেলি করছিলো তখন একজন লোক হঠাৎ পড়ে গেলো কিন্তু সে একজন লোককে ধরে ঝুলে গেলো। অতঃপর আরেকজন অন্য একজনকে ধরে ঝুলে পড়লো। এভাবে গর্তে চারজন হলো। আর গর্তে আটকা পড়া সিংহ তাদেরকে জখম করে ফেললো। তখন একজন বর্শাঘাতে তাকে হত্যা করে ফেললো। কিন্তু জখমের কারণে চার জনের সকলেই মারা গেলো। তখন প্রথম জনের অভিভাবকরা অপরজনের অভিভাবকদের মুকাবিলায় গিয়ে দাঁড়ালো এবং উভয় পক্ষ অস্ত্র হাতে লড়াইয়ের জন্য তৈরি হয়ে গেলো। আলী (রা) তাদের নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ এখনো জীবিত আছেন, আর তোমরা নিজেদের মাঝে লড়াই করতে চাচ্ছো! আমি তোমাদের মাঝে বিচার করে দিচ্ছি। যদি তোমরা সন্তুষ্ট হও তাহলে তো সেটাই হলো বিচার। আর যদি সন্তুষ্ট না হও তাহলে তোমরা নবী ﷺ -এর নিকট উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তোমাদের পরস্পরকে পরস্পর হতে দূরে রাখা হবে। এরপর যে সীমালংঘন করবে তার কোন অধিকার থাকবে না। যে সকল গোত্র গর্ত খুঁড়েছে তাদের নিকট হতে দিয়তের চতুর্থাংশ, দিয়তের তৃতীয়াংশ, দিয়তের অর্ধেক এবং পূর্ণ দিয়ত সংগ্রহ করো। প্রথম ব্যক্তি দিয়তের চতুর্থাংশ পাবে। কেননা সে তার ওপর থেকে নিহত হয়েছে এবং দ্বিতীয় জন দিয়তের তৃতীয়াংশ ও তৃতীয়জন অর্ধেক দিয়ত পাবে।

কিন্তু তারা এ ফায়সালা মানতে অস্বীকার করে নবী ﷺ -এর নিকট উপস্থিত হলো। তিনি তখন মাকামে ইবরাহীমে অবস্থান করছিলেন। তারা তাঁর খিদমতে ঘটনা আরয করলো। তিনি বললেন, আমি তোমাদের মাঝে ফায়সালা করবো। অতঃপর তিনি দু'হাতে হাঁটু জড়িয়ে বসলেন। তখন দলের একজন বললো, আলী আমাদের মাঝে ফায়সালা করেছেন। তখন তারা পুরা ঘটনা তাঁর খিদমতে আরয করলো আর রাসূলুল্লাহ্ ﷺ উক্ত ফায়সালা বহাল রাখলেন। হযরত হানাশ (র) হতে বর্ণিত। আলী (রা) বলেছেন, চতুর্থজন পুরো দিয়ত পাবে। [মুসনাদে আহমাদ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৭৭]

📘 হযরত আলী রাঃ জীবন ও খিলাফত 📄 কুরআন ও সুন্নাহর বিশেষজ্ঞ

📄 কুরআন ও সুন্নাহর বিশেষজ্ঞ


আবূ তোফায়ল-এর সূত্রে আবু উমর হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, হযরত আলী (রা) ভাষণ দানকালে আমি উপস্থিত ছিলাম। তিনি বলেছিলেন, আমাকে কিতাবুল্লাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে পারো। কেননা আল্লাহর শপথ! যে কোন আয়াত সম্পর্কে আমিই অধিক অবগত যে, তা রাতে নাযিল হয়েছে নাকি দিনে, উপত্যকায় নাযিল হয়েছে নাকি পাহাড়ে। [ইযালাতুল খাফা, পৃষ্ঠা-২৬৮।]

শুরায়হ ইব্‌ন হানি (র) বলেন, আমি আয়েশা (রা)-কে মোজার ওপর মাসেহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আলীকে জিজ্ঞেস করো। কেননা তিনি এ সম্পর্কে আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত। তিনি তো রাসূলুল্লাহ্ ﷺ -এর সঙ্গে সফর করতেন। শুরায়হ বলেন, অতঃপর আমি আলী (রা)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ বলেছেন, মুসাফিরের জন্য (মাসেহ এর মেয়াদ হলো) তিন দিন তিন রাত আর মুকীমের জন্য এক দিন এক রাত। [মুসনাদে আহমাদ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৯৬]

রাসূলুল্লাহ হতে তাঁর সূত্রে পাঁচশ ছিয়াশিটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। [তারীখুল খুলাফা, পৃষ্ঠা-১৬৭]

📘 হযরত আলী রাঃ জীবন ও খিলাফত 📄 কোমলপ্রাণ মানুষটি

📄 কোমলপ্রাণ মানুষটি


অসাধারণ শোর্যবীর্য, বিরল যুদ্ধ প্রতিভা ও ভাবগাম্ভীর্য সত্ত্বেও হযরত আলী (রা) ছিলেন অতি কোমলপ্রাণ মানুষ। কোমল মানবিক অনুভূতি তথা দয়া, মায়া ও সংবেদনশীলতার উজ্জ্বলতম প্রকাশ ঘটে ছিলো তাঁর ব্যক্তিচরিত্রে, আপন হত্যাকারীর সাথে তিনি যে মহৎ আচরণ করেছিলেন সেটাই এ ক্ষেত্রে সর্বোত্তম উদাহরণ হতে পারে। কেননা বর্ণিত আছে, ইবন মুলজিম যখন তাঁকে বিষমাখা তরবারি দ্বারা আঘাত করেছিলেন তখন তিনি পুত্র হাসানকে এ অসিয়ত করেছিলেন,

“দেখ হে হাসান, যদি আমি তার এই আঘাতে মৃত্যুবরণ করি তাহলে তাকেও তুমি একটি আঘাতের পরিবর্তে একটি আঘাতই শুধু করবে। তবে তার লাশ বিকৃত করো না। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ্র বলতে শুনেছি,
اياكم والمثالة ولو بالكلব العقدر .
'মুসলাহ করার ব্যাপারে সাবধান থেকো যদিও তা পাগলা কুকুর হয়।'

ঘাতককে যখন তার সামনে পেশ করা হলো তখন তিনি বললেন, তাকে আটক করে রাখো, তবে আরামদায়কভাবে তাকে বাঁধবে। যদি আমি বেঁচে থাকি তাহলে কিসাস গ্রহণ কিংবা ক্ষমা প্রদর্শন সম্পর্কে আমি চিন্তা-ভাবনা করে দেখবো। আর যদি মৃত্যুবরণ করি তাহলে প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ।"

হযরত তালহা (রা)-এর মৃতদেহের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি প্রবলভাবে কেঁদেছিলেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল হতে ধুলোবালি মুছে দিতে দিতে বলেছিলেন,

"হে আবু মুহাম্মদ! খোলা আসমানের নীচে এভাবে ধূলিলুষ্ঠিত অবস্থায় তোমাকে পড়ে থাকতে দেখা আমার জন্য বড়ই বেদনাদায়ক। অতঃপর তিনি আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছিলেন যে, আল্লাহ্ যদি তাঁকে আজ থেকে বিশ বছর আগেই দুনিয়া থেকে তুলে নিতেন তাহলে উত্তম হতো!" [আল আবকারিয়াতুল ইসলামিয়্যা, পৃষ্ঠা-৯৫৯]

ছোটদের প্রতি স্নেহমায়া ও বড়দের প্রতি ভালোবাসা ও দয়া ছিলো তাঁর সুপরিচিত গুণ বৈশিষ্ট্য। ছোটদেরকে নিজে আদর-সোহাগ করতে কিংবা অন্য কাউকে আদর সোহাগ করছে দেখতে তিনি অত্যধিক আনন্দবোধ করতেন। তিনি বলতেন, সন্তানের ওপর পিতার হক রয়েছে; আবার পিতার ওপরও সন্তানের হক রয়েছে। সন্তানের উপর পিতার হক হলো আল্লাহর নাফরমানি ছাড়া সকল বিষয়ে তার আনুগত্য করা। পক্ষান্তরে পিতার ওপর সন্তানের হক হলো সুন্দর দেখে তার নাম রাখা এবং তাকে উত্তম আদব শিক্ষা দান করা এবং কুরআন শিক্ষা দান করা। [প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা-৯৮২]

আবু কাসেম বাগাবী নিজস্ব সনদে তার দাদীর সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি আলী (রা)-কে দেখেছি এক দিরহামের খেজুর খরিদ করে নিজেই চাদরে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন জনৈক ব্যক্তি আরয করলেন, হে আমীরুল মু'মিনীন, আপনার হয়ে আমরা বয়ে নিয়ে যাই। তিনি বললেন, সন্তান-সন্ততি জন্য পিতারই দায়িত্ব বহন করে নিয়ে যাওয়া। [আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৮ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৫]

এক ব্যক্তি তার খিদমতে উপস্থিত হয়ে বললো, হে আমীরুল মু'মিনীন! আপনার কাছে আমার কিছু প্রয়োজন ও প্রার্থনা আছে। তিনি বললেন, তোমার প্রার্থনা ও প্রয়োজনের কথা মাটিতে লিখে দাও। কেননা তোমার চেহারায় আমি প্রার্থনার দীনতা দেখতে চাই না। তখন সে লিখে দিলো আর তিনি তার প্রয়োজন পুরো করে দিলেন এবং বিপুল পরিমাণ অতিরিক্তও দান করলেন। [প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা-৯]

📘 হযরত আলী রাঃ জীবন ও খিলাফত 📄 নবী চরিত্র এবং নবুওয়তি বৈশিষ্ট্যের সর্বাঙ্গীণ ও সূক্ষ্ম জ্ঞান

📄 নবী চরিত্র এবং নবুওয়তি বৈশিষ্ট্যের সর্বাঙ্গীণ ও সূক্ষ্ম জ্ঞান


নবী ﷺ -এর সাথে বংশীয় ও পারিবারিক সম্পর্ক ও দীর্ঘ দিনের নিবিড় সান্নিধ্য, নবী ﷺ -কে আল্লাহ্ শানে নবুয়তের উপযুক্ত যে মন-মানস, মহত্তম চরিত্র, চিন্তা-চেতনা ও ধ্যান-ধারণা বিশেষভাবে দান করেছিলেন, সেগুলো সম্পর্কে গভীর অনুসন্ধিৎসা ও সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ এই সকল বিষয় নবী চরিত্রের ও নবুয়তি বৈশিষ্ট্যের সর্বাঙ্গীণ ও সূক্ষ্ম জ্ঞান লাভের ক্ষেত্রে নবী জীবন ও নবী চরিত্রের বিভিন্ন সূক্ষ্ম দিকের সঠিক মূল্যায়ন ও বিবরণ উপস্থাপনের যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রে হযরত আলী (রা)-এর জন্য বিশেষ সহায়ক হয়েছিলো। নবী ﷺ -এর গুণ, চরিত্র, আচার-আচরণ ও অবয়ব সম্পর্কে হযরত আলী (রা) হতে যে রেওয়ায়েত বর্ণিত হয়েছে তাতে তা অতি পরিষ্কারভাবে বিধৃত হয়েছে। নমুনাস্বরূপ তাঁর নিম্নোক্ত বক্তব্য পেশ করাই যথেষ্ট মনে করি:

"হৃদয়ের ব্যাপ্তিতে সবার চেয়ে দানশীল, মুখের উচ্চারণে সবার চেয়ে সত্যভাষী, স্বভাবের গণ্ডীতে সবার চেয়ে স্নিগ্ধ কোমল। সমাজে সবার চেয়ে সম্মানী। হঠাৎ যে দেখে সে ভয় পেয়ে যায় কিন্তু যে ঘনিষ্ঠ হয়ে মেশে সে ভালোবেসে ফেলে। তাঁর বিবরণ দানকারী বলেন, তাঁর আগে ও পরে তাঁর তুলনা দেখিনি।"

অপরাধীদের প্রতি তাঁর ক্ষমা ও অনুগ্রহ এবং সহনশীলতা ও মহানুভবতার প্রতি স্বভাব অনুরাগ সম্পর্কে হযরত আলী (রা)-এর সূক্ষ্ম জ্ঞান নিম্নোক্ত ঘটনা থেকেও সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হয়:

আবু সুফিয়ান ইবনুল হারিস ইব্‌ন আবদুল মুত্তালিব ছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর চাচাত ভাই। সে তাঁকে অনেক কষ্ট দিয়েছিলো এবং নিন্দা করেছিলো। মক্কাভিমুখী পথে রাসূলুল্লাহ্ ﷺ -এর সঙ্গে তার দেখা হয়ে গেলো। পেছনের নিন্দা ও নিগ্রহের কথা মনে পড়ায় তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আবূ সুফিয়ান তখন আলী (রা)-এর নিকট এ বিষয়ে অনুযোগ করলেন। আলী (রা) তাঁকে বললেন, সম্মুখ দিক হতে রাসূলুল্লাহ্ ﷺ -এর খিদমতে উপস্থিত হও এবং ইউসুফ ভ্রাতৃগণ ইউসুফ (আ)-কে যা বলেছিলেন তাই তুমি তাঁকে বলো,
تَاللهِ لَقَدْ أَثَرَكَ اللهُ عَلَيْنَا وَإِنْ كُنَّا لَخَاطِينَ .
"আল্লাহর শপথ! আল্লাহ্ আপনাকে আমাদের ওপর অগ্রাধিকার দান করেছেন। আর নিঃসন্দেহে আমরা ভুলের ওপর ছিলাম।"

কেননা তিনি কিছুতেই পছন্দ করবেন না, কেউ তার চেয়ে উত্তম কথা বলে যাবে। আবু সুফিয়ান খিদমতে রিসালতে উপস্থিত হয়ে তাই বললেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ ﷺ তাঁকে বললেন,
لَا تَشْرِيْبَ عَلَيْكُمُ الْيَوْمَ يَغْفِرُ اللهُ لَكُمْ وَهُوَ أَرْحَمُ الرَّحِمِينَ .
"তোমাদের প্রতি আজ কোন তিরস্কার নেই, আল্লাহ্ তোমাদের ক্ষমা করবেন। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াবান।"

এরপর আবূ সুফিয়ানের ইসলাম গ্রহণ অতি উত্তম হয়েছিলো। ইসলাম গ্রহণের পর হতে লজ্জায় তিনি রাসূলুল্লাহ্-এর দিকে মাথা তুলে তাকাতেন না। [যাদুল মা'আদ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৪২১]

ফন্ট সাইজ
15px
17px