📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কোনো কিছুর উপর নিজের চোখ লাগার ভয় থাকলে দো‘আ

📄 কোনো কিছুর উপর নিজের চোখ লাগার ভয় থাকলে দো‘আ


কোনো কিছুর উপর নিজের চোখ লাগার ভয় থাকলে দো‘আ

কোনো কিছুর উপর নিজের চোখ লাগার ভয় থাকলে দো‘আ

যখন তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের, অথবা নিজের কোনো বিষয়ে, অথবা নিজের কোনো সম্পদে এমন কিছু দেখে যা তাকে চমৎকৃত করে, তখন সে যেন বলে,

بَارَكَ اللّٰهُ لَكَ

বা-রাক আল্লা-হু লাকা

আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন

রেফারেন্স: মুসনাদে আহমাদ ৪/৪৪৭, নং ১৫৭০০; ইবন মাজাহ্, নং ৩৫০৮; মালেক ৩/১১৮-১১৯। আর শাইখুল আলবানী, সহীহুল জামে‘ গ্রন্থে সহীহ বলেছেন, ১/২১২; আরও দেখুন, আরনাঊতের এর যাদুল মা‘আদ এর তাহকীক ৪/১৭০।

...কারণ, চোখ লাগার (বদ নজরের) বিষয়টি সত্য।

যখন তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের, অথবা নিজের কোনো বিষয়ে, অথবা নিজের কোনো সম্পদে এমন কিছু দেখে যা তাকে চমৎকৃত করে, তখন সে যেন বলে,

بَارَكَ اللّٰهُ لَكَ

আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন

রেফারেন্স: মুসনাদে আহমাদ ৪/৪৪৭, নং ১৫৭০০; ইবন মাজাহ্, নং ৩৫০৮; মালেক ৩/১১৮-১১৯। আর শাইখুল আলবানী, সহীহুল জামে‘ গ্রন্থে সহীহ বলেছেন, ১/২১২; আরও দেখুন, আরনাঊতের এর যাদুল মা‘আদ এর তাহকীক ৪/১৭০।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 ভীত অবস্থায় যা বলবে

📄 ভীত অবস্থায় যা বলবে


ভীত অবস্থায় যা বলবে

ভীত অবস্থায় যা বলবে

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ!

আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব উপাস্য নেই!

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৩৮১, নং ৩৩৪৬; মুসলিম ৪/২২০৮, নং ২৮৮০।

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ

আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব উপাস্য নেই!

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৩৮১, নং ৩৩৪৬; মুসলিম ৪/২২০৮, নং ২৮৮০।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে

📄 দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে


দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে

দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ الَّتِيْ لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلاَ فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيْهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمٰنُ

আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্-তা-ম্মা-তিল্লাতী লা ইয়ুজাউইযুহুন্না বাররুন ওয়ালা ফা-জিরুম মিন শাররি মা খালাক্বা, ওয়া বারা’আ, ওয়া যারা’আ, ওয়ামিন শাররি মা ইয়ানযিলু মিনাস্ সামা-য়ি, ওয়ামিন শাররি মা যারাআ ফিল আরদ্বি, ওয়ামিন শাররি মা ইয়াখরুজু মিনহা, ওয়ামিন শাররি ফিতানিল-লাইলি ওয়ান-নাহা-রি, ওয়ামিন শাররি কুল্লি ত্বা-রিকিন ইল্লা ত্বা-রিকান ইয়াত্বরুকু বিখাইরিন, ইয়া রহ্‌মানু

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না— আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: আহমাদ ৩/৪১৯, নং ১৫৪৬১, সহীহ সনদে। আর ইবনুস সুন্নী, নং ৬৩৭; আরনাঊত তার ত্বাহাভীয়ার তাখরীজে এর সনদকে বিশুদ্ধ বলেছেন, পৃ.১৩৩ আরও দেখুন, মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ ১০/১২৭।

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ الَّتِيْ لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلاَ فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيْهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمٰنُ

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না— আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: আহমাদ ৩/৪১৯, নং ১৫৪৬১, সহীহ সনদে। আর ইবনুস সুন্নী, নং ৬৩৭; আরনাঊত তার ত্বাহাভীয়ার তাখরীজে এর সনদকে বিশুদ্ধ বলেছেন, পৃ.১৩৩ আরও দেখুন, মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ ১০/১২৭।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা

📄 ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা


ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা

ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র শপথ, নিশ্চয় আমি দৈনিক সত্তর -এর অধিকবার আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই এবং তাওবা করি।” [১] রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “হে মানুষ, তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা কর, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র কাছে দৈনিক একশত বার তাওবা করি।” [২] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি বলবে,

أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ القَيُّوْمُ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

আস্তাগফিরুল্লা-হাল ‘আযীমল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কায়্যূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি

আমি মহামহিম আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি চিরস্থায়ী, সর্বসত্তার ধারক। আর আমি তাঁরই নিকট তওবা করছি।’

রেফারেন্স: [১] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১১/১০১, নং ৬৩০৭। [২] মুসলিম, ৪/২০৭৬, নং ২৭০২ [৩] আবূ দাউদ ২/৮৫, নং ১৫১৭; তিরমিযী ৫/৫৬৯, নং ৩৫৭৭; আল-হাকিম এবং সহীহ বলেছেন, তার সাথে ইমাম যাহাবী ঐকমত্য পোষণ করেছেন, ১/৫১১, আর শাইখুল আলবানীও সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৮২, জামেউল উসূল লি আহাদীসির রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪/৩৮৯-৩৯০, আরনাঊত এর সম্পাদনাসহ। [৪] তিরমিযী নং ৩৫৭৯, নাসায়ী, ১/২৭৯ নং ৫৭২; হাকেম ১/৩০৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮৩; জামে‘উল উসূল, আরনাউতের তাহকীকসহ ৪/১৪৪ [৫] মুসলিম, ১/৩৫০; নং ৪৮২ [৬] মুসলিম, ৪/২০৭৫, নং ২৭০২ ইবনুল আসীর বলেন, «ليُغان على قلبي»এর অর্থ হচ্ছে, ঢাকা পড়ে যায়, পর্দাবৃত হয়ে যায়। উদ্দেশ্য ভুলে যাওয়া; কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা যিক্‌র, নৈকট্য ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকতেন। তাই যখন কোনো সময় এ ব্যাপারে সামান্যতম ব্যাঘাত ঘটত অথবা ভুলে যেতেন, তখনি তিনি এটাকে নিজের জন্য গুনাহ মনে করতেন, সাথে সাথে তিনি ইস্তেগফার বা ক্ষমাপ্রার্থনার দিকে দ্রুত ধাবিত হতেন। দেখুন, জামে‘উল উসূল ৪/৩৮৬। [৭] বুখারি ৭/১৫০

আল্লাহ তাকে মাফ করে দিবেন যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নকারী হয়।” [৩] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “রব একজন বান্দার সবচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয় রাতের শেষ প্রান্তে, সুতরাং যদি তুমি সে সময়ে আল্লাহ্‌র যিক্‌রকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে সক্ষম হও, তবে তা-ই হও।” [৪] তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “একজন বান্দা তার রবের সবচেয়ে কাছে তখনই থাকে, যখন সে সিজদায় যায়, সুতরাং তোমরা তখন বেশি বেশি করে দো‘আ কর।” [৫] তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “নিশ্চয় আমার অন্তরেও ঢাকনা এসে পড়ে, আর আমি দৈনিক আল্লাহ্‌র কাছে একশত বার ক্ষমা প্রার্থনা করি।” [৬] তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সবচেয়ে ভালো দোআ হল সায়্যিদুল ইস্তিগফার। এর জন্য ২৭.৬ নং দো'আ দেখুন। [৭]

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র শপথ, নিশ্চয় আমি দৈনিক সত্তর -এর অধিকবার আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই এবং তাওবা করি।” [১] রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “হে মানুষ, তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা কর, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র কাছে দৈনিক একশত বার তাওবা করি।” [২] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি বলবে,

أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الْعَظِيْمَ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ القَيُّوْمُ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

আমি মহামহিম আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি চিরস্থায়ী, সর্বসত্তার ধারক। আর আমি তাঁরই নিকট তওবা করছি।’

রেফারেন্স: [১] বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১১/১০১, নং ৬৩০৭। [২] মুসলিম, ৪/২০৭৬, নং ২৭০২ [৩] আবূ দাউদ ২/৮৫, নং ১৫১৭; তিরমিযী ৫/৫৬৯, নং ৩৫৭৭; আল-হাকিম এবং সহীহ বলেছেন, তার সাথে ইমাম যাহাবী ঐকমত্য পোষণ করেছেন, ১/৫১১, আর শাইখুল আলবানীও সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৮২, জামেউল উসূল লি আহাদীসির রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪/৩৮৯-৩৯০, আরনাঊত এর সম্পাদনাসহ। [৪] তিরমিযী নং ৩৫৭৯, নাসায়ী, ১/২৭৯ নং ৫৭২; হাকেম ১/৩০৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮৩; জামে‘উল উসূল, আরনাউতের তাহকীকসহ ৪/১৪৪ [৫] মুসলিম, ১/৩৫০; নং ৪৮২ [৬] মুসলিম, ৪/২০৭৫, নং ২৭০২ ইবনুল আসীর বলেন, «ليُغان على قلبي»এর অর্থ হচ্ছে, ঢাকা পড়ে যায়, পর্দাবৃত হয়ে যায়। উদ্দেশ্য ভুলে যাওয়া; কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা যিক্‌র, নৈকট্য ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকতেন। তাই যখন কোনো সময় এ ব্যাপারে সামান্যতম ব্যাঘাত ঘটত অথবা ভুলে যেতেন, তখনি তিনি এটাকে নিজের জন্য গুনাহ মনে করতেন, সাথে সাথে তিনি ইস্তেগফার বা ক্ষমাপ্রার্থনার দিকে দ্রুত ধাবিত হতেন। দেখুন, জামে‘উল উসূল ৪/৩৮৬। [৭] বুখারি ৭/১৫০

মাসনূন ইস্তিগফার

মাসনূন ইস্তিগফার

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أَنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ (الغَفُوْرُ)

রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’।

হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১৬

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أَنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ (الغَفُوْرُ)

হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১৬

আল্লাহর সাড়া লাভ ও ক্ষমা লাভের দুআ

আল্লাহর সাড়া লাভ ও ক্ষমা লাভের দুআ

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحدَهُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াল্লা-হু আকবার’। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া‘হদাহু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল ‘হামদ। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া লা- ‘হাওলা ওয়া লা- ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ।

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহর (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ্দাআওয়াত, ৩৭-মা ইয়াকূলু..ইযা মারিদা) ৫/৪৫৮ (ভারতীয় ২/১৮১); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২২৬

আবূ সায়ীদ খুদরী (রা) ও আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, যখন কোনো বান্দা এ বাক্যগুলো বলে তখন আল্লাহ তাঁর সাথে সাড়া দেন এবং যদি কেউ অসুস্থ অবস্থায় এ কথাগুলি বলে এরপর সে মৃত্যুরণ করে তবে আগুন তাকে স্পর্শ করবে না। হাদীসটি হাসান।

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحدَهُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহর (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ্দাআওয়াত, ৩৭-মা ইয়াকূলু..ইযা মারিদা) ৫/৪৫৮ (ভারতীয় ২/১৮১); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২২৬

ফন্ট সাইজ
15px
17px