📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ

📄 বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ


বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #১

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #১

اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ فِيْمَنْ هَدَيْتَ، وَعَافِنِيْ فِيْمَنْ عَافَيْتَ، وَتَوَلَّنِيْ فِيْمَنْ تَوَلَّيْتَ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا أَعْطَيْتَ، وَقِنِيْ شَرَّ مَا قَضَيْتَ

আল্লা-হুম্মাহদিনী ফীমান হাদাইতা ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইতা ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইতা ওয়াবা-রিক লী ফীমা আ‘ত্বাইতা ওয়াক্বিনী শাররা মা ক্বাদাইতা

হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে হেদায়াত করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও হেদায়াত দিন, আপনি যাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও নিরাপত্তা দিন, আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন, আপনি আমাকে যা দিয়েছেন তাতে বরকত দিন। আপনি যা ফয়সালা করেছেন তার অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করুন।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
اهْدِنِيْ - আমাকে হেদায়াত দিন
فِيْمَنْ - যাদের মাঝে
هَدَيْتَ، - হেদায়াত করেছেন
وَعَافِنِيْ - এবং আমাকে নিরাপত্তা দিন
فِيْمَنْ - যাদের মাঝে
عَافَيْتَ، - নিরাপত্তা প্রদান করেছেন
وَتَوَلَّنِيْ - এবং আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন
فِيْمَنْ - যাদের মাঝে
تَوَلَّيْتَ، - অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন
وَبَارِكْ - এবং বরকত দিন
لِيْ - আমার জন্য
فِيْمَا - যা তাতে
أَعْطَيْتَ، - আমাকে দিয়েছেন
وَقِنِيْ - এবং আমাকে রক্ষা করুন
شَرَّ - অনিষ্ট থেকে
مَا - যা
قَضَيْتَ - নির্ধারন (ভাগ্য) করেছেন

فَإِنَّكَ تَقْضِيْ وَلاَ يُقْضٰى عَلَيْكَ، إِنَّهُ لَا يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ، (وَلَا يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ) تَبَارَكْتَ رَبَّنا وَتَعَالَيْتَ

ফাইন্নাকা তাক্ব‌দ্বী ওয়ালা ইউক্ব্‌দ্বা ‘আলাইকা। ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মাও ওয়া-লাইতা, [ওয়ালা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আ-দাইতা] তাবা-রক্‌তা রব্বানা ওয়া তা‘আ-লাইতা

কারণ আপনিই চুড়ান্ত ফয়সালা দেন, আপনার বিপরীতে ফয়সালা দেওয়া হয় না। আপনি যার সাথে বন্ধুত্ব করেছেন সে অবশ্যই অপমানিত হয় না [এবং আপনি যার সাথে শত্রুতা করেছেন সে সম্মানিত হয় না] আপনি বরকতপূর্ণ হে আমাদের রব্ব! আর আপনি সুউচ্চ-সুমহান

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
فَإِنَّكَ - আপনি নিশ্চয়
تَقْضِيْ - ফয়সালা/নির্ধারন করেন
وَلاَ - এবং না (কেউ)
يُقْضٰى - নির্ধারন (ভাগ্য) করেন
عَلَيْكَ، - আপনার উপর (বিপরীতে)
إِنَّهُ - সে নিশ্চয়
لَا - না
يَذِلُّ - অপমানিত হয়
مَنْ - যার সাথে
وَالَيْتَ، - বন্ধুত্ব করেছেন
(وَلَا - এবং না
يَعِزُّ - সম্মানিত হয়
مَنْ - যার সাথে
عَادَيْتَ) - শত্রুতা করেছেন
تَبَارَكْتَ - আপনি বরকতপূর্ণ
رَبَّنا - হে আমাদের রব্ব
وَتَعَالَيْتَ - এবং আপনি সুমহান

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ, আহমাদ, দারামী ও বাইহাকী এ হাদীসটি সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪২৫; তিরমিযী, নং ৪৬৪; নাসাঈ, নং ১৭৪৪; ইবন মাজাহ, নং ১১৭৮; আহমাদ, নং ১৭১৮; দারামী, নং ১৫৯২; হাকিম, ৩/১৭২; বাইহাকী, ২/২০৯। আর দু’ ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/১৪৪, সহীহ ইবন মাজাহ্‌, ১/১৯৪; ইরওয়াউল গালীল, লিল আলবানী, ২/১৭২

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! اهْدِنِيْ আমাকে হেদায়াত দিন فِيْمَنْ যাদের মাঝে هَدَيْتَ، হেদায়াত করেছেন وَعَافِنِيْ এবং আমাকে নিরাপত্তা দিন فِيْمَنْ যাদের মাঝে عَافَيْتَ، নিরাপত্তা প্রদান করেছেন وَتَوَلَّنِيْ এবং আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন فِيْمَنْ যাদের মাঝে تَوَلَّيْتَ، অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন وَبَارِكْ এবং বরকত দিন لِيْ আমার জন্য فِيْمَا যা তাতে أَعْطَيْتَ، আমাকে দিয়েছেন وَقِنِيْ এবং আমাকে রক্ষা করুন شَرَّ অনিষ্ট থেকে مَا যা قَضَيْتَ নির্ধারন (ভাগ্য) করেছেন

হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে হেদায়াত করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও হেদায়াত দিন, আপনি যাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও নিরাপত্তা দিন, আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন, আপনি আমাকে যা দিয়েছেন তাতে বরকত দিন। আপনি যা ফয়সালা করেছেন তার অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করুন।

فَإِنَّكَ আপনি নিশ্চয় تَقْضِيْ ফয়সালা/নির্ধারন করেন وَلاَ এবং না (কেউ) يُقْضٰى নির্ধারন (ভাগ্য) করেন عَلَيْكَ، আপনার উপর (বিপরীতে) إِنَّهُ সে নিশ্চয় لَا না يَذِلُّ অপমানিত হয় مَنْ যার সাথে وَالَيْتَ، বন্ধুত্ব করেছেন (وَلَا এবং না يَعِزُّ সম্মানিত হয় مَنْ যার সাথে عَادَيْتَ) শত্রুতা করেছেন تَبَارَكْتَ আপনি বরকতপূর্ণ رَبَّنا হে আমাদের রব্ব وَتَعَالَيْتَ এবং আপনি সুমহান

কারণ আপনিই চুড়ান্ত ফয়সালা দেন, আপনার বিপরীতে ফয়সালা দেওয়া হয় না। আপনি যার সাথে বন্ধুত্ব করেছেন সে অবশ্যই অপমানিত হয় না [এবং আপনি যার সাথে শত্রুতা করেছেন সে সম্মানিত হয় না] আপনি বরকতপূর্ণ হে আমাদের রব্ব! আর আপনি সুউচ্চ-সুমহান

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ, আহমাদ, দারামী ও বাইহাকী এ হাদীসটি সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪২৫; তিরমিযী, নং ৪৬৪; নাসাঈ, নং ১৭৪৪; ইবন মাজাহ, নং ১১৭৮; আহমাদ, নং ১৭১৮; দারামী, নং ১৫৯২; হাকিম, ৩/১৭২; বাইহাকী, ২/২০৯। আর দু’ ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/১৪৪, সহীহ ইবন মাজাহ্‌, ১/১৯৪; ইরওয়াউল গালীল, লিল আলবানী, ২/১৭২

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #২

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #২

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوْبَتِكَ، وَأَعُــوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযুবিরিদ্বা-কা মিন সাখাত্বিকা, ওয়া বিমু‘আ-ফা-তিকা মিন ‘উক্বুবাতিকা, ওয়া আঊযু বিকা মিনকা, লা উহ্‌সী সানা-আন আলাইকা, আনতা কামা আসনাইতা ‘আলা নাফসিকা

হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে অসন্তুষ্টি থেকে, আর আপনার নিরাপত্তার মাধ্যমে আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি আপনার নিকটে আপনার (পাকড়াও) থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার প্রশংসা গুনতে সক্ষম নই; আপনি সেরূপই, যেরূপ প্রশংসা আপনি নিজের জন্য করেছেন।

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ ও আহমাদ হাদীসটি সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪২৭; তিরমিযী, নং ৩৫৬৬; নাসাঈ, নং ১৭৪৬; ইবন মাজাহ্‌, নং ১১৭৯; আহমাদ, নং ৭৫১ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮০; সহীহ ইবন মাজাহ্‌, ১/১৯৪, আল-ইরওয়া, ২/১৭৫।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوْبَتِكَ، وَأَعُــوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে অসন্তুষ্টি থেকে, আর আপনার নিরাপত্তার মাধ্যমে আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি আপনার নিকটে আপনার (পাকড়াও) থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার প্রশংসা গুনতে সক্ষম নই; আপনি সেরূপই, যেরূপ প্রশংসা আপনি নিজের জন্য করেছেন।

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ ও আহমাদ হাদীসটি সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪২৭; তিরমিযী, নং ৩৫৬৬; নাসাঈ, নং ১৭৪৬; ইবন মাজাহ্‌, নং ১১৭৯; আহমাদ, নং ৭৫১ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮০; সহীহ ইবন মাজাহ্‌, ১/১৯৪, আল-ইরওয়া, ২/১৭৫।

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৩

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৩

اَللّٰهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ، وَلَكَ نُصَلِّيْ وَنَسْجُدُ، وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ، نَرْجُو رَحْمَتَكَ، وَنَخْشَى عَذَابَكَ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِيْنَ مُلْحَقٌ، اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِيْنُكَ، وَنَسْتَغْفِرُكَ، وَنُثْنِيْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ، وَلَا نَكْفُرُكَ، وَنُؤْمِنُ بِكَ، وَنَخْضَعُ لَكَ، وَنَخْلَعُ مَنْ يَّكْفرُكَ

আল্লা-হুম্মা ইয়্যাকা না‘বুদু, ওয়ালাকা নুসাল্লী, ওনাসজুদু, ওয়া ইলাইকা নাস‘আ, ওয়া নাহ্‌ফিদু, নারজূ রাহ্‌মাতাকা, ওয়া নাখশা ‘আযা-বাকা, ইন্না ‘আযা-বাকা বিলকাফিরীনা মুলহাক্ব। আল্লা-হুম্মা ইন্না নাসতা‘ঈনুকা ওয়া নাসতাগফিরুকা, ওয়া নুসনী ‘আলাইকাল খাইরা, ওয়ালা-নাকফুরুকা, ওয়ানূ’মিনু বিকা, ওয়া নাখদ্বা‘উ লাকা, ওয়ানাখলা‘উ মাই ইয়াকফুরুকা।

হে আল্লাহ! আমরা আপনারই ইবাদত করি; আপনার জন্যই সালাত আদায় করি ও সিজদা করি; আমরা আপনার দিকেই দৌড়াই এবং দ্রুত অগ্রসর হই; আমরা আপনার করুণা লাভের আকাঙ্ক্ষা করি এবং আপনার শাস্তিকে ভয় করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফেরদেরকে পাবে। হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমরা আপনার কাছে সাহায্য চাই, আপনার কাছে ক্ষমা চাই, আপনার উত্তম প্রশংসা করি, আপনার সাথে কুফরি করি না, আপনার উপর ঈমান আনি, আপনার প্রতি অনুগত হই, আর যে আপনার সাথে কুফরি করে আমরা তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করি।

রেফারেন্স: হাদীসটি বায়হাকী তাঁর ‘আস-সুনানুল কবরা’ গ্রন্থে সংকলন করেছেন এবং তার সনদ বিশুদ্ধ বলেছেন, ২/২১১ আর শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল এর ২/১৭০ এ বলেন, ‘এর সনদ বিশুদ্ধ। আর তা উমর রা. থেকে মওকূফ হাদীসে বর্ণিত।

اَللّٰهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ، وَلَكَ نُصَلِّيْ وَنَسْجُدُ، وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ، نَرْجُو رَحْمَتَكَ، وَنَخْشَى عَذَابَكَ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِيْنَ مُلْحَقٌ، اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِيْنُكَ، وَنَسْتَغْفِرُكَ، وَنُثْنِيْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ، وَلَا نَكْفُرُكَ، وَنُؤْمِنُ بِكَ، وَنَخْضَعُ لَكَ، وَنَخْلَعُ مَنْ يَّكْفرُكَ

হে আল্লাহ! আমরা আপনারই ইবাদত করি; আপনার জন্যই সালাত আদায় করি ও সিজদা করি; আমরা আপনার দিকেই দৌড়াই এবং দ্রুত অগ্রসর হই; আমরা আপনার করুণা লাভের আকাঙ্ক্ষা করি এবং আপনার শাস্তিকে ভয় করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফেরদেরকে পাবে। হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমরা আপনার কাছে সাহায্য চাই, আপনার কাছে ক্ষমা চাই, আপনার উত্তম প্রশংসা করি, আপনার সাথে কুফরি করি না, আপনার উপর ঈমান আনি, আপনার প্রতি অনুগত হই, আর যে আপনার সাথে কুফরি করে আমরা তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করি।

রেফারেন্স: হাদীসটি বায়হাকী তাঁর ‘আস-সুনানুল কবরা’ গ্রন্থে সংকলন করেছেন এবং তার সনদ বিশুদ্ধ বলেছেন, ২/২১১ আর শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল এর ২/১৭০ এ বলেন, ‘এর সনদ বিশুদ্ধ। আর তা উমর রা. থেকে মওকূফ হাদীসে বর্ণিত।

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৪

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৪

(بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ) اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ (وَنَشْكُرُكَ) وَلاَ نَكْفُرُكَ، وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ اَللّٰهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّى وَنَسْجُدُ وَلَكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ نَخْشَى عَذَابَكَ الْجِدَّ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِيْنَ مُلْحِقٌ. اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ اَللّٰهُمَّ الْعَنْ كَفَرَةَ أَهْلِ الْكِتَابِ الَّذِيّنَ يَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِكَ وَيُكُذِّبُوْنَ رُسُلَكَ وَيُقَاتِلُوْنَ أَوْلِيَاءَكَ اَللّٰهُمَّ خَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمَ وَزَلْزِلْ أَقْدَامَهُمْ وَأَنْزِلْ بِهِمْ بَأْسَكَ الَّذِىْ لَا تَرُدُّهُ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِيْنَ

বিসমিল্লা-হির রা‘হ্মা-নির রা‘হীম। আল্লা-হুম্মা, ইন্না- নাস্তা‘য়ীনুকা, ওয়া নাস্তাগ্ফিরুকা, ওয়া নুস্নী ‘আলাইকা, ওয়া নাশ্কুরুকা ওয়ালা- নাক্ফুরুকা, ওয়া নাখলা‘উ ওয়া নাতরুকু মান ইয়াফজুরুকা। আল্লা-হুম্মা ইয়্ইয়াকা- না’বুদু, ওয়া লাকা নুস্বাল্লী ওয়া নাস্জুদু, ওয়া লাকা নাস্‘আ- ওয়া না‘হফিদু, নাখ্শা ‘আযা-বাকাল জিদ্দা, ওয়া নারজূ রা‘হমাতাকা, ইন্না ‘আযাবাকা বিল কাফিরীনা মুল‘িহক্ক।” আল্লা-হুম্মাগ্ফির লানা- ওয়ালিল মু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনা-তি, ওয়াল মুসলিমীনা ওয়াল মুসলিমা-তি, ওয়া আল্লিফ্ বাইনা ক্বুলূবিহিম, ওয়া আস্বলি‘হ যাতা বাইনিহিম, ওয়ানস্বুরহুম ‘আলা ‘আদুওয়িকা ওয়া ‘আদুওয়িহিম। আল্লা-হুম্মাল‘আন কাফারাতা আহলিল কিতাবিল্ লাযীনা ইয়াস্বুদ্দূনা ‘আন সাবীলিকা ওয়া ইউকায্যিবূনা রুসূলাকা ওয়া ইউক্কা-তিলূনা আওলিয়া-য়িকা। আল্লা-হুম্মা, খালিফ বাইনা কালিমাতিহিম, ওয়া যালযিল আক্ক্দামাহুম, ওয়া আনযিল বিহিম বা’সাকাল্ লাযী লা- তারুদ্দুহূ ‘আনিল ক্কাওমিয যালিমীন।

হে আল্লাহ, আমরা আপনার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি, আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, আপনার প্রশংসা ও গুণকীর্তন করছি। আমরা আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এবং আপনার প্রতি অকৃতজ্ঞতা-অবিশ্বাস প্রকাশ করি না। আমরা বিচ্ছিন্ন হই এবং পরিত্যাগ করি তাকে যে আপনার অবাধ্য হয়। হে আল্লাহ, আমরা কেবলমাত্র আপনারই ইবাদত করি, কেবলমাত্র আপনার জন্যই সালাত আদায় করি এবং সাজদা করি, শুধু আপনার দিকেই ধাবিত হই এবং আপনার আনুগত্যেই কর্ম করি। আমরা আপনার প্রকৃত শাস্তির ভয় করি এবং আপনার রহমত আশা করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফিরদেরকে স্পর্শ করবে।” হে আল্লাহ, ক্ষমা করুন আমাদেরকে, এবং মুমিন পুরুষদেরকে এবং মুমিন নারীদেরকে, এবং মুসলিম পুরুষদেরকে এবং মুসলিম নারীদেরকে, তাদের অন্তরের মধ্যে সম্প্রীতি প্রদান করুন, তাদের আভ্যন্তরীণ সম্পর্ক সুন্দর করে দিন, আপনার ও তাদের শত্র“দের উপর তাদের বিজয় প্রদান করুন। হে আল্লাহ, যে সকল আহল কিতাব আপনার পথ থেকে মানুষদেরকে বাধা দেয়, আপনার রাসূলগণকে অবিশ্বাস করে এবং আপনার ওলীগণের সাথে যুদ্ধ করে তাদের অভিশপ্ত করুন, তাদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করুন, তাদের পদসমূহ কম্পমান করুন, তাদের উপর আপনার শাস্তি নাযিল করুন, যে শাস্তি অপ্রতিরোধ্যভাবে পাপাচারী সম্প্রদায়কে পাকড়াও করে।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৫

প্রসিদ্ধ তাবিয়ী উবাইদ ইবনু উমাইর (৬৮ হি) বলেন, আমি উমার (রা) এর পিছনে ফজরের সালাত আদায় করলাম। তিনি রুকু থেকে উঠার পর-অন্য বর্ণনায়“ তিনি কুরআন পাঠ শেষে রুকুর আগে-নিম্নের কুনূত পাঠ করেন। হাদীসটির সনদ সহীহ।

(بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ) اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ (وَنَشْكُرُكَ) وَلاَ نَكْفُرُكَ، وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ اَللّٰهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّى وَنَسْجُدُ وَلَكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ نَخْشَى عَذَابَكَ الْجِدَّ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِيْنَ مُلْحِقٌ. اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ اَللّٰهُمَّ الْعَنْ كَفَرَةَ أَهْلِ الْكِتَابِ الَّذِيّنَ يَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِكَ وَيُكُذِّبُوْنَ رُسُلَكَ وَيُقَاتِلُوْنَ أَوْلِيَاءَكَ اَللّٰهُمَّ خَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمَ وَزَلْزِلْ أَقْدَامَهُمْ وَأَنْزِلْ بِهِمْ بَأْسَكَ الَّذِىْ لَا تَرُدُّهُ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِيْنَ

হে আল্লাহ, আমরা আপনার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি, আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, আপনার প্রশংসা ও গুণকীর্তন করছি। আমরা আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এবং আপনার প্রতি অকৃতজ্ঞতা-অবিশ্বাস প্রকাশ করি না। আমরা বিচ্ছিন্ন হই এবং পরিত্যাগ করি তাকে যে আপনার অবাধ্য হয়। হে আল্লাহ, আমরা কেবলমাত্র আপনারই ইবাদত করি, কেবলমাত্র আপনার জন্যই সালাত আদায় করি এবং সাজদা করি, শুধু আপনার দিকেই ধাবিত হই এবং আপনার আনুগত্যেই কর্ম করি। আমরা আপনার প্রকৃত শাস্তির ভয় করি এবং আপনার রহমত আশা করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফিরদেরকে স্পর্শ করবে।” হে আল্লাহ, ক্ষমা করুন আমাদেরকে, এবং মুমিন পুরুষদেরকে এবং মুমিন নারীদেরকে, এবং মুসলিম পুরুষদেরকে এবং মুসলিম নারীদেরকে, তাদের অন্তরের মধ্যে সম্প্রীতি প্রদান করুন, তাদের আভ্যন্তরীণ সম্পর্ক সুন্দর করে দিন, আপনার ও তাদের শত্র“দের উপর তাদের বিজয় প্রদান করুন। হে আল্লাহ, যে সকল আহল কিতাব আপনার পথ থেকে মানুষদেরকে বাধা দেয়, আপনার রাসূলগণকে অবিশ্বাস করে এবং আপনার ওলীগণের সাথে যুদ্ধ করে তাদের অভিশপ্ত করুন, তাদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করুন, তাদের পদসমূহ কম্পমান করুন, তাদের উপর আপনার শাস্তি নাযিল করুন, যে শাস্তি অপ্রতিরোধ্যভাবে পাপাচারী সম্প্রদায়কে পাকড়াও করে।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৫

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৫

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৫

رَبِّ أَعِنِّيْ وَلاَ تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِيْ وَلا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَامْكُرْ لِيْ وَلا تَمْكُرْ عَلَيَّ وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدَى لِيْ (إِلَيَّ) وَانْصُرْنِيْ عَلَی مَنْ بَغَى عَلَيَّ رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيْبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِيْ وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ وَسَدِّدْ لِسَانِيْ وَاهْدِ قَلْبِيْ وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ قَلْبِيْ (صَدْرِيْ

হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে শক্তি-সহায়তা প্রদান করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সহায়তা প্রদান করবেন না। এবং আপনি আমাকে সাহায্য করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন না। এবং আপনি আমার জন্য কৌশল করুন, আর আমার বিরুদ্ধে কৌশল করবেন না। এবং আপনি আমাকে হেদায়াত করুন এবং আমার জন্য হেদায়াত সহজ করুন। আপনি আমাকে সাহায্য করুন যে আমার উপর অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে। হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে বানিয়ে দিন আপনার জন্য অধিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, আপনার অধিক যিকরকারী, আপনার প্রতি অধিক ভীতিসম্পন্ন, আপনার অধিক আনুগত্যকারী, আপনার প্রতি বিনয়ী এবং আপনার দিকে বেশি বেশি তাওবা কারী। হে আমার প্রতিপালক, আপনি কবুল করুন আমার তাওবা, ধুয়ে দিন আমার পাপ, কবুল করুন আমার দু‘আ, প্রতিষ্ঠিত করুন আমার প্রমাণ, পবিত্র-সুসংরক্ষিত করুন আমার জিহ্বা, সুপথে পরিচালিত করুন আমার অন্তর, বের করে দিন আমার অন্তরের সব হিংসা, বিদ্বেষ ও সংকীর্ণতা।

রেফারেন্স: [১]ইবন মাজাহ (৩৪-কিতাবুদ্দুআ,২-বাব দুআয়ি রসুলিল্লাহ) ২/১২৫৯ (ভা ২/২৭১);তিরমিযী(৪৯-কিতাবুদ দাওয়াত, ১০৩-বাবু দুআয়িন্নাবিয়্যি) ৫/৫১৭,নং ৩৫৫১ (ভা ১/২১২); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৭

আমরা একেক সময় একেকটি দুআ পাঠ করব। ইমাম আবু হানীফা (রহ) ও অন্যান্য সকল ইমাম এ সময়ে যে কোনো বিষয়ে দু‘আ চাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। তবে মাসনূন দু‘আ পাঠের চেষ্টা করতে হবে। কুনুতের এ চারটি মাসনূন দুআ ছাড়াও এ বইয়ে উল্লেখিত যে কোনো মাসনূন দুআ অথবা কুরআন ও হাদীসের যে কোনো দুআ আমরা মুখস্থ করে অর্থের দিকে লক্ষ্য রেখে ‘কুনূত’ হিসেবে পাঠ করতে পারি।

رَبِّ أَعِنِّيْ وَلاَ تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِيْ وَلا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَامْكُرْ لِيْ وَلا تَمْكُرْ عَلَيَّ وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدَى لِيْ (إِلَيَّ) وَانْصُرْنِيْ عَلَی مَنْ بَغَى عَلَيَّ رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيْبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِيْ وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ وَسَدِّدْ لِسَانِيْ وَاهْدِ قَلْبِيْ وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ قَلْبِيْ (صَدْرِيْ

হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে শক্তি-সহায়তা প্রদান করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সহায়তা প্রদান করবেন না। এবং আপনি আমাকে সাহায্য করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন না। এবং আপনি আমার জন্য কৌশল করুন, আর আমার বিরুদ্ধে কৌশল করবেন না। এবং আপনি আমাকে হেদায়াত করুন এবং আমার জন্য হেদায়াত সহজ করুন। আপনি আমাকে সাহায্য করুন যে আমার উপর অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে। হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে বানিয়ে দিন আপনার জন্য অধিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, আপনার অধিক যিকরকারী, আপনার প্রতি অধিক ভীতিসম্পন্ন, আপনার অধিক আনুগত্যকারী, আপনার প্রতি বিনয়ী এবং আপনার দিকে বেশি বেশি তাওবা কারী। হে আমার প্রতিপালক, আপনি কবুল করুন আমার তাওবা, ধুয়ে দিন আমার পাপ, কবুল করুন আমার দু‘আ, প্রতিষ্ঠিত করুন আমার প্রমাণ, পবিত্র-সুসংরক্ষিত করুন আমার জিহ্বা, সুপথে পরিচালিত করুন আমার অন্তর, বের করে দিন আমার অন্তরের সব হিংসা, বিদ্বেষ ও সংকীর্ণতা।

রেফারেন্স: [১]ইবন মাজাহ (৩৪-কিতাবুদ্দুআ,২-বাব দুআয়ি রসুলিল্লাহ) ২/১২৫৯ (ভা ২/২৭১);তিরমিযী(৪৯-কিতাবুদ দাওয়াত, ১০৩-বাবু দুআয়িন্নাবিয়্যি) ৫/৫১৭,নং ৩৫৫১ (ভা ১/২১২); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৭

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বিত্‌রের নামায থেকে সালাম ফিরানোর পরের যিক্‌র

📄 বিত্‌রের নামায থেকে সালাম ফিরানোর পরের যিক্‌র


বিত্‌রের নামায থেকে সালাম ফিরানোর পরের যিক্‌র

বিত্‌রের নামায থেকে সালাম ফিরানোর পরের যিক্‌র

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার বলতেন,

سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقُدُّوْسِ

সুবহা-নাল মালিকিল ক্বুদ্দূস

কতই না পবিত্র-মহান সেই মহাপবিত্র বাদশা!

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
سُبْحَانَ - কতই না পবিত্র/মহিমাময়/মহান
الْمَلِكِ - বাদশা/অধিপতি
الْقُدُّوْسِ - মহা/অতি পবিত্র

তৃতীয়বারে উচ্চস্বরে টেনে টেনে পড়ে বলতেন,

رَبِّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

রাব্বিল মালা-ইকাতি ওয়ার-রূহ

যিনি ফেরেশতা ও রূহ -এর রব।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
رَبِّ - প্রতিপালক
الْمَلَائِكَةِ - ফেরেশতা
وَالرُّوْحِ - ও রূহ (জীব্রাঈলের)

রেফারেন্স: নাসাঈ, ৩/২৪৪, নং ১৭৩৪; দারা কুতনী, ২/৩১ ও অন্যান্যগণ। আর দুই ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ দারা কুতনীতে ২/৩১, নং ২ বেশি বর্ণিত। যার সনদ বিশুদ্ধ। আরও দেখুন, শু‘আইব আল-আরনাঊত ও আবদুল কাদের আল-আরনাঊত এর ‘যাদুল মা‘আদ’ গ্রন্থের সম্পাদনা ১/৩৩৭।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার বলতেন,

سُبْحَانَ কতই না পবিত্র/মহিমাময়/মহান الْمَلِكِ বাদশা/অধিপতি الْقُدُّوْسِ মহা/অতি পবিত্র

কতই না পবিত্র-মহান সেই মহাপবিত্র বাদশা!

তৃতীয়বারে উচ্চস্বরে টেনে টেনে পড়ে বলতেন,

رَبِّ প্রতিপালক الْمَلَائِكَةِ ফেরেশতা وَالرُّوْحِ ও রূহ (জীব্রাঈলের)

যিনি ফেরেশতা ও রূহ -এর রব।

রেফারেন্স: নাসাঈ, ৩/২৪৪, নং ১৭৩৪; দারা কুতনী, ২/৩১ ও অন্যান্যগণ। আর দুই ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ দারা কুতনীতে ২/৩১, নং ২ বেশি বর্ণিত। যার সনদ বিশুদ্ধ। আরও দেখুন, শু‘আইব আল-আরনাঊত ও আবদুল কাদের আল-আরনাঊত এর ‘যাদুল মা‘আদ’ গ্রন্থের সম্পাদনা ১/৩৩৭।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ

📄 মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ


মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #১

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #১

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ، وَعَافِهِ، وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِّنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِّنْ أَهْلِهِ، وَزَوْجًا خَيْرًا مِّنْ زَوْجِهِ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ [وَعَذَابِ النَّارِ]

আল্লা-হুম্মাগফির লাহু, ওয়ারহামহু, ওয়া ‘আ-ফিহি, ওয়া‘ফু ‘আনহু, ওয়া আকরিম নুযুলাহু, ওয়াওয়াসসি‘ মুদখালাহু, ওয়াগসিলহু বিলমা-য়ি ওয়াস্‌সালজি ওয়ালবারাদি, ওয়ানাক্বক্বিহি মিনাল খাতা-ইয়া কামা নাক্কাইতাস সাওবাল আবইয়াদা মিনাদদানাসি, ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহি, ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহি, ওয়া যাওজান খাইরাম মিন যাওজিহি, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা, ওয়া আ‘য়িযহু মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি [ওয়া ‘আযাবিন্না-র]

হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তাকে দয়া করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তায় রাখুন, তাকে মাফ করে দিন, তার মেহমানদারীকে মর্যাদাপূর্ণ করুন, তার প্রবেশস্থান কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আর আপনি তাকে ধৌত করুন পানি, বরফ ও শিলা দিয়ে, আপনি তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করুন যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন। আর তাকে তার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর, তার পরিবারের বদলে উত্তম পরিবার ও তার জোড়ের (স্ত্রী/স্বামীর) চেয়ে উত্তম জোড় প্রদান করুন। আর আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান এবং তাকে কবরের আযাব [ও জাহান্নামের আযাব] থেকে রক্ষা করুন

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৬৬৩, নং ৯৬৩

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ، وَعَافِهِ، وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِّنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِّنْ أَهْلِهِ، وَزَوْجًا خَيْرًا مِّنْ زَوْجِهِ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ [وَعَذَابِ النَّارِ]

হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তাকে দয়া করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তায় রাখুন, তাকে মাফ করে দিন, তার মেহমানদারীকে মর্যাদাপূর্ণ করুন, তার প্রবেশস্থান কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আর আপনি তাকে ধৌত করুন পানি, বরফ ও শিলা দিয়ে, আপনি তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করুন যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন। আর তাকে তার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর, তার পরিবারের বদলে উত্তম পরিবার ও তার জোড়ের (স্ত্রী/স্বামীর) চেয়ে উত্তম জোড় প্রদান করুন। আর আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান এবং তাকে কবরের আযাব [ও জাহান্নামের আযাব] থেকে রক্ষা করুন

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৬৬৩, নং ৯৬৩

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #২

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #২

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا، وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا، وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا، اَللّٰهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلاَمِ، وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيْمَانِ، اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ، وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهُ

আল্লা-হুম্মাগফির লিহায়্যিনা ওয়া মায়্যিতিনা ওয়া শা-হিদিনা ওয়া গা-য়িবিনা ওয়া সগীরিনা ওয়া কাবীরিনা ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসা-না। আল্লা-হুম্মা মান আহ্ইয়াইতাহু মিন্না ফা’আহয়িহি ‘আলাল-ইসলাম। ওয়ামান তাওয়াফ্‌ফাইতাহু মিন্না ফাতাওয়াফফাহু ‘আলাল ঈমান। আল্লা-হুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহু ওয়ালা তুদ্বিল্লান্না বা‘দাহু

হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং নর ও নারীদেরকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মধ্যে যাদের আপনি জীবিত রাখবেন তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখুন এবং যাদেরকে মৃত্যু দান করবেন তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করুন। হে আল্লাহ! আমাদেরকে তার (মৃত্যুতে ধৈয্যধারণের) সওয়াব থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার (মৃত্যুর) পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করবেন না।

রেফারেন্স: আবূ দাঊদ, নং ৩২০১; তিরমিযী, নং ১০২৪; নাসাঈ, নং ১৯৮৫; ইবন মাজাহ, ১/৪৮০, নং ১৪৯৮; আহমাদ ২/৩৬৮, নং ৮৮০৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ১/২৫১

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا، وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا، وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا، اَللّٰهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلاَمِ، وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيْمَانِ، اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ، وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهُ

হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং নর ও নারীদেরকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মধ্যে যাদের আপনি জীবিত রাখবেন তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখুন এবং যাদেরকে মৃত্যু দান করবেন তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করুন। হে আল্লাহ! আমাদেরকে তার (মৃত্যুতে ধৈয্যধারণের) সওয়াব থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার (মৃত্যুর) পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করবেন না।

রেফারেন্স: আবূ দাঊদ, নং ৩২০১; তিরমিযী, নং ১০২৪; নাসাঈ, নং ১৯৮৫; ইবন মাজাহ, ১/৪৮০, নং ১৪৯৮; আহমাদ ২/৩৬৮, নং ৮৮০৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ১/২৫১

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৩

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৩

اَللّٰهُمَّ إِنَّ فُلَانَ بْنَ فُلَانٍ فِيْ ذِمَّتِكَ، وَحَبْلِ جِوَارِكَ، فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، فَاغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্না ফুলানাবনা ফুলা-নিন ফী যিম্মাতিকা, ওয়া হাবলি জিওয়ারিকা, ফাক্বিহি মিন ফিতনাতিল ক্বাবরি ওয়া আযা-বিন না-রি, ওয়া আনতা আহলুল ওয়াফাই ওয়াল হাক্ক, ফাগফির লাহু ওয়ারহামহু, ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম

হে আল্লাহ, অমুকের পুত্র অমুক আপনার যিম্মাদারীতে, আপনার প্রতিবেশিত্বের নিরাপত্তায়; সুতরাং আপনি তাকে কবরের পরীক্ষা থেকে এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। আর আপনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণকারী এবং প্রকৃত সত্যের অধিকারী। অতএব, আপনি তাকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর দয়া করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: ইবন মাজাহ্‌, নং ১৪৯৯। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ১/২৫১ তাছাড়া হাদীসটি আবূ দাউদও বর্ণনা করেছেন, ৩/২১১, নং ৩২০২

اَللّٰهُمَّ إِنَّ فُلَانَ بْنَ فُلَانٍ فِيْ ذِمَّتِكَ، وَحَبْلِ جِوَارِكَ، فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، فَاغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

হে আল্লাহ, অমুকের পুত্র অমুক আপনার যিম্মাদারীতে, আপনার প্রতিবেশিত্বের নিরাপত্তায়; সুতরাং আপনি তাকে কবরের পরীক্ষা থেকে এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। আর আপনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণকারী এবং প্রকৃত সত্যের অধিকারী। অতএব, আপনি তাকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর দয়া করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: ইবন মাজাহ্‌, নং ১৪৯৯। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ১/২৫১ তাছাড়া হাদীসটি আবূ দাউদও বর্ণনা করেছেন, ৩/২১১, নং ৩২০২

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৪

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৪

اَللّٰهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ احْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهِ، إِنْ كَانَ مُحْسِناً فَزِدْ فِيْ حَسَنَاتِهِ، وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَنْهُ

আল্লা-হুম্মা ‘আবদুকা, ওয়াবনু আমাতিকা, ইহতাজা ইলা রাহমাতিকা, ওয়া আনতা গানিয়্যুন ‘আন ‘আযা-বিহি, ইন কা-না মুহসিনান ফাযিদ ফী হাসানা-তিহি, ওয়া ইনকা-না মুসীআন ফা তাজা-ওয়ায ‘আনহু

হে আল্লাহ, আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র, আপনার অনুগ্রহের মুখাপেক্ষী, আপনি তাকে শাস্তি দেওয়া থেকে অমুখাপেক্ষী। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার অপরাধকর্ম এড়িয়ে যান।

রেফারেন্স: হাদীসটি সংকলণ করেন, হাকেম তাঁর মুস্তাদরাকে এবং সহীহ বলেছেন, ১/৩৫৯; আর যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন। আরও দেখুন, আলবানী, আহকামুল জানায়েয, পৃ. ১২৫।

اَللّٰهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ احْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهِ، إِنْ كَانَ مُحْسِناً فَزِدْ فِيْ حَسَنَاتِهِ، وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَنْهُ

হে আল্লাহ, আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র, আপনার অনুগ্রহের মুখাপেক্ষী, আপনি তাকে শাস্তি দেওয়া থেকে অমুখাপেক্ষী। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার অপরাধকর্ম এড়িয়ে যান।

রেফারেন্স: হাদীসটি সংকলণ করেন, হাকেম তাঁর মুস্তাদরাকে এবং সহীহ বলেছেন, ১/৩৫৯; আর যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন। আরও দেখুন, আলবানী, আহকামুল জানায়েয, পৃ. ১২৫।

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৫

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৫

اَللّٰهُمَّ (إِنَّهُ) عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اَللّٰهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِيْ إِحْسَانِهِ وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَن سَيِّئَاتِهِ اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهُ

আল্লা-হুম্মা, (ইন্নাহু) ‘আব্দুকা, ওয়াব্নু ‘আব্দিকা, ওয়াব্নু আমাতিকা, কা-না ইয়াশ্হাদু আন লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্তা, ওয়া আন্না মু‘হাম্মাদান ‘আব্দুকা ওয়া রাসূলুকা, ওয়া আন্তা আ‘অলামু বিহী। আল্লা-হুম্মা, ইন্ কানা মু‘হ্সিনান ফাযিদ্ ফী ই‘হসা-নিহী, ওয়া ইন্ কা-না মুসীআন ফাতাজা-ওয়ায ‘আন সাইয়িআ-তিহী। আল্লা-হুম্মা লা- তা‘হরিমনা- আজ্রাহু, ওয়ালা- তাফ্তিন্না বা‘অদাহু।

হে আল্লাহ, এ ব্যক্তি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার পুত্র, আপনার বান্দীর পুত্র। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ () আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল। আর আপনি তার বিষয়ে অধিক অবগত। হে আল্লাহ, যদি সে নেককর্মকারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার নেকি বৃদ্ধি করে দিন। আর যদি সে পাপাচারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার পাপরাশি ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আমাদেরকে তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পরে আমাদেরকে ফিতনাগ্রস্থ করবেন না।”

রেফারেন্স: [১]মালিক,আল-মুয়াত্তা ১/২৩৮;মহাম্মাদ ইবনুল হাসান,আল-মুয়াত্তা ২/৯৮;আবু-ইয়ালা মাওসিলী,আল-মুসনাদ ১১/৪৭৭;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৩/১৩৯;আলবানী,আহকামুল জানায়িয,পৃ ১২৫; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৮

হাদীসটি সহীহ।

اَللّٰهُمَّ (إِنَّهُ) عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اَللّٰهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِيْ إِحْسَانِهِ وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَن سَيِّئَاتِهِ اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهُ

হে আল্লাহ, এ ব্যক্তি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার পুত্র, আপনার বান্দীর পুত্র। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোনো মা’বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ () আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল। আর আপনি তার বিষয়ে অধিক অবগত। হে আল্লাহ, যদি সে নেককর্মকারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার নেকি বৃদ্ধি করে দিন। আর যদি সে পাপাচারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার পাপরাশি ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আমাদেরকে তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পরে আমাদেরকে ফিতনাগ্রস্থ করবেন না।”

রেফারেন্স: [১]মালিক,আল-মুয়াত্তা ১/২৩৮;মহাম্মাদ ইবনুল হাসান,আল-মুয়াত্তা ২/৯৮;আবু-ইয়ালা মাওসিলী,আল-মুসনাদ ১১/৪৭৭;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৩/১৩৯;আলবানী,আহকামুল জানায়িয,পৃ ১২৫; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৮

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৬

মৃত ব্যক্তির জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৬

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ، الْحَمْدُ لِلّٰهِ وَسُبْحَانَ اللّٰهِ وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদ, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর, ‘আল-‘হামদু লিল্লাহ’, ওয়া ‘সুব‘হা-নাল্লা-হ’, ওয়া লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া ‘আল্লা-হু আকবার’, লা- ‘হাওলা ওয়া লা- ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ।

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, এবং প্রশংসা তাঁরই। এবং তিনি সর্বোপরি ক্ষমতাবান। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহর (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: [১]বুখারী(২৫-আবওয়াবুত তাহাজ্জুদ,২০-বাব ফাদল মান তাআররা) ১/৩৮৭ (ভা ১/১৫৫); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৯০

উবাদা ইবনু সামিত (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, “যদি কারো রাত্রে ঘুম ভেঙ্গে যায় এরপর সে উপরের যিকরের বাক্যগুলো পাঠ করে এবং এরপর সে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় অথবা কোনো প্রকার দু‘আ করে বা কিছু চায় তাহলে তার দু‘আ কবুল করা হবে। আর যদি সে এরপর উঠে ওযূ করে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করে তাহলে তার সালাত কবুল করা হবে।”

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ، الْحَمْدُ لِلّٰهِ وَسُبْحَانَ اللّٰهِ وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, এবং প্রশংসা তাঁরই। এবং তিনি সর্বোপরি ক্ষমতাবান। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহর (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: [১]বুখারী(২৫-আবওয়াবুত তাহাজ্জুদ,২০-বাব ফাদল মান তাআররা) ১/৩৮৭ (ভা ১/১৫৫); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৯০

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ

📄 নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ


নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #১

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #১

اَللّٰهُمَّ أَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা আ‘য়িযহু মিন আযা-বিল ক্বাবরি

হে আল্লাহ! এ শিশুকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব বলেন, আমি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর পিছনে একটি শিশুর জানাযার সালাত আদায় করেছি, যে শিশু কখনও কোনো গুনাহ করে নি, তখন আমি তাকে (উপরোক্ত দো‘আটি) বলতে শুনলাম....। হাদীসটি ইমাম মালেক তার মুওয়াত্তা গ্রন্থে সংকলন করেন, ১/২৮৮; ইবন আবী শাইবাহ তার মুসান্নাফ গ্রন্থে, ৩/২১৭; বাইহাকী, ৪/৯। আর শাইখ শু‘আইব আল-আরনাউত শারহুস সুন্নাহ লিল বাগভীর তাহকীকে ৫/৩৫৭, এটার সনদকে সহীহ বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ أَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ! এ শিশুকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব বলেন, আমি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহুর পিছনে একটি শিশুর জানাযার সালাত আদায় করেছি, যে শিশু কখনও কোনো গুনাহ করে নি, তখন আমি তাকে (উপরোক্ত দো‘আটি) বলতে শুনলাম....। হাদীসটি ইমাম মালেক তার মুওয়াত্তা গ্রন্থে সংকলন করেন, ১/২৮৮; ইবন আবী শাইবাহ তার মুসান্নাফ গ্রন্থে, ৩/২১৭; বাইহাকী, ৪/৯। আর শাইখ শু‘আইব আল-আরনাউত শারহুস সুন্নাহ লিল বাগভীর তাহকীকে ৫/৩৫৭, এটার সনদকে সহীহ বলেছেন।

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #২

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #২

আর যদি নিম্নোক্ত দো‘আটি পড়া হয় তবে তাও উত্তম:

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ فَرَطًا وَذُخْرًا لِوَالِدَيْهِ، وَشَفِيعًا مُجَابًا، اَللّٰهُمَّ ثَقِّلْ بِهِ مَوَازِيْنَهُمَا، وَأَعْظِمْ بِهِ أُجُوْرَهُمَا، وَأَلْحِقْهُ بِصَالِحِ الْمُؤْمِنِيْنَ، وَاجْعَلْهُ فِيْ كَفَالَةِ إِبْرَاهِيْمَ، وَقِهِ بِرَحْمَتِكَ عَذَابَ الْجَحِيْمِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ، اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِأَسْلاَفِنَا، وَأَفْرَاطِنَا، وَمَنْ سَبَقَنَا بِالْإِيْمَانِ

আল্লা-হুম্মাজ‘আলহু ফারাত্বান ওয়া যুখরান লিওয়লিদায়হি, ওয়াশাফী‘আন মুজাবান। আল্লা-হুম্মা সাক্কিল বিহী মাওয়াযীনাহুমা, ওয়াআ‘যিম বিহী উজূরাহুমা, ওয়া আলহিক্বহু বিসা-লিহিল মু’মিনীন, ওয়াজ‘আলহু ফী কাফা-লাতি ইবরাহীমা, ওয়াক্বিহি বিরাহমাতিকা ‘আযা-বাল জাহীম, ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরান মিন দা-রিহি, ওয়া আহলান খায়রান মিন আহলিহি, আল্লা-হুম্মাগফির লি’আসলাফিনা ওয়া আফরাত্বিনা ওয়া মান সাবাক্বানা বিল ঈমান।

হে আল্লাহ, তাকে তার পিতা-মাতার জন্য অগ্রগামী প্রতিনিধি বা সওয়াব ও সযত্নে গচ্ছিত সওয়াব হিসেবে কবুল করুন। আর তাকে এমন শাফা‘আতকারী বানান, যার শাফা‘আত কবুল হয়। হে আল্লাহ, এ শিশুর দ্বারা তার পিতা মাতার ওজনসমূহ আরও ভারী করে দিন। আর এর দ্বারা তাদের দু’জনের সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন। আর তাকে নেককারদের সঙ্গী-সাথী বানান এবং তাকে ইবরাহীম আলাইহিসসালামের যিম্মায় রাখুন। আর আপনার রহমতের অসীলায় তাকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। তাকে তার এ বাসস্থানের পরিবর্তে উত্তম বাসস্থান প্রদান করুন, এখানকার পরিবার-পরিজনের পরিবর্তে উত্তম পরিবার-পরিজন প্রদান করুন। হে আল্লাহ, আমাদের পূর্ববর্তী নর-নারী ও নাবালক অগ্রগামী সন্তান-সন্ততিদের মাফ করুন এবং যারা ঈমান সহকারে আমাদের পূর্বে মারা গেছে তাদেরকেও।

রেফারেন্স: দেখুন, আল-মুগনী, লি ইবন কুদামা, ৩/৪১৬; আরও দেখুন, আদ-দুরুসুল মুহিম্মাহ লি ‘আম্মাতিল উম্মাহ, লিশ শাইখ আবদিল আযীয ইবন আব্দিল্লাহ ইবন বায, রাহেমাহুল্লাহ, পৃ. ১৫।

আর যদি নিম্নোক্ত দো‘আটি পড়া হয় তবে তাও উত্তম:

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ فَرَطًا وَذُخْرًا لِوَالِدَيْهِ، وَشَفِيعًا مُجَابًا، اَللّٰهُمَّ ثَقِّلْ بِهِ مَوَازِيْنَهُمَا، وَأَعْظِمْ بِهِ أُجُوْرَهُمَا، وَأَلْحِقْهُ بِصَالِحِ الْمُؤْمِنِيْنَ، وَاجْعَلْهُ فِيْ كَفَالَةِ إِبْرَاهِيْمَ، وَقِهِ بِرَحْمَتِكَ عَذَابَ الْجَحِيْمِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ، اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِأَسْلاَفِنَا، وَأَفْرَاطِنَا، وَمَنْ سَبَقَنَا بِالْإِيْمَانِ

হে আল্লাহ, তাকে তার পিতা-মাতার জন্য অগ্রগামী প্রতিনিধি বা সওয়াব ও সযত্নে গচ্ছিত সওয়াব হিসেবে কবুল করুন। আর তাকে এমন শাফা‘আতকারী বানান, যার শাফা‘আত কবুল হয়। হে আল্লাহ, এ শিশুর দ্বারা তার পিতা মাতার ওজনসমূহ আরও ভারী করে দিন। আর এর দ্বারা তাদের দু’জনের সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন। আর তাকে নেককারদের সঙ্গী-সাথী বানান এবং তাকে ইবরাহীম আলাইহিসসালামের যিম্মায় রাখুন। আর আপনার রহমতের অসীলায় তাকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। তাকে তার এ বাসস্থানের পরিবর্তে উত্তম বাসস্থান প্রদান করুন, এখানকার পরিবার-পরিজনের পরিবর্তে উত্তম পরিবার-পরিজন প্রদান করুন। হে আল্লাহ, আমাদের পূর্ববর্তী নর-নারী ও নাবালক অগ্রগামী সন্তান-সন্ততিদের মাফ করুন এবং যারা ঈমান সহকারে আমাদের পূর্বে মারা গেছে তাদেরকেও।

রেফারেন্স: দেখুন, আল-মুগনী, লি ইবন কুদামা, ৩/৪১৬; আরও দেখুন, আদ-দুরুসুল মুহিম্মাহ লি ‘আম্মাতিল উম্মাহ, লিশ শাইখ আবদিল আযীয ইবন আব্দিল্লাহ ইবন বায, রাহেমাহুল্লাহ, পৃ. ১৫।

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৩

নাবালক শিশুদের জন্য জানাযার সালাতে দো‘আ #৩

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا فَرَطًا، وَسَلَفًا، وَأَجْرًا

আল্লা-হুম্মাজ‘আলহু লানা ফারাত্বান ওয়া সালাফান ওয়া আজরান

হে আল্লাহ, আমাদের জন্য তাকে অগ্রগামী প্রতিনিধি, অগ্রিম পূণ্য এবং সওয়াব হিসেবে নির্ধারণ করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ যখন ছোট শিশুদের জানাযা পড়তেন তখন তার উপর সূরা ফাতেহা পড়তেন এবং উপরোক্ত দো‘আ বলতেন। হাদীসটি ইমাম বাগভী তার শারহুস সুন্নাহ ৫/৩৫৭ এ বর্ণনা করেছেন। আরও বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রায্‌যাক তার মুসান্নাফে, নং ৬৫ ৮৮। তাছাড়া ইমাম বুখারী, কিতাবুল জানায়েয এর, ৬৫, বাবু কিরাআতি ফাতিহাতিল কিতাব আলাল জানাযাত ২/১১৩; ১৩৩৫ নং হাদীসের পূর্বে এটাকে তা‘লীক বা সনদ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا فَرَطًا، وَسَلَفًا، وَأَجْرًا

হে আল্লাহ, আমাদের জন্য তাকে অগ্রগামী প্রতিনিধি, অগ্রিম পূণ্য এবং সওয়াব হিসেবে নির্ধারণ করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ যখন ছোট শিশুদের জানাযা পড়তেন তখন তার উপর সূরা ফাতেহা পড়তেন এবং উপরোক্ত দো‘আ বলতেন। হাদীসটি ইমাম বাগভী তার শারহুস সুন্নাহ ৫/৩৫৭ এ বর্ণনা করেছেন। আরও বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রায্‌যাক তার মুসান্নাফে, নং ৬৫ ৮৮। তাছাড়া ইমাম বুখারী, কিতাবুল জানায়েয এর, ৬৫, বাবু কিরাআতি ফাতিহাতিল কিতাব আলাল জানাযাত ২/১১৩; ১৩৩৫ নং হাদীসের পূর্বে এটাকে তা‘লীক বা সনদ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px