📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বিপন্ন লোক দেখলে পড়ার দো‘আ

📄 বিপন্ন লোক দেখলে পড়ার দো‘আ


বিপন্ন লোক দেখলে পড়ার দো‘আ

বিপন্ন লোক দেখলে পড়ার দো‘আ

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ عَافَانِيْ مِمَّا ابْتَلاَكَ بِهِ، وَفَضَّلَنِيْ عَلَى كَثِيْرٍ مِّمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلًا

আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী ‘আ-ফানী মিম্মাবতালা-কা বিহী, ওয়া ফাদ্দালানী ‘আলা কাসীরিম মিম্মান খালাক্বা তাফদীলান

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি আপনাকে যে পরীক্ষায় ফেলেছেন তা থেকে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং তার সৃষ্টির অনেকের উপরে আমাকে অধিক সম্মানিত করেছেন।

রেফারেন্স: তিরমিযী ৫/৪৯৪, ৫/৪৯৩, নং ৩৪৩২ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৩

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ عَافَانِيْ مِمَّا ابْتَلاَكَ بِهِ، وَفَضَّلَنِيْ عَلَى كَثِيْرٍ مِّمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلًا

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি আপনাকে যে পরীক্ষায় ফেলেছেন তা থেকে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং তার সৃষ্টির অনেকের উপরে আমাকে অধিক সম্মানিত করেছেন।

রেফারেন্স: তিরমিযী ৫/৪৯৪, ৫/৪৯৩, নং ৩৪৩২ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৩

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 আল্লাহ যা দ্বারা দাজ্জাল থেকে হেফাযত করবেন

📄 আল্লাহ যা দ্বারা দাজ্জাল থেকে হেফাযত করবেন


আল্লাহ যা দ্বারা দাজ্জাল থেকে হেফাযত করবেন

আল্লাহ যা দ্বারা দাজ্জাল থেকে হেফাযত করবেন

যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, তাকে দাজ্জাল থেকে রক্ষা করা হবে। [১] অনুরূপভাবে প্রতি নামাযের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর তার (দাজ্জালের) বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবার জন্য আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে। [২]

দেখুন, দো‘আ ২৪.১ এবং ২৪.২

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ১/৫৫৫, নং ৮০৯; অন্য বর্ণনায় এসেছে, সূরা কাহাফের শেষাংশ, ১/৫৫৬, নং ৮০৯। [২] দেখুন, দো‘আ ২৪.১ এবং ২৪.[২]

যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, তাকে দাজ্জাল থেকে রক্ষা করা হবে। [১] অনুরূপভাবে প্রতি নামাযের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর তার (দাজ্জালের) বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবার জন্য আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে। [২]

দেখুন, দো‘আ ২৪.১ এবং ২৪.২

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ১/৫৫৫, নং ৮০৯; অন্য বর্ণনায় এসেছে, সূরা কাহাফের শেষাংশ, ১/৫৫৬, নং ৮০৯। [২] দেখুন, দো‘আ ২৪.১ এবং ২৪.[২]

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 শির্কের ভয়ে দো‘আ

📄 শির্কের ভয়ে দো‘আ


শির্কের ভয়ে দো‘আ

শির্কের ভয়ে দো‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘ঊযু বিকা আন্ উশ্রিকা বিকা ওয়া আনা আ‘অ্লামু, ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা- লা- আ‘অ্লামু।

হে আল্লাহ, আমি জ্ঞাতসারে শিরক করা থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এবং অজ্ঞাতসারে যা ঘটে তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

রেফারেন্স: বুখা্রী, আল-আদাবুল মুফরাদ, পৃষ্ঠা ২৫০; আলবানী, সহীহুল আদাবিল মুফরাদ ১/২৫৯।

আবূ বাকর সিদ্দীক (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তোমাদের মধ্যে শিরক পিপিলিকার পদচারণার চেয়েও সূক্ষ্ম। আবূ বাকর (রা) বলেন, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করা বা ডাকাই কি শুধু শিরক নয়? রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, ... বরং তা পিপিলিকার পদচারণার চেয়েও সূক্ষ্ম। আমি তোমাকে একটি বিষয় শিখিয়ে দিচ্ছি যা পালন করলে ছোট ও বড় শিরক তোমার থেকে দূরিভূত হবে। তুমি -উপরের দুআটি- বলবে।” হাদীসটি সহীহ।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

হে আল্লাহ, আমি জ্ঞাতসারে শিরক করা থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এবং অজ্ঞাতসারে যা ঘটে তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

রেফারেন্স: বুখা্রী, আল-আদাবুল মুফরাদ, পৃষ্ঠা ২৫০; আলবানী, সহীহুল আদাবিল মুফরাদ ১/২৫৯।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দো‘আ

📄 অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দো‘আ


অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দো‘আ

অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দো‘আ

ইবন উমার (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, “অশুভ বা অযাত্রা চিন্তা করে যে ব্যক্তি তার কর্ম থেকে বিরত থাকল সে ব্যক্তি শিরকে নিপতিত হলো। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, এরূপ চিন্তা মনে আসলে তার কাফ্ফারা কী? তিনি বলেন, সে যেন বলে,

اَللّٰهُمَّ لَا طَيْرَ إِلَّا طَيْرُكَ، وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

আল্লা-হুম্মা লা ত্বাইরা ইল্লা ত্বাইরুকা ওয়ালা খাইরা ইল্লা খাইরুকা ওয়ালা ইলা-হা গাইরুকা

হে আল্লাহ! আপনার পক্ষ থেকে অশুভ মঞ্জুর না হলে অশুভ বলে কিছু নেই। আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। [১]

রেফারেন্স: [১] আহমাদ ২/২২০, নং ৭০৪৫; ইবনুস সুন্নী, হাদীস নং ২৯২ আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহায় ৩/৫৪, নং ১০৬৫, একে সহীহ বলেছেন। [২] আবু দাউদ, নং ৩৭১৯; আহমাদ, নং ৯০৪০। আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুস সহীহায় একে সহীহ বলেছেন, ২/৩৬৩; আবুশ শাইখ, আখলাকুন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম, পৃ. ২৭০।

তবে সুলক্ষণ নেওয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পছন্দ করতেন। সেজন্য যখন তিনি কোনো মানুষ থেকে কোনো ভালো বাক্য বা সুবচন শুনতেন, তখন সেটা তাঁর কাছে ভালো লাগত এবং বলতেন, “তোমার মুখ থেকে তোমার সুলক্ষণ গ্রহণ করেছি”। [২]

ইবন উমার (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, “অশুভ বা অযাত্রা চিন্তা করে যে ব্যক্তি তার কর্ম থেকে বিরত থাকল সে ব্যক্তি শিরকে নিপতিত হলো। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, এরূপ চিন্তা মনে আসলে তার কাফ্ফারা কী? তিনি বলেন, সে যেন বলে,

اَللّٰهُمَّ لَا طَيْرَ إِلَّا طَيْرُكَ، وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

হে আল্লাহ! আপনার পক্ষ থেকে অশুভ মঞ্জুর না হলে অশুভ বলে কিছু নেই। আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। [১]

রেফারেন্স: [১] আহমাদ ২/২২০, নং ৭০৪৫; ইবনুস সুন্নী, হাদীস নং ২৯২ আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহায় ৩/৫৪, নং ১০৬৫, একে সহীহ বলেছেন। [২] আবু দাউদ, নং ৩৭১৯; আহমাদ, নং ৯০৪০। আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুস সহীহায় একে সহীহ বলেছেন, ২/৩৬৩; আবুশ শাইখ, আখলাকুন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম, পৃ. ২৭০।

ফন্ট সাইজ
15px
17px