📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র

📄 বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র


বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র #১

বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র #১

بِسْمِ اللّٰهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللّٰهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

বিসমিল্লাহি, তাওয়াককালতু ‘আলাল্লা-হি, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ

আল্লাহ্‌র নামে (বের হচ্ছি)। আল্লাহর উপর ভরসা করলাম। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই [১]

রেফারেন্স: [১] আবূ দাউদ ৪/৩২৫, নং ৫০৯৫; তিরমিযী ৫/৪৯০, ৩৪২৬। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫১ [২] তিরমিযী (৩৯-কিতাবুদ্দাওয়াত,৩৪-বাব ইয়াকুলু ইযা খরাজা) ৫/৪৫৬, নং ৩৪২৬ (ভা ২/১৮০-১৮১)।

আনাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় এ কথাগুলো বলবে, তাঁকে (আল্লাহর পক্ষ থেকে ) বলা হবে: তোমার আর কোনো চিন্তা নেই, তোমার সকল দায়িত্ব গ্রহণ করা হলো, (তোমাকে সঠিক পথ দেখানো হলো) এবং তোমাকে হেফাযত করা হলো। আর শয়তান তার থেকে দূরে চলে যায়।” অন্য বর্ণনায় : “এক শয়তান অন্য শয়তানের সাথে সাক্ষাৎ করে বলে, সে ব্যক্তির সকল দায়িত্ব গ্রহণ করা হয়েছে, হেফাযত করা হয়েছে এবং পথ দেখানো হয়েছে, কিভাবে আমরা তার ক্ষতি করতে পারি?” হাদীসটি হাসান সহীহ। [২]

بِسْمِ اللّٰهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللّٰهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

আল্লাহ্‌র নামে (বের হচ্ছি)। আল্লাহর উপর ভরসা করলাম। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই [১]

রেফারেন্স: [১] আবূ দাউদ ৪/৩২৫, নং ৫০৯৫; তিরমিযী ৫/৪৯০, ৩৪২৬। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫১ [২] তিরমিযী (৩৯-কিতাবুদ্দাওয়াত,৩৪-বাব ইয়াকুলু ইযা খরাজা) ৫/৪৫৬, নং ৩৪২৬ (ভা ২/১৮০-১৮১)।

বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র #২

বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ের যিক্‌র #২

اَللّٰـهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أَضِلَّ، أَوْ أُضَلَّ، أَوْ أَزِلَّ، أَوْ أُزَلَّ، أَوْ أَظْلِمَ، أَوْ أُظْلَمَ، أَوْ أَجْهَلَ، أَوْ يُجْهَلَ عَلَيَّ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা আন আদ্বিল্লা, আও উদ্বাল্লা, আও আযিল্লা, আও উযাল্লা, আও আযলিমা, আও উযলামা, আও আজহালা, আও ইয়ুজহালা ‘আলাইয়্যা

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই যেন নিজেকে বা অন্যকে পথভ্রষ্ট না করি, অথবা অন্যের দ্বারা পথভ্রষ্ট না হই; আমার নিজের বা অন্যের পদস্খলন না করি, অথবা আমায় যেন পদস্খলন করানো না হয়; আমি যেন নিজের বা অন্যের উপর যুলম না করি অথবা আমার প্রতি যুলম না করা হয়; আমি যেন নিজে মুর্খতা না করি, অথবা আমার উপর মূর্খতা করা না হয়।

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ: আবূ দাউদ, নং ৫০৯৪; তিরমিযী, নং ৩৪২৭; নাসাঈ, নং ৫৫০১; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৮৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫২; সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/৩৩৬।

اَللّٰـهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أَضِلَّ، أَوْ أُضَلَّ، أَوْ أَزِلَّ، أَوْ أُزَلَّ، أَوْ أَظْلِمَ، أَوْ أُظْلَمَ، أَوْ أَجْهَلَ، أَوْ يُجْهَلَ عَلَيَّ

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই যেন নিজেকে বা অন্যকে পথভ্রষ্ট না করি, অথবা অন্যের দ্বারা পথভ্রষ্ট না হই; আমার নিজের বা অন্যের পদস্খলন না করি, অথবা আমায় যেন পদস্খলন করানো না হয়; আমি যেন নিজের বা অন্যের উপর যুলম না করি অথবা আমার প্রতি যুলম না করা হয়; আমি যেন নিজে মুর্খতা না করি, অথবা আমার উপর মূর্খতা করা না হয়।

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ: আবূ দাউদ, নং ৫০৯৪; তিরমিযী, নং ৩৪২৭; নাসাঈ, নং ৫৫০১; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৮৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫২; সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/৩৩৬।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বাহনে আরোহণের দো‘আ

📄 বাহনে আরোহণের দো‘আ


বাহনে আরোহণের দো‘আ

বাহনে আরোহণের দো‘আ

بِسْمِ اللّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، سُبْحَانَ الَّذِيْ سَخَّرَ لَنَا هٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِيْنَ، وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ فَاغْفِرْ لِيْ، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ

বিস্‌মিল্লা-হি, আলহাম্‌দু লিল্লা-হি, সুব্‌হা-নাল্লাযী সাখখারা লানা হা-যা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরিনীন। ওয়া ইন্না ইলা রব্বিনা লামুনক্বালিবূন, আলহামদুলিল্লা-হ, আলহামদুলিল্লা-হ, আলহামদুলিল্লা-হ, আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হু আকবার, সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী ফাগফির লী। ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা

আল্লাহ্‌র নামে; আর সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। পবিত্র মহান সেই সত্তা, যিনি একে আমাদের জন্য বশীভূত করে দিয়েছেন, অন্যথায় আমরা একে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। আর আমরা অবশ্যই প্রত্যাবর্তন করবো আমাদের রব্বের দিকে। সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়। হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র-মহান; আমি আমার নিজের উপর যুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে মাফ করে দিন। কেননা, আপনি ছাড়া গুনাহ মাফ করার আর কেউ নেই।

রেফারেন্স: আবু দাঊদ ৩/৩৪, ২৬০২; তিরমিযী ৫/৫০১, নং ৩৪৪৬। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫৬। আর আয়াত দু’টি হচ্ছে, সূরা আয-যুখরুফের ১৩-১৪

بِسْمِ اللّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، سُبْحَانَ الَّذِيْ سَخَّرَ لَنَا هٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِيْنَ، وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ، سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ فَاغْفِرْ لِيْ، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লাহ্‌র নামে; আর সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। পবিত্র মহান সেই সত্তা, যিনি একে আমাদের জন্য বশীভূত করে দিয়েছেন, অন্যথায় আমরা একে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। আর আমরা অবশ্যই প্রত্যাবর্তন করবো আমাদের রব্বের দিকে। সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড়। হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র-মহান; আমি আমার নিজের উপর যুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে মাফ করে দিন। কেননা, আপনি ছাড়া গুনাহ মাফ করার আর কেউ নেই।

রেফারেন্স: আবু দাঊদ ৩/৩৪, ২৬০২; তিরমিযী ৫/৫০১, নং ৩৪৪৬। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫৬। আর আয়াত দু’টি হচ্ছে, সূরা আয-যুখরুফের ১৩-১৪

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সফরের দো‘আ

📄 সফরের দো‘আ


সফরের দো‘আ

সফরের দো‘আ

তিনবার বলবে,

اَللّٰهُ أَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ সবচেয়ে বড়

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُ - আল্লাহ
أَكْبَرُ - সর্বশ্রেষ্ঠ

তারপর বলবে,

سُبْحَانَ الَّذِيْ سَخَّرَ لَنَا هٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِيْنَ، وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ

সুব্‌হা-নাল্লাযী সাখখারা লানা হা-যা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরিনীনা। ওয়া ইন্না ইলা রব্বিনা লামুনক্বালিবূন।

পবিত্র মহান সেই সত্তা, যিনি আমাদের জন্য একে বশীভূত করে দিয়েছেন, অন্যথায় আমরা একে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। আর আমরা অবশ্যই আমাদের রব্বের নিকট প্রত্যাবর্তন করব।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
سُبْحَانَ - মহাপবিত্র
الَّذِيْ - যিনি
سَخَّرَ - বশীভূত করেছেন
لَنَا - আমাদের জন্য
هٰذَا - এটা
وَمَا - এবং না
كُنَّا - আমরা ছিলাম
لَهُ - এদেরকে
مُقْرِنِيْنَ، - সক্ষম (বশীভূত করতে)
وَإِنَّا - এবং নিশ্চয় আমরা
إِلَى - দিকে
رَبِّنَا - আমাদের প্রভূর
لَمُنْقَلِبُوْنَ - প্রত্যাবর্তনকারী

اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِيْ سَفَرِنَا هٰذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى، وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى، اَللّٰهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هٰذَا وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَهُ، اَللّٰهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ، وَالْخَلِيْفَةُ فِي الْأَهْلِ

আল্লা-হুম্মা ইন্না নাস’আলুকা ফী সাফারিনা হা-যাল-বিররা ওয়াত্তাকওয়া, ওয়ামিনাল ‘আমালি মা তারদ্বা। আল্লা-হুম্মা হাউইন ‘আলাইনা সাফারানা হা-যা ওয়াতউই ‘আন্না বু‘দাহু। আল্লা-হুম্মা আনতাস সা-হিবু ফিস সাফারি ওয়াল-খালীফাতু ফিল আহ্‌লি।

হে আল্লাহ! আমরা এই সফরে আপনার কাছে চাই পূণ্য ও তাকওয়া এবং এমন কাজ যা আপনি পছন্দ করেন। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য এই সফরকে সহজ করে দিন এবং এর দুরত্বকে আমাদের জন্য কমিয়ে দিন। হে আল্লাহ্! আপনিই সফরে আমাদের সাথী এবং আমাদের পরিবার-পরিজনের তত্ত্বাবধায়ণকারী।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ
إِنَّا - নিশ্চয়
نَسْأَلُكَ - আমরা আপনার কাছে চাই
فِيْ - মধ্যে
سَفَرِنَا - আমাদের ভ্রমনের
هٰذَا - এই
الْبِرَّ - পুণ্য
وَالتَّقْوَى، - ও তাকওয়া
وَمِنَ - এবং দ্বারা
الْعَمَلِ - এমন কাজ/আমল
مَا - যা
تَرْضَى، - আপনি পছন্দ করেন
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ
هَوِّنْ - সহজ করুন
عَلَيْنَا - আমাদের জন্য
سَفَرَنَا - আমাদের ভ্রমন
هٰذَا - এই
وَاطْوِ - এবং কমিয়ে দিন
عَنَّا - আমাদের জন্য
بُعْدَهُ، - এর দুরত্বকে
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ
أَنْتَ - আপনিই
الصَّاحِبُ - আমাদের সাথী
فِي - এর
السَّفَرِ، - সফর
وَالْخَلِيْفَةُ - এবং তত্ত্বাবধায়ণকারী
فِي - এর
الْأَهْلِ - আমাদের পরিবার-পরিজন

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ، وَكَآبَةِ الْمَنْظَرِ، وَسُوْءِ الْمُنْقَلَبِ فِي الْمَالِ وَالْأَهْلِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন ওয়া‘আসা-ইস্ সাফারি ওয়া কা’আবাতিল মানযারি ওয়া সূ-ইল মুনক্বালাবি ফিল মা-লি ওয়াল আহল

হে আল্লাহ! আমরা আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি সফরের কষ্ট-ক্লেশ থেকে, অবাঞ্ছিত অবস্থার দৃশ্য থেকে এবং সম্পদ ও পরিবারে অনিষ্টকর প্রত্যাবর্তন থেকে।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ
إِنِّيْ - নিশ্চয় আমি
أَعُوْذُ - আশ্রয় প্রার্থনা করি
بِكَ - আপনার নিকট
مِنْ - থেকে
وَعْثَاءِ - কষ্ট/ক্লান্তি
السَّفَرِ، - সফরের
وَكَآبَةِ - এবং অবাঞ্ছিত/অনিষ্টকর থেকে
الْمَنْظَرِ، - দৃশ্য
وَسُوْءِ - এবং ক্ষতিকর/মন্দ থেকে
الْمُنْقَلَبِ - প্রত্যাবর্তন
فِي - এর
الْمَالِ - সম্পদ
وَالْأَهْلِ - এবং পরিবার

আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর থেকে ফেরার সময়ও তা পড়তেন এবং তাতে যোগ করতেন,

آيِبُوْنَ، تَائِبُوْنَ، عَابِدُوْنَ، لِرَبِّنَا حَامِدُوْنَ

আ-ইবূনা তা-ইবূনা ‘আ-বিদূনা, লিরব্বিনা হা-মিদূন

আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকারী এবং আমাদের রব্বের প্রশংসাকারী।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
آيِبُوْنَ، - আমরা প্রত্যাবর্তন করছি
تَائِبُوْنَ، - আমরা তওবা করছি
عَابِدُوْنَ، - আমরা ইবাদত করছি
لِرَبِّنَا - আমাদের রব্বের
حَامِدُوْنَ - আমরা প্রশংসা করছি

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৯৭৮, হাদীস নং ১৩৪২

তিনবার বলবে,

اَللّٰهُ আল্লাহ أَكْبَرُ সর্বশ্রেষ্ঠ

আল্লাহ সবচেয়ে বড়

তারপর বলবে,

سُبْحَانَ মহাপবিত্র الَّذِيْ যিনি سَخَّرَ বশীভূত করেছেন لَنَا আমাদের জন্য هٰذَا এটা وَمَا এবং না كُنَّا আমরা ছিলাম لَهُ এদেরকে مُقْرِنِيْنَ، সক্ষম (বশীভূত করতে) وَإِنَّا এবং নিশ্চয় আমরা إِلَى দিকে رَبِّنَا আমাদের প্রভূর لَمُنْقَلِبُوْنَ প্রত্যাবর্তনকারী

পবিত্র মহান সেই সত্তা, যিনি আমাদের জন্য একে বশীভূত করে দিয়েছেন, অন্যথায় আমরা একে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না। আর আমরা অবশ্যই আমাদের রব্বের নিকট প্রত্যাবর্তন করব।

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ إِنَّا নিশ্চয় نَسْأَلُكَ আমরা আপনার কাছে চাই فِيْ মধ্যে سَفَرِنَا আমাদের ভ্রমনের هٰذَا এই الْبِرَّ পুণ্য وَالتَّقْوَى، ও তাকওয়া وَمِنَ এবং দ্বারা الْعَمَلِ এমন কাজ/আমল مَا যা تَرْضَى، আপনি পছন্দ করেন اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ هَوِّنْ সহজ করুন عَلَيْنَا আমাদের জন্য سَفَرَنَا আমাদের ভ্রমন هٰذَا এই وَاطْوِ এবং কমিয়ে দিন عَنَّا আমাদের জন্য بُعْدَهُ، এর দুরত্বকে اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ أَنْتَ আপনিই الصَّاحِبُ আমাদের সাথী فِي এর السَّفَرِ، সফর وَالْخَلِيْفَةُ এবং তত্ত্বাবধায়ণকারী فِي এর الْأَهْلِ আমাদের পরিবার-পরিজন

হে আল্লাহ! আমরা এই সফরে আপনার কাছে চাই পূণ্য ও তাকওয়া এবং এমন কাজ যা আপনি পছন্দ করেন। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য এই সফরকে সহজ করে দিন এবং এর দুরত্বকে আমাদের জন্য কমিয়ে দিন। হে আল্লাহ্! আপনিই সফরে আমাদের সাথী এবং আমাদের পরিবার-পরিজনের তত্ত্বাবধায়ণকারী।

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ إِنِّيْ নিশ্চয় আমি أَعُوْذُ আশ্রয় প্রার্থনা করি بِكَ আপনার নিকট مِنْ থেকে وَعْثَاءِ কষ্ট/ক্লান্তি السَّفَرِ، সফরের وَكَآبَةِ এবং অবাঞ্ছিত/অনিষ্টকর থেকে الْمَنْظَرِ، দৃশ্য وَسُوْءِ এবং ক্ষতিকর/মন্দ থেকে الْمُنْقَلَبِ প্রত্যাবর্তন فِي এর الْمَالِ সম্পদ وَالْأَهْلِ এবং পরিবার

হে আল্লাহ! আমরা আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি সফরের কষ্ট-ক্লেশ থেকে, অবাঞ্ছিত অবস্থার দৃশ্য থেকে এবং সম্পদ ও পরিবারে অনিষ্টকর প্রত্যাবর্তন থেকে।

আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর থেকে ফেরার সময়ও তা পড়তেন এবং তাতে যোগ করতেন,

آيِبُوْنَ، আমরা প্রত্যাবর্তন করছি تَائِبُوْنَ، আমরা তওবা করছি عَابِدُوْنَ، আমরা ইবাদত করছি لِرَبِّنَا আমাদের রব্বের حَامِدُوْنَ আমরা প্রশংসা করছি

আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকারী এবং আমাদের রব্বের প্রশংসাকারী।

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৯৭৮, হাদীস নং ১৩৪২

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 গ্রাম বা শহরে প্রবেশের দো‘আ

📄 গ্রাম বা শহরে প্রবেশের দো‘আ


গ্রাম বা শহরে প্রবেশের দো‘আ

গ্রাম বা শহরে প্রবেশের দো‘আ

اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ، وَرَبَّ الْأَرَضِيْنَ السَّبْعِ وَمَا أَقْلَلْنَ، وَرَبَّ الشَّيَاطِيْنِ وَمَا أَضْلَلْنَ، وَرَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا ذَرَيْنَ، أَسْأَلُكَ خَيْرَ هٰذِهِ الْقَرْيَةِ، وَخَيْرَ أَهْلِهَا، وَخَيْرَ مَا فِيْهَا، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا، وَشَرِّ أَهْلِهَا، وَشَرِّ مَا فِيْهَا

আল্লা-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তিস্ সাব‘ঈ ওয়ামা আযলালনা, ওয়ারব্বাল আরাদীনাস সাব‘ঈ ওয়ামা আক্বলালনা, ওয়া রব্বাশ শাইয়া-তী-নি ওয়ামা আদ্বলালনা, ওয়া রব্বাররিয়া-হি ওয়ামা যারাইনা, আস’আলুকা খাইরা হা-যিহিল কারইয়াতি ওয়া খাইরা আহলিহা ওয়া খাইরা মা ফীহা। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি আহলিহা ওয়া শাররি মা ফীহা

হে আল্লাহ! সাত আসমান এবং তা যা কিছু ছায়া দিয়ে রেখেছে তার রব্ব! সাত যমীন এবং তা যা ধারণ করে রেখেছে তার রব্ব! শয়তানদের এবং ওদের দ্বারা পথভ্রষ্টদের রব্ব! বাতাসসমূহ এবং তা যা উড়িয়ে নেয় তার রব্ব! আমি আপনার নিকট চাই এ জনপদের কল্যাণ, এ জনপদবাসীর কল্যাণ এবং এর মাঝে যা আছে তার কল্যাণ। আর আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই এ জনপদের অনিষ্ট থেকে, তাতে বসবাসকারীদের অনিষ্ট থেকে এবং এর মাঝে যা আছে তার অনিষ্ট থেকে।

রেফারেন্স: হাকেম, আর তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং ইমাম যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন ২/১০০; ইবনুস সুন্নী, নং ৫২৪ তাছাড়া হাফেয ইবন হাজার তাঁর তাখরীজুল আযকার ৫/১৫৪, একে হাসান বলেছেন। আল্লামা ইবন বায রাহেমাহুল্লাহ বলেন, ‘হাদীসটি নাসাঈ হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন।’ দেখুন, তুহফাতুল আখইয়ার, পৃ. ৩৭।

اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ، وَرَبَّ الْأَرَضِيْنَ السَّبْعِ وَمَا أَقْلَلْنَ، وَرَبَّ الشَّيَاطِيْنِ وَمَا أَضْلَلْنَ، وَرَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا ذَرَيْنَ، أَسْأَلُكَ خَيْرَ هٰذِهِ الْقَرْيَةِ، وَخَيْرَ أَهْلِهَا، وَخَيْرَ مَا فِيْهَا، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا، وَشَرِّ أَهْلِهَا، وَشَرِّ مَا فِيْهَا

হে আল্লাহ! সাত আসমান এবং তা যা কিছু ছায়া দিয়ে রেখেছে তার রব্ব! সাত যমীন এবং তা যা ধারণ করে রেখেছে তার রব্ব! শয়তানদের এবং ওদের দ্বারা পথভ্রষ্টদের রব্ব! বাতাসসমূহ এবং তা যা উড়িয়ে নেয় তার রব্ব! আমি আপনার নিকট চাই এ জনপদের কল্যাণ, এ জনপদবাসীর কল্যাণ এবং এর মাঝে যা আছে তার কল্যাণ। আর আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই এ জনপদের অনিষ্ট থেকে, তাতে বসবাসকারীদের অনিষ্ট থেকে এবং এর মাঝে যা আছে তার অনিষ্ট থেকে।

রেফারেন্স: হাকেম, আর তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং ইমাম যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন ২/১০০; ইবনুস সুন্নী, নং ৫২৪ তাছাড়া হাফেয ইবন হাজার তাঁর তাখরীজুল আযকার ৫/১৫৪, একে হাসান বলেছেন। আল্লামা ইবন বায রাহেমাহুল্লাহ বলেন, ‘হাদীসটি নাসাঈ হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন।’ দেখুন, তুহফাতুল আখইয়ার, পৃ. ৩৭।

ফন্ট সাইজ
15px
17px