📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বিত্‌রের নামায থেকে সালাম ফিরানোর পরের যিক্‌র

📄 বিত্‌রের নামায থেকে সালাম ফিরানোর পরের যিক্‌র


বিত্‌রের নামায থেকে সালাম ফিরানোর পরের যিক্‌র

বিত্‌রের নামায থেকে সালাম ফিরানোর পরের যিক্‌র

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার বলতেন,

سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقُدُّوْسِ

সুবহা-নাল মালিকিল ক্বুদ্দূস

কতই না পবিত্র-মহান সেই মহাপবিত্র বাদশা!

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
سُبْحَانَ - কতই না পবিত্র/মহিমাময়/মহান
الْمَلِكِ - বাদশা/অধিপতি
الْقُدُّوْسِ - মহা/অতি পবিত্র

তৃতীয়বারে উচ্চস্বরে টেনে টেনে পড়ে বলতেন,

رَبِّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

রাব্বিল মালা-ইকাতি ওয়ার-রূহ

যিনি ফেরেশতা ও রূহ -এর রব।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
رَبِّ - প্রতিপালক
الْمَلَائِكَةِ - ফেরেশতা
وَالرُّوْحِ - ও রূহ (জীব্রাঈলের)

রেফারেন্স: নাসাঈ, ৩/২৪৪, নং ১৭৩৪; দারা কুতনী, ২/৩১ ও অন্যান্যগণ। আর দুই ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ দারা কুতনীতে ২/৩১, নং ২ বেশি বর্ণিত। যার সনদ বিশুদ্ধ। আরও দেখুন, শু‘আইব আল-আরনাঊত ও আবদুল কাদের আল-আরনাঊত এর ‘যাদুল মা‘আদ’ গ্রন্থের সম্পাদনা ১/৩৩৭।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার বলতেন,

سُبْحَانَ কতই না পবিত্র/মহিমাময়/মহান الْمَلِكِ বাদশা/অধিপতি الْقُدُّوْسِ মহা/অতি পবিত্র

কতই না পবিত্র-মহান সেই মহাপবিত্র বাদশা!

তৃতীয়বারে উচ্চস্বরে টেনে টেনে পড়ে বলতেন,

رَبِّ প্রতিপালক الْمَلَائِكَةِ ফেরেশতা وَالرُّوْحِ ও রূহ (জীব্রাঈলের)

যিনি ফেরেশতা ও রূহ -এর রব।

রেফারেন্স: নাসাঈ, ৩/২৪৪, নং ১৭৩৪; দারা কুতনী, ২/৩১ ও অন্যান্যগণ। আর দুই ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ দারা কুতনীতে ২/৩১, নং ২ বেশি বর্ণিত। যার সনদ বিশুদ্ধ। আরও দেখুন, শু‘আইব আল-আরনাঊত ও আবদুল কাদের আল-আরনাঊত এর ‘যাদুল মা‘আদ’ গ্রন্থের সম্পাদনা ১/৩৩৭।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ

📄 মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ


মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #১

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #১

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ، وَعَافِهِ، وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِّنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِّنْ أَهْلِهِ، وَزَوْجًا خَيْرًا مِّنْ زَوْجِهِ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ [وَعَذَابِ النَّارِ]

আল্লা-হুম্মাগফির লাহু, ওয়ারহামহু, ওয়া ‘আ-ফিহি, ওয়া‘ফু ‘আনহু, ওয়া আকরিম নুযুলাহু, ওয়াওয়াসসি‘ মুদখালাহু, ওয়াগসিলহু বিলমা-য়ি ওয়াস্‌সালজি ওয়ালবারাদি, ওয়ানাক্বক্বিহি মিনাল খাতা-ইয়া কামা নাক্কাইতাস সাওবাল আবইয়াদা মিনাদদানাসি, ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহি, ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহি, ওয়া যাওজান খাইরাম মিন যাওজিহি, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা, ওয়া আ‘য়িযহু মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি [ওয়া ‘আযাবিন্না-র]

হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তাকে দয়া করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তায় রাখুন, তাকে মাফ করে দিন, তার মেহমানদারীকে মর্যাদাপূর্ণ করুন, তার প্রবেশস্থান কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আর আপনি তাকে ধৌত করুন পানি, বরফ ও শিলা দিয়ে, আপনি তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করুন যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন। আর তাকে তার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর, তার পরিবারের বদলে উত্তম পরিবার ও তার জোড়ের (স্ত্রী/স্বামীর) চেয়ে উত্তম জোড় প্রদান করুন। আর আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান এবং তাকে কবরের আযাব [ও জাহান্নামের আযাব] থেকে রক্ষা করুন

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৬৬৩, নং ৯৬৩

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ، وَعَافِهِ، وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِّنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِّنْ أَهْلِهِ، وَزَوْجًا خَيْرًا مِّنْ زَوْجِهِ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ [وَعَذَابِ النَّارِ]

হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তাকে দয়া করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তায় রাখুন, তাকে মাফ করে দিন, তার মেহমানদারীকে মর্যাদাপূর্ণ করুন, তার প্রবেশস্থান কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আর আপনি তাকে ধৌত করুন পানি, বরফ ও শিলা দিয়ে, আপনি তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করুন যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন। আর তাকে তার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর, তার পরিবারের বদলে উত্তম পরিবার ও তার জোড়ের (স্ত্রী/স্বামীর) চেয়ে উত্তম জোড় প্রদান করুন। আর আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান এবং তাকে কবরের আযাব [ও জাহান্নামের আযাব] থেকে রক্ষা করুন

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৬৬৩, নং ৯৬৩

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #২

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #২

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا، وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا، وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا، اَللّٰهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلاَمِ، وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيْمَانِ، اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ، وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهُ

আল্লা-হুম্মাগফির লিহায়্যিনা ওয়া মায়্যিতিনা ওয়া শা-হিদিনা ওয়া গা-য়িবিনা ওয়া সগীরিনা ওয়া কাবীরিনা ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসা-না। আল্লা-হুম্মা মান আহ্ইয়াইতাহু মিন্না ফা’আহয়িহি ‘আলাল-ইসলাম। ওয়ামান তাওয়াফ্‌ফাইতাহু মিন্না ফাতাওয়াফফাহু ‘আলাল ঈমান। আল্লা-হুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহু ওয়ালা তুদ্বিল্লান্না বা‘দাহু

হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং নর ও নারীদেরকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মধ্যে যাদের আপনি জীবিত রাখবেন তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখুন এবং যাদেরকে মৃত্যু দান করবেন তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করুন। হে আল্লাহ! আমাদেরকে তার (মৃত্যুতে ধৈয্যধারণের) সওয়াব থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার (মৃত্যুর) পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করবেন না।

রেফারেন্স: আবূ দাঊদ, নং ৩২০১; তিরমিযী, নং ১০২৪; নাসাঈ, নং ১৯৮৫; ইবন মাজাহ, ১/৪৮০, নং ১৪৯৮; আহমাদ ২/৩৬৮, নং ৮৮০৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ১/২৫১

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا، وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا، وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا، اَللّٰهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلاَمِ، وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيْمَانِ، اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ، وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهُ

হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং নর ও নারীদেরকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মধ্যে যাদের আপনি জীবিত রাখবেন তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখুন এবং যাদেরকে মৃত্যু দান করবেন তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করুন। হে আল্লাহ! আমাদেরকে তার (মৃত্যুতে ধৈয্যধারণের) সওয়াব থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার (মৃত্যুর) পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করবেন না।

রেফারেন্স: আবূ দাঊদ, নং ৩২০১; তিরমিযী, নং ১০২৪; নাসাঈ, নং ১৯৮৫; ইবন মাজাহ, ১/৪৮০, নং ১৪৯৮; আহমাদ ২/৩৬৮, নং ৮৮০৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ১/২৫১

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৩

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৩

اَللّٰهُمَّ إِنَّ فُلَانَ بْنَ فُلَانٍ فِيْ ذِمَّتِكَ، وَحَبْلِ جِوَارِكَ، فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، فَاغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্না ফুলানাবনা ফুলা-নিন ফী যিম্মাতিকা, ওয়া হাবলি জিওয়ারিকা, ফাক্বিহি মিন ফিতনাতিল ক্বাবরি ওয়া আযা-বিন না-রি, ওয়া আনতা আহলুল ওয়াফাই ওয়াল হাক্ক, ফাগফির লাহু ওয়ারহামহু, ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম

হে আল্লাহ, অমুকের পুত্র অমুক আপনার যিম্মাদারীতে, আপনার প্রতিবেশিত্বের নিরাপত্তায়; সুতরাং আপনি তাকে কবরের পরীক্ষা থেকে এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। আর আপনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণকারী এবং প্রকৃত সত্যের অধিকারী। অতএব, আপনি তাকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর দয়া করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: ইবন মাজাহ্‌, নং ১৪৯৯। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ১/২৫১ তাছাড়া হাদীসটি আবূ দাউদও বর্ণনা করেছেন, ৩/২১১, নং ৩২০২

اَللّٰهُمَّ إِنَّ فُلَانَ بْنَ فُلَانٍ فِيْ ذِمَّتِكَ، وَحَبْلِ جِوَارِكَ، فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، فَاغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

হে আল্লাহ, অমুকের পুত্র অমুক আপনার যিম্মাদারীতে, আপনার প্রতিবেশিত্বের নিরাপত্তায়; সুতরাং আপনি তাকে কবরের পরীক্ষা থেকে এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। আর আপনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণকারী এবং প্রকৃত সত্যের অধিকারী। অতএব, আপনি তাকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর দয়া করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: ইবন মাজাহ্‌, নং ১৪৯৯। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ১/২৫১ তাছাড়া হাদীসটি আবূ দাউদও বর্ণনা করেছেন, ৩/২১১, নং ৩২০২

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৪

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৪

اَللّٰهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ احْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهِ، إِنْ كَانَ مُحْسِناً فَزِدْ فِيْ حَسَنَاتِهِ، وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَنْهُ

আল্লা-হুম্মা ‘আবদুকা, ওয়াবনু আমাতিকা, ইহতাজা ইলা রাহমাতিকা, ওয়া আনতা গানিয়্যুন ‘আন ‘আযা-বিহি, ইন কা-না মুহসিনান ফাযিদ ফী হাসানা-তিহি, ওয়া ইনকা-না মুসীআন ফা তাজা-ওয়ায ‘আনহু

হে আল্লাহ, আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র, আপনার অনুগ্রহের মুখাপেক্ষী, আপনি তাকে শাস্তি দেওয়া থেকে অমুখাপেক্ষী। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার অপরাধকর্ম এড়িয়ে যান।

রেফারেন্স: হাদীসটি সংকলণ করেন, হাকেম তাঁর মুস্তাদরাকে এবং সহীহ বলেছেন, ১/৩৫৯; আর যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন। আরও দেখুন, আলবানী, আহকামুল জানায়েয, পৃ. ১২৫।

اَللّٰهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ احْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهِ، إِنْ كَانَ مُحْسِناً فَزِدْ فِيْ حَسَنَاتِهِ، وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَنْهُ

হে আল্লাহ, আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র, আপনার অনুগ্রহের মুখাপেক্ষী, আপনি তাকে শাস্তি দেওয়া থেকে অমুখাপেক্ষী। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার অপরাধকর্ম এড়িয়ে যান।

রেফারেন্স: হাদীসটি সংকলণ করেন, হাকেম তাঁর মুস্তাদরাকে এবং সহীহ বলেছেন, ১/৩৫৯; আর যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন। আরও দেখুন, আলবানী, আহকামুল জানায়েয, পৃ. ১২৫।

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৫

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৫

اَللّٰهُمَّ (إِنَّهُ) عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اَللّٰهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِيْ إِحْسَانِهِ وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَن سَيِّئَاتِهِ اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهُ

আল্লা-হুম্মা, (ইন্নাহু) ‘আব্দুকা, ওয়াব্নু ‘আব্দিকা, ওয়াব্নু আমাতিকা, কা-না ইয়াশ্হাদু আন লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্তা, ওয়া আন্না মু‘হাম্মাদান ‘আব্দুকা ওয়া রাসূলুকা, ওয়া আন্তা আ‘অলামু বিহী। আল্লা-হুম্মা, ইন্ কানা মু‘হ্সিনান ফাযিদ্ ফী ই‘হসা-নিহী, ওয়া ইন্ কা-না মুসীআন ফাতাজা-ওয়ায ‘আন সাইয়িআ-তিহী। আল্লা-হুম্মা লা- তা‘হরিমনা- আজ্রাহু, ওয়ালা- তাফ্তিন্না বা‘অদাহু।

হে আল্লাহ, এ ব্যক্তি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার পুত্র, আপনার বান্দীর পুত্র। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ () আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল। আর আপনি তার বিষয়ে অধিক অবগত। হে আল্লাহ, যদি সে নেককর্মকারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার নেকি বৃদ্ধি করে দিন। আর যদি সে পাপাচারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার পাপরাশি ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আমাদেরকে তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পরে আমাদেরকে ফিতনাগ্রস্থ করবেন না।”

রেফারেন্স: [১]মালিক,আল-মুয়াত্তা ১/২৩৮;মহাম্মাদ ইবনুল হাসান,আল-মুয়াত্তা ২/৯৮;আবু-ইয়ালা মাওসিলী,আল-মুসনাদ ১১/৪৭৭;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৩/১৩৯;আলবানী,আহকামুল জানায়িয,পৃ ১২৫; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৮

হাদীসটি সহীহ।

اَللّٰهُمَّ (إِنَّهُ) عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اَللّٰهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِيْ إِحْسَانِهِ وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَن سَيِّئَاتِهِ اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهُ

হে আল্লাহ, এ ব্যক্তি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার পুত্র, আপনার বান্দীর পুত্র। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ () আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল। আর আপনি তার বিষয়ে অধিক অবগত। হে আল্লাহ, যদি সে নেককর্মকারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার নেকি বৃদ্ধি করে দিন। আর যদি সে পাপাচারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার পাপরাশি ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আমাদেরকে তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পরে আমাদেরকে ফিতনাগ্রস্থ করবেন না।”

রেফারেন্স: [১]মালিক,আল-মুয়াত্তা ১/২৩৮;মহাম্মাদ ইবনুল হাসান,আল-মুয়াত্তা ২/৯৮;আবু-ইয়ালা মাওসিলী,আল-মুসনাদ ১১/৪৭৭;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৩/১৩৯;আলবানী,আহকামুল জানায়িয,পৃ ১২৫; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৮

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৬

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৬

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ، الْحَمْدُ لِلّٰهِ وَسُبْحَانَ اللّٰهِ وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদ, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর, ‘আল-‘হামদু লিল্লাহ’, ওয়া ‘সুব‘হা-নাল্লা-হ’, ওয়া লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া ‘আল্লা-হু আকবার’, লা- ‘হাওলা ওয়া লা- ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ।

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, এবং প্রশংসা তাঁরই। এবং তিনি সর্বোপরি ক্ষমতাবান। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহর (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: [১]বুখারী(২৫-আবওয়াবুত তাহাজ্জুদ,২০-বাব ফাদল মান তাআররা) ১/৩৮৭ (ভা ১/১৫৫); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৯০

উবাদা ইবনু সামিত (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, “যদি কারো রাত্রে ঘুম ভেঙ্গে যায় এরপর সে উপরের যিকরের বাক্যগুলো পাঠ করে এবং এরপর সে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় অথবা কোনো প্রকার দু‘আ করে বা কিছু চায় তাহলে তার দু‘আ কবুল করা হবে। আর যদি সে এরপর উঠে ওযূ করে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করে তাহলে তার সালাত কবুল করা হবে।”

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ، الْحَمْدُ لِلّٰهِ وَسُبْحَانَ اللّٰهِ وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, এবং প্রশংসা তাঁরই। এবং তিনি সর্বোপরি ক্ষমতাবান। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহর (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: [১]বুখারী(২৫-আবওয়াবুত তাহাজ্জুদ,২০-বাব ফাদল মান তাআররা) ১/৩৮৭ (ভা ১/১৫৫); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৯০

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ

📄 নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ


নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #১

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #১

اَللّٰهُمَّ أَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা আ‘য়িযহু মিন আযা-বিল ক্বাবরি

হে আল্লাহ! এ শিশুকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব বলেন, আমি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর পিছনে একটি শিশুর জানাযার সালাত আদায় করেছি, যে শিশু কখনও কোনো গুনাহ করে নি, তখন আমি তাকে (উপরোক্ত দো‘আটি) বলতে শুনলাম....। হাদীসটি ইমাম মালেক তার মুওয়াত্তা গ্রন্থে সংকলন করেন, ১/২৮৮; ইবন আবী শাইবাহ তার মুসান্নাফ গ্রন্থে, ৩/২১৭; বাইহাকী, ৪/৯। আর শাইখ শু‘আইব আল-আরনাউত শারহুস সুন্নাহ লিল বাগভীর তাহকীকে ৫/৩৫৭, এটার সনদকে সহীহ বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ أَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ! এ শিশুকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব বলেন, আমি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর পিছনে একটি শিশুর জানাযার সালাত আদায় করেছি, যে শিশু কখনও কোনো গুনাহ করে নি, তখন আমি তাকে (উপরোক্ত দো‘আটি) বলতে শুনলাম....। হাদীসটি ইমাম মালেক তার মুওয়াত্তা গ্রন্থে সংকলন করেন, ১/২৮৮; ইবন আবী শাইবাহ তার মুসান্নাফ গ্রন্থে, ৩/২১৭; বাইহাকী, ৪/৯। আর শাইখ শু‘আইব আল-আরনাউত শারহুস সুন্নাহ লিল বাগভীর তাহকীকে ৫/৩৫৭, এটার সনদকে সহীহ বলেছেন।

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #২

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #২

আর যদি নিম্নোক্ত দো‘আটি পড়া হয় তবে তাও উত্তম:

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ فَرَطًا وَذُخْرًا لِوَالِدَيْهِ، وَشَفِيعًا مُجَابًا، اَللّٰهُمَّ ثَقِّلْ بِهِ مَوَازِيْنَهُمَا، وَأَعْظِمْ بِهِ أُجُوْرَهُمَا، وَأَلْحِقْهُ بِصَالِحِ الْمُؤْمِنِيْنَ، وَاجْعَلْهُ فِيْ كَفَالَةِ إِبْرَاهِيْمَ، وَقِهِ بِرَحْمَتِكَ عَذَابَ الْجَحِيْمِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ، اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِأَسْلاَفِنَا، وَأَفْرَاطِنَا، وَمَنْ سَبَقَنَا بِالْإِيْمَانِ

আল্লা-হুম্মাজ‘আলহু ফারাত্বান ওয়া যুখরান লিওয়লিদায়হি, ওয়াশাফী‘আন মুজাবান। আল্লা-হুম্মা সাক্কিল বিহী মাওয়াযীনাহুমা, ওয়াআ‘যিম বিহী উজূরাহুমা, ওয়া আলহিক্বহু বিসা-লিহিল মু’মিনীন, ওয়াজ‘আলহু ফী কাফা-লাতি ইবরাহীমা, ওয়াক্বিহি বিরাহমাতিকা ‘আযা-বাল জাহীম, ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরান মিন দা-রিহি, ওয়া আহলান খায়রান মিন আহলিহি, আল্লা-হুম্মাগফির লি’আসলাফিনা ওয়া আফরাত্বিনা ওয়া মান সাবাক্বানা বিল ঈমান।

হে আল্লাহ, তাকে তার পিতা-মাতার জন্য অগ্রগামী প্রতিনিধি বা সওয়াব ও সযত্নে গচ্ছিত সওয়াব হিসেবে কবুল করুন। আর তাকে এমন শাফা‘আতকারী বানান, যার শাফা‘আত কবুল হয়। হে আল্লাহ, এ শিশুর দ্বারা তার পিতা মাতার ওজনসমূহ আরও ভারী করে দিন। আর এর দ্বারা তাদের দু’জনের সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন। আর তাকে নেককারদের সঙ্গী-সাথী বানান এবং তাকে ইবরাহীম আলাইহিসসালামের যিম্মায় রাখুন। আর আপনার রহমতের অসীলায় তাকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। তাকে তার এ বাসস্থানের পরিবর্তে উত্তম বাসস্থান প্রদান করুন, এখানকার পরিবার-পরিজনের পরিবর্তে উত্তম পরিবার-পরিজন প্রদান করুন। হে আল্লাহ, আমাদের পূর্ববর্তী নর-নারী ও নাবালক অগ্রগামী সন্তান-সন্ততিদের মাফ করুন এবং যারা ঈমান সহকারে আমাদের পূর্বে মারা গেছে তাদেরকেও।

রেফারেন্স: দেখুন, আল-মুগনী, লি ইবন কুদামা, ৩/৪১৬; আরও দেখুন, আদ-দুরুসুল মুহিম্মাহ লি ‘আম্মাতিল উম্মাহ, লিশ শাইখ আবদিল আযীয ইবন আব্দিল্লাহ ইবন বায, রাহেমাহুল্লাহ, পৃ. ১৫।

আর যদি নিম্নোক্ত দো‘আটি পড়া হয় তবে তাও উত্তম:

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ فَرَطًا وَذُخْرًا لِوَالِدَيْهِ، وَشَفِيعًا مُجَابًا، اَللّٰهُمَّ ثَقِّلْ بِهِ مَوَازِيْنَهُمَا، وَأَعْظِمْ بِهِ أُجُوْرَهُمَا، وَأَلْحِقْهُ بِصَالِحِ الْمُؤْمِنِيْنَ، وَاجْعَلْهُ فِيْ كَفَالَةِ إِبْرَاهِيْمَ، وَقِهِ بِرَحْمَتِكَ عَذَابَ الْجَحِيْمِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ، اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِأَسْلاَفِنَا، وَأَفْرَاطِنَا، وَمَنْ سَبَقَنَا بِالْإِيْمَانِ

হে আল্লাহ, তাকে তার পিতা-মাতার জন্য অগ্রগামী প্রতিনিধি বা সওয়াব ও সযত্নে গচ্ছিত সওয়াব হিসেবে কবুল করুন। আর তাকে এমন শাফা‘আতকারী বানান, যার শাফা‘আত কবুল হয়। হে আল্লাহ, এ শিশুর দ্বারা তার পিতা মাতার ওজনসমূহ আরও ভারী করে দিন। আর এর দ্বারা তাদের দু’জনের সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন। আর তাকে নেককারদের সঙ্গী-সাথী বানান এবং তাকে ইবরাহীম আলাইহিসসালামের যিম্মায় রাখুন। আর আপনার রহমতের অসীলায় তাকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। তাকে তার এ বাসস্থানের পরিবর্তে উত্তম বাসস্থান প্রদান করুন, এখানকার পরিবার-পরিজনের পরিবর্তে উত্তম পরিবার-পরিজন প্রদান করুন। হে আল্লাহ, আমাদের পূর্ববর্তী নর-নারী ও নাবালক অগ্রগামী সন্তান-সন্ততিদের মাফ করুন এবং যারা ঈমান সহকারে আমাদের পূর্বে মারা গেছে তাদেরকেও।

রেফারেন্স: দেখুন, আল-মুগনী, লি ইবন কুদামা, ৩/৪১৬; আরও দেখুন, আদ-দুরুসুল মুহিম্মাহ লি ‘আম্মাতিল উম্মাহ, লিশ শাইখ আবদিল আযীয ইবন আব্দিল্লাহ ইবন বায, রাহেমাহুল্লাহ, পৃ. ১৫।

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৩

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৩

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا فَرَطًا، وَسَلَفًا، وَأَجْرًا

আল্লা-হুম্মাজ‘আলহু লানা ফারাত্বান ওয়া সালাফান ওয়া আজরান

হে আল্লাহ, আমাদের জন্য তাকে অগ্রগামী প্রতিনিধি, অগ্রিম পূণ্য এবং সওয়াব হিসেবে নির্ধারণ করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ যখন ছোট শিশুদের জানাযা পড়তেন তখন তার উপর সূরা ফাতেহা পড়তেন এবং উপরোক্ত দো‘আ বলতেন। হাদীসটি ইমাম বাগভী তার শারহুস সুন্নাহ ৫/৩৫৭ এ বর্ণনা করেছেন। আরও বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রায্‌যাক তার মুসান্নাফে, নং ৬৫ ৮৮। তাছাড়া ইমাম বুখারী, কিতাবুল জানায়েয এর, ৬৫, বাবু কিরাআতি ফাতিহাতিল কিতাব আলাল জানাযাত ২/১১৩; ১৩৩৫ নং হাদীসের পূর্বে এটাকে তা‘লীক বা সনদ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا فَرَطًا، وَسَلَفًا، وَأَجْرًا

হে আল্লাহ, আমাদের জন্য তাকে অগ্রগামী প্রতিনিধি, অগ্রিম পূণ্য এবং সওয়াব হিসেবে নির্ধারণ করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ যখন ছোট শিশুদের জানাযা পড়তেন তখন তার উপর সূরা ফাতেহা পড়তেন এবং উপরোক্ত দো‘আ বলতেন। হাদীসটি ইমাম বাগভী তার শারহুস সুন্নাহ ৫/৩৫৭ এ বর্ণনা করেছেন। আরও বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রায্‌যাক তার মুসান্নাফে, নং ৬৫ ৮৮। তাছাড়া ইমাম বুখারী, কিতাবুল জানায়েয এর, ৬৫, বাবু কিরাআতি ফাতিহাতিল কিতাব আলাল জানাযাত ২/১১৩; ১৩৩৫ নং হাদীসের পূর্বে এটাকে তা‘লীক বা সনদ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সালাত পাঠের গুরুত্ব ও ফযীলত

📄 সালাত পাঠের গুরুত্ব ও ফযীলত


মাসনূন সালাত #১

মাসনূন সালাত #১

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ، وَصَلِّ عَلَی الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ، وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمِاتِ

আল্লা-হুম্মা সাল্লি- ‘আলা- মুহাম্মাদিন, ‘আবদিকা ওয়া রাসূলিকা, ওয়া সাল্লি- ‘আলাল মু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনা-ত, ওয়াল মুসলিমীন ওয়াল মুসলিমা-ত।

হে আল্লাহ, আপনি সালাত প্রেরণ করুন আপনার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদের উপর, এবং সালাত প্রেরণ করুন সকল মুমিন পুরুষ, মুমিন নারী, মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারীর উপর।

রেফারেন্স: আলবানী, যয়ীফুল আদাবিল মুফরাদ ৬৩ পৃ. নং ১০০/৬৪০, সাখাবী, আল-কাউলুল বাদী, পৃ. ১২৭; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৩০

আবু সাঈদ খুদরী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন : “কোনো মুসলিমের কাছে যদি দান করার কিছুই না থাকে তবে তার উচিত দু‘আর মধ্যে এ কথাগুলো (সালাতটি) বলা; তাহলে এ সালাত তাঁর জন্য যাকাত স্বরূপ গণ্য হবে (সে দান করার সাওয়াব অর্জন করবে)।” হাদীসটির সনদে দুর্বলতা থাকলেও, তা অনুধাবনযোগ্য এবং সাখাবী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ، وَصَلِّ عَلَی الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ، وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمِاتِ

হে আল্লাহ, আপনি সালাত প্রেরণ করুন আপনার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদের উপর, এবং সালাত প্রেরণ করুন সকল মুমিন পুরুষ, মুমিন নারী, মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারীর উপর।

রেফারেন্স: আলবানী, যয়ীফুল আদাবিল মুফরাদ ৬৩ পৃ. নং ১০০/৬৪০, সাখাবী, আল-কাউলুল বাদী, পৃ. ১২৭; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৩০

মাসনূন সালাত #২

মাসনূন সালাত #২

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ وَأَنْزِلْهُ الْمَقْعَدَ الْمُقَرَّبَ عِنْدَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

আল¬া-হুম্মা, স্বালি¬ ‘আলা- মুহাম্মাদিন, ওয়া আনযিলহুল মাক্ব‘আদাল মুর্ক্বারাবা ‘ইনদাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ।

হে আল্লাহ মুহাম্মাদের উপর সালাত (দরুদ) প্রেরণ করুন এবং তাঁকে কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যপ্রাপ্ত অবস্থানে অবতীর্ণ করুন।

রেফারেন্স: [১] মুসনাদে আহমাদ ২/৩৫২, তাবারানী, আল-মু'জামুল কাবীর ৫/২৫-২৬; আল-মু'জামুল আউসাত ৩/৪৫৬, নং ৩২৯৭, হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১৬৩; মুনযিরী, আত-তারগীব ২/৫০২-৫০৩ [২] তিরমিযী ২/৩৫৪, নং ৪৮৪ (ভা ১/১১০); সাখাবী , আল-কাউলুল বাদী, পৃ. ১৩০-১৩১; আলবানী, সহীহুত তারগীব ২/১৩৬ [৩] ইবনুল কাইয়েম, জালাউল আউহাম, পৃ. ৩০, সাখাবী, আল-কাউলুল বাদী পৃ. ১২৬ [৪] ইবনুল কাইয়েম, জালাউল আউহাম, পৃ. ২৩৫, সাখাবী, আল-কাউলুল বাদী পৃ. ১২৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৩১

রুআইফি বিন সাবিত আনসারী (রা) বলেন: রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: “যে ব্যক্তি উপরের কথাগুলো (সালাতটি) বলবে, তার জন্য আমার শাফায়াত পাওনা হবে।” হাদীসটির সনদে একজন দুর্বল রাবী রয়েছেন, তবে আল্লামা হায়সামী ও মুনযিরী হাদীসটিকে হাসান বা গ্রহণযোগ্য বলেছেন। [১] অন্য হাদীসে ইবনু মাস’ঊদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: “কিয়ামতের দিন মানুষদের মধ্য থেকে সে ব্যক্তি আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী (আমার শাফায়তের সবচেয়ে বেশি হকদার) হবে, যে সবচেয়ে বেশি আমার উপর সালাত (দরুদ) পাঠ করে।” হাদীসটি হাসান। [২] অন্য একটি দুর্বল সনদের হাদীসে বলা হয়েছে : “যদি কেউ দিনে ১ হাজার বার আমার উপর সালাত (দরুদ) পাঠ করে তাহলে জান্নাতে তাঁর অবস্থান স্থল না দেখে তাঁর মৃত্যু হবে না (মৃত্যুর পূর্বেই তার জান্নাতের ঘর দেখার সৌভাগ্য হবে)।” হাদীসটির সনদ দুর্বল। [৩] অন্য হাদীসে সামুরা বিন জুনদুব (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) ব বলেছেন: “আমি গত রাতে একটি অদ্ভুত স্বপ্ন দেখলাম (তাঁর স্বপ্নও ওহী), আমি দেখলাম আমার উম্মতের এক ব্যক্তি পুল-সিরাতের উপর বুকে হেটে চলেছে, কখনো বা হামাগুড়ি দিচ্ছে, কখনো বা ঝুলে পড়ছে, এমতাবস্থায় আমার উপর পাঠকৃত তার সালাত এসে তাকে সোজাভাবে সিরাতের উপর সোজা দু’পায়ে দাঁড় করিয়ে দিল এবং তাকে উদ্ধার করল।” ইবনুল কাইয়েম ও সাখাবীর আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, হাদীসটির সনদে দুর্বলতা থাকলেও তা মোটামুটি গ্রহণযোগ্য বা আলোচনাযোগ্য। [৪]

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ وَأَنْزِلْهُ الْمَقْعَدَ الْمُقَرَّبَ عِنْدَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

হে আল্লাহ মুহাম্মাদের উপর সালাত (দরুদ) প্রেরণ করুন এবং তাঁকে কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যপ্রাপ্ত অবস্থানে অবতীর্ণ করুন।

রেফারেন্স: [১] মুসনাদে আহমাদ ২/৩৫২, তাবারানী, আল-মু'জামুল কাবীর ৫/২৫-২৬; আল-মু'জামুল আউসাত ৩/৪৫৬, নং ৩২৯৭, হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১৬৩; মুনযিরী, আত-তারগীব ২/৫০২-৫০৩ [২] তিরমিযী ২/৩৫৪, নং ৪৮৪ (ভা ১/১১০); সাখাবী , আল-কাউলুল বাদী, পৃ. ১৩০-১৩১; আলবানী, সহীহুত তারগীব ২/১৩৬ [৩] ইবনুল কাইয়েম, জালাউল আউহাম, পৃ. ৩০, সাখাবী, আল-কাউলুল বাদী পৃ. ১২৬ [৪] ইবনুল কাইয়েম, জালাউল আউহাম, পৃ. ২৩৫, সাখাবী, আল-কাউলুল বাদী পৃ. ১২৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৩১

মাসনূন সালাত #৩

মাসনূন সালাত #৩

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ عَبْدِك وَنَبِيِّك وَرَسُوْلِكَ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ

আল্লা-হুম্মা স্বাল্লি- ‘আলা- মু‘হাম্মাদিন ‘আব্দিকা ওয়া নাবিয়্যিকা ওয়া রাসূলিকান নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি।

হে আল্লাহ, আপনি সালাত দিন মুহাম্মাদের উপরে আপনার বান্দা এবং আপনার নবীএবং আপনার রাসূল উম্মী নবী।

রেফারেন্স: খতীব, বাগদাদী, তারীখ বাগদাদ ১৩/৪৮৯; ইবনুল জাওযী, আল-ইলালুল মুতানাহিয়্যাহ ১/৪৬৪; ইরাকী, তাখরীজ আহাদীসি ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন, ২/৪৯; ইবনু আররাক, তানযীহুশ শারীয়াহ ২/৪০৬; আজালূনী, কাশফুল খাফা ১/১৬৭; আলবানী, যায়ীফাহ ১/৩৮২; ৮/২৭৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৩২

আবূ হুরাইরা (রা) থেকে দুর্বল সনদে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: যদি কেউ শুক্রবারে আমার উপর আশি বার সালাত পাঠ করে তবে তার আশি বছরের পাপ ক্ষমা করা হবে। আমি বললাম: কিভাবে আপনার উপর সালাত পাঠ করতে হবে? তিনি বলেন... উপরের সালাতটি। হাদীসটি খতীব বাগদাদী ওয়াহব ইবনু দাঊদ নামক এক ব্যক্তির সূত্রে উদ্ধৃত করে বলেন, লোকটি নির্ভরযোগ্য ছিলেন না। ইবনুল জাওযী হাদীসটিকে অত্যন্ত দুর্বল এবং আলবানী হাদীসটিকে জাল বলে গণ্য করেছেন। এ অর্থে আরেকটি হাদীস দারাকুতনী সংকলন করেছেন। দারাকুতনীর হাদীসে জুমুআর দিনে আশি বার সালাত পাঠে আশি বছরের পাপ ক্ষমার কথা বলা হয়েছে, তবে এ হাদীসে সালাতের বাক্যটি নেই। দারাকুতনীর হাদীসটিকে ইমাম ইরাকী ও অন্যান্য মুহাদ্দিস হাসান বলে গণ্য করেছেন। অন্যরা একে যয়ীফ বা দুর্বল বলে উল্লেখ করেছেন। কোনো কোনো গ্রন্থে এ সালাতের শেষে (وسَلِّم تَسْلِيْماً كَثٍيْراً) ‘ওয়া সাল্লি-ম তাসলীমান কাসীরান..’ সংযোজিত। এ অতিরিক্ত সংযোজিত বাক্যটির কোনো সনদ আমি খুঁজে পাই নি।

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ عَبْدِك وَنَبِيِّك وَرَسُوْلِكَ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ

হে আল্লাহ, আপনি সালাত দিন মুহাম্মাদের উপরে আপনার বান্দা এবং আপনার নবীএবং আপনার রাসূল উম্মী নবী।

রেফারেন্স: খতীব, বাগদাদী, তারীখ বাগদাদ ১৩/৪৮৯; ইবনুল জাওযী, আল-ইলালুল মুতানাহিয়্যাহ ১/৪৬৪; ইরাকী, তাখরীজ আহাদীসি ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন, ২/৪৯; ইবনু আররাক, তানযীহুশ শারীয়াহ ২/৪০৬; আজালূনী, কাশফুল খাফা ১/১৬৭; আলবানী, যায়ীফাহ ১/৩৮২; ৮/২৭৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৩২

ফন্ট সাইজ
15px
17px