📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ

📄 শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ


শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ #১

শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ #১

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِيْ نُحُوْرِهِم، وَنَعُوْذُ بِكَ مِنْ شُرُوْرِهِمْ

আল্লা-হুম্মা ইন্না নাজ্‘আলুকা ফী নুহূরিহিম ওয়া না‘উযু বিকা মিন শুরূরিহিম

হে আল্লাহ! আমরা আপনাকে তাদের গলদেশে রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: আবু দাঊদ ২/৮৯, নং ১৫৩৭; আর হাকেম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং ইমাম যাহাবী একে সমর্থন করেছেন ২/১৪২

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِيْ نُحُوْرِهِم، وَنَعُوْذُ بِكَ مِنْ شُرُوْرِهِمْ

হে আল্লাহ! আমরা আপনাকে তাদের গলদেশে রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: আবু দাঊদ ২/৮৯, নং ১৫৩৭; আর হাকেম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং ইমাম যাহাবী একে সমর্থন করেছেন ২/১৪২

শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ #২

শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ #২

اَللّٰهُمَّ أَنْتَ عَضُدِيْ، وَأَنْتَ نَصِيْرِيْ، بِكَ أَحُوْلُ وَبِكَ أَصُوْلُ، وَبِكَ أُقَاتِلُ

আল্লহুম্মা আনতা ‘আদ্বুদী, ওয়া আনতা নাসীরী, বিকা আহূলু, ওয়া বিকা আসূলু, ওয়া বিকা উক্বা-তিলু

হে আল্লাহ! আপনি আমার শক্তি এবং আপনি আমার সাহায্যকারী; আপনারই সাহায্যে আমি বিচরণ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমন করি এবং আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি।

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ৩/৪২, নং ২৬৩২; তিরমিযী ৫/৫৭২, নং ৩৫৮৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮৩

اَللّٰهُمَّ أَنْتَ عَضُدِيْ، وَأَنْتَ نَصِيْرِيْ، بِكَ أَحُوْلُ وَبِكَ أَصُوْلُ، وَبِكَ أُقَاتِلُ

হে আল্লাহ! আপনি আমার শক্তি এবং আপনি আমার সাহায্যকারী; আপনারই সাহায্যে আমি বিচরণ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমন করি এবং আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি।

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ৩/৪২, নং ২৬৩২; তিরমিযী ৫/৫৭২, নং ৩৫৮৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮৩

শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ #৩

শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ #৩

حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيْلُ

হাসবুনাল্লা-হু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল

আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক

রেফারেন্স: সূরা আল ইমরান - ৩ঃ১৭৩

حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيْلُ

আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক

রেফারেন্স: সূরা আল ইমরান - ৩ঃ১৭৩

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে পড়ার দো‘আ

📄 শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে পড়ার দো‘আ


শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে পড়ার দো‘আ #১

শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে পড়ার দো‘আ #১

اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، كُنْ لِيْ جَارًا مِنْ فُلَانِ بْنِ فُلَانٍ، وَأَحْزَابِهِ مِنْ خَلَائِقِكَ، أَنْ يَفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ أَوْ يَطْغَى، عَزَّ جَارُكَ، وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তিস সাব‘ঈ, ওয়া রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম। কুন লী জারান মিন্ ফুলানিবনি ফুলানিন, ওয়া আহযাবিহী মিন খালা-য়েক্বিকা, আঁই ইয়াফরুত্বা ‘আলাইয়্যা আহাদুম মিনহুম আও ইয়াত্বগা, আয্যা জা-রুকা, ওয়া জাল্লা সানা-উকা, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লা আনতা

হে আল্লাহ, সাত আসমানের রব্ব! মহান আরশের রব্ব! আপনার সৃষ্টিকুলের মধ্য থেকে অমুকের পুত্র অমুকের বিপক্ষে এবং তার বাহিনীর বিরুদ্ধে আপনি আমার আশ্রয়দানকারী হোন; যাতে তাদের কেউ আমার উপর দ্রুত আক্রমণ বা সীমালঙ্ঘন করতে না পারে। আপনার আশ্রিত তো শক্তিশালী, আপনার প্রশংসা তো অতি মহান। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: বুখারী, আল-আদাব আল-মুফরাদ, নং ৭১২ আর শাইখ আলবানী সহীহ আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে, নং ৫৪৫, একে সহীহ বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، كُنْ لِيْ جَارًا مِنْ فُلَانِ بْنِ فُلَانٍ، وَأَحْزَابِهِ مِنْ خَلَائِقِكَ، أَنْ يَفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ أَوْ يَطْغَى، عَزَّ جَارُكَ، وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ, সাত আসমানের রব্ব! মহান আরশের রব্ব! আপনার সৃষ্টিকুলের মধ্য থেকে অমুকের পুত্র অমুকের বিপক্ষে এবং তার বাহিনীর বিরুদ্ধে আপনি আমার আশ্রয়দানকারী হোন; যাতে তাদের কেউ আমার উপর দ্রুত আক্রমণ বা সীমালঙ্ঘন করতে না পারে। আপনার আশ্রিত তো শক্তিশালী, আপনার প্রশংসা তো অতি মহান। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: বুখারী, আল-আদাব আল-মুফরাদ, নং ৭১২ আর শাইখ আলবানী সহীহ আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে, নং ৫৪৫, একে সহীহ বলেছেন।

শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে পড়ার দো‘আ #২

শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে পড়ার দো‘আ #২

তিন বার বলবে,

اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَعَزُّ مِنْ خَلْقِهِ جَمِيْعاً، اَللّٰهُ أَعَزُّ مِمَّا أَخَافُ وَأَحْذَرُ، أَعُوْذُ بِاللّٰهِ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ، الْمُمْسِكِ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ أَنْ يَقَعْنَ عَلَى الْأَرْضِ إِلَّا بِإِذْنِهِ، مِنْ شَرِّ عَبْدِكَ فُلَانٍ، وَجُنُوْدِهِ وَأَتْبَاعِهِ وَأَشْيَاعِهِ، مِنَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ، اَللّٰهُمَّ كُنْ لِيْ جَارًا مِنْ شَرِّهِمْ، جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَعَزَّ جَارُكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হু আ‘আয্যু মিন খালক্বিহী জামী‘আন। আল্লাহু আ‘আয্যু মিম্মা আখা-ফু ওয়া আহযারু। আউযু বিল্লা-হিল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল মুমসিকুস্ সামা-ওয়া-তিস সাব‘ঈ, আন ইয়াকা‘না আলাল্ আরদ্বি ইল্লা বিইযনিহী, মিন শাররি ‘আবদিকা ফুলা-নিন, ওয়া জুনূদিহী ওয়া আতবা‘ইহী ওয়া আশইয়া‘ইহী মিনাল জিন্নি ওয়াল ইনসি। আল্লা-হুম্মা কুন লী জা-রান মিন শাররিহিম, জাল্লা সানা-উকা ওয়া ‘আয্যা জা-রুকা ওয়াতাবা-রকাসমুকা ওয়া লা ইলা-হা গাইরুকা

আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ তাঁর সমস্ত সৃষ্টি থেকে মহামর্যাদাবান। আমি যা থেকে ভীত ও শঙ্কিত তার চেয়ে আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী। আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যিনি সাত আসমানের ধারণকারী, তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হওয়া থেকে— (আশ্রয় চাই) তাঁর অমুক বান্দা, তার সৈন্য-সামন্ত, তার অনুসারী ও তার অনুগামী জিন ও ইনসানের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! তাদের ক্ষতি থেকে আপনি আমার জন্য আশ্রয়দানকারী হোন। আপনার গুণগান অতি মহান, আপনার আশ্রিত প্রবল শক্তিশালী, আপনার নাম অতি বরকতময়। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: বুখারী, আল-আদাব আল-মুফরাদ, নং ৭০৮। আর শাইখ আলবানী সহীহ আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে, নং ৫৪৬, একে সহীহ বলেছেন।

তিন বার বলবে,

اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَعَزُّ مِنْ خَلْقِهِ جَمِيْعاً، اَللّٰهُ أَعَزُّ مِمَّا أَخَافُ وَأَحْذَرُ، أَعُوْذُ بِاللّٰهِ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ، الْمُمْسِكِ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ أَنْ يَقَعْنَ عَلَى الْأَرْضِ إِلَّا بِإِذْنِهِ، مِنْ شَرِّ عَبْدِكَ فُلَانٍ، وَجُنُوْدِهِ وَأَتْبَاعِهِ وَأَشْيَاعِهِ، مِنَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ، اَللّٰهُمَّ كُنْ لِيْ جَارًا مِنْ شَرِّهِمْ، جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَعَزَّ جَارُكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ তাঁর সমস্ত সৃষ্টি থেকে মহামর্যাদাবান। আমি যা থেকে ভীত ও শঙ্কিত তার চেয়ে আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী। আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যিনি সাত আসমানের ধারণকারী, তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হওয়া থেকে— (আশ্রয় চাই) তাঁর অমুক বান্দা, তার সৈন্য-সামন্ত, তার অনুসারী ও তার অনুগামী জিন ও ইনসানের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! তাদের ক্ষতি থেকে আপনি আমার জন্য আশ্রয়দানকারী হোন। আপনার গুণগান অতি মহান, আপনার আশ্রিত প্রবল শক্তিশালী, আপনার নাম অতি বরকতময়। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: বুখারী, আল-আদাব আল-মুফরাদ, নং ৭০৮। আর শাইখ আলবানী সহীহ আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে, নং ৫৪৬, একে সহীহ বলেছেন।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 শত্রুর উপর বদ-দো‘আ

📄 শত্রুর উপর বদ-দো‘আ


শত্রুর উপর বদ-দো‘আ

শত্রুর উপর বদ-দো‘আ

اَللّٰهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيْعَ الْحِسَابِ، اِهْزِمِ الْأَحْزَابَ، اَللّٰهُمَّ اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ

আল্লা-হুম্মা মুনযিলাল কিতা-বি সারী‘আল হিসা-বি ইহযিমিল আহযা-ব। আল্লা-হুম্মাহযিমহুম ওয়া যালযিলহুম

হে আল্লাহ, কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রুবাহিনীকে পরাভূত করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করে দিন।

রেফারেন্স: মুসলিম, ৩/১৩৬২, নং ১৭৪২

اَللّٰهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيْعَ الْحِسَابِ، اِهْزِمِ الْأَحْزَابَ، اَللّٰهُمَّ اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ

হে আল্লাহ, কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রুবাহিনীকে পরাভূত করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করে দিন।

রেফারেন্স: মুসলিম, ৩/১৩৬২, নং ১৭৪২

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কোনো সম্প্রদায়কে ভয় করলে যা বলবে

📄 কোনো সম্প্রদায়কে ভয় করলে যা বলবে


কোনো সম্প্রদায়কে ভয় করলে যা বলবে

কোনো সম্প্রদায়কে ভয় করলে যা বলবে

اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيْهِمْ بِمَا شِئْتَ

আল্লা-হুম্মাকফিনীহিম বিমা শি’তা

হে আল্লাহ! আপনি যা ইচ্ছে তা দ্বারাই এদের মোকাবিলায় আমার জন্য যথেষ্ট হোন।

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/২৩০০, নং ৩০০৫।

اَللّٰهُمَّ اكْفِنِيْهِمْ بِمَا شِئْتَ

হে আল্লাহ! আপনি যা ইচ্ছে তা দ্বারাই এদের মোকাবিলায় আমার জন্য যথেষ্ট হোন।

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/২৩০০, নং ৩০০৫।

ফন্ট সাইজ
15px
17px