📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 শির্কের ভয়ে দো‘আ

📄 শির্কের ভয়ে দো‘আ


শির্কের ভয়ে দো‘আ

শির্কের ভয়ে দো‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘ঊযু বিকা আন্ উশ্রিকা বিকা ওয়া আনা আ‘অ্লামু, ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা- লা- আ‘অ্লামু।

হে আল্লাহ, আমি জ্ঞাতসারে শিরক করা থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এবং অজ্ঞাতসারে যা ঘটে তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

রেফারেন্স: বুখা্রী, আল-আদাবুল মুফরাদ, পৃষ্ঠা ২৫০; আলবানী, সহীহুল আদাবিল মুফরাদ ১/২৫৯।

আবূ বাকর সিদ্দীক (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তোমাদের মধ্যে শিরক পিপিলিকার পদচারণার চেয়েও সূক্ষ্ম। আবূ বাকর (রা) বলেন, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করা বা ডাকাই কি শুধু শিরক নয়? রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, ... বরং তা পিপিলিকার পদচারণার চেয়েও সূক্ষ্ম। আমি তোমাকে একটি বিষয় শিখিয়ে দিচ্ছি যা পালন করলে ছোট ও বড় শিরক তোমার থেকে দূরিভূত হবে। তুমি -উপরের দুআটি- বলবে।” হাদীসটি সহীহ।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

হে আল্লাহ, আমি জ্ঞাতসারে শিরক করা থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এবং অজ্ঞাতসারে যা ঘটে তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

রেফারেন্স: বুখা্রী, আল-আদাবুল মুফরাদ, পৃষ্ঠা ২৫০; আলবানী, সহীহুল আদাবিল মুফরাদ ১/২৫৯।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দো‘আ

📄 অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দো‘আ


অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দো‘আ

অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দো‘আ

ইবন উমার (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, “অশুভ বা অযাত্রা চিন্তা করে যে ব্যক্তি তার কর্ম থেকে বিরত থাকল সে ব্যক্তি শিরকে নিপতিত হলো। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, এরূপ চিন্তা মনে আসলে তার কাফ্ফারা কী? তিনি বলেন, সে যেন বলে,

اَللّٰهُمَّ لَا طَيْرَ إِلَّا طَيْرُكَ، وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

আল্লা-হুম্মা লা ত্বাইরা ইল্লা ত্বাইরুকা ওয়ালা খাইরা ইল্লা খাইরুকা ওয়ালা ইলা-হা গাইরুকা

হে আল্লাহ! আপনার পক্ষ থেকে অশুভ মঞ্জুর না হলে অশুভ বলে কিছু নেই। আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। [১]

রেফারেন্স: [১] আহমাদ ২/২২০, নং ৭০৪৫; ইবনুস সুন্নী, হাদীস নং ২৯২ আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহায় ৩/৫৪, নং ১০৬৫, একে সহীহ বলেছেন। [২] আবু দাউদ, নং ৩৭১৯; আহমাদ, নং ৯০৪০। আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুস সহীহায় একে সহীহ বলেছেন, ২/৩৬৩; আবুশ শাইখ, আখলাকুন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম, পৃ. ২৭০।

তবে সুলক্ষণ নেওয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পছন্দ করতেন। সেজন্য যখন তিনি কোনো মানুষ থেকে কোনো ভালো বাক্য বা সুবচন শুনতেন, তখন সেটা তাঁর কাছে ভালো লাগত এবং বলতেন, “তোমার মুখ থেকে তোমার সুলক্ষণ গ্রহণ করেছি”। [২]

ইবন উমার (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, “অশুভ বা অযাত্রা চিন্তা করে যে ব্যক্তি তার কর্ম থেকে বিরত থাকল সে ব্যক্তি শিরকে নিপতিত হলো। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, এরূপ চিন্তা মনে আসলে তার কাফ্ফারা কী? তিনি বলেন, সে যেন বলে,

اَللّٰهُمَّ لَا طَيْرَ إِلَّا طَيْرُكَ، وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

হে আল্লাহ! আপনার পক্ষ থেকে অশুভ মঞ্জুর না হলে অশুভ বলে কিছু নেই। আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। [১]

রেফারেন্স: [১] আহমাদ ২/২২০, নং ৭০৪৫; ইবনুস সুন্নী, হাদীস নং ২৯২ আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহায় ৩/৫৪, নং ১০৬৫, একে সহীহ বলেছেন। [২] আবু দাউদ, নং ৩৭১৯; আহমাদ, নং ৯০৪০। আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুস সহীহায় একে সহীহ বলেছেন, ২/৩৬৩; আবুশ শাইখ, আখলাকুন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম, পৃ. ২৭০।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 মোরগের ডাক ও গাধার স্বর অথবা রাতের বেলায় কুকুরের ডাক শুনলে দো‘আ

📄 মোরগের ডাক ও গাধার স্বর অথবা রাতের বেলায় কুকুরের ডাক শুনলে দো‘আ


মোরগের ডাক ও গাধার স্বর অথবা রাতের বেলায় কুকুরের ডাক শুনলে দো‘আ

মোরগের ডাক ও গাধার স্বর অথবা রাতের বেলায় কুকুরের ডাক শুনলে দো‘আ

“যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন তোমরা আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ চাইবে, কেননা সে একটি ফেরেশতা দেখেছে। আর যখন তোমরা কোনো গাধার স্বর শুনবে, তখন শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাইবে; কেননা সে শয়তান দেখেছে।” [১] আবার “যখন তোমরা রাত্রিবেলা কুকুরের ডাক ও গাধার স্বর শুনবে, তখন তোমরা সেগুলো থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাও; কেননা সেগুলো তা দেখে তোমরা যা দেখতে পাও না।” [২]

أَعُوْذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ

আ‘ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বানির রাজীম

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: [১] বুখারী (ফাতহুল বারীসহ), ৬/৩৫০, নং ৩৩০৩; মুসলিম, ৪/২০৯২, নং ২৭২৯। [২] আবূ দাঊদ ৪/৩২৭, নং ৫১০৫; আহমাদ ৩/৩০৬, নং ১৪২৮৩ আর শাইখ আলবানী একে সহীহ আবি দাউদে ৩/৯৬১, সহীহ বলেছেন।

“যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন তোমরা আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ চাইবে, কেননা সে একটি ফেরেশতা দেখেছে। আর যখন তোমরা কোনো গাধার স্বর শুনবে, তখন শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাইবে; কেননা সে শয়তান দেখেছে।” [১] আবার “যখন তোমরা রাত্রিবেলা কুকুরের ডাক ও গাধার স্বর শুনবে, তখন তোমরা সেগুলো থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাও; কেননা সেগুলো তা দেখে তোমরা যা দেখতে পাও না।” [২]

أَعُوْذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: [১] বুখারী (ফাতহুল বারীসহ), ৬/৩৫০, নং ৩৩০৩; মুসলিম, ৪/২০৯২, নং ২৭২৯। [২] আবূ দাঊদ ৪/৩২৭, নং ৫১০৫; আহমাদ ৩/৩০৬, নং ১৪২৮৩ আর শাইখ আলবানী একে সহীহ আবি দাউদে ৩/৯৬১, সহীহ বলেছেন।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সন্ধায় উপনীত হলে করণীয়

📄 সন্ধায় উপনীত হলে করণীয়


সন্ধায় উপনীত হলে করণীয়

সন্ধায় উপনীত হলে করণীয়

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যখন রাত্রি অন্ধকার হবে” অথবা (বলেছেন) “সন্ধায় উপনীত হলে, তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে আগলে রাখবে; কারণ, তখন শয়তানরা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তারপর যখন রাতের একটা সময় অতিবাহিত হবে, তখন তাদের ছেড়ে দিবে। আর তোমরা দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে; কেননা শয়তান কোনো বন্ধ দরজা খুলে না। আর তোমরা তোমাদের পানপাত্রসমূহ বেঁধে রাখবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে। আর তোমরা তোমাদের থালা-বাসন ঢেকে রাখবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে, যদিও সামান্য কিছু তার উপর রাখ। আর তোমরা তোমাদের ঘরের প্রদীপগুলো নিভিয়ে রাখবে।”

রেফারেন্স: বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১০/৮৮; নং ৫৬২৩; মুসলিম, ৩/১৫৯৫, নং ২০১[২]

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যখন রাত্রি অন্ধকার হবে” অথবা (বলেছেন) “সন্ধায় উপনীত হলে, তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে আগলে রাখবে; কারণ, তখন শয়তানরা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তারপর যখন রাতের একটা সময় অতিবাহিত হবে, তখন তাদের ছেড়ে দিবে। আর তোমরা দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে; কেননা শয়তান কোনো বন্ধ দরজা খুলে না। আর তোমরা তোমাদের পানপাত্রসমূহ বেঁধে রাখবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে। আর তোমরা তোমাদের থালা-বাসন ঢেকে রাখবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে, যদিও সামান্য কিছু তার উপর রাখ। আর তোমরা তোমাদের ঘরের প্রদীপগুলো নিভিয়ে রাখবে।”

রেফারেন্স: বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১০/৮৮; নং ৫৬২৩; মুসলিম, ৩/১৫৯৫, নং ২০১[২]

ফন্ট সাইজ
15px
17px