📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া [২:২০১]

📄 দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া [২:২০১]


দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া [২:২০১]

দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া [২:২০১]

رَبَّنَآ اٰتِنَا فِى الدُّنۡيَا حَسَنَةً وَّفِى الۡاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রব্বানায় আ-তিনা-ফিদ্ দুন্ইয়া-হাসানাতাওঁ অফিল্ আ-খিরাতি হাসানাতাওঁ অক্বিনা-‘আযা-বান্না-র।

হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন। আর আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২০১

দোয়ার প্রেক্ষাপট: এটি দুনিয়া-আখিরাত উভয় জগতে সফলতার জন্য মু'মিন ব্যাক্তিদের আল্লাহর দরবারে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রার্থনা, সহীহ হাদীস থেকে জানা যায়, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর জীবনে অধিকাংশ সময় এ দু'আটি করতেন। -(সহীহ আল-বুখারী-৫ম খন্ড, কিতাবুদ দাওয়াত-দু'আ অধ্যায়, হাদীস নং- ৫৯৪১ এবং সুনান আবু দাউদ-২য় খন্ড, কিতাবুস সালাত অধ্যায়, হাদীস নং-১৫১৯

رَبَّنَآ اٰتِنَا فِى الدُّنۡيَا حَسَنَةً وَّفِى الۡاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

হে আমাদের রব, আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন। আর আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২০১

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 ধৈর্য, শক্তি-সামর্থ্য ও বিজয় প্রার্থনা [২:২৫০]

📄 ধৈর্য, শক্তি-সামর্থ্য ও বিজয় প্রার্থনা [২:২৫০]


ধৈর্য, শক্তি-সামর্থ্য ও বিজয় প্রার্থনা [২:২৫০]

ধৈর্য, শক্তি-সামর্থ্য ও বিজয় প্রার্থনা [২:২৫০]

رَبَّنَآ اَفۡرِغۡ عَلَيۡنَا صَبۡرًا وَّثَبِّتۡ اَقۡدَامَنَا وَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِيۡنَؕ

রব্বানায় আফ্রিগ্ ‘আলাইনা-ছোয়াব্রাওঁ অছাব্বিত্ আক্ব ্দা-মানা-অর্ন্ছুনা-‘আলাল্ ক্বাওমিল্ কা-ফিরীন্।

হে আমাদের রব, আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দিন, আমাদের পা স্থির রাখুন এবং আমাদেরকে কাফের জাতির বিরুদ্ধে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৫০

দোয়ার প্রেক্ষাপট: হযরত দাউদ (আ.)-এর সময়কালীন শক্তিশালী কাফির জালুত ও তার সৈন্যদের মোকাবিলায় আল্লাহ কর্তৃক মনোনীত বাদশাহ তালুত-এর সৈন্যদের আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা। আল্লাহ তা'আলা তাদের এ দু'আ কবুল করেন। যুদ্ধে জালুত নিহত এবং তার দল পরাজিত হয়। এ ছাড়াও তাদের এ সময়কার আরেকটি সাহসী উক্তি ছিলো: کَمْ مِّنْ فِئَةٍ قَلِيْلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةً کَثِيْرَةً بِۢاِذْنِ اللّٰهِ ۗ وَا للّٰهُ مَعَ الصّٰبِرِيْنَ 'কত ক্ষুদ্র দল বিজয় লাভ করেছে বৃহৎ দলের উপর আল্লাহর ইচ্ছায়। বস্তুতঃ আল্লাহ অটল সংকল্পকারীদের সাথেই থাকেন'-(সূরা ২ আল-বাকারা : ২৪৯)

رَبَّنَآ اَفۡرِغۡ عَلَيۡنَا صَبۡرًا وَّثَبِّتۡ اَقۡدَامَنَا وَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِيۡنَؕ

হে আমাদের রব, আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দিন, আমাদের পা স্থির রাখুন এবং আমাদেরকে কাফের জাতির বিরুদ্ধে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৫০

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [২:২৮৫]

📄 তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [২:২৮৫]


তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [২:২৮৫]

তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [২:২৮৫]

سَمِعۡنَا وَاَطَعۡنَا‌ غُفۡرَانَكَ رَبَّنَا وَاِلَيۡكَ الۡمَصِيۡرُ

সামি’না- অআত্বোয়া’না- গুফ্রা-নাকা রব্বানা- অইলাইকাল্ মার্ছীর

আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৫

দোয়ার প্রেক্ষাপট: ইসলাম গ্রহণ, আনুগত্যের স্বীকৃতি, ক্ষমা প্রার্থনা ও আখিরাতে আল্লাহর নিকট জবাবদিহিতার মানসিকতাসহ তওবা।

سَمِعۡنَا وَاَطَعۡنَا‌ غُفۡرَانَكَ رَبَّنَا وَاِلَيۡكَ الۡمَصِيۡرُ

আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৫

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]

📄 অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]


অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]

অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِيۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ‌ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحۡمِلۡ عَلَيۡنَاۤ اِصۡرًا كَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَى الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ‌‌ۚرَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ‌ ۚوَاعۡفُ عَنَّا وَاغۡفِرۡ لَنَا وَارۡحَمۡنَا اَنۡتَ مَوْلَىٰنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ

রব্বানা- লা-তুআ-খিয্না য় ইন্নাসী য় না-আও আখ্ত্বোয়ানা-, রব্বানা- অলা-তাহ্মিল্ ‘আলাইনায় ইছরান কামা-হামাল্তাহূ ‘আলাল্লাযীনা মিন্ ক্বাব্লিনা-, রব্বানা- অলা-তুহাম্মিল্না- মা-লা-ত্বোয়া-ক্বাতা লানা-বিহ্;অ’ফু ‘আন্না-অর্গ্ফি লানা- র্অহাম্না- আন্তা মাওলা-না- ফান্ছুরনা- ‘আলাল্ ক্বাওমিল্ কা-ফিরীন্

হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব, আমাদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদেরকে মার্জনা করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আর আমাদের উপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফির সমপ্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৬

সহীহ হাদীস থেকে জানা যায়-আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, একদিন জিবরীল (আ.) নবী (সা.)-এর কাছে বসা ছিলেন। সেই সময় তিনি উপর দিক থেকে দরজা খোলার একটা প্রচন্ড আওয়াজ শুনতে পেয়ে মাথা উঠিয়ে বললেন, এটি আসমানের একটি দরজা। আজকেই এটি খোলা হলো-ইতিপূর্বে আর কখনো খোলা হয়নি। আর এই দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা পৃথিবীতে নেমে আসলেন। আজকের এই দিনের আগে তিনি আর কখনো পৃথিবীতে আসেননি। তারপর তিনি সালাম দিয়ে বললেন, আপনি আপনাকে দেওয়া দুটি নূর বা আলোর সুসংবাদ গ্রহন করুন। আপনার পূর্বে আর কোন নবীকে তা দেয়া হয়নি। আর এই দুইটি নূর হলো ফাতিহাতুল কিতাব বা সূরা ফাতিহা এবং সূরা বাকারার শেষাংশ। এর যে কোন হরফ আপনি পড়বেন। তার মধ্যকার প্রার্থিত বিষয় আপনাকে দেয়া হবে-(সহীহ মুসলিম-৩য় খন্ড,আল-কুরআনের মর্যাদা অধ্যায়, হাদীস নং-১৭৫৪)। ফলে এ দু'আ আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে রাসূলুল্লাহ(সা.)-কে প্রদানকৃত দু'টি বিশেষ নূরের মধ্যকার একটি নূরের অংশ বিশেষ। এ দু'আ শেষে 'আমীন' বললে প্রার্থিত বিষয়গুলো কবুল করা হয় বলেও হাদীসে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও সহীহ হাদীসে রয়েছে-আবু মাসউদ আল-আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন: যে ব্যাক্তি রাতে সূরা আল বাকারার শেষ দুই আয়াত তিলওয়াত করবে তা তার সে রাতের জন্যে যথেষ্ট হবে - (সহীহ আল-বুখারী-৪র্থ খন্ড, কিতাবু ফাযায়েল কুরআন-কুরআনের ফযীলত অধ্যায়, হাদীস নং-২৮১৭)। অন্য সহীহ হাদীস-নোমান ইবনে বশীর (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ আসমান যমীন সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে একটি কিতাব লিখেছেন। সেই কিতাব থেকে দুটি আয়াত নাযিল করা হয়েছে। সেই দুইটি আয়াতের মাধ্যেমেই সূরা আল বাকারা সমাপ্ত করা হয়েছে। যে ঘরে তিন রাত এ দুইটি আয়াত তিলওয়াত করা হয় শয়তান সেই ঘরের কাছে আসতে পারে না - (জামে আত-তিরমিযী-৫ম খন্ড, আবওয়াবু ফাদাইলিল কুরআন-কুরআনের ফযীলত অধ্যায়, হাদীস নং-২৮১৮)

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِيۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ‌ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحۡمِلۡ عَلَيۡنَاۤ اِصۡرًا كَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَى الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ‌‌ۚرَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ‌ ۚوَاعۡفُ عَنَّا وَاغۡفِرۡ لَنَا وَارۡحَمۡنَا اَنۡتَ مَوْلَىٰنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ

হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব, আমাদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদেরকে মার্জনা করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আর আমাদের উপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফির সমপ্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৬

ফন্ট সাইজ
15px
17px