📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 শরীরে কোনো ব্যথা অনুভব করলে যা করবে ও বলবে

📄 শরীরে কোনো ব্যথা অনুভব করলে যা করবে ও বলবে


শরীরে কোনো ব্যথা অনুভব করলে যা করবে ও বলবে

শরীরে কোনো ব্যথা অনুভব করলে যা করবে ও বলবে

আপনার দেহের যে স্থানে আপনি ব্যথা অনুভব করছেন, সেখানে আপনার হাত রেখে তিনবার বলুন,

بِسْمِ اللّٰهِ

বিসমিল্লাহ

আল্লাহর নামে।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
بِسْمِ - (শুরু করছি ) নামে
اللّٰهِ - আল্লাহর

আর সাতবার বলুন,

أَعُوْذُ بِاللّٰهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ

আ‘ঊযু বিল্লা-হি ওয়া ক্বুদরাতিহী মিন শাররি মা আজিদু ওয়া উহা-যিরু

এই যে ব্যথা আমি অনুভব করছি এবং যার আমি আশঙ্কা করছি, তা থেকে আমি আল্লাহ্‌র এবং তাঁর কুদরতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
أَعُوْذُ - আমি আশ্রয় চাই
بِاللّٰهِ - আল্লাহর নিকট
وَقُدْرَتِهِ - এবং তার কুদরত/ক্ষমতা
مِنْ - হতে
شَرِّ - অনিষ্ট
مَا - যা
أَجِدُ - আমি অনুভব করছি
وَأُحَاذِرُ - এবং আশংকা করছি

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/১৭২৮, নং ২২০২

আপনার দেহের যে স্থানে আপনি ব্যথা অনুভব করছেন, সেখানে আপনার হাত রেখে তিনবার বলুন,

بِسْمِ (শুরু করছি ) নামে اللّٰهِ আল্লাহর

আল্লাহর নামে।

আর সাতবার বলুন,

أَعُوْذُ আমি আশ্রয় চাই بِاللّٰهِ আল্লাহর নিকট وَقُدْرَتِهِ এবং তার কুদরত/ক্ষমতা مِنْ হতে شَرِّ অনিষ্ট مَا যা أَجِدُ আমি অনুভব করছি وَأُحَاذِرُ এবং আশংকা করছি

এই যে ব্যথা আমি অনুভব করছি এবং যার আমি আশঙ্কা করছি, তা থেকে আমি আল্লাহ্‌র এবং তাঁর কুদরতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/১৭২৮, নং ২২০২

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোআ

📄 অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোআ


অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোআ

অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোআ

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের (তার স্ত্রীদের) কাউকে ঝাড়ার সময় ডান হাত দিয়ে মাসাহ্ করতেন এবং বলতেন,

أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا

আযহিবিল বা-'স রাব্বান না-স, ওয়াশফি , আনতাশ শা-ফী, লা- শিফা- আ ইল্লা- শিফা-উকা, শিফা-আন লা- ইউগা-দিরু সাক্কামান।

হে আল্লাহ, হে মানুষের প্রতিপালক, অসুবিধা দূর করুন, সুস্থতা দান করুন, আপনিই শিফা বা সুস্থতা দানকারী, আপনার শিফা (সুস্থতা প্রদান বা রোগ নিরাময়) ছাড়া আর কোনো শিফা নেই, এমনভাবে শিফা দান করুন যার পরে আর কোনো অসুস্থতা-রোগব্যাধি অবশিষ্ট থাকবে না।

রেফারেন্স: [১] বুখারী (৭৯-কিতাবুত তিব্ব, ৩৭-বাব রুকইয়াতিন নাবিয়্যি) ৫/২১৬৮ (ভারতীয় ২/৮৫৫); মুসলিম (৩৯-কিতাবুস সালাম, ১৯-বাব ইসতিহবাবি রুকইয়াতিল মারীদ) ৪/১৭২১-১৭২২ (ভারতীয় ২/২২২)।

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের (তার স্ত্রীদের) কাউকে ঝাড়ার সময় ডান হাত দিয়ে মাসাহ্ করতেন এবং বলতেন,

أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا

হে আল্লাহ, হে মানুষের প্রতিপালক, অসুবিধা দূর করুন, সুস্থতা দান করুন, আপনিই শিফা বা সুস্থতা দানকারী, আপনার শিফা (সুস্থতা প্রদান বা রোগ নিরাময়) ছাড়া আর কোনো শিফা নেই, এমনভাবে শিফা দান করুন যার পরে আর কোনো অসুস্থতা-রোগব্যাধি অবশিষ্ট থাকবে না।

রেফারেন্স: [১] বুখারী (৭৯-কিতাবুত তিব্ব, ৩৭-বাব রুকইয়াতিন নাবিয়্যি) ৫/২১৬৮ (ভারতীয় ২/৮৫৫); মুসলিম (৩৯-কিতাবুস সালাম, ১৯-বাব ইসতিহবাবি রুকইয়াতিল মারীদ) ৪/১৭২১-১৭২২ (ভারতীয় ২/২২২)।

অসুস্থতা ও বদ-নযরের মাসনূন দুআ

অসুস্থতা ও বদ-নযরের মাসনূন দুআ

بِسْمِ اللّٰهِ أُرْقِيْكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيْكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ، اَللّٰهُ يَشْفِيْكَ، بِسْمِ اللّٰهِ أُرْقِيْكَ

বিসমিল্লা-হি র্আক্কীক, মিন কুল্লি শাইয়িন ইউ’যীক, মিন র্শারি কুল্লি নাফসিন আউ আইনিন ‘হা-সিদিন, আল্লা-হু ইয়াশফীক, বিসমিল্লা-হি র্আক্কীক।

আল্লাহর নামে তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি, সকল কিছু থেকে যা তোমাকে কষ্ট দেয়, সকল প্রাণী ও হিংসুক চক্ষুর অনিষ্ট থেকে, আল্লাহ তোমাকে রোগমুক্ত করবেন, আল্লাহর নামে তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি।

রেফারেন্স: মুসলিম (৩৯-কিতাবুস সালাম, ১৬-বাবুত তিব্ব) ৪/১৭১৮ (ভারতীয় ২/২১৯); ইবন মাজাহ (৩১-কিতাবুত তিব্ব, ৩৬-বাব মা উওয়িযা বিহী...) ২/১১৬৪ (ভারতীয় ২/১৮৪); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২২৯

আবূ সাঈদ খুদরী (রা) বলেন, জিবরাঈল (আ) রাসূলুল্লাহ (স)-এর কাছে আগমন করেন (তখন তিনি জ্বরাক্রান্ত ছিলেন)। জিবরাঈল (আ) বলেন, মুহাম্মাদ, আপনি কি অসুস্থ? তিনি বলেন: হ্যাঁ। তখন তিনি উপরের কথাগুলো বলেন।

بِسْمِ اللّٰهِ أُرْقِيْكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيْكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ، اَللّٰهُ يَشْفِيْكَ، بِسْمِ اللّٰهِ أُرْقِيْكَ

আল্লাহর নামে তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি, সকল কিছু থেকে যা তোমাকে কষ্ট দেয়, সকল প্রাণী ও হিংসুক চক্ষুর অনিষ্ট থেকে, আল্লাহ তোমাকে রোগমুক্ত করবেন, আল্লাহর নামে তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি।

রেফারেন্স: মুসলিম (৩৯-কিতাবুস সালাম, ১৬-বাবুত তিব্ব) ৪/১৭১৮ (ভারতীয় ২/২১৯); ইবন মাজাহ (৩১-কিতাবুত তিব্ব, ৩৬-বাব মা উওয়িযা বিহী...) ২/১১৬৪ (ভারতীয় ২/১৮৪); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২২৯

অসুস্থতা, ক্ষত ও ব্যাথ্যার দুআ

অসুস্থতা, ক্ষত ও ব্যাথ্যার দুআ

بِسْمِ اللّٰهِ تُرْبَةُ أَرْضِنَا بِرِيْقَةِ بَعْضِنَا يُشْفَى (بِهِ) سَقِيمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا

বিসমিল্লা-হ। তুরবাতু আরদ্বিনা, বিরীক্কাতি বা‘অদ্বিনা, ইউশফা (বিহী) সাক্কীমুনা, বিইযনি রাব্বিনা-।

আল্লাহর নামে। আমাদের যমিনের মাটি, আমাদের কারো লালার সাথে, যেন আমাদের অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করে, আমাদের রবের অনুমতিতে।

রেফারেন্স: বুখারী (৭৯-কিতাবুত তিব্ব, ৩৭-বাব রুকইয়াতিন নাবিয়্যি) ৫/২১৬৮ (ভারতীয় ২/৮৫৫); মুসলিম (৩৯-কিতাবুস সালাম,২১-বাব ইসতিহবাবির রুকইয়া...) ৪/১৭২৪ (ভারতীয় ২/২২৩); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৩০

আয়েশা (রা) বলেন, কারো দেহের কোথাও অসুস্থতা, ব্যাথ্যা বা ক্ষত হলে রাসূলুল্লাহ (স) তাঁর (শাহাদাত) আঙুল মাটিতে রেখে তা উঠিয়ে এ দুআটি পাঠ করতেন। অন্য বর্ণনায় তিনি আঙুলে নিজের মুখের সামান্য লালা লাগিয়ে আঙুলটি মাটিতে রাখতেন এরপর তা ব্যাথ্যার স্থানে রেখে এ দুআটি বলতেন।

بِسْمِ اللّٰهِ تُرْبَةُ أَرْضِنَا بِرِيْقَةِ بَعْضِنَا يُشْفَى (بِهِ) سَقِيمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا

আল্লাহর নামে। আমাদের যমিনের মাটি, আমাদের কারো লালার সাথে, যেন আমাদের অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করে, আমাদের রবের অনুমতিতে।

রেফারেন্স: বুখারী (৭৯-কিতাবুত তিব্ব, ৩৭-বাব রুকইয়াতিন নাবিয়্যি) ৫/২১৬৮ (ভারতীয় ২/৮৫৫); মুসলিম (৩৯-কিতাবুস সালাম,২১-বাব ইসতিহবাবির রুকইয়া...) ৪/১৭২৪ (ভারতীয় ২/২২৩); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৩০

নিজের ও অন্যের রোগমুক্তির দুআ

নিজের ও অন্যের রোগমুক্তির দুআ

আল-মু‘আওয়িযাত: সূরা ইখলাস,

﷽ قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ‌ ۚ‏﴿١﴾ اَللّٰهُ الصَّمَدُ‌ ۚ‏﴿٢﴾ لَمۡ يَلِدۡ ۙوَلَمۡ يُوۡلَدۡ ۙ‏﴿٣﴾ وَلَمۡ يَكُنۡ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿٤﴾‏‏ ‏

ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।

রেফারেন্স: বুুখারী (৬৭-কিতাবুল মাগাযী, ৭৮-বাব মারাদিন্নাবিয়্যি ...) ৪/১৬১৪ (ভারতীয় ২/৬৩৯); মুসলিম (৩৯-কিতাবুস সালাম, ২০-বাব রুকইয়াতুল মারীয...) ৪/১৭২৩ (ভারতীয় ২/২২২);

ও সূরা ফালাক,

﷽ قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِۙ‏ ﴿١﴾ مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَۙ‏ ﴿٢﴾ وَمِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَۙ‏ ﴿٣﴾ وَمِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى الۡعُقَدِۙ‏ ﴿٤﴾ وَمِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ

বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।

ও সূরা নাস,

﷽ قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِۙ‏ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِۙ‏ ﴿٢﴾ اِلٰهِ النَّاسِۙ‏ ﴿٣﴾ مِنۡ شَرِّ الۡوَسۡوَاسِ ۙ الۡخَـنَّاسِ ۙ‏﴿٤﴾ الَّذِىۡ يُوَسۡوِسُ فِىۡ صُدُوۡرِ النَّاسِۙ‏ ﴿٥﴾ مِنَ الۡجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সি, ইলা-হিন্নাসি, মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-সি, মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।

বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৩২

আয়েশা (রা) বলেন: “রাসূলুল্লাহ (স) অসুস্থ হলে তিনি মুআওয়িযাত সূরাগুলো (ইখলাস, ফালাক ও নাস) পাঠ করে নিজের দেহে ফুঁক দিতেন এবং নিজের হাত নিজ দেহে বুলাতেন। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাঁর পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তিনি এ সূরাগুলো পাঠ করে তাকে ফুঁক দিতেন এবং নিজ হাত তার দেহে বুলাতেন। তিনি তাঁর ওফাতের পূর্বে যখন অসুস্থ হলেন তখন আমি নিজে সূরাগুলো পড়ে তাঁকে ফুঁক দিতাম এবং তাঁর নিজের হাত দিয়ে তাঁর দেহ ‘মাসহ’ করতাম (বুলাতাম)।” আমরা ইতোপূর্বে রাত্রে বিছানায় শয়নের সময় নিয়মিত যিকরের মধ্যেও এভাবে সূরাগুলো পাঠ করার কথা জেনেছি।

আল-মু‘আওয়িযাত: সূরা ইখলাস,

قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ‌ ۚ‏﴿١﴾ اَللّٰهُ الصَّمَدُ‌ ۚ‏﴿٢﴾ لَمۡ يَلِدۡ ۙوَلَمۡ يُوۡلَدۡ ۙ‏﴿٣﴾ وَلَمۡ يَكُنۡ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿٤﴾‏‏ ‏

বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।

রেফারেন্স: বুুখারী (৬৭-কিতাবুল মাগাযী, ৭৮-বাব মারাদিন্নাবিয়্যি ...) ৪/১৬১৪ (ভারতীয় ২/৬৩৯); মুসলিম (৩৯-কিতাবুস সালাম, ২০-বাব রুকইয়াতুল মারীয...) ৪/১৭২৩ (ভারতীয় ২/২২২);

ও সূরা ফালাক,

قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِۙ‏ ﴿١﴾ مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَۙ‏ ﴿٢﴾ وَمِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَۙ‏ ﴿٣﴾ وَمِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى الۡعُقَدِۙ‏ ﴿٤﴾ وَمِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।

ও সূরা নাস,

قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِۙ‏ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِۙ‏ ﴿٢﴾ اِلٰهِ النَّاسِۙ‏ ﴿٣﴾ مِنۡ شَرِّ الۡوَسۡوَاسِ ۙ الۡخَـنَّاسِ ۙ‏﴿٤﴾ الَّذِىۡ يُوَسۡوِسُ فِىۡ صُدُوۡرِ النَّاسِۙ‏ ﴿٥﴾ مِنَ الۡجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৩২

জ্বর ও ব্যাথার দুআ

জ্বর ও ব্যাথার দুআ

بِسْمِ اللّٰهِ الْكَبِيْرِ أَعُوْذُ بِاللّٰهِ الْعَظِيْمِ مِنْ شَرِّ كُلِّ عِرْقٍ نَعَّارٍ وَمِنْ شَرِّ حَرِّ النَّارِ

বিসমিল্লা-হিল কাবীর, আ‘ঊযু বিল্লা-হিল ‘আযীমি মিন র্শারি কুল্লি ‘ইরক্কিন না‘অ্‘আরিন ওয়া মিন র্শারি ‘র্হারিন না-র।

সুমহান আল্লাহর নামে। আমি মহান আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করছি, সকল রক্তবাহী শিরা-উপশিরার ক্ষতি থেকে এবং আগুনের উত্তাপের ক্ষতি থেকে।

রেফারেন্স: তিরমিযী, আস-সুনান (২৯-কিতাবুত তিব্ব, ২৬-বাব) ৪/৩৫৩-৩৫৪ (ভারতীয় ২/২৭); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৩৬

“আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) জ্বর এবং সকল রোগব্যাধি-ব্যাথাবেদনার জন্য এ দুআটি শিক্ষা দিতেন।” হাদীসটি যয়ীফ।

بِسْمِ اللّٰهِ الْكَبِيْرِ أَعُوْذُ بِاللّٰهِ الْعَظِيْمِ مِنْ شَرِّ كُلِّ عِرْقٍ نَعَّارٍ وَمِنْ شَرِّ حَرِّ النَّارِ

সুমহান আল্লাহর নামে। আমি মহান আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করছি, সকল রক্তবাহী শিরা-উপশিরার ক্ষতি থেকে এবং আগুনের উত্তাপের ক্ষতি থেকে।

রেফারেন্স: তিরমিযী, আস-সুনান (২৯-কিতাবুত তিব্ব, ২৬-বাব) ৪/৩৫৩-৩৫৪ (ভারতীয় ২/২৭); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৩৬

পেট ব্যাথার জন্য সালাত আদায়

পেট ব্যাথার জন্য সালাত আদায়

আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, “রাসূলুল্লাহ স দ্বিপ্রহরের প্রথমেই বেরিয়ে (মসজিদে) আসেন। আমিও এ সময়েই আসি। আমি (তাহিয়্যাতুল মাসজিদ) সালাত আদায় করে বসি। তখন তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বলেন, তুমি কি পেটের ব্যাথায় কষ্ট পাচ্ছ? আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বলেন: তুমি উঠে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় কর; কারণ সালাতের মধ্যেই রোগমুক্তি বিদ্যমান।” হাদীসটির সনদ দুর্বল।

-

রেফারেন্স: ইবন মাজাহ আস-সুনান (৩১-কিতাবুত তিব্ব, ১০-বাবুস সালাত শিফা) ২/১১৪৪ (ভারতীয় ২/২৪৭); আলবানী, যায়ীফাহ ৫/৪৬৮,৯/৬২

আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, “রাসূলুল্লাহ স দ্বিপ্রহরের প্রথমেই বেরিয়ে (মসজিদে) আসেন। আমিও এ সময়েই আসি। আমি (তাহিয়্যাতুল মাসজিদ) সালাত আদায় করে বসি। তখন তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বলেন, তুমি কি পেটের ব্যাথায় কষ্ট পাচ্ছ? আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বলেন: তুমি উঠে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় কর; কারণ সালাতের মধ্যেই রোগমুক্তি বিদ্যমান।” হাদীসটির সনদ দুর্বল।

-

রেফারেন্স: ইবন মাজাহ আস-সুনান (৩১-কিতাবুত তিব্ব, ১০-বাবুস সালাত শিফা) ২/১১৪৪ (ভারতীয় ২/২৪৭); আলবানী, যায়ীফাহ ৫/৪৬৮,৯/৬২

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বিষাক্ত দংশন-এর দুআ

📄 বিষাক্ত দংশন-এর দুআ


বিষাক্ত দংশন-এর দুআ

বিষাক্ত দংশন-এর দুআ

সাপ, বিচ্ছু ইত্যাদির বিষাক্ত দংশনের জন্য দ্রুত ঔষধ ও চিকিৎসা গ্রহণের চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি দুআ পাঠ করতে হবে। আমরা দেখেছি যে, একজন সাহাবী সূরা ফাতিহা পাঠ করে সাপে কামড়ানো ব্যক্তির চিকিৎসা করেন। “অন্য হাদীসে আলী (রা) বলেন: “এক রাতে রাসূলুল্লাহ (স) সালাত আদায় করছিলেন। সালতের মধ্যে তিনি মাটিতে হাত রাখেন। তখন একটি বিচ্ছু তাকে দংশন করে। তিনি বিচ্ছুটিকে তার পাদুকা দিয়ে ধরে মেরে ফেলেন। সালাত শেষ করে তিনি বলেন: অভিশপ্ত বিচ্ছু! মুসাল্লী ও অ-মুসাল্লী বা নবী ও অন্যান্য কাউকেই সে ছাড়ে না! এরপর তিনি পানি ও লবণ নিয়ে আসতে বলেন। তিনি একটি পাত্রে পানি ও লবণ মিশ্রিত করে তাঁর দংশিত আঙুলের উপর ঢালেন, তাতে হাত বুলান এবং সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করে দুআ করেন। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তিনি সূরা কাফিরূন, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করেন।” হাদীসটি সহীহ।

-

রেফারেন্স: তাবারানী, আল-মু'জামুল আউসাত ৬/৯১; আল-মু'জামুস সাগীর ২/৮৭; ইবন আবী শাইবা, আল-মুসান্নাফ ৭/৩৯৮; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৫/১৯১; আলবানী, সাহীহাহ ২/৪৭।

সাপ, বিচ্ছু ইত্যাদির বিষাক্ত দংশনের জন্য দ্রুত ঔষধ ও চিকিৎসা গ্রহণের চেষ্টা করতে হবে। পাশাপাশি দুআ পাঠ করতে হবে। আমরা দেখেছি যে, একজন সাহাবী সূরা ফাতিহা পাঠ করে সাপে কামড়ানো ব্যক্তির চিকিৎসা করেন। “অন্য হাদীসে আলী (রা) বলেন: “এক রাতে রাসূলুল্লাহ (স) সালাত আদায় করছিলেন। সালতের মধ্যে তিনি মাটিতে হাত রাখেন। তখন একটি বিচ্ছু তাকে দংশন করে। তিনি বিচ্ছুটিকে তার পাদুকা দিয়ে ধরে মেরে ফেলেন। সালাত শেষ করে তিনি বলেন: অভিশপ্ত বিচ্ছু! মুসাল্লী ও অ-মুসাল্লী বা নবী ও অন্যান্য কাউকেই সে ছাড়ে না! এরপর তিনি পানি ও লবণ নিয়ে আসতে বলেন। তিনি একটি পাত্রে পানি ও লবণ মিশ্রিত করে তাঁর দংশিত আঙুলের উপর ঢালেন, তাতে হাত বুলান এবং সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করে দুআ করেন। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তিনি সূরা কাফিরূন, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করেন।” হাদীসটি সহীহ।

-

রেফারেন্স: তাবারানী, আল-মু'জামুল আউসাত ৬/৯১; আল-মু'জামুস সাগীর ২/৮৭; ইবন আবী শাইবা, আল-মুসান্নাফ ৭/৩৯৮; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৫/১৯১; আলবানী, সাহীহাহ ২/৪৭।

ফন্ট সাইজ
15px
17px