📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [২:২৮৫]

📄 তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [২:২৮৫]


তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [২:২৮৫]

তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [২:২৮৫]

سَمِعۡنَا وَاَطَعۡنَا‌ غُفۡرَانَكَ رَبَّنَا وَاِلَيۡكَ الۡمَصِيۡرُ

সামি’না- অআত্বোয়া’না- গুফ্রা-নাকা রব্বানা- অইলাইকাল্ মার্ছীর

আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৫

দোয়ার প্রেক্ষাপট: ইসলাম গ্রহণ, আনুগত্যের স্বীকৃতি, ক্ষমা প্রার্থনা ও আখিরাতে আল্লাহর নিকট জবাবদিহিতার মানসিকতাসহ তওবা।

سَمِعۡنَا وَاَطَعۡنَا‌ غُفۡرَانَكَ رَبَّنَا وَاِلَيۡكَ الۡمَصِيۡرُ

আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৫

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]

📄 অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]


অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]

অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِيۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ‌ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحۡمِلۡ عَلَيۡنَاۤ اِصۡرًا كَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَى الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ‌‌ۚرَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ‌ ۚوَاعۡفُ عَنَّا وَاغۡفِرۡ لَنَا وَارۡحَمۡنَا اَنۡتَ مَوْلَىٰنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ

রব্বানা- লা-তুআ-খিয্না য় ইন্নাসী য় না-আও আখ্ত্বোয়ানা-, রব্বানা- অলা-তাহ্মিল্ ‘আলাইনায় ইছরান কামা-হামাল্তাহূ ‘আলাল্লাযীনা মিন্ ক্বাব্লিনা-, রব্বানা- অলা-তুহাম্মিল্না- মা-লা-ত্বোয়া-ক্বাতা লানা-বিহ্;অ’ফু ‘আন্না-অর্গ্ফি লানা- র্অহাম্না- আন্তা মাওলা-না- ফান্ছুরনা- ‘আলাল্ ক্বাওমিল্ কা-ফিরীন্

হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব, আমাদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদেরকে মার্জনা করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আর আমাদের উপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফির সমপ্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৬

সহীহ হাদীস থেকে জানা যায়-আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, একদিন জিবরীল (আ.) নবী (সা.)-এর কাছে বসা ছিলেন। সেই সময় তিনি উপর দিক থেকে দরজা খোলার একটা প্রচন্ড আওয়াজ শুনতে পেয়ে মাথা উঠিয়ে বললেন, এটি আসমানের একটি দরজা। আজকেই এটি খোলা হলো-ইতিপূর্বে আর কখনো খোলা হয়নি। আর এই দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা পৃথিবীতে নেমে আসলেন। আজকের এই দিনের আগে তিনি আর কখনো পৃথিবীতে আসেননি। তারপর তিনি সালাম দিয়ে বললেন, আপনি আপনাকে দেওয়া দুটি নূর বা আলোর সুসংবাদ গ্রহন করুন। আপনার পূর্বে আর কোন নবীকে তা দেয়া হয়নি। আর এই দুইটি নূর হলো ফাতিহাতুল কিতাব বা সূরা ফাতিহা এবং সূরা বাকারার শেষাংশ। এর যে কোন হরফ আপনি পড়বেন। তার মধ্যকার প্রার্থিত বিষয় আপনাকে দেয়া হবে-(সহীহ মুসলিম-৩য় খন্ড,আল-কুরআনের মর্যাদা অধ্যায়, হাদীস নং-১৭৫৪)। ফলে এ দু'আ আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে রাসূলুল্লাহ(সা.)-কে প্রদানকৃত দু'টি বিশেষ নূরের মধ্যকার একটি নূরের অংশ বিশেষ। এ দু'আ শেষে 'আমীন' বললে প্রার্থিত বিষয়গুলো কবুল করা হয় বলেও হাদীসে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও সহীহ হাদীসে রয়েছে-আবু মাসউদ আল-আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন: যে ব্যাক্তি রাতে সূরা আল বাকারার শেষ দুই আয়াত তিলওয়াত করবে তা তার সে রাতের জন্যে যথেষ্ট হবে - (সহীহ আল-বুখারী-৪র্থ খন্ড, কিতাবু ফাযায়েল কুরআন-কুরআনের ফযীলত অধ্যায়, হাদীস নং-২৮১৭)। অন্য সহীহ হাদীস-নোমান ইবনে বশীর (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ আসমান যমীন সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে একটি কিতাব লিখেছেন। সেই কিতাব থেকে দুটি আয়াত নাযিল করা হয়েছে। সেই দুইটি আয়াতের মাধ্যেমেই সূরা আল বাকারা সমাপ্ত করা হয়েছে। যে ঘরে তিন রাত এ দুইটি আয়াত তিলওয়াত করা হয় শয়তান সেই ঘরের কাছে আসতে পারে না - (জামে আত-তিরমিযী-৫ম খন্ড, আবওয়াবু ফাদাইলিল কুরআন-কুরআনের ফযীলত অধ্যায়, হাদীস নং-২৮১৮)

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِيۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ‌ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحۡمِلۡ عَلَيۡنَاۤ اِصۡرًا كَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَى الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ‌‌ۚرَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ‌ ۚوَاعۡفُ عَنَّا وَاغۡفِرۡ لَنَا وَارۡحَمۡنَا اَنۡتَ مَوْلَىٰنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ

হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব, আমাদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদেরকে মার্জনা করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আর আমাদের উপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফির সমপ্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৬

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 হিদায়াত প্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া [৩:৮-৯]

📄 হিদায়াত প্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া [৩:৮-৯]


হিদায়াত প্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া [৩:৮-৯]

হিদায়াত প্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া [৩:৮-৯]

رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ هَدَيۡتَنَا وَهَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَةً‌ ۚاِنَّكَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ‏

রব্বানা-লা-তুযিগ্ কুলূবানা- বা’দা ইয্ হাদাইতানা-অহাবলানা-মিল্ লাদুন্কা রহ্মাতান্ , ইন্নাকা আন্তাল্ অহ্হা-ব্

হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
رَبَّنَا - (তারা বলে) হে আমাদের রব
لَا - না
تُزِغۡ - বাঁকা করো
قُلُوۡبَنَا - আমাদের অন্তরগুলো
بَعۡدَ - এর পরে
اِذۡ - যখন
هَدَيۡتَنَا - আমাদের পথ প্রদর্শন করেছ তুমি
وَهَبۡ - এবং দাও
لَنَا - আমাদের জন্য
مِنۡ - থেকে
لَّدُنۡكَ - তোমার নিকট
رَحۡمَةً‌ - দয়া
ۚاِنَّكَ - নিশ্চয়ই
اَنۡتَ - তুমি
الۡوَهَّابُ‏ - মহাদাতা

رَبَّنَاۤ اِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوۡمٍ لَّا رَيۡبَ فِيۡهِ‌ؕ اِنَّ اللّٰهَ لَا يُخۡلِفُ الۡمِيۡعَادَ

রব্বানায় ইন্নাকা জ্বা-মি‘উন্ না-সি লিইয়াওমিল্ লা-রাইবা ফীহ্; ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়ুখ্লিফুল্ মী‘আ-দ্।

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি মানুষকে সমবেত করবেন এমন একদিন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
رَبَّنَاۤ - (তারা বলে) হে আমাদের রব
اِنَّكَ - তুমি নিশ্চয়ই
جَامِعُ - সমবেতকারী
النَّاسِ - মানুষদের
لِيَوۡمٍ - সে দিনের
لَّا - নেই (যাতে)
رَيۡبَ - কোনো সন্দেহ
فِيۡهِ‌ؕ - তার মধ্যে
اِنَّ - নিশ্চয়ই
اللّٰهَ - আল্লাহ
لَا - না
يُخۡلِفُ - ব্যতিক্রম করেন
الۡمِيۡعَادَ - প্রতিশ্রুতির

রেফারেন্স: সূরা আলে ইমরান - ৩:৮-৯

দোয়ার প্রেক্ষাপট: আল-কুরআন থেকে সঠিক পথপ্রাপ্তি ও হেদায়াতের উপর অটল-অবিচল থাকার জন্যে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা। শাহর ইবনে হাওশাব (র.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উম্মু সালাম (রা.) কে বললাম, হে উম্মুল মু'মিনীন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার নিকট অবস্থানকালে প্রায়শ কোন দু'আটি পড়তেন? উম্মে সালামা (রা.) বলেন, তিনি প্রায়শ এ দু'আ পড়তেন, -يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَي دِيْنِكَ ইয়া মুক্বল্লিবাল কুলুব,ছাব্বিত ক্বলবী আ'লা দ্বী-নিক। 'হে অন্তর সমূহের পরিবর্তনকারী,আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ'। উম্মু সালামা (রা.) বলেন,আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল,আপনি প্রায়শ 'হে অন্তরসমূহ পরিবর্তনকারী, আমার অন্তর তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ' দু'আটি কেন পড়েন? তিনি বললেন, হে উম্মু সালামা। এমন কোন মানুষ নেই যার অন্তর আল্লাহর দুই আঙ্গুলের মাঝখানে অবস্থিত নয়। তিনি যাকে ইচ্ছা(দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন থেকে) বাঁকা করে দেন। অত:পর রাবী মুআয ইবনে মুআয (র.) কুরআনের এ আয়াত তিলওয়াত করেন- رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَيْتَنَا.... রাব্বানা-লা-তুঝিগ কুলূবানা-বা‘দা ইয হাদাইতানা... 'হে আমাদের রব,আমাদের সৎপথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বিপথগামী করো না'-(জামে আত-তিরমিযী,৬ষ্ঠ খন্ড,আবওয়াবুদ দাওয়াত-দু'আ বিষয়ক অধ্যায়,হাদীস নং-৩৪৫৩)

رَبَّنَا (তারা বলে) হে আমাদের রব لَا না تُزِغۡ বাঁকা করো قُلُوۡبَنَا আমাদের অন্তরগুলো بَعۡدَ এর পরে اِذۡ যখন هَدَيۡتَنَا আমাদের পথ প্রদর্শন করেছ তুমি وَهَبۡ এবং দাও لَنَا আমাদের জন্য مِنۡ থেকে لَّدُنۡكَ তোমার নিকট رَحۡمَةً‌ দয়া ۚاِنَّكَ নিশ্চয়ই اَنۡتَ তুমি الۡوَهَّابُ‏ মহাদাতা

হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন।

رَبَّنَاۤ (তারা বলে) হে আমাদের রব اِنَّكَ তুমি নিশ্চয়ই جَامِعُ সমবেতকারী النَّاسِ মানুষদের لِيَوۡمٍ সে দিনের لَّا নেই (যাতে) رَيۡبَ কোনো সন্দেহ فِيۡهِ‌ؕ তার মধ্যে اِنَّ নিশ্চয়ই اللّٰهَ আল্লাহ لَا না يُخۡلِفُ ব্যতিক্রম করেন الۡمِيۡعَادَ প্রতিশ্রুতির

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি মানুষকে সমবেত করবেন এমন একদিন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

রেফারেন্স: সূরা আলে ইমরান - ৩:৮-৯

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 জাহান্নাম হতে মুক্তি এবং ক্ষমা চাওয়া [৩:১৬]

📄 জাহান্নাম হতে মুক্তি এবং ক্ষমা চাওয়া [৩:১৬]


জাহান্নাম হতে মুক্তি এবং ক্ষমা চাওয়া [৩:১৬]

জাহান্নাম হতে মুক্তি এবং ক্ষমা চাওয়া [৩:১৬]

رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوۡبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রব্বানায় ইন্নানায় আ-মান্না-ফার্গ্ফিলানা- যুনূবানা- অক্বিনা- ‘আযা-বান্ নার্-।

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ঈমান আনলাম। অতএব, আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সূরা আলে ইমরান - ৩:১৬

দোয়ার প্রেক্ষাপট: আখিরাতের উপর বিশ্বাসী, ধৈর্যশীল, সত্যপরায়ণ, অনুগত, দানশীল ও রাতের শেষাংশে প্রার্থনাকারীদের দু'আ।

رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوۡبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ঈমান আনলাম। অতএব, আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সূরা আলে ইমরান - ৩:১৬

ফন্ট সাইজ
15px
17px