📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 মুসাফিরের জন্য মুক্বীম বা অবস্থানকারীর দো‘আ

📄 মুসাফিরের জন্য মুক্বীম বা অবস্থানকারীর দো‘আ


মুসাফিরের জন্য মুক্বীম বা অবস্থানকারীর দো‘আ #১

মুসাফিরের জন্য মুক্বীম বা অবস্থানকারীর দো‘আ #১

أَسْتَوْدِعُ اللّٰهَ دِيْنَكَ، وَأَمَانَتَكَ، وَخَوَاتِيْمَ عَمَلِكَ

আস্তাউদি‘উল্লা-হা দীনাকা ওয়া আমা-নাতাকা ওয়া খাওয়া-তীমা ‘আমালিকা

আমি আপনার দীন, আপনার আমানত (পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ) এবং আপনার সর্বশেষ আমলকে আল্লাহ্‌র হেফাযতে রাখছি।

রেফারেন্স: আহমাদ ২/৭, ৪৫২৪, তিরমিযী ৫/৪৯৯, নং ৩৪৪৩ আর শাইখ আলবানী একে সহীহু সুনানিত তিরমিযীতে ৩/৪১৯ সহীহ হাদীস বলেছেন।

أَسْتَوْدِعُ اللّٰهَ دِيْنَكَ، وَأَمَانَتَكَ، وَخَوَاتِيْمَ عَمَلِكَ

আমি আপনার দীন, আপনার আমানত (পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ) এবং আপনার সর্বশেষ আমলকে আল্লাহ্‌র হেফাযতে রাখছি।

রেফারেন্স: আহমাদ ২/৭, ৪৫২৪, তিরমিযী ৫/৪৯৯, নং ৩৪৪৩ আর শাইখ আলবানী একে সহীহু সুনানিত তিরমিযীতে ৩/৪১৯ সহীহ হাদীস বলেছেন।

মুসাফিরের জন্য মুক্বীম বা অবস্থানকারীর দো‘আ #২

মুসাফিরের জন্য মুক্বীম বা অবস্থানকারীর দো‘আ #২

زَوَّدَكَ اللّٰهُ التَّقْوَى، وَغَفَرَ ذَنْبَكَ، وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُ مَا كُنْتَ

যাওয়াদাকাল্লাহুত তাক্বওয়া, ওয়াগাফারা যানবাকা, ওয়া ইয়াসসারা লাকাল খাইরা হাইসু মা কুনতা

আল্লাহ আপনাকে তাকওয়ার পাথেয় প্রদান করুন, আপনার গুনাহ ক্ষমা করুন, আর যেখানেই থাকুন না কেন আপনার জন্য কল্যাণকে সহজ করে দিন।

রেফারেন্স: তিরমিযী, নং ৩৪৪৪; আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৫।

زَوَّدَكَ اللّٰهُ التَّقْوَى، وَغَفَرَ ذَنْبَكَ، وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُ مَا كُنْتَ

আল্লাহ আপনাকে তাকওয়ার পাথেয় প্রদান করুন, আপনার গুনাহ ক্ষমা করুন, আর যেখানেই থাকুন না কেন আপনার জন্য কল্যাণকে সহজ করে দিন।

রেফারেন্স: তিরমিযী, নং ৩৪৪৪; আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৫।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 রাত্রির শেষ প্রহরে মুসাফিরের দো‘আ

📄 রাত্রির শেষ প্রহরে মুসাফিরের দো‘আ


রাত্রির শেষ প্রহরে মুসাফিরের দো‘আ

রাত্রির শেষ প্রহরে মুসাফিরের দো‘আ

سَمَّعَ سَامِعٌ بِحَمْدِ اللّٰهِ، وَحُسْنِ بَلَائِهِ عَلَيْنَا، رَبَّنَا صَاحِبْنَا، وَأَفْضِلْ عَلَيْنَا، عَائِذًا بِاللّٰهِ مِنَ النَّارِ

সাম্মা‘আ সা-মি‘উন বিহামদিল্লা-হ, ওয়া হুসনি বালা-ইহী ‘আলাইনা, রাব্বানা সা-হিবনা, ওয়া আফদিল ‘আলাইনা, ‘আ-ইযান বিল্লা-হি মিনান না-রী

আমরা যে আল্লাহ্‌র প্রশংসা করলাম, আর আমাদের উপর তাঁর উত্তম নেয়ামতের ঘোষণা দিলাম, তা একজন শ্রোতা আমার এ কথা শুনে অন্যের কাছে পৌঁছে দিক। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের সাথী হোন, আর আমাদের উপর অনুগ্রহ বর্ষণ করুন। আগুন থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয়প্রার্থী হয়ে (এ দো‘আ করছি)

রেফারেন্স: মুসলিম, ৪/২০৮৬, নং ২৭১৮। আর হাদীসে ব্যবহৃত سَمِعَ سامِعٌ শব্দের অর্থ, ‘একজন সাক্ষ্যদাতা সাক্ষ্য প্রদান করুন যে, আমরা আল্লাহর প্রশংসা করেছি তার যাবতীয় নেয়ামতের উপর, তাঁর উত্তম দান-দয়ার উপর।’ আর যদি হাদীসে ব্যবহৃত শব্দটিকে سَمَّعَ سامِعٌ ধরা হয়, তখন অর্থ হবে, ‘একজন শ্রোতা আমার এ কথা শুনে তা অন্যের কাছে পৌঁছে দিক।’ আর এ-কথাটি তিনি বলেছেন শেষ রাত্রির দো‘আ ও যিকর সম্পর্কে সচেতন করার জন্য। শারহুন নাওয়াওয়ী ‘আলা সহীহ মুসলিম, ১৭/৩৯।

سَمَّعَ سَامِعٌ بِحَمْدِ اللّٰهِ، وَحُسْنِ بَلَائِهِ عَلَيْنَا، رَبَّنَا صَاحِبْنَا، وَأَفْضِلْ عَلَيْنَا، عَائِذًا بِاللّٰهِ مِنَ النَّارِ

আমরা যে আল্লাহ্‌র প্রশংসা করলাম, আর আমাদের উপর তাঁর উত্তম নেয়ামতের ঘোষণা দিলাম, তা একজন শ্রোতা আমার এ কথা শুনে অন্যের কাছে পৌঁছে দিক। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের সাথী হোন, আর আমাদের উপর অনুগ্রহ বর্ষণ করুন। আগুন থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয়প্রার্থী হয়ে (এ দো‘আ করছি)

রেফারেন্স: মুসলিম, ৪/২০৮৬, নং ২৭১৮। আর হাদীসে ব্যবহৃত سَمِعَ سامِعٌ শব্দের অর্থ, ‘একজন সাক্ষ্যদাতা সাক্ষ্য প্রদান করুন যে, আমরা আল্লাহর প্রশংসা করেছি তার যাবতীয় নেয়ামতের উপর, তাঁর উত্তম দান-দয়ার উপর।’ আর যদি হাদীসে ব্যবহৃত শব্দটিকে سَمَّعَ سامِعٌ ধরা হয়, তখন অর্থ হবে, ‘একজন শ্রোতা আমার এ কথা শুনে তা অন্যের কাছে পৌঁছে দিক।’ আর এ-কথাটি তিনি বলেছেন শেষ রাত্রির দো‘আ ও যিকর সম্পর্কে সচেতন করার জন্য। শারহুন নাওয়াওয়ী ‘আলা সহীহ মুসলিম, ১৭/৩৯।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সফরে বা অন্য অবস্থায় কোনো ঘরে নামলে পড়ার দো‘আ

📄 সফরে বা অন্য অবস্থায় কোনো ঘরে নামলে পড়ার দো‘আ


সফরে বা অন্য অবস্থায় কোনো ঘরে নামলে পড়ার দো‘আ

সফরে বা অন্য অবস্থায় কোনো ঘরে নামলে পড়ার দো‘আ

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আ‘ঊযু বি কালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা খালাক্ব

আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের ওসিলায় আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: মুসলিম, ৪/২০৮০, নং ২৭০৯।

রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, যদি কেউ কোনো স্থানে গমন করে বা সফরে কোথাও থামে এবং এ দু‘আটি বলে, তাহলে তথায় অবস্থানকালে কোনো কিছু তার ক্ষতি করতে পারবে না।

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের ওসিলায় আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: মুসলিম, ৪/২০৮০, নং ২৭০৯।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সফর থেকে ফেরার যিক্‌র

📄 সফর থেকে ফেরার যিক্‌র


সফর থেকে ফেরার যিক্‌র

সফর থেকে ফেরার যিক্‌র

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো যুদ্ধ অথবা হজ্জ থেকে ফিরতেন, তখন তিনি তিনবার বলতেন,

اَللّٰهُ أَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُ - আল্লাহ
أَكْبَرُ - সবচেয়ে বড়

তারপর বলতেন,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ، آيِبُوْنَ، تَائِبُوْنَ، عَابِدُوْنَ، لِرَبِّنَا حَامِدُوْنَ، صَدَقَ اللّٰهُ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর, আ-ইবূনা, তা-ইবূনা, ‘আ-বিদূনা, লি রাব্বিনা হা-মিদূন। সাদাক্বাল্লা-হু ওয়া‘দাহু, ওয়া নাসারা ‘আবদাহু ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহু

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকারী এবং আমাদের রব্বের প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা বাস্তবায়ন করেছেন, তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর তিনি সকল বিরোধী দল-গোষ্ঠীকে একাই পরাস্ত করেছেন।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَا - নাই (কোনো)
إِلٰهَ - মাবুদ/ইলাহ
إِلَّا - ছাড়া
اللّٰهُ - আল্লাহ
وَحْدَهُ - তিনি এক
لَا - নাই
شَرِيْكَ - শরীক/অংশীদার
لَهُ، - তাঁর
لَهُ - তাঁরই
الْمُلْكُ، - রাজত্ব
وَلَهُ - এবং তাঁর
الْحَمْدُ، - সমস্ত প্রশংসাও
وَهُوَ - এবং তিনি
عَلَى - উপর
كُلِّ - সকল
شَيْءٍ - কিছুর
قَدِيْرٌ، - ক্ষমতাবান
آيِبُوْنَ، - আমরা প্রত্যাবর্তন করছি
تَائِبُوْنَ، - আমরা তওবা করছি
عَابِدُوْنَ، - আমরা ইবাদত করছি
لِرَبِّنَا - আমাদের রব্বের
حَامِدُوْنَ، - আমরা প্রশংসা করছি
صَدَقَ - সত্য হিসাবে বাস্তবায়ন করেছেন
اللّٰهُ - আল্লাহ
وَعْدَهُ، - তাঁর ওয়াদা
وَنَصَرَ - এবং সাহায্য করেছেন
عَبْدَهُ، - তাঁর বান্দাকে
وَهَزَمَ - এবং পরাস্ত করেছেন
الْأَحْزَابَ - সকল বিরোধীদল-গোষ্ঠীকে
وَحْدَهُ - একাই

রেফারেন্স: বুখারী, ৭/১৬৩, নং ১৭৯৭; মুসলিম, ২/৯৮০, নং ১৩৪৪

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো যুদ্ধ অথবা হজ্জ থেকে ফিরতেন, তখন তিনি তিনবার বলতেন,

اَللّٰهُ আল্লাহ أَكْبَرُ সবচেয়ে বড়

আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

তারপর বলতেন,

لَا নাই (কোনো) إِلٰهَ মাবুদ/ইলাহ إِلَّا ছাড়া اللّٰهُ আল্লাহ وَحْدَهُ তিনি এক لَا নাই شَرِيْكَ শরীক/অংশীদার لَهُ، তাঁর لَهُ তাঁরই الْمُلْكُ، রাজত্ব وَلَهُ এবং তাঁর الْحَمْدُ، সমস্ত প্রশংসাও وَهُوَ এবং তিনি عَلَى উপর كُلِّ সকল شَيْءٍ কিছুর قَدِيْرٌ، ক্ষমতাবান آيِبُوْنَ، আমরা প্রত্যাবর্তন করছি تَائِبُوْنَ، আমরা তওবা করছি عَابِدُوْنَ، আমরা ইবাদত করছি لِرَبِّنَا আমাদের রব্বের حَامِدُوْنَ، আমরা প্রশংসা করছি صَدَقَ সত্য হিসাবে বাস্তবায়ন করেছেন اللّٰهُ আল্লাহ وَعْدَهُ، তাঁর ওয়াদা وَنَصَرَ এবং সাহায্য করেছেন عَبْدَهُ، তাঁর বান্দাকে وَهَزَمَ এবং পরাস্ত করেছেন الْأَحْزَابَ সকল বিরোধীদল-গোষ্ঠীকে وَحْدَهُ একাই

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকারী এবং আমাদের রব্বের প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা বাস্তবায়ন করেছেন, তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর তিনি সকল বিরোধী দল-গোষ্ঠীকে একাই পরাস্ত করেছেন।

রেফারেন্স: বুখারী, ৭/১৬৩, নং ১৭৯৭; মুসলিম, ২/৯৮০, নং ১৩৪৪

ফন্ট সাইজ
15px
17px