📄 হযরত আলী (রা)-এর শাহাদাত
আল্লামা ইব্ন কাছীর (র) বলেন, অবস্থা ও পরিস্থিতি হযরত আলী (রা)-এর প্রতিকূলে চলে গেলো এবং তাঁর সেনাবাহিনীও বিশৃঙ্খল হয়ে গেলো এবং ইরাকীরাও তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করে তাঁর বিরুদ্ধাচরণ শুরু করলো। এদিকে সিরীয়দেরও প্রতাপ বেড়ে গেলো। চতুর্দিকে প্রবল দাপটের সাথে তারা বিচরণ করতে লাগলো।
সে যা-ই হোক, ইরাকীদের আমীর আলী ইব্ন আবূ তালিব (রা) কিন্তু তাঁর যুগে পৃথিবীর সর্বোত্তম মানুষ ছিলেন। শ্রেষ্ঠ আবিদ, শ্রেষ্ঠ সাধক, শ্রেষ্ঠ আলিম ও শ্রেষ্ঠ আল্লাহভীরু ছিলেন। কিন্তু এসব কিছু সত্ত্বেও তারা তাঁকে পরিত্যাগ করলো এবং নিঃসঙ্গ রেখে চলে গেলো, এমন কি তিনি জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা করতে লাগলেন। তিনি যথাক্রমে দাড়ি ও মাথার প্রতি ইঙ্গিত করে বলতেন, আল্লাহ্র শপথ! এটাকে এটা দ্বারা রঞ্জিত করা হবে (পরে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হয়েছিলো)। [আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৩২৪]
ঘটনা এই যে, আবদুর রহমান ইবন আমর ওরফে ইব্ন মুলজিম (প্রথমে হিমায়ারী ও পরবর্তীতে কিন্দী), বারক ইব্ন আবদুল্লাহ্ তামীমী ও আমর ইব্ন বকর তামীমী এই তিন খারিজী একত্রে বসে তাদের নাহরাওয়ানবাসী ভ্রাতাদের (যুদ্ধে) নিহত হওয়ার ঘটনা আলোচনা করলো এবং তাদের প্রতি রহমত কামনা করে বললো, আমরা যদি নিজেদের জীবন বাজি রেখে গোমরাহি ও ভ্রষ্টতার হোতাদের হত্যা করতে পারি তাহলে তাদের পাপ অস্তিত্ব থেকে দেশ মুক্তি পেতে পারে এবং আমাদের নিহত ভাইদের প্রতিশোধ গ্রহণও হতে পারে। তখন ইব্ন মুলজিম বললো, আমি আলী ইব্ন আবূ তালিবের জন্য যথেষ্ট। বারক বললো, আমি মু'আবিয়ার জন্য যথেষ্ট। আমর ইব্ন বকর বললো, আমি আমর ইব্ন আস-এর জন্য যথেষ্ট।
তারা এই মর্মে পরস্পর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলো যে, তাদের কেউ তার প্রতিপক্ষকে নিস্তর দেবে না। হয় তাকে কতল করবে কিংবা নিজে কতল হবে। অতঃপর তারা নিজ নিজ তলোয়ার বিষমিশ্রিত করলো এবং এভাবে সময় নির্ধারণ করলো যে, রমযানের সতের তারিখ রাত্রে তাদের প্রত্যেকে তার প্রতিপক্ষ যে শহরে বসবাস করে সেখানে রাত যাপন করবে।
ইন্ন মুসলিম কুফায় গেলো, কিন্তু সে এমন কি তার খারিজী সাথীদের কাছেও আপন উদ্দেশ্য গোপন রাখলো। যখন রমযানের সতের তারিখ জুমুআর রাত হলো তখন সে আলী (রা) যে দরজা দিয়ে বের হন তার মুখোমুখি বসলো। আলী (রা) বের হয়ে 'আস-সালাত' 'আস-সালাত' বলে মানুষকে ঘুম থেকে সালাতের জন্য ওঠাতে লাগলেন। সেই মুহূর্তে ইন্ন মুলজিম তরবারি দ্বারা তাঁর মাথায় আঘাত করলো। ফলে রক্তে তাঁর দাড়ি ভেসে গেলো (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)। আঘাত করে সে বলে উঠলো, বিধান প্রদানের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। হে আলী, তোমারও নয়, তোমার সাথীদেরও নয়।
হযরত আলী (রা) ডাক দিয়ে বললেন, ধরো তাকে। সঙ্গে সঙ্গে ইন্ন মুলজিমকে পাকড়াও করা হলো, হযরত আলী (রা) জা'দা ইব্ন্ন হোবায়রা ইন্ন আবু ওয়াহবকে আগে বাড়িয়ে দিলেন, তিনি ফজরের নামায পড়ালেন। হযরত আলী (রা)-কে তাঁর ঘরে তুলে আনা হলো। তিনি বললেন, আমার মৃত্যু হলে তাকে হত্যা করো, আর যদি বেঁচে থাকি তাহলে তাকে কি করবো তা আমিই ভালো বুঝবো। [আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৩২৮]
তাকে যখন হযরত আলী (রা)-এর সামনে পেশ করা হলো তখন তিনি বললেন, তাকে আটক করো। তবে বাঁধনটা আরামদায়ক করো। যদি বেঁচে থাকি তাহলে কিসাস গ্রহণ করবো কিংবা ক্ষমা প্রদর্শন সম্পর্কে আমি চিন্তা-ভাবনা করবো। আর যদি মৃত্যুবরণ করি তাহলে প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ। তবে তার লাশ বিকৃত করো না।
হযরত হাসান-হুসায়ন (রা)-কে তিনি দীর্ঘ অসিয়ত করেছিলেন, অসিয়তের শেষ দিকে তিনি বলেছেন, "হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধরগণ! আমীরুল মু'মিনীন নিহত হয়েছেন, একথা বলে মুসলমানদের রক্তে ডুব দিও না। সাবধান, আমার বিনিময়ে আমার হত্যাকারী ছাড়া আর কাউকে যেন হত্যা করা না হয়! দেখো, আমি যদি তার এই আঘাতে মৃত্যুবরণ করি তাহলে তাকেও (অনুরূপ) একটি আঘাত করবে। তবে তার লাশ বিকৃত করো না।" কেননা আমি নবী ﷺ-কে বলতে শুনেছি,
اياكم والمثالة ولو بالكلب العقدر .
"এমন কি পাগলা কুকুরকেও মুসলাহ করার ব্যাপারে সাবধান থেকো।"
হযরত জুন্দুব ইব্ন আবদুল্লাহ্ (র) জিজ্ঞেস করলেন, হে আমীরুল মুমিনীন, আপনার মৃত্যু হলে আমরা কি হাসানের হাতে বায়'আত হবো? তিনি বললেন, আমি আদেশও করবো না, নিষেধও করবো না, তোমরাই ভালো বুঝবে। যখন মৃত্যুর হালত শুরু হলো তখন হযরত আলী (রা) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অধিক পরিমাণে উচ্চারণ করতে লাগলেন। এছাড়া অন্য কিছু উচ্চারণ করছিলেন না। কথিত আছে, তাঁর শেষ উচ্চারণ ছিলো এই আয়াত:
فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ .
"যে কণা পরিমাণ নেক আমল করবে সে তা দেখতে পাবে আর যে কণা পরিমাণ মন্দ আমল করবে সে তাও দেখতে পাবে।" [সূরা যিলযাল: ৭-৮]
হযরত আলী (রা) আপন পুত্রদ্বয় হাসান ও হুসায়ন (রা)-কে তাকওয়া তথা আল্লাহভীতি অবলম্বনের ও উত্তম আমলসমূহের অসিয়ত করলেন এবং গ্রন্থাকারে সম্পূর্ণ অসিয়তটি লিখিয়ে দিলেন।
ইব্ন মুলজিম বলেছে, আমি তাঁকে এমন আঘাত করেছিলাম যে, শহরের অধিবাসীদেরকে যদি এ আঘাত করা হতো তাহলে তারা সকলে মৃত্যুবরণ করতো। আল্লাহর শপথ! এক মাস যাবৎ আমি এ তরবারিতে বিষ মেখেছি। এক হাজার দিরহামে আমি ঐ তরবারি খরিদ করেছি এবং এক হাজার দিরহাম ব্যয় করে বিষ মিশ্রিত করেছি।
আমীরুল মু'মিনীন হযরত আলী (রা) চল্লিশ হিজরীর ১৭ রামাযান সাহরীর সময় জুমার দিন শাহাদাত বরণ করেছেন। [আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৩০] বিশুদ্ধ বর্ণনামতে তাঁর বয়স হয়েছিলো তখন তেষট্টি বছর এবং তাঁর খিলাফতের মেয়াদ ছিলো চার বছর নয় মাস। তাঁর পুত্র হযরত হাসান (রা) তাঁর জানাযা পড়িয়েছেন। খারিজীদের পক্ষ হতে তাঁর জানাযার অবমাননার আশংকায় কুফাস্থ আমীরের সরকারি বাসভবনে তাঁকে দাফন করা হয়েছিলো। [আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৭ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৩০- ৩৩১]
📄 হাদীস ও আছার-এর আলোকে হযরত আলী (রা)
এখানে আমরা আলী (রা) সম্পর্কে বর্ণিত হাদীস ও আছার-এর সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনার মাধ্যমে তাঁর মহান ব্যক্তিত্বের কতিপয় গুণ ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে চাই।
📄 জাহিলিয়াত ও প্রতিমা পূজার চিহ্ন মুছে ফেলা
হযরত আলী (রা) হতে আবু মুহাম্মদ আল-হুযালী-এর সূত্রে বর্ণিত। হযরত আলী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ এক জানাযায় ছিলেন। সে সময় তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে এমন কে আছে যে মদীনায় গিয়ে সব মূর্তি ভেঙ্গে ফেলবে এবং সব কবর মাটির সাথে মিশিয়ে দেবে এবং সব ছবি নষ্ট করে ফেলবে?
আলী (রা) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি যাবো। তিনি বললেন, যাও, আলী (রা) গেলেন এবং ফিরে এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! মদীনায় কোন মূর্তি আমি না ভেঙ্গে রাখিনি এবং কোন কবর সমান না করে ছাড়িনি এবং কোন ছবি নষ্ট না করে ছাড়িনি।
অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ ﷺ বললেন, যে ব্যক্তি পুনরায় এ ধরনের কিছু করবে সে যেন মুহাম্মদ ﷺ -এর ওপর যা নাযিল হয়েছে তা অস্বীকার করলো। [মুসনাদে আহমাদ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৮৭]
হযরত জারীর ইব্ন হিব্বান তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, হযরত আলী (রা) তাঁকে বললেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ যে কাজে আমাকে পাঠিয়েছিলেন তোমাকে আমি সে কাজেই পাঠাচ্ছি। তিনি আমাকে সকল কবর সমান করে গুঁড়িয়ে দেয়ার আদেশ দিয়েছিলেন। [প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা-৮৯]
আবুল হায়াজ আল-আসাদী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রা) আমাকে বললেন, আমি তোমাকে এমন এক কাজে পাঠাচ্ছি যে কাজে রাসূলুল্লাহ্ ﷺ আমাকে পাঠিয়েছিলেন। কোন মূর্তি তুমি আস্ত রাখবে না এবং কোন উঁচু কবর সমান না করে ছাড়বে না।
📄 বিজ্ঞতম ফকীহ ও বিচারক
একাধিক সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ ﷺ হতে প্রামাণ্যরূপে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, তোমাদের বিজ্ঞতম বিচারক (اقضاكم على) হলেন আলী।
হযরত আলী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ আমাকে ইয়ামানে পাঠালেন। আমি তখন অল্প বয়স্ক যুবক। আমি বললাম, আপনি আমাকে এমন এক কাওমের নিকট পাঠাচ্ছেন, যাদের মাঝে বিভিন্ন ঘটনা সংঘটিত হবে, অথচ বিচার সম্পর্কে আমার কোন জ্ঞান নেই। তিনি বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ্ তোমার জিহ্বাকে সঠিক পথে পরিচালিত করবেন এবং তোমার হৃদয় (সত্যের ওপর) স্থির রাখবেন। হযরত আলী (রা) বলেন, এরপর কোন দুই বাদী-বিবাদীর মাঝে বিচার করতে গিয়ে কখনো আমি সংশয়গ্রস্ত হইনি। [মুসনাদে আহমাদ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৮৩]
হযরত উমর (রা) এমন কোন জটিল সমস্যা সম্পর্কে আল্লাহর পানাহ চাইতেন যার সমাধানের জন্য আবুল হাসান [আলী (রা)] উপস্থিত নেই। হযরত উমর (রা) হতে নিম্নোক্ত মন্তব্যও বর্ণিত হয়েছে, لو لا على لهلك عمر "আলী না হলে উমর ধ্বংস হয়ে যেতো।" [ইযালাতুল খাফা, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৬৮]
তাছাড়া হযরত উমর (রা) যখনই কোন জটিল সমস্যার সম্মুখীন হতেন তখন আফসোস করে বলতেন, قضية ولا ابا حسن لها "এ এমন সমস্যা যার সমাধানের জন্য কোন আবুল হাসান নেই।" [আল আবকারিয়াতুল ইসলামিয়্যাহ, পৃষ্ঠা-৯৬৮]
হযরত আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)-এর সূত্রে আবূ আমর বর্ণনা করেছেন। হযরত ইবন মাসউদ (রা) বলেন, আমরা এমন আলোচনা করতাম যে, মদীনাবাসীদের মাঝে আলী বিন আবূ তালিব (রা) হলেন বিজ্ঞতম বিচারক।
হযরত আলী (রা)-এর অতি সূক্ষ্ম ও প্রজ্ঞাপূর্ণ বিচারের একটি নমুনা হলো মুসনাদে আহমদে নিজস্ব সনদে বর্ণিত নিম্নোক্ত হাদীস:
হযরত আলী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ আমাকে ইয়ামান পাঠালেন। আমি এক কাওমের নিকট উপনীত হলাম যারা সিংহ শিকারের জন্য একটি গর্ত তৈরি করেছিলো। গর্তের তীরে লোকেরা যখন ঠেলাঠেলি করছিলো তখন একজন লোক হঠাৎ পড়ে গেলো কিন্তু সে একজন লোককে ধরে ঝুলে গেলো। অতঃপর আরেকজন অন্য একজনকে ধরে ঝুলে পড়লো। এভাবে গর্তে চারজন হলো। আর গর্তে আটকা পড়া সিংহ তাদেরকে জখম করে ফেললো। তখন একজন বর্শাঘাতে তাকে হত্যা করে ফেললো। কিন্তু জখমের কারণে চার জনের সকলেই মারা গেলো। তখন প্রথম জনের অভিভাবকরা অপরজনের অভিভাবকদের মুকাবিলায় গিয়ে দাঁড়ালো এবং উভয় পক্ষ অস্ত্র হাতে লড়াইয়ের জন্য তৈরি হয়ে গেলো। আলী (রা) তাদের নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, রাসূলুল্লাহ্ ﷺ এখনো জীবিত আছেন, আর তোমরা নিজেদের মাঝে লড়াই করতে চাচ্ছো! আমি তোমাদের মাঝে বিচার করে দিচ্ছি। যদি তোমরা সন্তুষ্ট হও তাহলে তো সেটাই হলো বিচার। আর যদি সন্তুষ্ট না হও তাহলে তোমরা নবী ﷺ -এর নিকট উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তোমাদের পরস্পরকে পরস্পর হতে দূরে রাখা হবে। এরপর যে সীমালংঘন করবে তার কোন অধিকার থাকবে না। যে সকল গোত্র গর্ত খুঁড়েছে তাদের নিকট হতে দিয়তের চতুর্থাংশ, দিয়তের তৃতীয়াংশ, দিয়তের অর্ধেক এবং পূর্ণ দিয়ত সংগ্রহ করো। প্রথম ব্যক্তি দিয়তের চতুর্থাংশ পাবে। কেননা সে তার ওপর থেকে নিহত হয়েছে এবং দ্বিতীয় জন দিয়তের তৃতীয়াংশ ও তৃতীয়জন অর্ধেক দিয়ত পাবে।
কিন্তু তারা এ ফায়সালা মানতে অস্বীকার করে নবী ﷺ -এর নিকট উপস্থিত হলো। তিনি তখন মাকামে ইবরাহীমে অবস্থান করছিলেন। তারা তাঁর খিদমতে ঘটনা আরয করলো। তিনি বললেন, আমি তোমাদের মাঝে ফায়সালা করবো। অতঃপর তিনি দু'হাতে হাঁটু জড়িয়ে বসলেন। তখন দলের একজন বললো, আলী আমাদের মাঝে ফায়সালা করেছেন। তখন তারা পুরা ঘটনা তাঁর খিদমতে আরয করলো আর রাসূলুল্লাহ্ ﷺ উক্ত ফায়সালা বহাল রাখলেন। হযরত হানাশ (র) হতে বর্ণিত। আলী (রা) বলেছেন, চতুর্থজন পুরো দিয়ত পাবে। [মুসনাদে আহমাদ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৭৭]