📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সুসন্তান লাভের জন্য দোআ [৩৭:১০০]

📄 সুসন্তান লাভের জন্য দোআ [৩৭:১০০]


সুসন্তান লাভের জন্য দোয়া [৩৭:১০০]

সুসন্তান লাভের জন্য দোয়া [৩৭:১০০]

رَبِّ هَبۡ لِىۡ مِنَ الصّٰلِحِيۡنَ

রব্বি হাব্লী মিনাছ্ ছোয়া-লিহীন্।

‘হে আমার রব, আমাকে সৎকর্মশীল সন্তান দান করুন

রেফারেন্স: সূরা আস-সাফফাত - ৩৭:১০০

দোয়ার প্রেক্ষাপট: নেক-সন্তান প্রাপ্তির জন্য আল্লাহর নিকট হযরত ইব্রাহীম (আ.)-এর দু'আ।

رَبِّ هَبۡ لِىۡ مِنَ الصّٰلِحِيۡنَ

‘হে আমার রব, আমাকে সৎকর্মশীল সন্তান দান করুন

রেফারেন্স: সূরা আস-সাফফাত - ৩৭:১০০

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 ক্ষমা এবং রহমত প্রার্থনা [৩৮:৩৫]

📄 ক্ষমা এবং রহমত প্রার্থনা [৩৮:৩৫]


ক্ষমা এবং রহমত প্রার্থনা [৩৮:৩৫]

ক্ষমা এবং রহমত প্রার্থনা [৩৮:৩৫]

رَبِّ اغۡفِرۡ لِىۡ وَهَبۡ لِىۡ مُلۡكًا لَّا يَنۡۢبَغِىۡ لِاَحَدٍ مِّنۡۢ بَعۡدِىۡ‌ۚ اِنَّكَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ‏

রব্বিগ্ র্ফিলী অহাব্লী মুল্কাল্ লা-ইয়াম্বাগী লিআহাদিম্ মিম্ বা’দী ইন্নাকা আন্তাল্ অহ্হা-ব্।

হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন এক রাজত্ব দান করুন যা আমার পর আর কারও জন্যই প্রযোজ্য হবে না। নিশ্চয়ই আপনি বড়ই দানশীল।

রেফারেন্স: সূরা ছোয়াদ - ৩৮:৩৫

দোয়ার প্রেক্ষাপট: আল্লাহ তা'আলা হযরত সুলাইমান (আ.)-এর সিংহাসনের উপর একটি দেহ ফেলে রেখে তাঁকে পরীক্ষায় নিপতিত করলে (ইনশা-আল্লাহ না বলায়) তিনি আল্লাহমুখী হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা ও রাজত্ব প্রদানে এরূপ দু'আ করেন। ফলে আল্লাহ তা'আলা তাঁর উপির খুশী হয়ে তাকে যে রাজত্ব দান করেন তার ব্যাপ্তি ছিলো বাতাস, জ্বীন জাতি এবং পাখিদের উপরও। এরকম রাজত্ব তাঁর পরে কেউ কখনো লাভ করেনি। সহীহ হাদীসে এসেছে-মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ থেকে বর্ণিত। তিনি আবু হুরায়রা (রা.) বলতে শুনেছেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন ঃ গতরাতে এক দুষ্ট জ্বীন আমার নামাজ নষ্ট করার জন্যে আমার উপর আক্রমণ করতে শুরু করলো। তবে আল্লাহ তা'আলা আমাকে তাকে কাবু করার শক্তি দান করলেন। আমি তাকে গলা টিপে ধরেছিলাম। আমার ইচ্ছা হলো তাকে মসজিদের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি যাতে সকাল বেলা তোমরা সবাই তাকে দেখতে পাও। কিন্তু তখনই আমার স্মরণ হলো আমার ভাই সুলাইমানের দু'আর কথা। (তিনি দু'আ করেছিলেন) 'রব্বিগফিরলি ওয়া হাবলি মুলকাল লা ইয়ামবাগী লি আহাদিম মিম বা'দী- হে প্রভু! তুমি আমাকে এমন রাজত্ব দান করো যা আমার পরে আর কারো জন্যে যেন না হয়। (অর্থাৎ জ্বীন,বাতাস ও পশু পাখির ওপর রাজত্ব করার ক্ষমতা,তাই আমি তাকে বেঁধে রাখা থেকে বিরত থাকলাম) অতঃপর আল্লাহ তা'আলা জ্বীনটিকে (আমার হাতে) লাঞ্চিত করে তাড়িয়ে দিলেন-(সহীহ মুসলিম - ২য় খন্ড মসজিদ ও নামাজের স্থান অধ্যায়, হাদীস নং-১০৯৮)

رَبِّ اغۡفِرۡ لِىۡ وَهَبۡ لِىۡ مُلۡكًا لَّا يَنۡۢبَغِىۡ لِاَحَدٍ مِّنۡۢ بَعۡدِىۡ‌ۚ اِنَّكَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ‏

হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন এক রাজত্ব দান করুন যা আমার পর আর কারও জন্যই প্রযোজ্য হবে না। নিশ্চয়ই আপনি বড়ই দানশীল।

রেফারেন্স: সূরা ছোয়াদ - ৩৮:৩৫

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 অসুস্থতা ও দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আইয়ুব (আঃ) এর প্রার্থনা [৩৮:৪১]

📄 অসুস্থতা ও দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আইয়ুব (আঃ) এর প্রার্থনা [৩৮:৪১]


অসুস্থতা ও দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আইয়ুব (আঃ) এর প্রার্থনা [৩৮:৪১]

অসুস্থতা ও দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আইয়ুব (আঃ) এর প্রার্থনা [৩৮:৪১]

اَنِّىۡ مَسَّنِىَ الشَّيۡطٰنُ بِنُصۡبٍ وَّعَذَابٍؕ‏

আন্নী মাস্ সানিয়াশ্ শাইত্বোয়া-নু বিনুছ্বিঁও অ‘আযা-ব্।

শয়তান তো আমাকে কষ্ট ও আযাবের ছোঁয়া দিয়েছে

রেফারেন্স: সূরা ছোয়াদ - ৩৮:৪১

দোয়ার প্রেক্ষাপট: রোগাক্রান্ত ও যন্ত্রনায় হযরত আইউব (আ.)- আল্লাহর দরবারে এরূপ ফরিয়াদ করেছিলেন, আল্লাহ তা'আলা এ দু'আর বরকতে তাঁকে পূর্ণ আরোগ্যতা দান করেন।

اَنِّىۡ مَسَّنِىَ الشَّيۡطٰنُ بِنُصۡبٍ وَّعَذَابٍؕ‏

শয়তান তো আমাকে কষ্ট ও আযাবের ছোঁয়া দিয়েছে

রেফারেন্স: সূরা ছোয়াদ - ৩৮:৪১

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 ক্ষমা এবং জাহান্নাম হতে মুক্তি চাওয়ার দোয়া [৪০:৭-৯]

📄 ক্ষমা এবং জাহান্নাম হতে মুক্তি চাওয়ার দোয়া [৪০:৭-৯]


ক্ষমা এবং জাহান্নাম হতে মুক্তি চাওয়ার দোয়া [৪০:৭-৯]

ক্ষমা এবং জাহান্নাম হতে মুক্তি চাওয়ার দোয়া [৪০:৭-৯]

رَبَّنَا وَسِعۡتَ كُلَّ شَىۡءٍ رَّحۡمَةً وَّعِلۡمًا فَاغۡفِرۡ لِلَّذِيۡنَ تَابُوۡا وَاتَّبَعُوۡا سَبِيۡلَكَ وَقِهِمۡ عَذَابَ الۡجَحِيۡمِ‏

রব্বানা-অসিতা কুল্লা শাইর্য়ি রহ্মাতাঁও অ‘ইল্মান্ ফার্গ্ফি লিল্লাযীনা তা-বূ অত্তাবা‘ঊ সাবীলাকা অক্বিহিম্ ‘আযা-বাল্ জ্বাহীম্

হে আমাদের রব, আপনি রহমত ও জ্ঞান দ্বারা সব কিছুকে পরিব্যপ্ত করে রয়েছেন। অতএব যারা তাওবা করে এবং আপনার পথ অনুসরণ করে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আর জাহান্নামের আযাব থেকে আপনি তাদেরকে রক্ষা করুন

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
رَبَّنَا - হে আমাদের রব
وَسِعۡتَ - তুমি ঘিরে রেখেছো
كُلَّ - প্রত্যেক
شَىۡءٍ - জিনিস
رَّحۡمَةً - অনুগ্রহে
وَّعِلۡمًا - ও জ্ঞানে
فَاغۡفِرۡ - তাই মাফ করো
لِلَّذِيۡنَ - (তাদের)-কে যারা
تَابُوۡا - তওবা করে
وَاتَّبَعُوۡا - ও অনুসরণ করে
سَبِيۡلَكَ - তোমার পথ
وَقِهِمۡ - এবং তাদেরকে বাঁচাও
عَذَابَ - শাস্তি (হ'তে)
الۡجَحِيۡمِ‏ - জাহান্নামের

رَبَّنَا وَاَدۡخِلۡهُمۡ جَنّٰتِ عَدۡنِ اۨلَّتِىۡ وَعَدْتَّهُمۡ وَمَنۡ صَلَحَ مِنۡ اٰبَآئِهِمۡ وَاَزۡوَاجِهِمۡ وَذُرِّيّٰتِهِمۡ ؕاِنَّكَ اَنۡتَ الۡعَزِيۡزُ الۡحَكِيۡمُۙ‏

রব্বানা-অ‘আদ্খিল্হুম্ জ্বান্না-তি ‘আদ্নি নিল্লাতী অ‘আত্তাহুম্ অমান্ ছলাহা মিন্ আ-বা-য়িহিম্ অআয্ওয়া জ্বিহিম্ অর্যুরিয়্যা-তিহিম্; ইন্নাকা আন্তাল্ ‘আযীযুল্ হাকীম্।

হে আমাদের রব, আর আপনি তাদেরকে স্থায়ী জান্নাতে প্রবেশ করান, যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন। আর তাদের পিতা-মাতা, পতি-পত্নি ও সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে যারা সৎকর্ম সম্পাদন করেছে তাদেরকেও। নিশ্চয় আপনি মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাময়

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
رَبَّنَا - হে আমাদের রব
وَاَدۡخِلۡهُمۡ - এবং তাদের প্রবেশ করাও
جَنّٰتِ - জান্নাত সমূহে
عَدۡنِ - চিরস্থায়ী
اۨلَّتِىۡ - যা
وَعَدْتَّهُمۡ - তাদের তুমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছো
وَمَنۡ - এবং যারা
صَلَحَ - সৎকর্ম করেছে
مِنۡ - মধ্যে হ'তে
اٰبَآئِهِمۡ - তাদের বাপ-দাদাদের
وَاَزۡوَاجِهِمۡ - ও তাদের পতি-পত্নীদের
وَذُرِّيّٰتِهِمۡ - ও তাদের বংশধরদের
ؕاِنَّكَ - তুমি নিশ্চয়ই
اَنۡتَ - তুমিই
الۡعَزِيۡزُ - পরাক্রমশালী
الۡحَكِيۡمُۙ‏ - প্রজ্ঞাময়

وَقِهِمُ السَّيِّاٰتِ ؕوَمَنۡ تَقِ السَّيِّاٰتِ يَوْمَئِذٍ فَقَدۡ رَحِمۡتَهٗ ؕوَذٰلِكَ هُوَ الۡفَوۡزُ الۡعَظِيۡمُ‏

অ ক্বিহিমুস্ সাইয়িয়া-ত্; অমান্ তাক্বিস্ সাইয়িয়া-তি ইয়াওমায়িযিন্ ফাক্বদ্ রহিম্তাহ্ ; অ যা-লিকা হুওয়াল্ ফাওযুল্ ‘আজীম্।

আর আপনি তাদের অপরাধের আযাব হতে রক্ষা করুন এবং সেদিন আপনি যাকে অপরাধের আযাব থেকে রক্ষা করবেন, অবশ্যই তাকে অনুগ্রহ করবেন। আর এটিই মহাসাফল্য

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَقِهِمُ - এবং বাঁচাও তাদেরকে
السَّيِّاٰتِ - (সব) মন্দ (হ'তে)
ؕوَمَنۡ - এবং যাকে
تَقِ - বাঁচাবে
السَّيِّاٰتِ - (সব) মন্দ (হ'তে)
يَوْمَئِذٍ - সেদিন
فَقَدۡ - তাহ'লে নিশ্চয়ই
رَحِمۡتَهٗ - তাকে অনুগ্রহ করবে
ؕوَذٰلِكَ - এবং এটা
هُوَ - সেই
الۡفَوۡزُ - সাফল্য
الۡعَظِيۡمُ‏ - মহা

রেফারেন্স: সূরা গাফির - ৪০:৭-৯

দোয়ার প্রেক্ষাপট: মু'মিন ও তওবাকারীকে ক্ষমা, জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত প্রদানের জন্য আল্লাহর আরশ বহনকারী ফেরেশতাদের দু'আ।

رَبَّنَا হে আমাদের রব وَسِعۡتَ তুমি ঘিরে রেখেছো كُلَّ প্রত্যেক شَىۡءٍ জিনিস رَّحۡمَةً অনুগ্রহে وَّعِلۡمًا ও জ্ঞানে فَاغۡفِرۡ তাই মাফ করো لِلَّذِيۡنَ (তাদের)-কে যারা تَابُوۡا তওবা করে وَاتَّبَعُوۡا ও অনুসরণ করে سَبِيۡلَكَ তোমার পথ وَقِهِمۡ এবং তাদেরকে বাঁচাও عَذَابَ শাস্তি (হ'তে) الۡجَحِيۡمِ‏ জাহান্নামের

হে আমাদের রব, আপনি রহমত ও জ্ঞান দ্বারা সব কিছুকে পরিব্যপ্ত করে রয়েছেন। অতএব যারা তাওবা করে এবং আপনার পথ অনুসরণ করে আপনি তাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আর জাহান্নামের আযাব থেকে আপনি তাদেরকে রক্ষা করুন

رَبَّنَا হে আমাদের রব وَاَدۡخِلۡهُمۡ এবং তাদের প্রবেশ করাও جَنّٰتِ জান্নাত সমূহে عَدۡنِ চিরস্থায়ী اۨلَّتِىۡ যা وَعَدْتَّهُمۡ তাদের তুমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছো وَمَنۡ এবং যারা صَلَحَ সৎকর্ম করেছে مِنۡ মধ্যে হ'তে اٰبَآئِهِمۡ তাদের বাপ-দাদাদের وَاَزۡوَاجِهِمۡ ও তাদের পতি-পত্নীদের وَذُرِّيّٰتِهِمۡ ও তাদের বংশধরদের ؕاِنَّكَ তুমি নিশ্চয়ই اَنۡتَ তুমিই الۡعَزِيۡزُ পরাক্রমশালী الۡحَكِيۡمُۙ‏ প্রজ্ঞাময়

হে আমাদের রব, আর আপনি তাদেরকে স্থায়ী জান্নাতে প্রবেশ করান, যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন। আর তাদের পিতা-মাতা, পতি-পত্নি ও সন্তান-সন্ততিদের মধ্যে যারা সৎকর্ম সম্পাদন করেছে তাদেরকেও। নিশ্চয় আপনি মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাময়

وَقِهِمُ এবং বাঁচাও তাদেরকে السَّيِّاٰتِ (সব) মন্দ (হ'তে) ؕوَمَنۡ এবং যাকে تَقِ বাঁচাবে السَّيِّاٰتِ (সব) মন্দ (হ'তে) يَوْمَئِذٍ সেদিন فَقَدۡ তাহ'লে নিশ্চয়ই رَحِمۡتَهٗ তাকে অনুগ্রহ করবে ؕوَذٰلِكَ এবং এটা هُوَ সেই الۡفَوۡزُ সাফল্য الۡعَظِيۡمُ‏ মহা

আর আপনি তাদের অপরাধের আযাব হতে রক্ষা করুন এবং সেদিন আপনি যাকে অপরাধের আযাব থেকে রক্ষা করবেন, অবশ্যই তাকে অনুগ্রহ করবেন। আর এটিই মহাসাফল্য

রেফারেন্স: সূরা গাফির - ৪০:৭-৯

ফন্ট সাইজ
15px
17px