📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা

📄 ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা


ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা

ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র শপথ, নিশ্চয় আমি দৈনিক সত্তর -এর অধিকবার আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই এবং তাওবা করি।” [১] রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “হে মানুষ, তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা কর, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র কাছে দৈনিক একশত বার তাওবা করি।” [২] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি বলবে,

أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ القَيُّوْمُ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

আস্তাগফিরুল্লা-হাল ‘আযীমল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কায়্যূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি

আমি মহামহিম আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি চিরস্থায়ী, সর্বসত্তার ধারক। আর আমি তাঁরই নিকট তওবা করছি।’

রেফারেন্স: [১] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১১/১০১, নং ৬৩০৭। [২] মুসলিম, ৪/২০৭৬, নং ২৭০২ [৩] আবূ দাউদ ২/৮৫, নং ১৫১৭; তিরমিযী ৫/৫৬৯, নং ৩৫৭৭; আল-হাকিম এবং সহীহ বলেছেন, তার সাথে ইমাম যাহাবী ঐকমত্য পোষণ করেছেন, ১/৫১১, আর শাইখুল আলবানীও সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৮২, জামেউল উসূল লি আহাদীসির রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪/৩৮৯-৩৯০, আরনাঊত এর সম্পাদনাসহ। [৪] তিরমিযী নং ৩৫৭৯, নাসায়ী, ১/২৭৯ নং ৫৭২; হাকেম ১/৩০৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮৩; জামে‘উল উসূল, আরনাউতের তাহকীকসহ ৪/১৪৪ [৫] মুসলিম, ১/৩৫০; নং ৪৮২ [৬] মুসলিম, ৪/২০৭৫, নং ২৭০২ ইবনুল আসীর বলেন, «ليُغان على قلبي»এর অর্থ হচ্ছে, ঢাকা পড়ে যায়, পর্দাবৃত হয়ে যায়। উদ্দেশ্য ভুলে যাওয়া; কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা যিক্‌র, নৈকট্য ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকতেন। তাই যখন কোনো সময় এ ব্যাপারে সামান্যতম ব্যাঘাত ঘটত অথবা ভুলে যেতেন, তখনি তিনি এটাকে নিজের জন্য গুনাহ মনে করতেন, সাথে সাথে তিনি ইস্তেগফার বা ক্ষমাপ্রার্থনার দিকে দ্রুত ধাবিত হতেন। দেখুন, জামে‘উল উসূল ৪/৩৮৬। [৭] বুখারি ৭/১৫০

আল্লাহ তাকে মাফ করে দিবেন যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নকারী হয়।” [৩] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “রব একজন বান্দার সবচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয় রাতের শেষ প্রান্তে, সুতরাং যদি তুমি সে সময়ে আল্লাহ্‌র যিক্‌রকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে সক্ষম হও, তবে তা-ই হও।” [৪] তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “একজন বান্দা তার রবের সবচেয়ে কাছে তখনই থাকে, যখন সে সিজদায় যায়, সুতরাং তোমরা তখন বেশি বেশি করে দো‘আ কর।” [৫] তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “নিশ্চয় আমার অন্তরেও ঢাকনা এসে পড়ে, আর আমি দৈনিক আল্লাহ্‌র কাছে একশত বার ক্ষমা প্রার্থনা করি।” [৬] তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সবচেয়ে ভালো দোআ হল সায়্যিদুল ইস্তিগফার। এর জন্য ২৭.৬ নং দো'আ দেখুন। [৭]

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র শপথ, নিশ্চয় আমি দৈনিক সত্তর -এর অধিকবার আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই এবং তাওবা করি।” [১] রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “হে মানুষ, তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা কর, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র কাছে দৈনিক একশত বার তাওবা করি।” [২] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি বলবে,

أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ القَيُّوْمُ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

আমি মহামহিম আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি চিরস্থায়ী, সর্বসত্তার ধারক। আর আমি তাঁরই নিকট তওবা করছি।’

রেফারেন্স: [১] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১১/১০১, নং ৬৩০৭। [২] মুসলিম, ৪/২০৭৬, নং ২৭০২ [৩] আবূ দাউদ ২/৮৫, নং ১৫১৭; তিরমিযী ৫/৫৬৯, নং ৩৫৭৭; আল-হাকিম এবং সহীহ বলেছেন, তার সাথে ইমাম যাহাবী ঐকমত্য পোষণ করেছেন, ১/৫১১, আর শাইখুল আলবানীও সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৮২, জামেউল উসূল লি আহাদীসির রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪/৩৮৯-৩৯০, আরনাঊত এর সম্পাদনাসহ। [৪] তিরমিযী নং ৩৫৭৯, নাসায়ী, ১/২৭৯ নং ৫৭২; হাকেম ১/৩০৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮৩; জামে‘উল উসূল, আরনাউতের তাহকীকসহ ৪/১৪৪ [৫] মুসলিম, ১/৩৫০; নং ৪৮২ [৬] মুসলিম, ৪/২০৭৫, নং ২৭০২ ইবনুল আসীর বলেন, «ليُغان على قلبي»এর অর্থ হচ্ছে, ঢাকা পড়ে যায়, পর্দাবৃত হয়ে যায়। উদ্দেশ্য ভুলে যাওয়া; কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা যিক্‌র, নৈকট্য ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকতেন। তাই যখন কোনো সময় এ ব্যাপারে সামান্যতম ব্যাঘাত ঘটত অথবা ভুলে যেতেন, তখনি তিনি এটাকে নিজের জন্য গুনাহ মনে করতেন, সাথে সাথে তিনি ইস্তেগফার বা ক্ষমাপ্রার্থনার দিকে দ্রুত ধাবিত হতেন। দেখুন, জামে‘উল উসূল ৪/৩৮৬। [৭] বুখারি ৭/১৫০

মাসনূন ইস্তিগফার

মাসনূন ইস্তিগফার

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أَنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ (الغَفُوْرُ)

রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’।

হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১৬

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أَنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ (الغَفُوْرُ)

হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১৬

আল্লাহর সাড়া লাভ ও ক্ষমা লাভের দুআ

আল্লাহর সাড়া লাভ ও ক্ষমা লাভের দুআ

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحدَهُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াল্লা-হু আকবার’। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া‘হদাহু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল ‘হামদ। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া লা- ‘হাওলা ওয়া লা- ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ।

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহর (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ্দাআওয়াত, ৩৭-মা ইয়াকূলু..ইযা মারিদা) ৫/৪৫৮ (ভারতীয় ২/১৮১); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২২৬

আবূ সায়ীদ খুদরী (রা) ও আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, যখন কোনো বান্দা এ বাক্যগুলো বলে তখন আল্লাহ তাঁর সাথে সাড়া দেন এবং যদি কেউ অসুস্থ অবস্থায় এ কথাগুলি বলে এরপর সে মৃত্যুরণ করে তবে আগুন তাকে স্পর্শ করবে না। হাদীসটি হাসান।

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحدَهُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহর (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ্দাআওয়াত, ৩৭-মা ইয়াকূলু..ইযা মারিদা) ৫/৪৫৮ (ভারতীয় ২/১৮১); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২২৬

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া [২:৬৭]

📄 অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া [২:৬৭]


অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া [২:৬৭]

অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া [২:৬৭]

أَعُوْذُ بِاللّٰهِ أَنْ أَكُونَ مِنَ الْجَاهِلِيْنَ

আ‘ঊযুবিল্লা-হি আন্ আকূনা মিনাল্ জ্বা-হিলীন্

আমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:৬৭

দোয়ার প্রেক্ষাপট: জাতির মিথ্যাচারের বিপরীতে আল্লাহর নিকট হযরত মূসা (আঃ) এর প্রার্থনা।

أَعُوْذُ بِاللّٰهِ أَنْ أَكُونَ مِنَ الْجَاهِلِيْنَ

আমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:৬৭

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 ধৈর্য, শক্তি-সামর্থ্য ও বিজয় প্রার্থনা [২:২৫০]

📄 ধৈর্য, শক্তি-সামর্থ্য ও বিজয় প্রার্থনা [২:২৫০]


ধৈর্য, শক্তি-সামর্থ্য ও বিজয় প্রার্থনা [২:২৫০]

ধৈর্য, শক্তি-সামর্থ্য ও বিজয় প্রার্থনা [২:২৫০]

رَبَّنَآ اَفۡرِغۡ عَلَيۡنَا صَبۡرًا وَّثَبِّتۡ اَقۡدَامَنَا وَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِيۡنَؕ

রব্বানায় আফ্রিগ্ ‘আলাইনা-ছোয়াব্রাওঁ অছাব্বিত্ আক্ব ্দা-মানা-অর্ন্ছুনা-‘আলাল্ ক্বাওমিল্ কা-ফিরীন্।

হে আমাদের রব, আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দিন, আমাদের পা স্থির রাখুন এবং আমাদেরকে কাফের জাতির বিরুদ্ধে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৫০

দোয়ার প্রেক্ষাপট: হযরত দাউদ (আ.)-এর সময়কালীন শক্তিশালী কাফির জালুত ও তার সৈন্যদের মোকাবিলায় আল্লাহ কর্তৃক মনোনীত বাদশাহ তালুত-এর সৈন্যদের আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা। আল্লাহ তা'আলা তাদের এ দু'আ কবুল করেন। যুদ্ধে জালুত নিহত এবং তার দল পরাজিত হয়। এ ছাড়াও তাদের এ সময়কার আরেকটি সাহসী উক্তি ছিলো: کَمْ مِّنْ فِئَةٍ قَلِيْلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةً کَثِيْرَةً بِۢاِذْنِ اللّٰهِ ۗ وَا للّٰهُ مَعَ الصّٰبِرِيْنَ 'কত ক্ষুদ্র দল বিজয় লাভ করেছে বৃহৎ দলের উপর আল্লাহর ইচ্ছায়। বস্তুতঃ আল্লাহ অটল সংকল্পকারীদের সাথেই থাকেন'-(সূরা ২ আল-বাকারা : ২৪৯)

رَبَّنَآ اَفۡرِغۡ عَلَيۡنَا صَبۡرًا وَّثَبِّتۡ اَقۡدَامَنَا وَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِيۡنَؕ

হে আমাদের রব, আমাদের উপর ধৈর্য ঢেলে দিন, আমাদের পা স্থির রাখুন এবং আমাদেরকে কাফের জাতির বিরুদ্ধে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৫০

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]

📄 অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]


অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]

অজ্ঞতা বশতঃ ভুলের ক্ষমা ও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা - দায়িত্ব থেকে মুক্তি চাওয়া [২:২৮৬]

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِيۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ‌ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحۡمِلۡ عَلَيۡنَاۤ اِصۡرًا كَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَى الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ‌‌ۚرَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ‌ ۚوَاعۡفُ عَنَّا وَاغۡفِرۡ لَنَا وَارۡحَمۡنَا اَنۡتَ مَوْلَىٰنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ

রব্বানা- লা-তুআ-খিয্না য় ইন্নাসী য় না-আও আখ্ত্বোয়ানা-, রব্বানা- অলা-তাহ্মিল্ ‘আলাইনায় ইছরান কামা-হামাল্তাহূ ‘আলাল্লাযীনা মিন্ ক্বাব্লিনা-, রব্বানা- অলা-তুহাম্মিল্না- মা-লা-ত্বোয়া-ক্বাতা লানা-বিহ্;অ’ফু ‘আন্না-অর্গ্ফি লানা- র্অহাম্না- আন্তা মাওলা-না- ফান্ছুরনা- ‘আলাল্ ক্বাওমিল্ কা-ফিরীন্

হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব, আমাদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদেরকে মার্জনা করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আর আমাদের উপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফির সমপ্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৬

সহীহ হাদীস থেকে জানা যায়-আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, একদিন জিবরীল (আ.) নবী (সা.)-এর কাছে বসা ছিলেন। সেই সময় তিনি উপর দিক থেকে দরজা খোলার একটা প্রচন্ড আওয়াজ শুনতে পেয়ে মাথা উঠিয়ে বললেন, এটি আসমানের একটি দরজা। আজকেই এটি খোলা হলো-ইতিপূর্বে আর কখনো খোলা হয়নি। আর এই দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা পৃথিবীতে নেমে আসলেন। আজকের এই দিনের আগে তিনি আর কখনো পৃথিবীতে আসেননি। তারপর তিনি সালাম দিয়ে বললেন, আপনি আপনাকে দেওয়া দুটি নূর বা আলোর সুসংবাদ গ্রহন করুন। আপনার পূর্বে আর কোন নবীকে তা দেয়া হয়নি। আর এই দুইটি নূর হলো ফাতিহাতুল কিতাব বা সূরা ফাতিহা এবং সূরা বাকারার শেষাংশ। এর যে কোন হরফ আপনি পড়বেন। তার মধ্যকার প্রার্থিত বিষয় আপনাকে দেয়া হবে-(সহীহ মুসলিম-৩য় খন্ড,আল-কুরআনের মর্যাদা অধ্যায়, হাদীস নং-১৭৫৪)। ফলে এ দু'আ আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে রাসূলুল্লাহ(সা.)-কে প্রদানকৃত দু'টি বিশেষ নূরের মধ্যকার একটি নূরের অংশ বিশেষ। এ দু'আ শেষে 'আমীন' বললে প্রার্থিত বিষয়গুলো কবুল করা হয় বলেও হাদীসে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও সহীহ হাদীসে রয়েছে-আবু মাসউদ আল-আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন: যে ব্যাক্তি রাতে সূরা আল বাকারার শেষ দুই আয়াত তিলওয়াত করবে তা তার সে রাতের জন্যে যথেষ্ট হবে - (সহীহ আল-বুখারী-৪র্থ খন্ড, কিতাবু ফাযায়েল কুরআন-কুরআনের ফযীলত অধ্যায়, হাদীস নং-২৮১৭)। অন্য সহীহ হাদীস-নোমান ইবনে বশীর (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ আসমান যমীন সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে একটি কিতাব লিখেছেন। সেই কিতাব থেকে দুটি আয়াত নাযিল করা হয়েছে। সেই দুইটি আয়াতের মাধ্যেমেই সূরা আল বাকারা সমাপ্ত করা হয়েছে। যে ঘরে তিন রাত এ দুইটি আয়াত তিলওয়াত করা হয় শয়তান সেই ঘরের কাছে আসতে পারে না - (জামে আত-তিরমিযী-৫ম খন্ড, আবওয়াবু ফাদাইলিল কুরআন-কুরআনের ফযীলত অধ্যায়, হাদীস নং-২৮১৮)

رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِيۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ‌ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحۡمِلۡ عَلَيۡنَاۤ اِصۡرًا كَمَا حَمَلۡتَهٗ عَلَى الَّذِيۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ‌‌ۚرَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ‌ ۚوَاعۡفُ عَنَّا وَاغۡفِرۡ لَنَا وَارۡحَمۡنَا اَنۡتَ مَوْلَىٰنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَى الۡقَوۡمِ الۡكٰفِرِيۡنَ

হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব, আমাদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই। আর আপনি আমাদেরকে মার্জনা করুন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আর আমাদের উপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফির সমপ্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল বাকারাহ - ২:২৮৬

ফন্ট সাইজ
15px
17px