📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ

📄 সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ


কবর ও জাহান্নামের আযাব এবং জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

কবর ও জাহান্নামের আযাব এবং জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি ওয়া মিন ‘আযা-বি জাহান্নামা, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামা-তি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার অনিষ্টতা থেকে

রেফারেন্স: বুখারী ২/১০২, নং ১৩৭৭; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৮। আর শব্দ মুসলিমের।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার অনিষ্টতা থেকে

রেফারেন্স: বুখারী ২/১০২, নং ১৩৭৭; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৮। আর শব্দ মুসলিমের।

কবর ও জাহান্নামের আযাব, জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা এবং গুনাহ ও ঋণ থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

কবর ও জাহান্নামের আযাব, জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা এবং গুনাহ ও ঋণ থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْـيَا وَالْمَمَاتِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন আযা-বিল ক্বাবরি, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জা-লি, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামা-ত। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল মা’ছামি ওয়াল মাগরামি

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং আশ্রয় চাই জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই পাপাচার ও ঋণের বোঝা থেকে

রেফারেন্স: বুখারী ১/২০২, নং ৮৩২; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৭।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْـيَا وَالْمَمَاتِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং আশ্রয় চাই জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই পাপাচার ও ঋণের বোঝা থেকে

রেফারেন্স: বুখারী ১/২০২, নং ৮৩২; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৭।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৩

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৩

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী যলামতু নাফসী যুলমান কাসীরা। ওয়ালা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা। ফাগফির লী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রাহীম

হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর অনেক যুলুম করেছি। আর আপনি ছাড়া গুনাহসমূহ কেউই ক্ষমা করতে পারে না। অতএব আমাকে আপনার পক্ষ থেকে বিশেষ ক্ষমা দ্বারা মাফ করে দিন, আর আমার প্রতি দয়া করুন; আপনিই তো ক্ষমাকারী, পরম দয়ালু

রেফারেন্স: বুখারী ৮/১৬৮, নং ৮৩৪; মুসলিম ৪/২০৭৮, নং ২৭০৫।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর অনেক যুলুম করেছি। আর আপনি ছাড়া গুনাহসমূহ কেউই ক্ষমা করতে পারে না। অতএব আমাকে আপনার পক্ষ থেকে বিশেষ ক্ষমা দ্বারা মাফ করে দিন, আর আমার প্রতি দয়া করুন; আপনিই তো ক্ষমাকারী, পরম দয়ালু

রেফারেন্স: বুখারী ৮/১৬৮, নং ৮৩৪; মুসলিম ৪/২০৭৮, নং ২৭০৫।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৪

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৪

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ مَا قَدَّمْتُ، وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ، وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَسْرَفْتُ، وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّيْ، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ، وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা ক্বাদ্দামতু ওয়া মা আখ্‌খারতু ওয়া মা আসরারতু ওয়া মা আ’লান্তু ওয়া মা আসরাফ্‌তু ওয়া মা আনতা আল’লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখখিরু লা ইলাহা ইল্লা আনতা

হে আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ— যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপন করেছি, যা প্রকাশ্যে করেছি, যা সীমালঙ্ঘন করে করেছি, আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনিই (কাউকে) করেন অগ্রগামী, আর আপনিই (কাউকে) করেন পশ্চাদগামী, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ مَا قَدَّمْتُ، وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ، وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَسْرَفْتُ، وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّيْ، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ، وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ— যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপন করেছি, যা প্রকাশ্যে করেছি, যা সীমালঙ্ঘন করে করেছি, আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনিই (কাউকে) করেন অগ্রগামী, আর আপনিই (কাউকে) করেন পশ্চাদগামী, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৫

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৫

اَللّٰهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

আল্লা-হুম্মা আ‘ইন্নী ‘আলা যিকরিকা ও শুকরিকা ওয়াহুসনি ইবা-দাতিকা

হে আল্লাহ! আপনার যিক্‌র করতে, আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৮৬, নং ১৫২২; নাসাঈ ৩/৫৩, নং ২৩০২ আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাঊদ ১/২৮৪ এটাকে সহীহ বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

হে আল্লাহ! আপনার যিক্‌র করতে, আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৮৬, নং ১৫২২; নাসাঈ ৩/৫৩, নং ২৩০২ আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাঊদ ১/২৮৪ এটাকে সহীহ বলেছেন।

কৃপণতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্য এবং ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

কৃপণতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্য এবং ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল বুখলি, ওয়া ‘আউযু বিকা মিনাল জুবনি, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন আন উরাদ্দা ইলা আরযালিল্ ‘উমুরি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন্ ফিতনাতিদ দুনইয়া ও আযা-বিল ক্বাবরি

হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই কৃপণতা থেকে, আপনার আশ্রয় চাই কাপুরুষতা থেকে, আপনার আশ্রয় চাই চরম বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে, আর আপনার আশ্রয় চাই দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের আযাব থেকে

রেফারেন্স: বুখারি, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৩৫, নং ২৮২২ ও নং ৬৩৯০।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই কৃপণতা থেকে, আপনার আশ্রয় চাই কাপুরুষতা থেকে, আপনার আশ্রয় চাই চরম বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে, আর আপনার আশ্রয় চাই দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের আযাব থেকে

রেফারেন্স: বুখারি, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৩৫, নং ২৮২২ ও নং ৬৩৯০।

জাহান্নাম থেকে আশ্রয় এবং জান্নাত চাওয়ার দোআ

জাহান্নাম থেকে আশ্রয় এবং জান্নাত চাওয়ার দোআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ‘উযু বিকা মিনান্নার

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই

রেফারেন্স: আবূ দাউদ, নং ৭৯২; ইবন মাজাহ্‌ নং ৯১০। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৮।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই

রেফারেন্স: আবূ দাউদ, নং ৭৯২; ইবন মাজাহ্‌ নং ৯১০। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৮।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৮

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৮

اَللّٰهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ أَحْيِنِيْ مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِيْ، وَتَوَفَّنِيْ إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِيْ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِيْ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ

আল্লা-হুম্মা বি‘ইলমিকাল গাইবি ওয়া কুদরাতিকা ‘আলাল খালক্বি আহয়িনী মা আলিম্‌তাল হায়া-তা খাইরাল্ লী ওয়া তাওয়াফ্‌ফানী ইযা আলিম্‌তাল ওয়াফা-তা খাইরাল লী। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাশইয়াতাকা ফিল গাইবি ওয়াশ-শাহাদাতি

হে আল্লাহ! আপনার গায়েবী জ্ঞান এবং সকল সৃষ্টির উপর আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার অসিলায় (চাই), আমাকে আপনি জীবিত রাখুন সে-সময় পর্যন্ত, যে সময় পর্যন্ত জীবিত থাকা আপনার জ্ঞানে আমার জন্য কল্যাণকর; আর আমাকে মৃত্যু দিন যখন আপনি জানেন যে, মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট চাই গোপনে ও প্রকাশ্যে আপনাকে ভয় করা

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
بِعِلْمِكَ - আপনার জ্ঞান
الْغَيْبَ - গায়েবী
وَقُدْرَتِكَ - এবং আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার
عَلَى - উপর
الْخَلْقِ - সকল সৃষ্টির
أَحْيِنِيْ - আমাকে জীবিত রাখুন
مَا - যা
عَلِمْتَ - আপনার জ্ঞানে
الْحَيَاةَ - জীবিত থাকা
خَيْرًا - উত্তম
لِيْ، - আমার জন্য
وَتَوَفَّنِيْ - ও আমাকে মৃত্যু দিন
إِذَا - যা
عَلِمْتَ - আপনার জ্ঞানে
الْوَفَاةَ - মৃত্যু
خَيْرًا - উত্তম
لِيْ، - আমার জন্য
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
إِنِّيْ - নিশ্চয় আমি
أَسْأَلُكَ - আমি আপনার নিকট চাই
خَشْيَتَكَ - আপনাকে ভয় করা
فِيْ - এ
الْغَيْبِ - গোপন
وَالشَّهَادَةِ - ও প্রকাশ্যে

وَأَسْأَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِيْ الرِّضَا وَالْغَضَبِ، وَأَسْأَلُكَ الْقَصْدَ فِيْ الْغِنٰى وَالْفَقْرِ، وَأَسْأَلُكَ نَعِيْمًا لَا يَنْفَدُ، وَأَسْأَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَا تَنْقَطِعُ، وَأَسْأَلُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَاءِ

ওয়া আসআলুকা কালিমাতাল হাক্বক্বি ফির-রিদা ওয়াল-গাদাবি। ওয়া আসআলুকাল কাসদা ফিল গিনা ওয়াল ফাক্বরি, ওয়া আসআলুকা না‘ঈমান লা ইয়ানফাদু, ওয়া আসআলুকা ক্বুররতা আইনিন লা তানকাতি‘উ, ওয়া আস্আলুকার-রিদা বা‘দাল কাদায়ে,

আপনার নিকট চাই সন্তুষ্টি ও ক্রোধ উভয় অবস্থায় সত্য কথা বলা; আপনার নিকট চাই দারিদ্র্যে ও প্রাচুর্যে ভারসাম্যপূর্ণ (মধ্যম) পন্থা। আপনার নিকট চাই এমন নে‘আমত, যা কখনো শেষ হবে না; আপনার নিকট চাই এমন নয়নাভিরাম বস্তু, যা কখনো বিচ্ছিন্ন হবে না। আর আমি আপনার নিকট চাই (তাকদীরের) ফয়সালার পর সন্তোষ;

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
كَلِمَةَ - কথা বলা
الْحَقِّ - সত্য
فِيْ - মধ্যে
الرِّضَا - সন্তুষ্টির
وَالْغَضَبِ، - ও ক্রোধ
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
الْقَصْدَ - মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে
فِيْ - মধ্যে
الْغِنٰى - প্রাচুর্যের
وَالْفَقْرِ، - ও দারিদ্র্যে
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
نَعِيْمًا - নে‘আমত
لَا - না
يَنْفَدُ، - নি:শেষ হবে
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
قُرَّةَ - প্রশান্তি
عَيْنٍ - নয়নের
لَا - না
تَنْقَطِعُ، - কখনো বিচ্ছিন্ন হবে
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
الرِّضَا - সন্তোষ
بَعْدَ - পর
الْقَضَاءِ - (তাকদীরের) ফয়সালার

وَأَسْــــأَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ، وَأَسْأَلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلَى وَجْهِكَ، وَالشَّوْقَ إِلَى لِقائِكَ فِي غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ، وَلَا فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ، اَللّٰهُمَّ زَيِّنَا بِزِيْنَةِ الْإِيْمَانِ، وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُهْتَدِيْنَ

ওয়া আসআলুকা বারদাল ‘আইশি বা‘দাল মাওতি, ওয়া আসআলুকা লাযযাতান-নাযারি ইলা ওয়াজহিকা, ওয়াশ-শাওক্বা ইলা লিক্বাইকা, ফী গাইরি দাররাআ মুদিররাতিন ওয়ালা ফিতনাতিম মুদিল্লাহ। আল্লা-হুম্মা যাইইন্না বিযীনাতিল ঈমানি ওয়াজ‘আলনা হুদাতাম মুহতাদীন

আমি আপনার নিকট চাই মৃত্যুর পর প্রশান্ত জীবন। আমি আপনার নিকট চাই আপনার চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাতের স্বাদ, আপনার নিকট চাই আপনার সাথে সাক্ষাৎ লাভের ব্যাকুলতা; এমন যে, তাতে থাকবে না কোনো ক্ষতিকর কষ্ট কিংবা ভ্রষ্টকারী ফেতনা। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে ঈমানের সৌন্দর্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন এবং আমাদেরকে হেদায়াত-প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক বানান

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَأَسْــــأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
بَرْدَ - প্রশান্ত/শীতল
الْعَيْشِ - জীবন
بَعْدَ - পর
الْمَوْتِ، - মৃত্যুর
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
لَذَّةَ - স্বাদ
النَّظَرِ - দৃষ্টিপাতের
إِلَى - প্রতি
وَجْهِكَ، - আপনার চেহারার
وَالشَّوْقَ - ও ব্যাকুলতা/আগ্রহ
إِلَى - প্রতি
لِقائِكَ - আপনার সাক্ষাৎ লাভের
فِي - এর মধ্যে
غَيْرِ - থাকবে না
ضَرَّاءَ - কষ্ট/বিপদ/দুর্দশা
مُضِرَّةٍ، - ক্ষতিকর
وَلَا - এবং না
فِتْنَةٍ - ফেতনা
مُضِلَّةٍ، - ভ্রষ্টকারী
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
زَيِّنَا - সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন
بِزِيْنَةِ - সৌন্দর্যে
الْإِيْمَانِ، - ঈমানের
وَاجْعَلْنَا - এবং আমাদেরকে করুন
هُدَاةً - পথপ্রদর্শন/পরিচালনা
مُهْتَدِيْنَ - (যারা) হেদায়াত/সুপথ প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক

রেফারেন্স: নাসাঈ ৩/৫৪, ৫৫, নং ১৩০৪; আহমাদ ৪/৩৬৪, নং ২১৬৬৬। আর শাইখ আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮১ তে একে সহীহ বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! بِعِلْمِكَ আপনার জ্ঞান الْغَيْبَ গায়েবী وَقُدْرَتِكَ এবং আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার عَلَى উপর الْخَلْقِ সকল সৃষ্টির أَحْيِنِيْ আমাকে জীবিত রাখুন مَا যা عَلِمْتَ আপনার জ্ঞানে الْحَيَاةَ জীবিত থাকা خَيْرًا উত্তম لِيْ، আমার জন্য وَتَوَفَّنِيْ ও আমাকে মৃত্যু দিন إِذَا যা عَلِمْتَ আপনার জ্ঞানে الْوَفَاةَ মৃত্যু خَيْرًا উত্তম لِيْ، আমার জন্য اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! إِنِّيْ নিশ্চয় আমি أَسْأَلُكَ আমি আপনার নিকট চাই خَشْيَتَكَ আপনাকে ভয় করা فِيْ الْغَيْبِ গোপন وَالشَّهَادَةِ ও প্রকাশ্যে

হে আল্লাহ! আপনার গায়েবী জ্ঞান এবং সকল সৃষ্টির উপর আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার অসিলায় (চাই), আমাকে আপনি জীবিত রাখুন সে-সময় পর্যন্ত, যে সময় পর্যন্ত জীবিত থাকা আপনার জ্ঞানে আমার জন্য কল্যাণকর; আর আমাকে মৃত্যু দিন যখন আপনি জানেন যে, মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট চাই গোপনে ও প্রকাশ্যে আপনাকে ভয় করা

وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই كَلِمَةَ কথা বলা الْحَقِّ সত্য فِيْ মধ্যে الرِّضَا সন্তুষ্টির وَالْغَضَبِ، ও ক্রোধ وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই الْقَصْدَ মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে فِيْ মধ্যে الْغِنٰى প্রাচুর্যের وَالْفَقْرِ، ও দারিদ্র্যে وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই نَعِيْمًا নে‘আমত لَا না يَنْفَدُ، নি:শেষ হবে وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই قُرَّةَ প্রশান্তি عَيْنٍ নয়নের لَا না تَنْقَطِعُ، কখনো বিচ্ছিন্ন হবে وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই الرِّضَا সন্তোষ بَعْدَ পর الْقَضَاءِ (তাকদীরের) ফয়সালার

আপনার নিকট চাই সন্তুষ্টি ও ক্রোধ উভয় অবস্থায় সত্য কথা বলা; আপনার নিকট চাই দারিদ্র্যে ও প্রাচুর্যে ভারসাম্যপূর্ণ (মধ্যম) পন্থা। আপনার নিকট চাই এমন নে‘আমত, যা কখনো শেষ হবে না; আপনার নিকট চাই এমন নয়নাভিরাম বস্তু, যা কখনো বিচ্ছিন্ন হবে না। আর আমি আপনার নিকট চাই (তাকদীরের) ফয়সালার পর সন্তোষ;

وَأَسْــــأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই بَرْدَ প্রশান্ত/শীতল الْعَيْشِ জীবন بَعْدَ পর الْمَوْتِ، মৃত্যুর وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই لَذَّةَ স্বাদ النَّظَرِ দৃষ্টিপাতের إِلَى প্রতি وَجْهِكَ، আপনার চেহারার وَالشَّوْقَ ও ব্যাকুলতা/আগ্রহ إِلَى প্রতি لِقائِكَ আপনার সাক্ষাৎ লাভের فِي এর মধ্যে غَيْرِ থাকবে না ضَرَّاءَ কষ্ট/বিপদ/দুর্দশা مُضِرَّةٍ، ক্ষতিকর وَلَا এবং না فِتْنَةٍ ফেতনা مُضِلَّةٍ، ভ্রষ্টকারী اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! زَيِّنَا সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন بِزِيْنَةِ সৌন্দর্যে الْإِيْمَانِ، ঈমানের وَاجْعَلْنَا এবং আমাদেরকে করুন هُدَاةً পথপ্রদর্শন/পরিচালনা مُهْتَدِيْنَ (যারা) হেদায়াত/সুপথ প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক

আমি আপনার নিকট চাই মৃত্যুর পর প্রশান্ত জীবন। আমি আপনার নিকট চাই আপনার চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাতের স্বাদ, আপনার নিকট চাই আপনার সাথে সাক্ষাৎ লাভের ব্যাকুলতা; এমন যে, তাতে থাকবে না কোনো ক্ষতিকর কষ্ট কিংবা ভ্রষ্টকারী ফেতনা। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে ঈমানের সৌন্দর্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন এবং আমাদেরকে হেদায়াত-প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক বানান

রেফারেন্স: নাসাঈ ৩/৫৪, ৫৫, নং ১৩০৪; আহমাদ ৪/৩৬৪, নং ২১৬৬৬। আর শাইখ আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮১ তে একে সহীহ বলেছেন।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৯

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৯

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ يَا اَللّٰهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ، أَنْ تَغْفِرَ لِيْ ذُنُوبِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِّيْمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইয়া আল্লা-হু বিআন্নাকাল ওয়া-হিদুল আহাদুস্ সমাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইয়ূলাদ ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফূওয়ান আহাদ, আন্ তাগফিরালী যুনূবী, ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রহীম

হে আল্লাহ! আপনিই একক, অদ্বিতীয়, অমুখাপেক্ষী; যিনি জন্ম দেন নি, জন্ম নেনও নি; আর যার সমকক্ষ কেউ নেই। তাই হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই, যেন আপনি আমার সকল গুনাহ্‌ ক্ষমা করে দেন; নিশ্চয় আপনি অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু

রেফারেন্স: নাসাঈ ৩/৫২, নং ১৩০০; শব্দ তাঁরই, আহমাদ ৪/৩৩৮, নং ১৮৯৭। আর আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ يَا اَللّٰهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ، أَنْ تَغْفِرَ لِيْ ذُنُوبِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِّيْمُ

হে আল্লাহ! আপনিই একক, অদ্বিতীয়, অমুখাপেক্ষী; যিনি জন্ম দেন নি, জন্ম নেনও নি; আর যার সমকক্ষ কেউ নেই। তাই হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই, যেন আপনি আমার সকল গুনাহ্‌ ক্ষমা করে দেন; নিশ্চয় আপনি অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু

রেফারেন্স: নাসাঈ ৩/৫২, নং ১৩০০; শব্দ তাঁরই, আহমাদ ৪/৩৩৮, নং ১৮৯৭। আর আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১০

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১০

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيْعَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়াহদাকা লা শারীকা লাকাল মান্না-নু, ইয়া বাদী‘আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল-আরদী, ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যূমু, ইন্নী আসআলুকাল্ জান্নাতা ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনান্না-র

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্তার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ সকলে সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪৯৫; তিরমিযী, নং ৩৫৪৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৫৮; নাসাঈ, নং ১২৯৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৯।

আনাস (রা) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (স) এর সাথে বৃত্তাকারে বসে ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি সালাত আদায় করছিল। সে সালাতের তাশাহহুদের পরে দু‘আর মধ্যে উপরের কথাগুলো বলল। তখন রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: “নিশ্চয় সে আল্লাহ্‌র কাছে তাঁর ইসমে আ’যম ধরে দু‘আ করেছে, যে নামে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নামে চাইলে তিনি প্রদান করেন।” হাদীসটির সনদ সহীহ।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيْعَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্তার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ সকলে সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪৯৫; তিরমিযী, নং ৩৫৪৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৫৮; নাসাঈ, নং ১২৯৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৯।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১১

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১১

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنِّيْ أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্নী আশ্‌হাদু আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা আনতাল আহাদুস সামাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইয়ূলাদ ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই। কেননা, আমি সাক্ষ্য দেই যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই; আপনি একক সত্তা, অমুখাপেক্ষী—সকল কিছু আপনার মুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেন নি এবং জন্ম নেনও নি। আর যাঁর সমকক্ষ কেউ নেই

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৬২, নং ১৪৯৩; তিরমিযী ৫/৫১৫, নং ৩৪৭৫; ইবন মাজাহ, ২/১২৬৭, নং ৩৮৫৭; নাসাঈ, নং ১৩০০, আর শব্দ তাঁরই; আহমাদ নং ১৮৯৭৪ আর শাইখ আলবানী সহীহ নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন। তাছাড়া আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ২/৩২৯; সহীহ আত-তিরমিযী, ৩/১৬৩

বুরাইদাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) দেখেন যে, এক ব্যক্তি সালাতরত অবস্থায় দু‘আয় উপরের কথাগুলো বলছে। তখন তিনি বলেন : “যার হাতে আমার জীবন তাঁর শপথ, নিশ্চয় এ ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কাছে তাঁর ইসমু আ’যম ধরে প্রার্থনা করেছে, যে নাম ধরে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম ধরে চাইলে তিনি প্রদান করেন।” হাদীসটি সহীহ।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنِّيْ أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই। কেননা, আমি সাক্ষ্য দেই যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই; আপনি একক সত্তা, অমুখাপেক্ষী—সকল কিছু আপনার মুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেন নি এবং জন্ম নেনও নি। আর যাঁর সমকক্ষ কেউ নেই

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৬২, নং ১৪৯৩; তিরমিযী ৫/৫১৫, নং ৩৪৭৫; ইবন মাজাহ, ২/১২৬৭, নং ৩৮৫৭; নাসাঈ, নং ১৩০০, আর শব্দ তাঁরই; আহমাদ নং ১৮৯৭৪ আর শাইখ আলবানী সহীহ নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন। তাছাড়া আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ২/৩২৯; সহীহ আত-তিরমিযী, ৩/১৬৩

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১২

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১২

اَللّٰهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوْبِنَا وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ وَنَجِّنَا مِنْ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوْرِ وَجَنِّبْنَا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَبَارِكْ لَنَا فِيْ أَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُلُوْبِنَا وَأَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ وَاجْعَلْنَا شَاكِرِيْنَ لِنِعْمَتِكَ مُثْنِيْنَ بِهَا قَابِلِيْهَا وَأَتِمَّهَا

আল্লা-হুম্মা, আল্লিফ বাইনা কুলুবিনা-, ওয়া আসলি‘হ যা-তা বাইনিনা-, ওয়াহ্দিনা- সুবুলাস সালা-ম, ওয়া নাজ্জিনা- মিনায যুলুমা-তি ইলান নূর। ওয়া জান্নিবনাল ফাওয়া-‘িহশা মা যাহারা মিনহা- ওয়া মা- বাতান। ওয়া বা-রিক লানা- ফী আসমা-‘ইনা-, ওয়া আবসা-রিনা-, ওয়া কুলুবিনা-, ওয়া আযওয়া-জিনা, ওয়া যুররিয়্যা-তিনা-। ওয়া তুব ‘আলাইনা-, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। ওয়াজ্ ‘আলনা- শা-কিরীনা লিনি’মাতিকা, মুসনীনা বিহা- কাবিলীহা, ওয়া আতমিমহা- ‘আলাইনা-।

হে আল্লাহ, আপনি আমাদের অন্তরের মধ্যে পরস্পরের প্রতি ভালবাসা ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দিন। আপনি আমাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্য প্রদান করুন। আপনি আমাদেরকে শান্তির পথে পরিচালিত করুন, আমাদেরকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করে আলোয় নিয়ে আসুন, আমাদেরকে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করুন। আপনি আমাদের শ্রবণযন্ত্রে, আমাদের দৃষ্টিশক্তিতে, আমাদের অন্তরে, আমাদের দাম্পত্য সঙ্গীগণের মধ্যে এবং আমাদের সন্তানগণের মধ্যে বরকত প্রদান করুন। আপনি আমাদের তওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি তওবা কবুলকারী পরম করুণাময়। আপনি আমাদেরকে আপনার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায়ের, নিয়ামতের জন্য আপনার প্রশংসা করার এবং নিয়ামতকে সসম্মানে গ্রহণ করার তাওফীক প্রদান করুন এবং আপনি আমাদের জন্য প্রদত্ত আপনার নিয়ামতকে পূর্ণ করুন।

রেফারেন্স: [১]আবু দাঊদ (কিতাবুস সালাত,বাবুত তাশাহহুদ) ১/২৫২, নং ৯৬৯ (ভা ১/১৩৯) মুসতাদরাক হাকিম ১/৩৯৭, মাওয়ারিদুয যামআন ৮/৭৪,জামিউল উসূল ৪/২০৫-২০৬; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬৬

আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমাদেরকে তাশাহহুদের পরে দু‘আর এ বাক্যগুলো শেখাতেন। হাদীসটির সনদ সহীহ।

اَللّٰهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوْبِنَا وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ وَنَجِّنَا مِنْ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوْرِ وَجَنِّبْنَا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَبَارِكْ لَنَا فِيْ أَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُلُوْبِنَا وَأَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ وَاجْعَلْنَا شَاكِرِيْنَ لِنِعْمَتِكَ مُثْنِيْنَ بِهَا قَابِلِيْهَا وَأَتِمَّهَا

হে আল্লাহ, আপনি আমাদের অন্তরের মধ্যে পরস্পরের প্রতি ভালবাসা ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দিন। আপনি আমাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্য প্রদান করুন। আপনি আমাদেরকে শান্তির পথে পরিচালিত করুন, আমাদেরকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করে আলোয় নিয়ে আসুন, আমাদেরকে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করুন। আপনি আমাদের শ্রবণযন্ত্রে, আমাদের দৃষ্টিশক্তিতে, আমাদের অন্তরে, আমাদের দাম্পত্য সঙ্গীগণের মধ্যে এবং আমাদের সন্তানগণের মধ্যে বরকত প্রদান করুন। আপনি আমাদের তওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি তওবা কবুলকারী পরম করুণাময়। আপনি আমাদেরকে আপনার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায়ের, নিয়ামতের জন্য আপনার প্রশংসা করার এবং নিয়ামতকে সসম্মানে গ্রহণ করার তাওফীক প্রদান করুন এবং আপনি আমাদের জন্য প্রদত্ত আপনার নিয়ামতকে পূর্ণ করুন।

রেফারেন্স: [১]আবু দাঊদ (কিতাবুস সালাত,বাবুত তাশাহহুদ) ১/২৫২, নং ৯৬৯ (ভা ১/১৩৯) মুসতাদরাক হাকিম ১/৩৯৭, মাওয়ারিদুয যামআন ৮/৭৪,জামিউল উসূল ৪/২০৫-২০৬; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬৬

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১৩

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১৩

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌٌ ﷺ) وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌ ﷺ)، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَسْأَلُكَ مَا قَضَيْتَ لِيْ مِنْ أَمْرٍ أَنْ تَجْعَلَ عَاقِبَتَهُ رَشَدًا

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহী, ‘আ-জিলিহী ওয়া আজিলিহী, মা- ‘আলিম্তু মিন্হু ওয়ামা- লাম্ আ‘অ্লাম। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাশ্ র্শারি কুল্লিহী মা- ‘আলিম্তু মিন্হু ওয়ামা- লাম্ আ‘অ্লাম।। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা মিন খাইরি মা- সাআলাকা ‘আব্দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা (মুহাম্মাদুন ), ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন র্শারি মা ‘আ-যা বিহী ‘আব্দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা (মুহাম্মাদুন )। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকাল জান্নাতা ওয়ামা- র্ক্বারাবা ইলাইহা- মিন ক্বাওলিন আও ‘আমাল। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনান না-রি ওয়ামা- র্ক্বারাবা ইলাইহা মিন ক্বাওলিন আও ‘আমাল। ওয়া আস্আলুকা মা- ক্বাদ্বাইতা লী মিন আম্রিন আন তাজ্‘আলা ‘আ-ক্বিবাতাহু রাশাদান।

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই সকল কল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী কল্যাণ, দূরবর্তী কল্যাণ, আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অকল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী অকল্যাণ, দূরবর্তী অকল্যাণ, আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে সে সকল কল্যাণ চাই যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন আপনার কাছে আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সে সকল অকল্যাণ থেকে যে সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটে নিয়ে যায় এরূপ সকল কথা বা কাজের তাওফীক। এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নাম থেকে এবং সেই সব কথা বা কাজ থেকে যা জাহান্নামের কাছে নিয়ে যায়। আর আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি যে, আপনি আমার জন্য যা কিছু ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন সব কিছুর চূড়ান্ত পরিণতি আমার জন্য মঙ্গলময় কল্যাণকর করে দিন।

রেফারেন্স: [১]ইবনু মাজাহ ২/১২৬৪ (ভা ১/২৭৩); সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১৫০; মুসতাদরাক হাকিম ১/৭০২;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১৪২-১৪৩,২৩২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৭১ হাদিসটির সব বর্ণনাই সহীহ।

আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) তাঁকে এ দু‘আটি শিক্ষা দেন। অন্য বর্ণনায় তিনি বলেন, তিনি সালাতে রত ছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তুমি পূর্ণ বাক্যাবলি ব্যবহার করবে। সালাতের পরে তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি তাকে এ দুআটি শিখিয়ে দেন। অন্য হাদীসে ইবনু মাসঊদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) তাশাহ্হুদের পরে পাঠের জন্য এ প্রকারের দু‘আ শিক্ষা দেন।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌٌ ﷺ) وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌ ﷺ)، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَسْأَلُكَ مَا قَضَيْتَ لِيْ مِنْ أَمْرٍ أَنْ تَجْعَلَ عَاقِبَتَهُ رَشَدًا

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই সকল কল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী কল্যাণ, দূরবর্তী কল্যাণ, আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অকল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী অকল্যাণ, দূরবর্তী অকল্যাণ, আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে সে সকল কল্যাণ চাই যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন আপনার কাছে আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সে সকল অকল্যাণ থেকে যে সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটে নিয়ে যায় এরূপ সকল কথা বা কাজের তাওফীক। এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নাম থেকে এবং সেই সব কথা বা কাজ থেকে যা জাহান্নামের কাছে নিয়ে যায়। আর আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি যে, আপনি আমার জন্য যা কিছু ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন সব কিছুর চূড়ান্ত পরিণতি আমার জন্য মঙ্গলময় কল্যাণকর করে দিন।

রেফারেন্স: [১]ইবনু মাজাহ ২/১২৬৪ (ভা ১/২৭৩); সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১৫০; মুসতাদরাক হাকিম ১/৭০২;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১৪২-১৪৩,২৩২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৭১ হাদিসটির সব বর্ণনাই সহীহ।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ

📄 সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ


সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১

أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ

আস্তাগফিরুল্লা-হ

আমি আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
أَسْتَغْفِرُ - আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি
اللّٰهَ - আল্লাহর নিকট

اَللّٰهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ، وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ

আল্লা-হুম্মা আনতাস্ সালা-মু ওয়া মিনকাস্ সালা-মু তাবা-রক্তা ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম

হে আল্লাহ! আপনি শান্তিময়। আপনার নিকট থেকেই শান্তি বর্ষিত হয়। আপনি বরকতময়, হে মহিমাময় ও সম্মানের অধিকারী!

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ
أَنْتَ - আপনি
السَّلاَمُ، - শান্তিময়
وَمِنْكَ - এবং আপনার নিকট থেকে বর্ষিত হয়
السَّلاَمُ، - শান্তি
تَبَارَكْتَ - আপনি বরকতময়
يَا - হে
ذَا - অধিকারী
الْجَلاَلِ - মহিমাময়
وَالْإِكْرَامِ - ও সম্মানের

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৪১৪, নং ৫৯১

أَسْتَغْفِرُ আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি اللّٰهَ আল্লাহর নিকট

আমি আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ أَنْتَ আপনি السَّلاَمُ، শান্তিময় وَمِنْكَ এবং আপনার নিকট থেকে বর্ষিত হয় السَّلاَمُ، শান্তি تَبَارَكْتَ আপনি বরকতময় يَا হে ذَا অধিকারী الْجَلاَلِ মহিমাময় وَالْإِكْرَامِ ও সম্মানের

হে আল্লাহ! আপনি শান্তিময়। আপনার নিকট থেকেই শান্তি বর্ষিত হয়। আপনি বরকতময়, হে মহিমাময় ও সম্মানের অধিকারী!

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৪১৪, নং ৫৯১

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২

একবার বলবে,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মূলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর।

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَا - নাই (কোনো)
إِلٰهَ - মাবুদ/ইলাহ
إِلَّا - ছাড়া
اللّٰهُ - আল্লাহ
وَحْدَهُ - এবং তিনি এক
لَا - নাই
شَرِيْكَ - শরীক/অংশীদার
لَهُ، - তাঁর
لَهُ - তাঁরই
الْمُلْكُ - রাজত্ব
وَلَهُ - এবং তাঁর
الْحَمْدُ - সমস্ত প্রশংসাও
وَهُوَ - এবং তিনি
عَلَى - উপর
كُلِّ - সকল
شَيْءٍ - কিছুর
قَدِيْرٌ - মহাপ্রতাপশালী/ক্ষমতাবান

তারপর,

اَللّٰهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আল্লা-হুম্মা লা মানি‘আ লিমা আ‘তাইতা, ওয়ালা মু‘তিয়া লিমা মানা‘তা, ওয়ালা ইয়ানফা‘উ যালজাদ্দি মিনকাল জাদ্দু

হে আল্লাহ, আপনি যা প্রদান করেছেন তা বন্ধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রুদ্ধ করেছেন তা প্রদান করার কেউ নেই। আর কোনো ক্ষমতা-প্রতিপত্তির অধিকারীর ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি আপনার কাছে কোনো উপকারে আসবে না।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ,
لَا - কেউ নেই
مَانِعَ - আটকানোর
لِمَا - যা
أَعْطَيْتَ، - আপনি প্রদান করেছেন
وَلَا - এবং নেই
مُعْطِيَ - কেউ প্রদান করার
لِمَا - যা
مَنَعْتَ، - আপনি বিরত রেখেছেন
وَلَا - এবং না
يَنْفَعُ - উপকারে আসবে
ذَا - কোনো
الْجَدِّ - ক্ষমতাশালীর
مِنْكَ - আপনার কাছে
الْجَدُّ - ক্ষমতা

রেফারেন্স: বুখারী ১/২২৫, নং ৮৪৪; মুসলিম ১/৪১৪, নং ৫৯৩ আর দু ব্রাকেটের মাঝের অংশ বুখারীতে বর্ধিত এসেছে, নং ৬৪৭৩

একবার বলবে,

لَا নাই (কোনো) إِلٰهَ মাবুদ/ইলাহ إِلَّا ছাড়া اللّٰهُ আল্লাহ وَحْدَهُ এবং তিনি এক لَا নাই شَرِيْكَ শরীক/অংশীদার لَهُ، তাঁর لَهُ তাঁরই الْمُلْكُ রাজত্ব وَلَهُ এবং তাঁর الْحَمْدُ সমস্ত প্রশংসাও وَهُوَ এবং তিনি عَلَى উপর كُلِّ সকল شَيْءٍ কিছুর قَدِيْرٌ মহাপ্রতাপশালী/ক্ষমতাবান

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

তারপর,

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ, لَا কেউ নেই مَانِعَ আটকানোর لِمَا যা أَعْطَيْتَ، আপনি প্রদান করেছেন وَلَا এবং নেই مُعْطِيَ কেউ প্রদান করার لِمَا যা مَنَعْتَ، আপনি বিরত রেখেছেন وَلَا এবং না يَنْفَعُ উপকারে আসবে ذَا কোনো الْجَدِّ ক্ষমতাশালীর مِنْكَ আপনার কাছে الْجَدُّ ক্ষমতা

হে আল্লাহ, আপনি যা প্রদান করেছেন তা বন্ধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রুদ্ধ করেছেন তা প্রদান করার কেউ নেই। আর কোনো ক্ষমতা-প্রতিপত্তির অধিকারীর ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি আপনার কাছে কোনো উপকারে আসবে না।

রেফারেন্স: বুখারী ১/২২৫, নং ৮৪৪; মুসলিম ১/৪১৪, নং ৫৯৩ আর দু ব্রাকেটের মাঝের অংশ বুখারীতে বর্ধিত এসেছে, নং ৬৪৭৩

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৩

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৩

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ، لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়ালা না‘বুদু ইল্লা ইয়্যাহু। লাহুন নি‘মাতু ওয়া লাহুল ফাদলু, ওয়া লাহুসসানাউল হাসান। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসীনা লাহুদ-দীন ওয়া লাও কারিহাল কাফিরূন

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আমরা কেবল তাঁরই ইবাদত করি, নেয়ামতসমূহ তাঁরই, যাবতীয় অনুগ্রহও তাঁর এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আমরা তাঁর দেয়া দ্বীনকে একনিষ্ঠভাবে মান্য করি, যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৪১৫, নং ৫৯৪

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ، لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আমরা কেবল তাঁরই ইবাদত করি, নেয়ামতসমূহ তাঁরই, যাবতীয় অনুগ্রহও তাঁর এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আমরা তাঁর দেয়া দ্বীনকে একনিষ্ঠভাবে মান্য করি, যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৪১৫, নং ৫৯৪

পাপরাশি ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যদিও তা সমুদ্রের ফেনারাশির মত হয়

পাপরাশি ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যদিও তা সমুদ্রের ফেনারাশির মত হয়

প্রত্যেকটি ৩৩ বার করে বলবে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ

সুবহা-নাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ কতই না পবিত্র-মহান। সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
سُبْحَانَ - পবিত্রতা ঘোষণা করছি
اللّٰهِ، - আল্লাহর
وَالْحَمْدُ - এবং সকল প্রশংসা
لِلّٰهِ، - আল্লাহর জন্য
وَاللّٰهُ - এবং আল্লাহ
أَكْبَرُ - সর্বশ্রেষ্ঠ

তারপর বলবে,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَا - নাই (কোনো)
إِلٰهَ - মাবুদ/ইলাহ
إِلَّا - ছাড়া
اللّٰهُ - আল্লাহ
وَحْدَهُ - তিনি এক
لَا - নাই
شَرِيْكَ - শরীক/অংশীদার
لَهُ، - তাঁর
لَهُ - তাঁরই
الْمُلْكُ - রাজত্ব
وَلَهُ - এবং তাঁর
الْحَمْدُ - সমস্ত প্রশংসাও
وَهُوَ - এবং তিনি
عَلَى - উপর
كُلِّ - সকল
شَيْءٍ - কিছুর
قَدِيْرٌ - মহাপ্রতাপশালী/ক্ষমতাবান

রেফারেন্স: মুসলিম, ১/৪১৮, নং ৫৯৭;

যে ব্যক্তি প্রতি নামাযের পরে এটা বলবে, তার পাপরাশি ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যদিও তা সমুদ্রের ফেনারাশির মত হয়।

প্রত্যেকটি ৩৩ বার করে বলবে,

سُبْحَانَ পবিত্রতা ঘোষণা করছি اللّٰهِ، আল্লাহর وَالْحَمْدُ এবং সকল প্রশংসা لِلّٰهِ، আল্লাহর জন্য وَاللّٰهُ এবং আল্লাহ أَكْبَرُ সর্বশ্রেষ্ঠ

আল্লাহ কতই না পবিত্র-মহান। সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

তারপর বলবে,

لَا নাই (কোনো) إِلٰهَ মাবুদ/ইলাহ إِلَّا ছাড়া اللّٰهُ আল্লাহ وَحْدَهُ তিনি এক لَا নাই شَرِيْكَ শরীক/অংশীদার لَهُ، তাঁর لَهُ তাঁরই الْمُلْكُ রাজত্ব وَلَهُ এবং তাঁর الْحَمْدُ সমস্ত প্রশংসাও وَهُوَ এবং তিনি عَلَى উপর كُلِّ সকল شَيْءٍ কিছুর قَدِيْرٌ মহাপ্রতাপশালী/ক্ষমতাবান

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: মুসলিম, ১/৪১৮, নং ৫৯৭;

কুরআনের শেষ তিন সূরা

কুরআনের শেষ তিন সূরা

প্রত্যেক সালাতের পর একবার সূরা ইখলাস,

﷽ قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ‌ ۚ‏﴿١﴾ اَللّٰهُ الصَّمَدُ‌ ۚ‏﴿٢﴾ لَمۡ يَلِدۡ ۙوَلَمۡ يُوۡلَدۡ ۙ‏﴿٣﴾ وَلَمۡ يَكُنۡ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿٤﴾‏‏ ‏

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
﷽ - পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)
قُلۡ - বলুন
هُوَ - তিনি
اللّٰهُ - আল্লাহ
اَحَدٌ‌ - এক, অদ্বিতীয়
ۚ‏﴿١﴾ - (১)
اَللّٰهُ - আল্লাহ
الصَّمَدُ‌ - অমুখাপেক্ষী, অভাবমুক্ত
ۚ‏﴿٢﴾ - (২)
لَمۡ - নি
يَلِدۡ - তিনি কাউকে জন্ম দেন
ۙوَلَمۡ - এবং নি
يُوۡلَدۡ - কেউ তাঁকে জন্ম দেয়
ۙ‏﴿٣﴾ - (৩)
وَلَمۡ - এবং নাই
يَكُنۡ - (হয়)
لَّهٗ - তাঁর
كُفُوًا - সমতূল্য/সমকক্ষ
اَحَدٌ - কেউ
﴿٤﴾‏‏ - (৪)

সূরা আল-ফালাক

﷽ قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِۙ‏ ﴿١﴾ مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَۙ‏ ﴿٢﴾ وَمِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَۙ‏ ﴿٣﴾ وَمِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى الۡعُقَدِۙ‏ ﴿٤﴾ وَمِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
﷽ - পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)
قُلۡ - বলুুন
اَعُوۡذُ - আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি/চাই
بِرَبِّ - পালনকর্তার
الۡفَلَقِۙ‏ - ভোর/প্রভাতের
﴿١﴾ - (১)
مِنۡ - থেকে
شَرِّ - অনিষ্ট
مَا - যা
خَلَقَۙ‏ - তিনি সৃষ্টি করেছেন
﴿٢﴾ - (২)
وَمِنۡ - এবং হতে
شَرِّ - অনিষ্ট
غَاسِقٍ - অন্ধকার রাত্রির
اِذَا - যখন
وَقَبَۙ‏ - আচ্ছন্ন হয়
﴿٣﴾ - (৩)
وَمِنۡ - এবং থেকে
شَرِّ - অনিষ্ট
النَّفّٰثٰتِ - ফুঁৎকার প্রদানকারীর
فِى - মধ্যে
الۡعُقَدِۙ‏ - গ্রন্থি/গীরা
﴿٤﴾ - (৪)
وَمِنۡ - এবং থেকে
شَرِّ - অনিষ্ট
حَاسِدٍ - হিংসুকের
اِذَا - যখন
حَسَدَ - সে হিংসা করে
﴿٥﴾ - (৫)

ও সূরা আন-নাস,

﷽ قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِۙ‏ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِۙ‏ ﴿٢﴾ اِلٰهِ النَّاسِۙ‏ ﴿٣﴾ مِنۡ شَرِّ الۡوَسۡوَاسِ ۙ الۡخَـنَّاسِ ۙ‏﴿٤﴾ الَّذِىۡ يُوَسۡوِسُ فِىۡ صُدُوۡرِ النَّاسِۙ‏ ﴿٥﴾ مِنَ الۡجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সি, ইলা-হিন্নাসি, মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-সি, মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
﷽ - পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)
قُلۡ - বলুন
اَعُوۡذُ - আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি/চাই
بِرَبِّ - পালনকর্তার
النَّاسِۙ‏ - মানুষের
﴿١﴾ - (১)
مَلِكِ - মালিক/বাদশাহ/অধিপতি
النَّاسِۙ‏ - মানুষের
﴿٢﴾ - (২)
اِلٰهِ - উপাস্য/মা'বুদের
النَّاسِۙ‏ - মানুষের
﴿٣﴾ - (৩)
مِنۡ - থেকে
شَرِّ - অনিষ্ট
الۡوَسۡوَاسِ ۙ - কুপরামর্শর/কুমন্ত্রণার
الۡخَـنَّاسِ - আত্নগোপনকারী
ۙ‏﴿٤﴾ - (৪)
الَّذِىۡ - যে
يُوَسۡوِسُ - কুপরামর্শ/কুমন্ত্রণা দেয়
فِىۡ - মধ্যে
صُدُوۡرِ - অন্তরের
النَّاسِۙ‏ - মানুষের
﴿٥﴾ - (৫)
مِنَ - মধ্য থেকে
الۡجِنَّةِ - জ্বিনের
وَالنَّاسِ - এবং মানুষের
﴿٦﴾ - (৬)

রেফারেন্স: আবু দাঊদ ২/৮৬, নং ১৫২৩; তিরমিযী, নং ২৯০৩; নাসাঈ ৩/৬৮, নং ১৩৩৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ২/৮। আর উপর্যুক্ত তিনটি সূরাকে ‘আল-মু‘আওয়াযাত’ বলা হয়। দেখুন, ফাতহুল বারী, ৯/৬২

প্রত্যেক সালাতের পর একবার সূরা ইখলাস,

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি) قُلۡ বলুন هُوَ তিনি اللّٰهُ আল্লাহ اَحَدٌ‌ এক, অদ্বিতীয় ۚ‏﴿١﴾ (১) اَللّٰهُ আল্লাহ الصَّمَدُ‌ অমুখাপেক্ষী, অভাবমুক্ত ۚ‏﴿٢﴾ (২) لَمۡ নি يَلِدۡ তিনি কাউকে জন্ম দেন ۙوَلَمۡ এবং নি يُوۡلَدۡ কেউ তাঁকে জন্ম দেয় ۙ‏﴿٣﴾ (৩) وَلَمۡ এবং নাই يَكُنۡ (হয়) لَّهٗ তাঁর كُفُوًا সমতূল্য/সমকক্ষ اَحَدٌ কেউ ﴿٤﴾‏‏ (৪)

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।

সূরা আল-ফালাক

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি) قُلۡ বলুুন اَعُوۡذُ আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি/চাই بِرَبِّ পালনকর্তার الۡفَلَقِۙ‏ ভোর/প্রভাতের ﴿١﴾ (১) مِنۡ থেকে شَرِّ অনিষ্ট مَا যা خَلَقَۙ‏ তিনি সৃষ্টি করেছেন ﴿٢﴾ (২) وَمِنۡ এবং হতে شَرِّ অনিষ্ট غَاسِقٍ অন্ধকার রাত্রির اِذَا যখন وَقَبَۙ‏ আচ্ছন্ন হয় ﴿٣﴾ (৩) وَمِنۡ এবং থেকে شَرِّ অনিষ্ট النَّفّٰثٰتِ ফুঁৎকার প্রদানকারীর فِى মধ্যে الۡعُقَدِۙ‏ গ্রন্থি/গীরা ﴿٤﴾ (৪) وَمِنۡ এবং থেকে شَرِّ অনিষ্ট حَاسِدٍ হিংসুকের اِذَا যখন حَسَدَ সে হিংসা করে ﴿٥﴾ (৫)

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।

ও সূরা আন-নাস,

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি) قُلۡ বলুন اَعُوۡذُ আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি/চাই بِرَبِّ পালনকর্তার النَّاسِۙ‏ মানুষের ﴿١﴾ (১) مَلِكِ মালিক/বাদশাহ/অধিপতি النَّاسِۙ‏ মানুষের ﴿٢﴾ (২) اِلٰهِ উপাস্য/মা'বুদের النَّاسِۙ‏ মানুষের ﴿٣﴾ (৩) مِنۡ থেকে شَرِّ অনিষ্ট الۡوَسۡوَاسِ ۙ কুপরামর্শর/কুমন্ত্রণার الۡخَـنَّاسِ আত্নগোপনকারী ۙ‏﴿٤﴾ (৪) الَّذِىۡ যে يُوَسۡوِسُ কুপরামর্শ/কুমন্ত্রণা দেয় فِىۡ মধ্যে صُدُوۡرِ অন্তরের النَّاسِۙ‏ মানুষের ﴿٥﴾ (৫) مِنَ মধ্য থেকে الۡجِنَّةِ জ্বিনের وَالنَّاسِ এবং মানুষের ﴿٦﴾ (৬)

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।

রেফারেন্স: আবু দাঊদ ২/৮৬, নং ১৫২৩; তিরমিযী, নং ২৯০৩; নাসাঈ ৩/৬৮, নং ১৩৩৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ২/৮। আর উপর্যুক্ত তিনটি সূরাকে ‘আল-মু‘আওয়াযাত’ বলা হয়। দেখুন, ফাতহুল বারী, ৯/৬২

আয়াতুল কুরসি: সূরা আল-বাকারাহ্‌ ২৫৫

আয়াতুল কুরসি: সূরা আল-বাকারাহ্‌ ২৫৫

প্রত্যেক সালাতের পর একবার। আর তা হচ্ছে,

اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الۡحَـىُّ الۡقَيُّوۡمُ

আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যূল কাইয়্যূমু

আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اللّٰهُ - আল্লাহ্
لَاۤ - নেই
اِلٰهَ - ইলাহ্/উপাস্য
اِلَّا - ছাড়া
هُوَ - তিনি
الۡحَـىُّ - চিরঞ্জীব
الۡقَيُّوۡمُ - চিরস্থায়ী/শাশ্বত সত্তা

لَا تَاۡخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوۡمٌ‌ؕ

লা তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম।

তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না, নিদ্রাও নয়।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَا - না
تَاۡخُذُهٗ - তাঁকে স্পর্শ করতে পারে
سِنَةٌ - তন্দ্রা
وَّلَا - এবং না
نَوۡمٌ‌ؕ - নিদ্রা

لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الۡاَرۡضِ

লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্বি।

আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে যা রয়েছে সবই তাঁর।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَهٗ - তাঁর জন্য
مَا - যা কিছু
فِى - মধ্যে আছে
السَّمٰوٰتِ - আসমানসমূহে
وَمَا - এবং যা কিছু
فِى - মধ্যে আছে
الۡاَرۡضِ - যমীনে

مَنۡ ذَا الَّذِىۡ يَشۡفَعُ عِنۡدَهٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِهٖ‌ؕ

মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহী।

কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে?

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
مَنۡ - কে
ذَا - সে (এমন )
الَّذِىۡ - যিনি
يَشۡفَعُ - সুপারিশ করবে
عِنۡدَهٗۤ - তাঁর কাছে/নিকট
اِلَّا - ব্যতীত
بِاِذۡنِهٖ‌ؕ - তাঁর অনুমতি

يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ اَيۡدِيۡهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُمۡ‌ۚ

ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম।

তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
يَعۡلَمُ - তিনি জানেন
مَا - যা কিছু আছে
بَيۡنَ - মধ্যে
اَيۡدِيۡهِمۡ - তাদের সামনে
وَمَا - এবং যা কিছু
خَلۡفَهُمۡ‌ۚ - তাদের পিছনে

وَلَا يُحِيۡطُوۡنَ بِشَىۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ

ওয়ালা ইয়ুহীতূনা বিশাইইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা বিমা শাআ।

আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَلَا - এবং না
يُحِيۡطُوۡنَ - তারা আয়ত্ব করতে পারে
بِشَىۡءٍ - কোনো কিছুই
مِّنۡ - থেকে
عِلۡمِهٖۤ - তাঁর জ্ঞান
اِلَّا - ছাড়া
بِمَا - যা
شَآءَ - তিনি চান

وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ

ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব।

তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে;

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَسِعَ - বিস্তৃত/পরিব্যাপ্ত
كُرۡسِيُّهُ - তাঁর সিংহাসন (কর্তৃত্ব)
السَّمٰوٰتِ - আসমানসমূহে
وَالۡاَرۡضَ - এবং যমীনে

وَلَا يَـــُٔوۡدُهٗ حِفۡظُهُمَا

ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা

আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَلَا - এবং না
يَـــُٔوۡدُهٗ - তাঁকে ক্লান্ত/পরিশ্রান্ত করে
حِفۡظُهُمَا - এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ

وَهُوَ الۡعَلِىُّ الۡعَظِيۡمُ‏

ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযীম

আর তিনি সুউচ্চ সুমহান।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَهُوَ - এবং তিনি
الۡعَلِىُّ - সর্বোচ্চ/সুউচ্চ (সত্তা)
الۡعَظِيۡمُ‏ - সুমহান

রেফারেন্স: নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলাহ, নং ১০০; ইবনুস সুন্নী, নং ১২১ আর শাইখ আলবানী হাদীসটিকে সহীহুল জামে‘ ৫/৩৩৯ তে এবং সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহা ২/৬৯৭, নং ৯৭২ তে সহীহ বলেছেন। আর আয়াতটি দেখুন, সূরা আল-বাকারাহ্‌-২৫৫।

“যে ব্যক্তি প্রত্যেক সালাতের পরে এটি পড়বে, তাকে মৃত্যু ব্যতীত জান্নাতে প্রবেশে আর অন্য কিছু বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।”

প্রত্যেক সালাতের পর একবার। আর তা হচ্ছে,

اللّٰهُ আল্লাহ্ لَاۤ নেই اِلٰهَ ইলাহ্/উপাস্য اِلَّا ছাড়া هُوَ তিনি الۡحَـىُّ চিরঞ্জীব الۡقَيُّوۡمُ চিরস্থায়ী/শাশ্বত সত্তা

আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক।

لَا না تَاۡخُذُهٗ তাঁকে স্পর্শ করতে পারে سِنَةٌ তন্দ্রা وَّلَا এবং না نَوۡمٌ‌ؕ নিদ্রা

তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না, নিদ্রাও নয়।

لَهٗ তাঁর জন্য مَا যা কিছু فِى মধ্যে আছে السَّمٰوٰتِ আসমানসমূহে وَمَا এবং যা কিছু فِى মধ্যে আছে الۡاَرۡضِ যমীনে

আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে যা রয়েছে সবই তাঁর।

مَنۡ কে ذَا সে (এমন ) الَّذِىۡ যিনি يَشۡفَعُ সুপারিশ করবে عِنۡدَهٗۤ তাঁর কাছে/নিকট اِلَّا ব্যতীত بِاِذۡنِهٖ‌ؕ তাঁর অনুমতি

কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে?

يَعۡلَمُ তিনি জানেন مَا যা কিছু আছে بَيۡنَ মধ্যে اَيۡدِيۡهِمۡ তাদের সামনে وَمَا এবং যা কিছু خَلۡفَهُمۡ‌ۚ তাদের পিছনে

তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন।

وَلَا এবং না يُحِيۡطُوۡنَ তারা আয়ত্ব করতে পারে بِشَىۡءٍ কোনো কিছুই مِّنۡ থেকে عِلۡمِهٖۤ তাঁর জ্ঞান اِلَّا ছাড়া بِمَا যা شَآءَ তিনি চান

আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না।

وَسِعَ বিস্তৃত/পরিব্যাপ্ত كُرۡسِيُّهُ তাঁর সিংহাসন (কর্তৃত্ব) السَّمٰوٰتِ আসমানসমূহে وَالۡاَرۡضَ এবং যমীনে

তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে;

وَلَا এবং না يَـــُٔوۡدُهٗ তাঁকে ক্লান্ত/পরিশ্রান্ত করে حِفۡظُهُمَا এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ

আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না।

وَهُوَ এবং তিনি الۡعَلِىُّ সর্বোচ্চ/সুউচ্চ (সত্তা) الۡعَظِيۡمُ‏ সুমহান

আর তিনি সুউচ্চ সুমহান।

রেফারেন্স: নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলাহ, নং ১০০; ইবনুস সুন্নী, নং ১২১ আর শাইখ আলবানী হাদীসটিকে সহীহুল জামে‘ ৫/৩৩৯ তে এবং সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহা ২/৬৯৭, নং ৯৭২ তে সহীহ বলেছেন। আর আয়াতটি দেখুন, সূরা আল-বাকারাহ্‌-২৫৫।

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৭

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৭

মাগরিব ও ফজরের নামাযের পর ১০ বার করে পড়বে,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মূলকু ওয়ালাহুল হাম্‌দু ইয়ুহ্‌য়ী ওয়াইয়ূমীতু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তারই এবং সকল প্রশংসা তাঁর। তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দান করেন। আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান

রেফারেন্স: তিরমিযী ৫/৫১৫, নং ৩৪৭৪; আহমাদ ৪/২২৭, নং ১৭৯৯০। হাদীসটির তাখরীজের জন্য আরও দেখুন, যাদুল মা‘আদ ১/৩০০।

মাগরিব ও ফজরের নামাযের পর ১০ বার করে পড়বে,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তারই এবং সকল প্রশংসা তাঁর। তিনিই জীবিত করেন এবং মৃত্যু দান করেন। আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান

রেফারেন্স: তিরমিযী ৫/৫১৫, নং ৩৪৭৪; আহমাদ ৪/২২৭, নং ১৭৯৯০। হাদীসটির তাখরীজের জন্য আরও দেখুন, যাদুল মা‘আদ ১/৩০০।

উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমলের দো'আ

উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমলের দো'আ

ফজর নামাযের সালাম ফিরানোর পর পড়বে,

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা ‘ইলমান না-ফি‘আন্ ওয়া রিয্‌কান ত্বায়্যিবান ওয়া ‘আমালান মুতাক্বাব্বালান

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করি।

রেফারেন্স: ইবন মাজাহ্‌, নং ৯২৫; নাসাঈ, তাঁর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলাহ গ্রন্থে, হাদীস নং ১০২ আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ১/১৫২; মাজমাউয যাওয়াইদ, ১০/১১১ তাছাড়া অচিরেই ৯৫ নং হাদীসেও আসবে।

ফজর নামাযের সালাম ফিরানোর পর পড়বে,

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا

হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করি।

রেফারেন্স: ইবন মাজাহ্‌, নং ৯২৫; নাসাঈ, তাঁর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলাহ গ্রন্থে, হাদীস নং ১০২ আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ১/১৫২; মাজমাউয যাওয়াইদ, ১০/১১১ তাছাড়া অচিরেই ৯৫ নং হাদীসেও আসবে।

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৯

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৯

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهْوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ، اَللّٰهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

লা- ইলা-হা ইল্লল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলক, ওয়া লাহুল ‘হামদ, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর। আল্লা-হুম্মা, লা- মা-নি‘আ লিমা- আ‘অ্ত্বাইতা, ওয়ালা- মু‘অ্ত্বিয়া লিমা- মানা‘অ্তা, ওয়ালা- ইয়ান্ফা‘উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ, আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই। আর আপনি যা না দেন তা দেওয়ার ক্ষমতাও কারো নেই। কোনো ভাগ্যবানের ভাগ্য বা পরিশ্রমীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: বুখারী (১৬-কিতাব সিফাতিস সালাত, ৭১-বাবুয যিকরি বাদাস সালাত) ১/২৮৯ (ভারতীয় ১/২১৮); মুসলিম (৫-কিতাবুল মাসাজিদ, ২৬-বাব ইসতিহবাবিয যিকর) ১/৪১৪-৪১৫ (ভারতীয় ১/২১৮); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৯৯

মুগীরা ইবনু শু'বা (রা) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সা) প্রত্যেক ফরয সালাতে সালামের পরে বলতেনঃ।

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهْوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ، اَللّٰهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ, আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই। আর আপনি যা না দেন তা দেওয়ার ক্ষমতাও কারো নেই। কোনো ভাগ্যবানের ভাগ্য বা পরিশ্রমীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: বুখারী (১৬-কিতাব সিফাতিস সালাত, ৭১-বাবুয যিকরি বাদাস সালাত) ১/২৮৯ (ভারতীয় ১/২১৮); মুসলিম (৫-কিতাবুল মাসাজিদ, ২৬-বাব ইসতিহবাবিয যিকর) ১/৪১৪-৪১৫ (ভারতীয় ১/২১৮); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৯৯

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১০

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১০

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া‘হ্দাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা কুল্লি শাইইন ক্বাদীর। লা- ‘হাওলা ওয়ালা- ক্বুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা- না‘্অ্বুদু ইল্লা- ইইয়া-হু। লাহুন নি‘অ্মাতু, ওয়া লাহুল ফাদ্ব্লু, ওয়ালাহুস সানা-উল ‘হাসান। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু মুখলিসীনা লাহুদ্দীন, ওয়ালাও কারিহাল কা-ফিরূন।

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহর দ্বারা ও আল্লাহর মাধ্যম ছাড়া কোনো অবলম্বন নেই এবং কোনো ক্ষমতা নেই। আমরা আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদত করি না। নিয়ামত তাঁরই, দয়া তাঁরই এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই। আমাদের দ্বীন বিশুদ্ধভাবে শুধুমাত্র তাঁরই জন্য, এতে যদিও কাফিরগণ অসন্তুষ্ট হয়।

রেফারেন্স: মুসলিম (৫-কিতাবুল মাসাজিদ, ২৬-বাব ইসতিহবাবিয যিকর) ১/৪১৫-৪১৬ (ভারতীয় ১/১১৮); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০০

আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রা) নিজে সর্বদা প্রত্যেক সালাতের সালামের পরেই এ যিকরটি পাঠ করতেন এবং বলতেনঃ “রাসূলুল্লাহ (সা) প্রত্যেক সালাতের পরে এ যিকরগুলো বলতেন।“

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَلاَ نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহর দ্বারা ও আল্লাহর মাধ্যম ছাড়া কোনো অবলম্বন নেই এবং কোনো ক্ষমতা নেই। আমরা আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদত করি না। নিয়ামত তাঁরই, দয়া তাঁরই এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই। আমাদের দ্বীন বিশুদ্ধভাবে শুধুমাত্র তাঁরই জন্য, এতে যদিও কাফিরগণ অসন্তুষ্ট হয়।

রেফারেন্স: মুসলিম (৫-কিতাবুল মাসাজিদ, ২৬-বাব ইসতিহবাবিয যিকর) ১/৪১৫-৪১৬ (ভারতীয় ১/১১৮); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০০

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১১

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১১

رَبِّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ (تَجْمَعُ) عِبَادَكَ

রাব্বি ক্বিনী ‘আযা-বাকা ইয়াওমা তাব‘আসু ইবা-দাকা।

হে আমার প্রভু, আমাকে রক্ষা করুন আপনার শাস্তি থেকে যেদিন আপনি পুনরুত্থিত করবেন আপনার বান্দাগণকে।

রেফারেন্স: [১]মুসলিম(৬-কিতাব সালাতিল মুসাফিরীন,৮-বাব ইসতিহবাব ইয়ামিনীল) ১/৪৯২ নং ৭০৯ (ভা ১/২৪৭); সহীহ ইবনু খুযাইমা ৩/২৮,২৯,ইবনুল আসীর,জামিউল উসূল ৪/২২৮; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৪

বারা ইবনু আযিব (রা) বলেন : “আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (স)-এর পিছনে সালাত পড়তাম তখন তাঁর ডান দিকে দাঁড়াতে পছন্দ করতাম। তিনি সালাত শেষে আমাদের দিকে মুখ করে বসতেন। আমি শুনলাম তিনি সালাত শেষে উক্ত দু‘আটি বললেন।”

رَبِّ قِنِيْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ (تَجْمَعُ) عِبَادَكَ

হে আমার প্রভু, আমাকে রক্ষা করুন আপনার শাস্তি থেকে যেদিন আপনি পুনরুত্থিত করবেন আপনার বান্দাগণকে।

রেফারেন্স: [১]মুসলিম(৬-কিতাব সালাতিল মুসাফিরীন,৮-বাব ইসতিহবাব ইয়ামিনীল) ১/৪৯২ নং ৭০৯ (ভা ১/২৪৭); সহীহ ইবনু খুযাইমা ৩/২৮,২৯,ইবনুল আসীর,জামিউল উসূল ৪/২২৮; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৪

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১২

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১২

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল কুফ্রি ওয়াল ফাকরি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাব্রি।

হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় প্রর্থনা করছি কুফরি থেকে ও দারিদ্র্য থেকে এবং আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।

রেফারেন্স: [১]নাসাঈ(কিতাবুস সাহবি,বাবুত তাআওউয ফি দুরুরিস সালাত) ২/৮৩;মুসনাদ আহমাদ ৫/৪৪,ইবন খুযাইমা ১/৩৬৭;মুসতাদরাক হাকিম ১/৩৮৩,ইবনুল আসীর,জামিউল উসূল ৪/২২৯-২৩০; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৫

আবু বাকরা (রা)-এর ছেলে বলেন, আমার পিতা সালাতের পরে এ দু‘আটি পাঠ করতেন এবং তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (স) এ দু‘আটি সালাতের পরে পাঠ করতেন, কাজেই তুমি এ দু‘আটি নিয়মিত পড়বে। হাদীসটি সহীহ।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় প্রর্থনা করছি কুফরি থেকে ও দারিদ্র্য থেকে এবং আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।

রেফারেন্স: [১]নাসাঈ(কিতাবুস সাহবি,বাবুত তাআওউয ফি দুরুরিস সালাত) ২/৮৩;মুসনাদ আহমাদ ৫/৪৪,ইবন খুযাইমা ১/৩৬৭;মুসতাদরাক হাকিম ১/৩৮৩,ইবনুল আসীর,জামিউল উসূল ৪/২২৯-২৩০; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৫

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৩

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৩

اَللّٰهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَی ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

আল্লা-হুম্মা, আ‘ইননী ‘আলা- যিক্রিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ‘ইবা-দাতিকা।

হে আল্লাহ, আপনি আমাকে আপনার যিকর করতে, শুকর করতে এবং আপনার ইবাদত সুন্দরভাবে করতে তাওফীক ও ক্ষমতা প্রদান করুন।

রেফারেন্স: [১]আবু দাঊদ(কিতাবুস সালাত,বাবুল ফিল ইস্তিগফার) ২/৮৭,নং ১৫২২ (ভা ১/২১৩);মুসতাদরাক হাকিম ১/৪০৭,৬৭৭;আলবানী,সহীহুত তারগীব ২/১১৯; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৬

মু’আয (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমার হাত ধরে বলেন, “মু’আয, আমি তোমাকে ভালবাসি। ... মু’আয, আমি তোমাকে ওসীয়ত করছি, প্রত্যেক সালাতের পরে এ দু‘আটি বলা কখনো বাদ দিবে না।” হাদীসটি সহীহ।

اَللّٰهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَی ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

হে আল্লাহ, আপনি আমাকে আপনার যিকর করতে, শুকর করতে এবং আপনার ইবাদত সুন্দরভাবে করতে তাওফীক ও ক্ষমতা প্রদান করুন।

রেফারেন্স: [১]আবু দাঊদ(কিতাবুস সালাত,বাবুল ফিল ইস্তিগফার) ২/৮৭,নং ১৫২২ (ভা ১/২১৩);মুসতাদরাক হাকিম ১/৪০৭,৬৭৭;আলবানী,সহীহুত তারগীব ২/১১৯; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৬

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৪

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৪

اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْـبُخْلِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ اَلْجُبْنِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَی أَرْذَلِ اَلْعُمُرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ اَلْقَبْرِ

আল্ল-াহুম্মা, ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল বুখ্লি ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাল জুব্নি ওয়া আ‘ঊযু বিকা আন উরাদ্দা ইলা- আরযালিল উমুরি ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন ফিতনাতিদ দুনইয়া- ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাব্রি।

হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কৃপণতা থেকে, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কাপুরুষতা থেকে, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি অপমানকর অতি বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছান থেকে, (যে বয়সে মানুষ কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলে), আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুনিয়ার ফিতনা থেকে, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।

রেফারেন্স: [১]বুখারী(৬০-কিতাবুল জিহাদ,২৫-মা ইউতাআওআযু মিনাল জুবুন) ৩/১০৩৮,নং ২৬৬৭ (ভা ১/২৯৬),সহীহ ইবনু খুযাইমা ১/৩৬৭ নং ৭৪৬,সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৭১,নং ২০২৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৭

সাদ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রা) বলেন : “রাসূলুল্লাহ (স) প্রত্যেক সালাতের পরে এ বাক্যগুলি বলতেন।”

اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْـبُخْلِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ اَلْجُبْنِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَی أَرْذَلِ اَلْعُمُرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ اَلْقَبْرِ

হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কৃপণতা থেকে, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কাপুরুষতা থেকে, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি অপমানকর অতি বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছান থেকে, (যে বয়সে মানুষ কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলে), আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুনিয়ার ফিতনা থেকে, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।

রেফারেন্স: [১]বুখারী(৬০-কিতাবুল জিহাদ,২৫-মা ইউতাআওআযু মিনাল জুবুন) ৩/১০৩৮,নং ২৬৬৭ (ভা ১/২৯৬),সহীহ ইবনু খুযাইমা ১/৩৬৭ নং ৭৪৬,সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৭১,নং ২০২৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৭

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৫

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৫

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِىْ مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّىْ أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা- ক্বাদ্দামতু, ওয়ামা- আখখারতু, ওয়ামা- আসরারতু, ওয়া মা- আ‘অ্লানতু, ওয়ামা- আস্রাফতু, ওয়ামা- আনতা আ‘অ্লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুক্বাদ্দিমু, ওয়া আনতাল মুআখ্খিরু, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা।

হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য ক্ষমা করুন আমি আগে যা করেছি এবং পরে যা করেছি, গোপনে যা করেছি এবং প্রকাশ্যে যা করেছি এবং বাড়াবাড়ি করে যা করেছি এবং যা আপনি আমার চেয়েও বেশি জানেন। আপনিই অগ্রবর্তী করেন, আপনিই পিছিয়ে দেন। আপনি ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই।

রেফারেন্স: [১]মুসলিম(৬-কিতাব সালাতিল মুসাফিরীন,২৬-বাবুদ্দুআ...) ১/৫৩৪-৫৩৫ (ভা ১/২৬৩);আবু দাঊদ(কিতাবুস সালাত,বাব মা ইউসতাফতাহু...) ১/১৯৯,নং ৭৬০ (ভা ১/১১১)সহীহ ইবনু খুযাইমা ১/৩৬৬,সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৭২,ইবনুল আসীর,জামিউল উসূল ৪/২২৪;বাইহাকী,আস-সুনানুল কুবরা ২/৩২,১৮৫।আল্লামা আহমদ শাকিরের আলোচনা দেখুন,মুসনাদে আহমাদ (শাকির সম্পাদিত) ২/১০০ও ১৩৪,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার পৃ. ৬০; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৮

আলী (রা) বলেন : “রাসূলুল্লাহ (স) তাশাহ্হূদের পরে সালামের আগে, দ্বিতীয় বর্ণনায়: সালাত শেষে সালামের পর এ কথাগুলো বলতেন।” দুটি বর্ণনাই সহীহ। সম্ভবত তিনি কখনো সালামের আগে ও কখনো পরে এ দু‘আটি পড়তেন।

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِىْ مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّىْ أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য ক্ষমা করুন আমি আগে যা করেছি এবং পরে যা করেছি, গোপনে যা করেছি এবং প্রকাশ্যে যা করেছি এবং বাড়াবাড়ি করে যা করেছি এবং যা আপনি আমার চেয়েও বেশি জানেন। আপনিই অগ্রবর্তী করেন, আপনিই পিছিয়ে দেন। আপনি ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই।

রেফারেন্স: [১]মুসলিম(৬-কিতাব সালাতিল মুসাফিরীন,২৬-বাবুদ্দুআ...) ১/৫৩৪-৫৩৫ (ভা ১/২৬৩);আবু দাঊদ(কিতাবুস সালাত,বাব মা ইউসতাফতাহু...) ১/১৯৯,নং ৭৬০ (ভা ১/১১১)সহীহ ইবনু খুযাইমা ১/৩৬৬,সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৭২,ইবনুল আসীর,জামিউল উসূল ৪/২২৪;বাইহাকী,আস-সুনানুল কুবরা ২/৩২,১৮৫।আল্লামা আহমদ শাকিরের আলোচনা দেখুন,মুসনাদে আহমাদ (শাকির সম্পাদিত) ২/১০০ও ১৩৪,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার পৃ. ৬০; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৮

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৬

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৬

اَللّٰهُمَّ أَصْلِحْ لِيْ دِيْنِيَ الَّذِيْ جَعَلْتَهُ عِصْمَةَ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِيْ دُنْيَايَ الَّتِيْ جَعَلْتَ فِيْهَا مَعَاشِيْ، اَللّٰهُمَّ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِعَفْوِكَ مِنْ نِقْمَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ، اَللّٰهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আল্লা-হুম্মা, আস্বলি‘হ লী দীনিয়াল লাযী জা‘আল্তাহু ‘ইস্বমাতা আমরী। ওয়া আস্বলি‘হ লী দুন্ইয়া-ইয়াল্ লাতী জা‘আলতা ফীহা মা‘আ-শী। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘ঊযু বি রিদা-কা মিন সাখাত্বিকা, ওয়াবি ‘আফ্বিকা মিন নাক্বামাতিকা, ওয়া আঊযু বিকা মিনকা। আল্লা-হুম্মা, লা- মা-নি‘আ লিমা- আ‘অ্ত্বাইতা, ওয়ালা- মু‘অ্ত্বিয়া লিমা মানা‘অ্তা, ওয়া লা- ইয়ানফা‘উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।

হে আল্লাহ, আপনি আমার দ্বীনকে সংশোধিত-কল্যাণময় করুন, যাকে আপনি আমার রক্ষাকবজ বানিয়েছেন এবং আমার পার্থিব জীবনকে সংশোধিত করুন, যাতে আমার জীবন ও জীবিকা রেখেছেন। হে আল্লাহ, আমি আপনার অসন্তুষ্টি থেকে আপনার সন্তুষ্টির নিকট, আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমার নিকট এবং আপনার থেকে আপনার নিকট আশ্্রয় প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ, আপনি যা প্রদান করেন তা ঠেকানোর কেউ নেই। এবং আপনি যা প্রদান না করেন তা প্রদান করার ক্ষমতাও কারো নেই। এবং কোনো পারিশ্রমকারীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে তার কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: [১]সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৭৩,নং ২০২৬, মাওয়ারিদুয যামআন ২/২৫৯-১৬১,সহীহ ইবনু খুযাইমা ১/৩৬৬-৩৬৭,নাসাঈ,আমালুল ইয়াওম,আস-সুনানুল কুবরা ৬/৪০,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার,৫৬। [২]তাবারানী,আল-মুজামুল আউসাত ৭/১৪২ নং ৭১০৬,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১১; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৯

সুহাইব (রা) বলেন: “রাসূলুল্লাহ (স) সালাত শেষ করার সময় এ দু‘আ বলতেন।” হাদীসটির সনদ মোটামুটি গ্রহণযোগ্য। একটি যয়ীফ সনদে বর্ণিত: “রাসূলুল্লাহ (স) যখন ফজরের সালাত শেষ করতেন তখন জোরে শব্দ করে তাঁর সাহাবীগণকে শুনিয়ে এ দু‘আটি তিন বার পাঠ করতেন।

اَللّٰهُمَّ أَصْلِحْ لِيْ دِيْنِيَ الَّذِيْ جَعَلْتَهُ عِصْمَةَ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِيْ دُنْيَايَ الَّتِيْ جَعَلْتَ فِيْهَا مَعَاشِيْ، اَللّٰهُمَّ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِعَفْوِكَ مِنْ نِقْمَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ، اَللّٰهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

হে আল্লাহ, আপনি আমার দ্বীনকে সংশোধিত-কল্যাণময় করুন, যাকে আপনি আমার রক্ষাকবজ বানিয়েছেন এবং আমার পার্থিব জীবনকে সংশোধিত করুন, যাতে আমার জীবন ও জীবিকা রেখেছেন। হে আল্লাহ, আমি আপনার অসন্তুষ্টি থেকে আপনার সন্তুষ্টির নিকট, আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমার নিকট এবং আপনার থেকে আপনার নিকট আশ্্রয় প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ, আপনি যা প্রদান করেন তা ঠেকানোর কেউ নেই। এবং আপনি যা প্রদান না করেন তা প্রদান করার ক্ষমতাও কারো নেই। এবং কোনো পারিশ্রমকারীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে তার কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: [১]সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৭৩,নং ২০২৬, মাওয়ারিদুয যামআন ২/২৫৯-১৬১,সহীহ ইবনু খুযাইমা ১/৩৬৬-৩৬৭,নাসাঈ,আমালুল ইয়াওম,আস-সুনানুল কুবরা ৬/৪০,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার,৫৬। [২]তাবারানী,আল-মুজামুল আউসাত ৭/১৪২ নং ৭১০৬,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১১; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১০৯

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৭

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৭

اَللّٰهُمَّ بِكَ أُحَاوِلُ وَبِكَ أُقَاتِلُ وَبِكَ أُصَاوِلُ

আল্লা-হুম্মা বিকা উ‘হা-বিলু, ওয়াবিকা উক্বা-তিলু, ওয়াবিকা উসা-বিলু।

হে আল্লাহ, আমি আপনার সাহায্যেই চেষ্টা করি, আপনার সাহায্যেই যুদ্ধ করি এবং আপনার সাহায্যে বীরত্ব প্রদর্শন করি ও বিজয়ী হই।

রেফারেন্স: [১]সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৭৪,মুসনাদু আহমাদ ৪/৩৩২,৩৩৩,তাবারানী,কিতাবুদ দু'আ,পৃ.২১১; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১০

সুহাইব (রা) বলেন : “রাসূলুল্লাহ (স) যখন সালাত আদায় করতেন তখন তিনি ঠোঁট নাড়তেন বা বিড়বিড় করে কিছু বলতেন যা আমরা বুঝতাম না। তখন সাহাবীগণ প্রশ্ন করলে তিনি বলেন যে, তিনি এ দু‘আটি পাঠ করেন। অন্য বর্ণনায় : “তিনি খাইবার বা হুনাইনের যুদ্ধের দিনগুলোতে ফজরের সালাতের পরে কিছু বলে তাঁর ঠোঁট নাড়াচ্ছিলেন।” সাহাবীগণ তাঁকে সে বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান যে, তিনি এ দু‘আটি পাঠ করছেন।” হাদীসটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ের।

اَللّٰهُمَّ بِكَ أُحَاوِلُ وَبِكَ أُقَاتِلُ وَبِكَ أُصَاوِلُ

হে আল্লাহ, আমি আপনার সাহায্যেই চেষ্টা করি, আপনার সাহায্যেই যুদ্ধ করি এবং আপনার সাহায্যে বীরত্ব প্রদর্শন করি ও বিজয়ী হই।

রেফারেন্স: [১]সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৭৪,মুসনাদু আহমাদ ৪/৩৩২,৩৩৩,তাবারানী,কিতাবুদ দু'আ,পৃ.২১১; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১০

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৮

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৮

১০০ বার

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْم (اَلتَّوَّابُ الْغَفُوْرُ)

আল্লা-হুম্মাগ্ফির লী, ওয়াতুব্ ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আন্তাত তাওয়া-বুর রাহীম (অন্য বর্ণনায়: [তাওয়াবুল গাফূর])

হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমা করুন আমাকে, তাওবা কবুল করুন আমার; নিশ্চয় আপনি তাওবা-কবুলকারী করুণাময় (অন্য বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল)।

রেফারেন্স: [১]বুখারী,আল-আদাবুল মুফরাদ ১/২১৭,আলবানী সহীহুল আদাবিল মুফরাদ পৃ.২৩০-২৩২;মুসনাদ আহমাদ ২/৮৪,মুসান্নাফ ইবন আবি শাইবা ৬/৩৪,নাসাঈ,আস-সুনানুল কুবরা ৬/৩১-৩২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১১

একজন আনসারী সাহাবী বলেন : “আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে সালাতের পরে এ দু‘আ বলতে শুনেছি ১০০ বার।” এ হাদীসের দ্বিতীয় বর্ণনায় বলা হয়েছে: “রাসূলুল্লাহ (স) দোহার বা চাশতের [দু রাক’আত] সালাত আদায় করেন। এরপর এ দু‘আ ১০০ বার পাঠ করেন। দুটি বর্ণনাই সহীহ। অন্তত ‘সালাতুদ দোহার’ পরে এ দু‘আটি ১০০ বার পাঠ করার বিষয়ে সকল যাকিরের মনোযোগী হওয়া উচিত।

১০০ বার

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْم (اَلتَّوَّابُ الْغَفُوْرُ)

হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমা করুন আমাকে, তাওবা কবুল করুন আমার; নিশ্চয় আপনি তাওবা-কবুলকারী করুণাময় (অন্য বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল)।

রেফারেন্স: [১]বুখারী,আল-আদাবুল মুফরাদ ১/২১৭,আলবানী সহীহুল আদাবিল মুফরাদ পৃ.২৩০-২৩২;মুসনাদ আহমাদ ২/৮৪,মুসান্নাফ ইবন আবি শাইবা ৬/৩৪,নাসাঈ,আস-সুনানুল কুবরা ৬/৩১-৩২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১১

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৯

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #১৯

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذُنُوْبِيْ وخَطَايَايَ كُلَّهَا اَللّٰهُمَّ أنْعِشْنِيْ واجْبُرْنِيْ واهْدِنِيْ لِصَالِحِ الأَعْمَالِ والْأَخْْلَاقِ فَإِنَّهُ لَا يَهْدِيْ لِصَالِحِهَا ولَا يَصْرِفُ سَيِّئَهَا إلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মার্গ্ফিলী যুনূবী ওয়া খাত্বা-ইয়া-ইয়া কুল্লাহা, আল্লা-হুম্মা, আন‘ইশ্নী, ওয়াজবুরনী, ওয়াহদিনী লিস্বা-লি'হিল আ‘অ্মা-লি ওয়াল্ আখলা-ক, ইন্নাহু লা- ইয়াহদী লি স্বা-লি'হিহা-, ওয়ালা- ইয়াস্রিফু সাইয়িয়াহা ইল্লা- আনতা।

হে আল্লাহ, আপনি আমার সকল ভুল ও গোনাহ ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আপনি আমাকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করুন, আমাকে পূর্ণ করুন এবং আমাকে উত্তম কর্ম ও আচরণের তাওফীক প্রদান করুন ; কারণ আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম কর্ম ও ব্যবহারের পথে নিতে পারে না বা খারাপ কর্ম ও আচরণ থেকে রক্ষা করতে পারে না।

রেফারেন্স: [১]তাবারানী,আল-মু'জামুল কাবীর,৮/২০০,২২৭;সাগীর ১/৩৬৫;নাবাবী,আল-আযকার,পৃ.১১৩;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১১-১১২,১৭৩ হাইসামী হাদিসটিকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন। [২] রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১২

আবু উমামা (রা) ও আবু আইয়ূব (রা) বলেন : “ফরয ও নফল যে কোনো সালাতে তোমাদের নবীর (স) কাছে যখনই গিয়েছি, তখনই শুনেছি তিনি সালাত শেষে ঘুরার বা উঠার সময় এ দু‘আটি বলেছেন।”

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذُنُوْبِيْ وخَطَايَايَ كُلَّهَا اَللّٰهُمَّ أنْعِشْنِيْ واجْبُرْنِيْ واهْدِنِيْ لِصَالِحِ الأَعْمَالِ والْأَخْْلَاقِ فَإِنَّهُ لَا يَهْدِيْ لِصَالِحِهَا ولَا يَصْرِفُ سَيِّئَهَا إلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ, আপনি আমার সকল ভুল ও গোনাহ ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আপনি আমাকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করুন, আমাকে পূর্ণ করুন এবং আমাকে উত্তম কর্ম ও আচরণের তাওফীক প্রদান করুন ; কারণ আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম কর্ম ও ব্যবহারের পথে নিতে পারে না বা খারাপ কর্ম ও আচরণ থেকে রক্ষা করতে পারে না।

রেফারেন্স: [১]তাবারানী,আল-মু'জামুল কাবীর,৮/২০০,২২৭;সাগীর ১/৩৬৫;নাবাবী,আল-আযকার,পৃ.১১৩;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১১-১১২,১৭৩ হাইসামী হাদিসটিকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন। [২] রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১২

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২০

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২০

اَللّٰهُمَّ أَصْلِحْ لِيْ دِيْنِيْ (اِغْفِرْ لِيْ ذَنْبِيْ) وَوَسِّعْ لِيْ فِيْ دَارِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْ رِزْقِيْ

আল্লা-হুম্মা, আস্ব্লি‘হ লী দ্বীনী, (ইগ্ফির লী যান্বী) ওয়া ওয়াস্সি‘য়্ লী ফী দা-রী ওয়া বা-রিক্ লী ফী রিযকী।

হে আল্লাহ, আপনি আমার ধর্মজীবনকে সর্বাঙ্গীন সুন্দর করে দিন, (আমার পাপ ক্ষমা করুন) আমার বাড়িকে প্রশস্ত করে দিন এবং আমার রিযিকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: [১]মুসান্নাফ ইবনু আবি শাইবা ৬/৫০,মুসনাদু আবী ইয়ালা ১৩/২৫৭,নং ৭২৭৩,তাবারানী,আল-মুজামুস সাগীর ২/১৯৬।আল-মু'জামুল আউসাত ৭/৭৩,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১০৯; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৩

আবু মূসা (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে ওযূর পানি এনে দিলাম। তখন তিনি ওযু করেন, সালাত আদায় করেন এবং তিনি এ দু‘আ পাঠ করেন। হাইসামী হাদীসটির সনদ সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।

اَللّٰهُمَّ أَصْلِحْ لِيْ دِيْنِيْ (اِغْفِرْ لِيْ ذَنْبِيْ) وَوَسِّعْ لِيْ فِيْ دَارِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْ رِزْقِيْ

হে আল্লাহ, আপনি আমার ধর্মজীবনকে সর্বাঙ্গীন সুন্দর করে দিন, (আমার পাপ ক্ষমা করুন) আমার বাড়িকে প্রশস্ত করে দিন এবং আমার রিযিকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: [১]মুসান্নাফ ইবনু আবি শাইবা ৬/৫০,মুসনাদু আবী ইয়ালা ১৩/২৫৭,নং ৭২৭৩,তাবারানী,আল-মুজামুস সাগীর ২/১৯৬।আল-মু'জামুল আউসাত ৭/৭৩,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১০৯; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৩

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২১

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২১

اَللّٰهُمَّ رَبَّ جِبْرِيْلَ وَمِيْكَائِيْلَ وَإِسْرَافِيْلَ، أَعِذْنِيْ مِنْ حَرِّ النَّارِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা, রাব্বা জিবরীলা ওয়া মীকাঈলা ওয়া ইসরা-ফীলা, আ‘ইয্নী মিন র্হারিন না-রি ওয়া ‘আযা-বিল ক্বাব্রি।

হে আল্লাহ, জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের প্রভু, আমাকে জাহান্নামের আগুনের উত্তাপ ও কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: [১]মুসনাদ আহমাদ ৬/৬১,নাসাঈ,আস-সুনানুল কুবরা ৬/৪,তাবারানী,আল-মু'জামুল আউসাত ৪/১৫৬,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১০,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার ফীমা লা ইয়াসিহুহু পৃ.৪৯-৫০; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৪

আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) সালাতের শেষে সর্বদা এ দু‘আ করতেন। হাইসামী ভাষ্যমতে হাদীসটির সনদ গ্রহণযোগ্য।

اَللّٰهُمَّ رَبَّ جِبْرِيْلَ وَمِيْكَائِيْلَ وَإِسْرَافِيْلَ، أَعِذْنِيْ مِنْ حَرِّ النَّارِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ, জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের প্রভু, আমাকে জাহান্নামের আগুনের উত্তাপ ও কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: [১]মুসনাদ আহমাদ ৬/৬১,নাসাঈ,আস-সুনানুল কুবরা ৬/৪,তাবারানী,আল-মু'জামুল আউসাত ৪/১৫৬,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১০,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার ফীমা লা ইয়াসিহুহু পৃ.৪৯-৫০; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৪

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২২

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২২

اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহী, মা- ‘আলিমতু মিনহু ওয়া মা- লা- আ‘অ্লাম। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাশ শাররি কুল্লিহী, মা- ‘আলিমতু মিনহু ওয়া মা- লা- আ‘অ্লাম।

হে আল্লাহ, আমার জানা ও অজানা সকল প্রকার কল্যাণ আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি। এবং আমার জানা ও অজানা সকল অকল্যাণ ও অমঙ্গল থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: [১]তাবারানী,কিতাবুদ দু'আ পৃ.২০৮,আল-মুজামুল কাবীর ২/২৫২,সহীহুল জামিয়িস সাগীর ১/২৭৪,সিলসিলাতুল আহাদিসিস সহীহাহ ৪/৫৬-৫৭; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৫

জাবির ইবনু সামুরাহ (রা) বলেন, “আমি দেখলাম.... রাসূলুল্লাহ (স) সালাম ফেরানোর পরে এ দু‘আ বললেন।” হাদীসটির সনদ গ্রহণযোগ্য।

اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ

হে আল্লাহ, আমার জানা ও অজানা সকল প্রকার কল্যাণ আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি। এবং আমার জানা ও অজানা সকল অকল্যাণ ও অমঙ্গল থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: [১]তাবারানী,কিতাবুদ দু'আ পৃ.২০৮,আল-মুজামুল কাবীর ২/২৫২,সহীহুল জামিয়িস সাগীর ১/২৭৪,সিলসিলাতুল আহাদিসিস সহীহাহ ৪/৫৬-৫৭; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৫

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৩

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৩

﷽ قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ‌ ۚ‏﴿١﴾ اَللّٰهُ الصَّمَدُ‌ ۚ‏﴿٢﴾ لَمۡ يَلِدۡ ۙوَلَمۡ يُوۡلَدۡ ۙ‏﴿٣﴾ وَلَمۡ يَكُنۡ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿٤﴾‏‏ ‏

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।

রেফারেন্স: [১]মুসনাদু আবি ইয়ালা ৩/৩৩২,নং ১৭৯৪,তাবারানী,আল-মুজামুল আউসাত ৪/৪৫-৪৬,নং ৩৩৬১,আবু নুআইম,হিলইয়াতুল আউলিয়া ৬/২৪৩,তাফসীর ইবন কাসীর ৪/৫৭০,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ৬/৩০১,১০/১০[২] [২]মুসনাদ আহমাদ ৩/৪৩৭; আলবানী,সহিহুল জামিয়িস সাগীর ২/১১০৪,নং ৬৪৭২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৭

একটি অত্যন্ত যয়ীফ সনদের হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, যে ব্যক্তি ঈমানসহ প্রত্যেক ফরয সালাতের পরেই ১০ বার সূরা ইখলাস (ক্বুল হুআল্লাহু আহাদ্ ... ) পাঠ করবে আল্লাহ তাঁকে অপরিমেয় পুরস্কার প্রদান করবেন।” তবে সহীহ হাদীসে মু’আয ইবনু আনাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ  বলেন: “যে ব্যক্তি ১০ বার সূরা ইখলাস পাঠ করবে, আল্লাহ তাঁর জন্য জান্নাতে একটি বাড়ি বানিয়ে রাখবেন।” হাদীসটি সহীহ। এ হাদীসে ১০ বার সূরাটি পাঠের কোনো সময় নির্ধারণ করা হয়নি। এজন্য যাকির কোনো সময়ে এ ওযীফাটি পালন করতে পারেন।

قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ‌ ۚ‏﴿١﴾ اَللّٰهُ الصَّمَدُ‌ ۚ‏﴿٢﴾ لَمۡ يَلِدۡ ۙوَلَمۡ يُوۡلَدۡ ۙ‏﴿٣﴾ وَلَمۡ يَكُنۡ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿٤﴾‏‏ ‏

রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।

রেফারেন্স: [১]মুসনাদু আবি ইয়ালা ৩/৩৩২,নং ১৭৯৪,তাবারানী,আল-মুজামুল আউসাত ৪/৪৫-৪৬,নং ৩৩৬১,আবু নুআইম,হিলইয়াতুল আউলিয়া ৬/২৪৩,তাফসীর ইবন কাসীর ৪/৫৭০,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ৬/৩০১,১০/১০[২] [২]মুসনাদ আহমাদ ৩/৪৩৭; আলবানী,সহিহুল জামিয়িস সাগীর ২/১১০৪,নং ৬৪৭২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৭

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৪

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৪

اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ أَنَا شَهِيْدٌ أَنَّكَ أَنْتَ الرَّبُّ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ أَنَا شَهِيْدٌ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ أَنَا شَهِيْدٌ أَنَّ الْعِبَادَ كُلَّهُمْ إِخْوَةٌ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ اِجْعَلْنِي مُخْلِصًا لَكَ وَأَهْلِيْ فِيْ كُلِّ سَاعَةٍ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالإِكْرَامِ، اِسْمَعْ وَاسْتَجِبْ اَللّٰهُ أَكْبَرُ الأَكْبَرُ اَللّٰهُمَّ نُوْرَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ (رَبَّ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ) اَللّٰهُ أَكْبَرُ الأَكْبَرُ حَسْبِيَ اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيْلُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ الأَكْبَرُ

হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু ও সকল বস্তুর প্রভু, আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আপনিই প্রভু। আপনি একক। আপনার কোনো শরীক নেই। হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু ও সকল বস্তুর প্রভু, আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, মুহাম্মাদ আপনার বান্দা এবং রাসূল। হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু ও সকল বস্তুর প্রভু, আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, সকল বান্দা পরস্পর ভাই ভাই। হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু ও সকল বস্তুর প্রভু, আমাকে এবং আমার পরিবার পরিজনকে দুনিয়া ও আখেরাতের প্রতিক্ষণে ও সকল মুহূর্তে আপনার জন্য মুখলিস ও আন্তরিক বানিয়ে দিন। হে মহাপরাক্রম ও সম্মানের অধিকারী, আপনি শুনুন এবং কবুল করুন। আল্লাহ শ্রেষ্ঠ, সর্বশ্রেষ্ঠ। হে আল্লাহ, আসমান ও জমিনের আলো (অন্য বর্ণনায়: আসমান ও জমিনের প্রভু) আল্লাহ শ্রেষ্ঠ, সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ সর্বোত্তম উকিল। আল্লাহ শ্রেষ্ঠ, সর্বশ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: [১]আবু দাঊদ (কিতাবুস সালাত,বাব মা ইয়াকুলু...) ২/৮৪ (ভা ১/২১১); মুসনাদ আহমাদ ৪/৩৬৯; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৯

হাদীসটির সনদ দুর্বল।

اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ أَنَا شَهِيْدٌ أَنَّكَ أَنْتَ الرَّبُّ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ أَنَا شَهِيْدٌ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ أَنَا شَهِيْدٌ أَنَّ الْعِبَادَ كُلَّهُمْ إِخْوَةٌ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ اِجْعَلْنِي مُخْلِصًا لَكَ وَأَهْلِيْ فِيْ كُلِّ سَاعَةٍ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالإِكْرَامِ، اِسْمَعْ وَاسْتَجِبْ اَللّٰهُ أَكْبَرُ الأَكْبَرُ اَللّٰهُمَّ نُوْرَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ (رَبَّ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ) اَللّٰهُ أَكْبَرُ الأَكْبَرُ حَسْبِيَ اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيْلُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ الأَكْبَرُ

হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু ও সকল বস্তুর প্রভু, আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আপনিই প্রভু। আপনি একক। আপনার কোনো শরীক নেই। হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু ও সকল বস্তুর প্রভু, আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, মুহাম্মাদ আপনার বান্দা এবং রাসূল। হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু ও সকল বস্তুর প্রভু, আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, সকল বান্দা পরস্পর ভাই ভাই। হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু ও সকল বস্তুর প্রভু, আমাকে এবং আমার পরিবার পরিজনকে দুনিয়া ও আখেরাতের প্রতিক্ষণে ও সকল মুহূর্তে আপনার জন্য মুখলিস ও আন্তরিক বানিয়ে দিন। হে মহাপরাক্রম ও সম্মানের অধিকারী, আপনি শুনুন এবং কবুল করুন। আল্লাহ শ্রেষ্ঠ, সর্বশ্রেষ্ঠ। হে আল্লাহ, আসমান ও জমিনের আলো (অন্য বর্ণনায়: আসমান ও জমিনের প্রভু) আল্লাহ শ্রেষ্ঠ, সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ সর্বোত্তম উকিল। আল্লাহ শ্রেষ্ঠ, সর্বশ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: [১]আবু দাঊদ (কিতাবুস সালাত,বাব মা ইয়াকুলু...) ২/৮৪ (ভা ১/২১১); মুসনাদ আহমাদ ৪/৩৬৯; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১৯

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৫

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৫

سُبۡحٰنَ رَبِّكَ رَبِّ الۡعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوۡنَ‌ۚ‏ وَسَلٰمٌ عَلَى الۡمُرۡسَلِيۡنَ‌ۚ‏ وَالۡحَمۡدُ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِيۡنَ‌‏

পবিত্রতা আপনার প্রভুর, প্ররাক্রমের প্রভুর, তারা যা বলে তা থেকে (তিনি পবিত্র) এবং সালাম (শান্তি) প্রেরিত পুরুষগণের (রাসূলগণের) উপর এবং প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহর জন্য।

রেফারেন্স: [১]মুসনাদ আবী ইয়ালা ২/৩৬৩,নং ১১১৮,তাবারানী,আল-মুজামুল কাবীর ৫/২১১,১১/১১৫,মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবা ১/২৬৯-২৭০,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১৪৭-১৪৮,১০১০৩; মুনযিরী,আত-তারগীব ২/৪৪৯,নাবাবী,আযকার পৃ.১১৩; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২০

যয়ীফ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (স) কখনো কখনো সালাতের শেষে, সালামের পূর্বে বা পরে এ আয়াতগুলো (সূরা সাফ্ফাত ১৮০-১৮২) পাঠ করেছেন বা করতে উৎসাহ দিয়েছেন।

سُبۡحٰنَ رَبِّكَ رَبِّ الۡعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوۡنَ‌ۚ‏ وَسَلٰمٌ عَلَى الۡمُرۡسَلِيۡنَ‌ۚ‏ وَالۡحَمۡدُ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِيۡنَ‌‏

পবিত্রতা আপনার প্রভুর, প্ররাক্রমের প্রভুর, তারা যা বলে তা থেকে (তিনি পবিত্র) এবং সালাম (শান্তি) প্রেরিত পুরুষগণের (রাসূলগণের) উপর এবং প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রভু আল্লাহর জন্য।

রেফারেন্স: [১]মুসনাদ আবী ইয়ালা ২/৩৬৩,নং ১১১৮,তাবারানী,আল-মুজামুল কাবীর ৫/২১১,১১/১১৫,মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবা ১/২৬৯-২৭০,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১৪৭-১৪৮,১০১০৩; মুনযিরী,আত-তারগীব ২/৪৪৯,নাবাবী,আযকার পৃ.১১৩; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২০

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৬

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৬

(أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ) بِسْمِ اللّٰهِ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ غَيْرُهُ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ اَللّٰهُمَّ أَذْهِبْ عَنِّي الْهَمَّ وَالْحَزَنَ

আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়। হে আল্লাহ, আপনি আমার দুশ্চিন্তা ও বেদনা দূর করে দিন।

রেফারেন্স: [১]তাবারানী,আল-মুজামুল আউসাত ৩/২৮৯,নং ৩১৭৮,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১০,নাবাবী,আল-আযকার,পৃ.১১৩; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২২

একটি অত্যন্ত দুর্বল সনদের হাদীসে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (স) সালাত শেষ করার পরে তাঁর ডান হাত দিয়ে তাঁর মাথা মুছতেন, অন্য বর্ণনায় তিনি ডান হাত দিয়ে তাঁর কপাল মুছতেন এবং এ দু‘আ পাঠ করতেন।

(أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ) بِسْمِ اللّٰهِ الَّذِيْ لَا إِلٰهَ غَيْرُهُ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ اَللّٰهُمَّ أَذْهِبْ عَنِّي الْهَمَّ وَالْحَزَنَ

আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়। হে আল্লাহ, আপনি আমার দুশ্চিন্তা ও বেদনা দূর করে দিন।

রেফারেন্স: [১]তাবারানী,আল-মুজামুল আউসাত ৩/২৮৯,নং ৩১৭৮,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১০,নাবাবী,আল-আযকার,পৃ.১১৩; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২২

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৩১

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৩১

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ خَيْرَ عُمْرِيْ آخِرَهُ وَخَيْرَ عَمَلِيْ خَوَاتِمَهُ، وخَيْرَ أَيَّامِيْ يَوْمَ أَلْقَاكَ

হে আল্লাহ, আপনি আমার শেষ জীবনকে আমার জীবনের সর্বোত্তম অংশ, আমার শেষ কর্মগুলোকে জীবনের সর্বোত্তম কর্ম এবং যে দিন আমি আপনার সাক্ষাৎ করব সে দিনটিকে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন করে দিন।

রেফারেন্স: [১]তাবারানী,আল-মু'জামুল আউসাত ৯/১৫৭,১৭২,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১০,নাবাবী,আল-আযকার,পৃ.১১৩,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার ফীমা লা ইয়াসিহুহু মিনাল আযকার,পৃ.৫৭। [২]তাছাড়া একাধিক সনদে বর্ণিত হওয়ায় গ্রহণযোগ্যতা বৃ্দ্ধি পায়।হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/২৪২-২৪৩; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২২

আনাস (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স) -এর ঠিক পিছনে দাঁড়াতাম। তিনি সালামের পরে এ কথাগুলো বলতেন। হাদীসটির সনদ যয়ীফ। তবে সাধারণ দুআ হিসেবে এ বাক্যগুলো অন্য সনদে বর্ণিত। ইমাম হাইসামীর ব্যাখ্যায় সনদটি গ্রহণযোগ্য বলে প্রতীয়মান। কাজেই মুমিন এ দুআটি সালাতের পরে ও অন্যান্য সকল সময়ে পাঠ করতে পারেন।

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ خَيْرَ عُمْرِيْ آخِرَهُ وَخَيْرَ عَمَلِيْ خَوَاتِمَهُ، وخَيْرَ أَيَّامِيْ يَوْمَ أَلْقَاكَ

হে আল্লাহ, আপনি আমার শেষ জীবনকে আমার জীবনের সর্বোত্তম অংশ, আমার শেষ কর্মগুলোকে জীবনের সর্বোত্তম কর্ম এবং যে দিন আমি আপনার সাক্ষাৎ করব সে দিনটিকে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন করে দিন।

রেফারেন্স: [১]তাবারানী,আল-মু'জামুল আউসাত ৯/১৫৭,১৭২,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১০,নাবাবী,আল-আযকার,পৃ.১১৩,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার ফীমা লা ইয়াসিহুহু মিনাল আযকার,পৃ.৫৭। [২]তাছাড়া একাধিক সনদে বর্ণিত হওয়ায় গ্রহণযোগ্যতা বৃ্দ্ধি পায়।হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/২৪২-২৪৩; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২২

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৭

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৭

اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَمَلٍ يُخْزِيْنِيْ، اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ غِنًى يُطْغِيْنِيْ، اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ صَاحِبٍ يُرْدِيْنِيْ، اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَمَلٍ يُلْهِيْنِيْ، اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فَقْرٍ يُنْسِيْنِيْ.

হে আল্লাহ, নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এমন কর্ম থেকে যা আমাকে অপমানিত করবে। হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এরূপ ধনাঢ্যতা থেকে যা আমাকে অহংকারী করে তুলবে। হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এরূপ বন্ধু বা সঙ্গী থেকে যে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। হে আল্লাহ আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এরূপ সকল বিষয় থেকে যা আমাকে অপ্রয়োজনে ব্যস্ত করে তুলবে। হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এরূপ দারিদ্র্য থেকে যা আমাকে (আপনার কথা) ভুলিয়ে দেবে।

রেফারেন্স: [১]মুসনাদু আবী ইয়ালা ৭/৩১৩,নং ৪৩৫২,তাবারানী,কিতাবুদ দু'আ,পৃ. ২০৯,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১০,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার ফীমা লা ইয়াসিহুহু মিনাল আযকার পৃ.৬৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২৩

আনাস (রা) বলেন : “রাসূলুল্লাহ (স) যখন সাহাবীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করতেন তখন সালাত শেষে তাঁদের দিকে ঘুরে বসে এ দু‘আ বলতেন।” অন্য বর্ণনায় তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ (স) যখনই কোনো ফরয সালাত পড়তেন, সালাত শেষে আমাদের দিকে ঘুরে এ দু‘আ পাঠ করতেন।” হাদীসটির সনদ কিছুটা দুর্বল।

اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَمَلٍ يُخْزِيْنِيْ، اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ غِنًى يُطْغِيْنِيْ، اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ صَاحِبٍ يُرْدِيْنِيْ، اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَمَلٍ يُلْهِيْنِيْ، اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فَقْرٍ يُنْسِيْنِيْ.

হে আল্লাহ, নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এমন কর্ম থেকে যা আমাকে অপমানিত করবে। হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এরূপ ধনাঢ্যতা থেকে যা আমাকে অহংকারী করে তুলবে। হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এরূপ বন্ধু বা সঙ্গী থেকে যে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। হে আল্লাহ আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এরূপ সকল বিষয় থেকে যা আমাকে অপ্রয়োজনে ব্যস্ত করে তুলবে। হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এরূপ দারিদ্র্য থেকে যা আমাকে (আপনার কথা) ভুলিয়ে দেবে।

রেফারেন্স: [১]মুসনাদু আবী ইয়ালা ৭/৩১৩,নং ৪৩৫২,তাবারানী,কিতাবুদ দু'আ,পৃ. ২০৯,হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১১০,যাকারিয়্যা,আল-ইখবার ফীমা লা ইয়াসিহুহু মিনাল আযকার পৃ.৬৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২৩

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৮

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৮

اَللّٰهُمَّ اسْتَغْفِرُكَ لِذَنْبِيْ وَأَسْتَهْدِيْكَ ِلأَرْشَدِ أَمْرِيْ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ فَتُبْ عَلَيَّ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ فَاجْعَلْ رَغْبَتِيْ إِلَيْكَ وَاجْعَلْ غِنَائِيْ فِيْ صَدْرِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا رَزَقْتَنِيْ وَتَقَبَّلْ مِنِّيْ إِنَّكَ أَنْتَ رَبِّيْ

আল্লা-হুম্মা, আস্তাগ্ফিরুকা লিযামবি, ওয়া আসতাহ্দীকা লি আরশাদি আমরি, ওয়া আতূবু ইলাইকা, ফাতুব ‘আলাইয়্যা। আল্লা-হুম্মা আনতা রাব্বী, ফাজ্‘আল রাগ্বাতী ইলাইকা, ওয়াজ্‘আল গিনা-ঈ ফী স্বাদরী, ওয়া বা-রিক লী ফীমা- রাযাক্বতানী, ওয়া তাক্বাব্বাল মিন্নী। ইন্নাকা আনতা রাব্বী।

হে আল্লাহ, আমি আমার গোনাহের জন্য আপনার কাছে ক্ষমা (মাগফিরাত) প্রার্থনা করছি এবং আপনার কাছে হেদায়েত প্রার্থনা করছি, আমি যেন সকল কাজে সর্বোত্তম কর্মটি বেছে নিতে পারি। আমি আপনার কাছে তাওবা করছি, আপনি আমার তাওবা কবুল করুন। হে আল্লাহ, আপনি আমার প্রভু, আপনি আমার চাওয়া পাওয়াকে আপনার-মুখী বানিয়ে দিন এবং আমার বক্ষের মধ্যে আমার সচ্ছলতা (অমুখাপেক্ষিতা) প্রদান করুন (আমার অন্তরকে আপনি ছাড়া অন্য সবার থেকে অমুখাপেক্ষী বানিয়ে দিন), আপনি আমাকে যে রিযিক প্রদান করেছেন তাতে বরকত প্রদান করুন এবং আমার (কর্ম ও দু‘আ) কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি আমার প্রভু।

রেফারেন্স: [১]মুসান্নাফ ইবনি আবী শাইবা ৬/৩৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২৪

হাদীসটি সহীহ।

اَللّٰهُمَّ اسْتَغْفِرُكَ لِذَنْبِيْ وَأَسْتَهْدِيْكَ ِلأَرْشَدِ أَمْرِيْ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ فَتُبْ عَلَيَّ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ فَاجْعَلْ رَغْبَتِيْ إِلَيْكَ وَاجْعَلْ غِنَائِيْ فِيْ صَدْرِيْ وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا رَزَقْتَنِيْ وَتَقَبَّلْ مِنِّيْ إِنَّكَ أَنْتَ رَبِّيْ

হে আল্লাহ, আমি আমার গোনাহের জন্য আপনার কাছে ক্ষমা (মাগফিরাত) প্রার্থনা করছি এবং আপনার কাছে হেদায়েত প্রার্থনা করছি, আমি যেন সকল কাজে সর্বোত্তম কর্মটি বেছে নিতে পারি। আমি আপনার কাছে তাওবা করছি, আপনি আমার তাওবা কবুল করুন। হে আল্লাহ, আপনি আমার প্রভু, আপনি আমার চাওয়া পাওয়াকে আপনার-মুখী বানিয়ে দিন এবং আমার বক্ষের মধ্যে আমার সচ্ছলতা (অমুখাপেক্ষিতা) প্রদান করুন (আমার অন্তরকে আপনি ছাড়া অন্য সবার থেকে অমুখাপেক্ষী বানিয়ে দিন), আপনি আমাকে যে রিযিক প্রদান করেছেন তাতে বরকত প্রদান করুন এবং আমার (কর্ম ও দু‘আ) কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি আমার প্রভু।

রেফারেন্স: [১]মুসান্নাফ ইবনি আবী শাইবা ৬/৩৪; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২৪

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৯

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #২৯

بِحَمْدِ رَبِّيْ انْصَرَفْتُ وَبِذُنُوْبِيْ اعْتَرَفْتُ أَعُوْذُ بِرَبِّيْ مِنْ شَرِّ مَا اقْتَرَفْتُ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ قَلِّبْ قَلْبِيْ عَلَی مَا تُحِبُّ وَتَرْضَى

আমার প্রভুর প্রশংসায় আমি সালাত শেষ করলাম। আমি আমার গোনাহসমূহের স্বীকারোক্তি করছি। আর আমি যে কর্ম করেছি তার অমঙ্গল ও অকল্যাণ থেকে আমি আমার প্রভুর আশ্রয় গ্রহণ করছি। হে মন পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে পরিবর্তন করুন সে বিষয়ের জন্য যা আপনি ভালবাসেন এবং যাতে আপনি খুশি হন।

রেফারেন্স: [১]আব্দুর রাজ্জাক সান'আনী,আল-মুসান্নাফ ২/২৩৭-২৩৮; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২৫

بِحَمْدِ رَبِّيْ انْصَرَفْتُ وَبِذُنُوْبِيْ اعْتَرَفْتُ أَعُوْذُ بِرَبِّيْ مِنْ شَرِّ مَا اقْتَرَفْتُ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ قَلِّبْ قَلْبِيْ عَلَی مَا تُحِبُّ وَتَرْضَى

আমার প্রভুর প্রশংসায় আমি সালাত শেষ করলাম। আমি আমার গোনাহসমূহের স্বীকারোক্তি করছি। আর আমি যে কর্ম করেছি তার অমঙ্গল ও অকল্যাণ থেকে আমি আমার প্রভুর আশ্রয় গ্রহণ করছি। হে মন পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে পরিবর্তন করুন সে বিষয়ের জন্য যা আপনি ভালবাসেন এবং যাতে আপনি খুশি হন।

রেফারেন্স: [১]আব্দুর রাজ্জাক সান'আনী,আল-মুসান্নাফ ২/২৩৭-২৩৮; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২৫

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৩০

সালাম ফিরানোর পর যিকরসমূহ #৩০

ফজরের পরে ও আসরের পরে, ১০০ বার

سُبْحَانَ اللّٰهِ

সুবহা-নাল্লাহ

আল্লাহ অতি-পবিত্র

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা একশতটি উট আল্লাহর ওয়াস্তে দান করার চেয়ে উত্তম। এ দু সময়ে ১০০ বার ‘আল-হামদু লিল্লাহ’ বলা আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য ১০০ টি ঘোড়ার পিঠে মুজাহিদ প্রেরণ করা থেকে উত্তম। এ দু সময়ে ১০০ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলা ১০০টি ক্রীতদাস মুক্ত করার চেয়ে উত্তম। আর যদি কেউ সূর্যাস্তের আগে এবং সূর্যোদয়ের আগে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুআ আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদীর’ ১০০ বার পাঠ করে তবে সে দিনে তার চেয়ে বেশি আমল আর কেউ করতে পারবে না। তবে যদি কেউ তার সমান এ যিকরগুলো পাঠ করে বা তার চেয়ে বেশি পাঠ করে তাহলে ভিন্ন কথা। (তাহলে সেই শুধু তার উপরে উঠতে পারবে।) তিরমিযীর বর্ণনায়: যদি কেউ এ দু সময়ে ১০০ বার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ বলে তবে সে যেন ইসমাঈল বংশের একশত ব্যক্তিকে দাসত্ব থেকে মুক্তি প্রদান করলো।” ইমাম তিরমিযী ও অন্যান্য মুুহাদ্দিস হাদীসটিকে ‘হাসান’ বলে উল্লেখ করেছেন।

১০০ বার

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ

আলহামদুলিল্লা-হ

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য

১০০ বার

اَللّٰهُ أَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ অতি-মহান

১০০ বার

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলক, ওয়া লাহুল ‘হামদ, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর।

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

অথবা ১০০ বার

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই

রেফারেন্স: [১]তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ্দাওয়াত,৬২-বাব...)৫/৪৮০, নং ৩৪৭১ (ভা ২/১৮৫);নাসাঈ,আস-সুনানুল কুবরা ৬/২০৫,আলবানী,সহীহুত তারগীব ১/৩৪৩ (শামিলা ১/১৬০); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২৬

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা একশতটি উট আল্লাহর ওয়াস্তে দান করার চেয়ে উত্তম। এ দু সময়ে ১০০ বার ‘আল-হামদু লিল্লাহ’ বলা আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য ১০০ টি ঘোড়ার পিঠে মুজাহিদ প্রেরণ করা থেকে উত্তম। এ দু সময়ে ১০০ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলা ১০০টি ক্রীতদাস মুক্ত করার চেয়ে উত্তম। আর যদি কেউ সূর্যাস্তের আগে এবং সূর্যোদয়ের আগে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুআ আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদীর’ ১০০ বার পাঠ করে তবে সে দিনে তার চেয়ে বেশি আমল আর কেউ করতে পারবে না। তবে যদি কেউ তার সমান এ যিকরগুলো পাঠ করে বা তার চেয়ে বেশি পাঠ করে তাহলে ভিন্ন কথা। (তাহলে সেই শুধু তার উপরে উঠতে পারবে।) তিরমিযীর বর্ণনায়: যদি কেউ এ দু সময়ে ১০০ বার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ বলে তবে সে যেন ইসমাঈল বংশের একশত ব্যক্তিকে দাসত্ব থেকে মুক্তি প্রদান করলো।” ইমাম তিরমিযী ও অন্যান্য মুুহাদ্দিস হাদীসটিকে ‘হাসান’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ফজরের পরে ও আসরের পরে, ১০০ বার

سُبْحَانَ اللّٰهِ

আল্লাহ অতি-পবিত্র

১০০ বার

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য

১০০ বার

اَللّٰهُ أَكْبَرُ

আল্লাহ অতি-মহান

১০০ বার

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

অথবা ১০০ বার

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ

আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই

রেফারেন্স: [১]তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ্দাওয়াত,৬২-বাব...)৫/৪৮০, নং ৩৪৭১ (ভা ২/১৮৫);নাসাঈ,আস-সুনানুল কুবরা ৬/২০৫,আলবানী,সহীহুত তারগীব ১/৩৪৩ (শামিলা ১/১৬০); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২৬

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 ইসতিখারার সালাতের দো‘আ

📄 ইসতিখারার সালাতের দো‘আ


ইসতিখারার সালাতের দো‘আ

ইসতিখারার সালাতের দো‘আ

জাবের ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে প্রত্যেক কাজেই ইসতিখারা (তথা কল্যাণ কামনার নামায ও দো‘আ) শিক্ষা দিতেন, যেরূপ আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলেন, যখন তোমাদের কেউ কোনো কাজ করার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন ফরয নামায ব্যতীত দুই রাক্আত নফল নামায পড়ে, অতঃপর যেন বলে,

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْتَخِيْرُكَ بِعِلْمِكَ، وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ العَظِيْمِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসতাখীরুকা বি‘ইলমিকা ওয়া আস্তাক্বদিরুকা বিক্বুদরাতিকা ওয়া আস্আলুকা মিন ফাদলিকাল আযীম।

হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের সাহায্যে আপনার নিকট কল্যাণ কামনা করছি। আপনার কুদরতের সাহায্যে আপনার নিকট শক্তি কামনা করছি এবং আপনার মহান অনুগ্রহের প্রার্থনা করছি।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
إِنِّيْ - নিশ্চয় আমি
أَسْتَخِيْرُكَ - আপনার নিকট কল্যাণ/উপদেশ/পরামর্শ (কামনাকরছি )
بِعِلْمِكَ، - আপনার জ্ঞানের সাহায্যে
وَأَسْتَقْدِرُكَ - এবং আপনার নিকট শক্তি/সাহায্য কামনা করছি
بِقُدْرَتِكَ، - আপনার ক্ষমতা/কুদরতের সাহায্যে
وَأَسْأَلُكَ - এবং আপনার নিকট প্রার্থনা করছি
مِنْ - থেকে
فَضْلِكَ - (আপনার) অনুগ্রহের
العَظِيْمِ - মহান

فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلَا أَقْدِرُ، وَتَعْلَمُ وَلَا أَعْلَمُ، وَأَنْتَ عَلَّامُ الْغُيُوْبِ

ফাইন্নাকা তাক্বদিরু ওয়ালা আক্বদিরু, ওয়া তা‘লামু ওয়ালা আ‘লামু, ওয়া আনতা ‘আল্লামূল গুয়ূব।

কেননা আপনিই শক্তিধর, আমি শক্তিহীন। আপনি জ্ঞানবান, আমি জ্ঞানহীন এবং আপনি গায়েবী বিষয় সম্পর্কে মহাজ্ঞানী।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
فَإِنَّكَ - কেননা নিশ্চয় আপনিই
تَقْدِرُ - শক্তিধর/সক্ষম
وَلَا - এবং না
أَقْدِرُ، - আমি সক্ষম
وَتَعْلَمُ - এবং আপনি জানেন
وَلَا - এবং না
أَعْلَمُ، - আমি জানি
وَأَنْتَ - এবং আপনি
عَلَّامُ - মহাজ্ঞানী
الْغُيُوْبِ - গায়েবী/অদৃশ্য সম্পর্কে

اَللّٰهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هٰذَا الْأَمْرَ (وَيُسَمِّي حَاجَتَهُ) خَيْرٌ لِيْ فِيْ دِيْنِيْ وَمَعَاشِيْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ، فَاقْدُرْهُ لِيْ وَيَسِّرْهُ لِيْ ثُمَّ بَارِكْ لِيْ فِيْهِ

আল্লা-হুম্মা ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আম্‌রা (মনে মনে প্রয়োজন উল্লেখ করুন) খাইরুন লী ফী দীনি ওয়া মা‘আ-শী ওয়া ‘আ-ক্বিবাতি আমরী, (অথবা বলেছেন)‘আজিলিহী ও আজিলিহী, ফাকদুরহু লী, ওয়া ইয়াসসিরহু লী, ছুম্মা বা-রিক লী ফীহি।

হে আল্লাহ! এই কাজটি (এখানে উদ্দিষ্ট কাজ বা বিষয়টি মনে মনে উল্লেখ করবে) আপনার জ্ঞান অনুযায়ী যদি আমার দীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক দিয়ে, (অথবা বলেছেন) ইহকাল ও পরকালের জন্য কল্যাণকর হয়, তবে তা আমার জন্য নির্ধারিত করুন এবং তাকে আমার জন্য সহজলভ্য করে দিন, তারপর তাতে আমার জন্য বরকত দান করুন।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
إِنْ - যদি
كُنْتَ - অনুযায়ী
تَعْلَمُ - আপনার জ্ঞান
أَنَّ - নিশ্চয়
هٰذَا - এই
الْأَمْرَ - কাজটি
(وَيُسَمِّي - মনে মনে উল্লেখ করুন
حَاجَتَهُ) - প্রয়োজন
خَيْرٌ - উত্তম/কল্যাণকর হয়
لِيْ - জন্য
فِيْ - এর
دِيْنِيْ - আমার দ্বীন
وَمَعَاشِيْ - এবং আমার জীবন
وَعَاقِبَةِ - এবং পরকালের
أَمْرِيْ، - আমার কাজের
فَاقْدُرْهُ - তাহলে তা নির্ধারিত করুন
لِيْ - আমার জন্য
وَيَسِّرْهُ - ও সহজ করে দিন
لِيْ - আমার জন্য
ثُمَّ - অতঃপর
بَارِكْ - বরকত দান করুন
لِيْ - আমার জন্য
فِيْهِ - ইহাতে

وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هٰذَا الْأَمْرَ شَرٌّ لِيْ فِيْ دِيْنِيْ وَمَعَاشِيْ وَعَاقِبَةِ أَمْرِيْ فَاصْرِفْهُ عَنِّيْ وَاصْرِفْنِيْ عَنْهُ وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ، ثُمَّ أَرْضِنِيْ بِهِ

ওয়া ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আমরা (মনে মনে প্রয়োজন উল্লেখ করুন) শাররুন লী ফী দীনী ওয়া মা‘আ-শী ওয়া ‘আ-ক্বিবাতি আমরী, ফাসরিফহু ‘আন্নী ওয়াসরিফনী ‘আনহু, ওয়াকদুর লিয়াল-খাইরা হাইসু কা-না, সুম্মা আরদ্বিনী বিহ্

আর এই কাজটি আপনার জ্ঞান অনুযায়ী যদি আমার দীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক দিয়ে, (অথবা বলেছেন) ইহকাল ও পরকালের জন্য ক্ষতিকর হয়, তবে আপনি আমাকে তা থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন এবং যেখানেই কল্যাণ থাকুক আমার জন্য সেই কল্যাণ নির্ধারিত করে দিন। অতঃপর তাতেই আমাকে সন্তুষ্ট রাখুন। [১]

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَإِنْ - এবং যদি
كُنْتَ - অনুযায়ী
تَعْلَمُ - আপনার জ্ঞান
أَنَّ - নিশ্চয়
هٰذَا - এই
الْأَمْرَ - কাজটি
شَرٌّ - মন্দ/অকল্যাণকর হয়
لِيْ - জন্য
فِيْ - এর
دِيْنِيْ - আমার দ্বীন
وَمَعَاشِيْ - এবং আমার জীবন
وَعَاقِبَةِ - এবং পরকালের
أَمْرِيْ - আমার কাজের
فَاصْرِفْهُ - তা প্রত্যাহার/সরিয়ে রাখুন
عَنِّيْ - আমার হতে
وَاصْرِفْنِيْ - এবং দূরে সরিয়ে রাখুন
عَنْهُ - আমাকে তা থেকে
وَاقْدُرْ - এবং নির্ধারিত করুন
لِيَ - আমার জন্য
الْخَيْرَ - যা উত্তম/কল্যাণকর
حَيْثُ - যেখানেই
كَانَ، - থাকুক
ثُمَّ - অতঃপর
أَرْضِنِيْ - সন্তুষ্ট রাখুন
بِهِ - আমাকে তাতেই

আর যে ব্যক্তি স্রষ্টার কাছে কল্যাণ চাইবে, মুমিনদের সাথে পরামর্শ করবে এবং যে কোনো কাজ করার আগে খোঁজ-খবর নিয়ে করবে, সে কখনো অনুতপ্ত হবে না। কেননা, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন,

وَشَاوِرْهُمْ فِي الْاَمْرِ ۚفَاِذَا عَزَمْتَ فَتَوَكَّلْ عَلَي اللّٰهِ

আর আপনি কাজে কর্মে তাদের সাথে পরামর্শ করুন, তারপর আপনি কোনো দৃঢ় সংকল্প হলে আল্লাহ্‌র উপর নির্ভর করুন। [২]

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَشَاوِرْهُمْ - এবং পরামর্শ কর তাদের (সাথে)
فِي - ক্ষেত্রে
الْاَمْرِ - কাজের
ۚفَاِذَا - অতঃপর যখন
عَزَمْتَ - তুমি সংকল্প কর
فَتَوَكَّلْ - তখন ভরসা কর
عَلَي - উপর
اللّٰهِ - আল্লাহর

রেফারেন্স: [১] বুখারী, ৭/১৬২, নং ১১৬২ [২] সূরা আলে-ইমরান: ১৫৯।

জাবের ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে প্রত্যেক কাজেই ইসতিখারা (তথা কল্যাণ কামনার নামায ও দো‘আ) শিক্ষা দিতেন, যেরূপ আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলেন, যখন তোমাদের কেউ কোনো কাজ করার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন ফরয নামায ব্যতীত দুই রাক্আত নফল নামায পড়ে, অতঃপর যেন বলে,

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! إِنِّيْ নিশ্চয় আমি أَسْتَخِيْرُكَ আপনার নিকট কল্যাণ/উপদেশ/পরামর্শ (কামনাকরছি ) بِعِلْمِكَ، আপনার জ্ঞানের সাহায্যে وَأَسْتَقْدِرُكَ এবং আপনার নিকট শক্তি/সাহায্য কামনা করছি بِقُدْرَتِكَ، আপনার ক্ষমতা/কুদরতের সাহায্যে وَأَسْأَلُكَ এবং আপনার নিকট প্রার্থনা করছি مِنْ থেকে فَضْلِكَ (আপনার) অনুগ্রহের العَظِيْمِ মহান

হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের সাহায্যে আপনার নিকট কল্যাণ কামনা করছি। আপনার কুদরতের সাহায্যে আপনার নিকট শক্তি কামনা করছি এবং আপনার মহান অনুগ্রহের প্রার্থনা করছি।

فَإِنَّكَ কেননা নিশ্চয় আপনিই تَقْدِرُ শক্তিধর/সক্ষম وَلَا এবং না أَقْدِرُ، আমি সক্ষম وَتَعْلَمُ এবং আপনি জানেন وَلَا এবং না أَعْلَمُ، আমি জানি وَأَنْتَ এবং আপনি عَلَّامُ মহাজ্ঞানী الْغُيُوْبِ গায়েবী/অদৃশ্য সম্পর্কে

কেননা আপনিই শক্তিধর, আমি শক্তিহীন। আপনি জ্ঞানবান, আমি জ্ঞানহীন এবং আপনি গায়েবী বিষয় সম্পর্কে মহাজ্ঞানী।

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! إِنْ যদি كُنْتَ অনুযায়ী تَعْلَمُ আপনার জ্ঞান أَنَّ নিশ্চয় هٰذَا এই الْأَمْرَ কাজটি (وَيُسَمِّي মনে মনে উল্লেখ করুন حَاجَتَهُ) প্রয়োজন خَيْرٌ উত্তম/কল্যাণকর হয় لِيْ জন্য فِيْ এর دِيْنِيْ আমার দ্বীন وَمَعَاشِيْ এবং আমার জীবন وَعَاقِبَةِ এবং পরকালের أَمْرِيْ، আমার কাজের فَاقْدُرْهُ তাহলে তা নির্ধারিত করুন لِيْ আমার জন্য وَيَسِّرْهُ ও সহজ করে দিন لِيْ আমার জন্য ثُمَّ অতঃপর بَارِكْ বরকত দান করুন لِيْ আমার জন্য فِيْهِ ইহাতে

হে আল্লাহ! এই কাজটি (এখানে উদ্দিষ্ট কাজ বা বিষয়টি মনে মনে উল্লেখ করবে) আপনার জ্ঞান অনুযায়ী যদি আমার দীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক দিয়ে, (অথবা বলেছেন) ইহকাল ও পরকালের জন্য কল্যাণকর হয়, তবে তা আমার জন্য নির্ধারিত করুন এবং তাকে আমার জন্য সহজলভ্য করে দিন, তারপর তাতে আমার জন্য বরকত দান করুন।

وَإِنْ এবং যদি كُنْتَ অনুযায়ী تَعْلَمُ আপনার জ্ঞান أَنَّ নিশ্চয় هٰذَا এই الْأَمْرَ কাজটি شَرٌّ মন্দ/অকল্যাণকর হয় لِيْ জন্য فِيْ এর دِيْنِيْ আমার দ্বীন وَمَعَاشِيْ এবং আমার জীবন وَعَاقِبَةِ এবং পরকালের أَمْرِيْ আমার কাজের فَاصْرِفْهُ তা প্রত্যাহার/সরিয়ে রাখুন عَنِّيْ আমার হতে وَاصْرِفْنِيْ এবং দূরে সরিয়ে রাখুন عَنْهُ আমাকে তা থেকে وَاقْدُرْ এবং নির্ধারিত করুন لِيَ আমার জন্য الْخَيْرَ যা উত্তম/কল্যাণকর حَيْثُ যেখানেই كَانَ، থাকুক ثُمَّ অতঃপর أَرْضِنِيْ সন্তুষ্ট রাখুন بِهِ আমাকে তাতেই

আর এই কাজটি আপনার জ্ঞান অনুযায়ী যদি আমার দীন, আমার জীবিকা এবং আমার কাজের পরিণতির দিক দিয়ে, (অথবা বলেছেন) ইহকাল ও পরকালের জন্য ক্ষতিকর হয়, তবে আপনি আমাকে তা থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন এবং যেখানেই কল্যাণ থাকুক আমার জন্য সেই কল্যাণ নির্ধারিত করে দিন। অতঃপর তাতেই আমাকে সন্তুষ্ট রাখুন। [১]

আর যে ব্যক্তি স্রষ্টার কাছে কল্যাণ চাইবে, মুমিনদের সাথে পরামর্শ করবে এবং যে কোনো কাজ করার আগে খোঁজ-খবর নিয়ে করবে, সে কখনো অনুতপ্ত হবে না। কেননা, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন,

وَشَاوِرْهُمْ এবং পরামর্শ কর তাদের (সাথে) فِي ক্ষেত্রে الْاَمْرِ কাজের ۚفَاِذَا অতঃপর যখন عَزَمْتَ তুমি সংকল্প কর فَتَوَكَّلْ তখন ভরসা কর عَلَي উপর اللّٰهِ আল্লাহর

আর আপনি কাজে কর্মে তাদের সাথে পরামর্শ করুন, তারপর আপনি কোনো দৃঢ় সংকল্প হলে আল্লাহ্‌র উপর নির্ভর করুন। [২]

রেফারেন্স: [১] বুখারী, ৭/১৬২, নং ১১৬২ [২] সূরা আলে-ইমরান: ১৫৯।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ

📄 বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ


বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #১

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #১

اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ فِيْمَنْ هَدَيْتَ، وَعَافِنِيْ فِيْمَنْ عَافَيْتَ، وَتَوَلَّنِيْ فِيْمَنْ تَوَلَّيْتَ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا أَعْطَيْتَ، وَقِنِيْ شَرَّ مَا قَضَيْتَ

আল্লা-হুম্মাহদিনী ফীমান হাদাইতা ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইতা ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইতা ওয়াবা-রিক লী ফীমা আ‘ত্বাইতা ওয়াক্বিনী শাররা মা ক্বাদাইতা

হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে হেদায়াত করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও হেদায়াত দিন, আপনি যাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও নিরাপত্তা দিন, আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন, আপনি আমাকে যা দিয়েছেন তাতে বরকত দিন। আপনি যা ফয়সালা করেছেন তার অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করুন।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
اهْدِنِيْ - আমাকে হেদায়াত দিন
فِيْمَنْ - যাদের মাঝে
هَدَيْتَ، - হেদায়াত করেছেন
وَعَافِنِيْ - এবং আমাকে নিরাপত্তা দিন
فِيْمَنْ - যাদের মাঝে
عَافَيْتَ، - নিরাপত্তা প্রদান করেছেন
وَتَوَلَّنِيْ - এবং আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন
فِيْمَنْ - যাদের মাঝে
تَوَلَّيْتَ، - অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন
وَبَارِكْ - এবং বরকত দিন
لِيْ - আমার জন্য
فِيْمَا - যা তাতে
أَعْطَيْتَ، - আমাকে দিয়েছেন
وَقِنِيْ - এবং আমাকে রক্ষা করুন
شَرَّ - অনিষ্ট থেকে
مَا - যা
قَضَيْتَ - নির্ধারন (ভাগ্য) করেছেন

فَإِنَّكَ تَقْضِيْ وَلاَ يُقْضٰى عَلَيْكَ، إِنَّهُ لَا يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ، (وَلَا يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ) تَبَارَكْتَ رَبَّنا وَتَعَالَيْتَ

ফাইন্নাকা তাক্ব‌দ্বী ওয়ালা ইউক্ব্‌দ্বা ‘আলাইকা। ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মাও ওয়া-লাইতা, [ওয়ালা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আ-দাইতা] তাবা-রক্‌তা রব্বানা ওয়া তা‘আ-লাইতা

কারণ আপনিই চুড়ান্ত ফয়সালা দেন, আপনার বিপরীতে ফয়সালা দেওয়া হয় না। আপনি যার সাথে বন্ধুত্ব করেছেন সে অবশ্যই অপমানিত হয় না [এবং আপনি যার সাথে শত্রুতা করেছেন সে সম্মানিত হয় না] আপনি বরকতপূর্ণ হে আমাদের রব্ব! আর আপনি সুউচ্চ-সুমহান

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
فَإِنَّكَ - আপনি নিশ্চয়
تَقْضِيْ - ফয়সালা/নির্ধারন করেন
وَلاَ - এবং না (কেউ)
يُقْضٰى - নির্ধারন (ভাগ্য) করেন
عَلَيْكَ، - আপনার উপর (বিপরীতে)
إِنَّهُ - সে নিশ্চয়
لَا - না
يَذِلُّ - অপমানিত হয়
مَنْ - যার সাথে
وَالَيْتَ، - বন্ধুত্ব করেছেন
(وَلَا - এবং না
يَعِزُّ - সম্মানিত হয়
مَنْ - যার সাথে
عَادَيْتَ) - শত্রুতা করেছেন
تَبَارَكْتَ - আপনি বরকতপূর্ণ
رَبَّنا - হে আমাদের রব্ব
وَتَعَالَيْتَ - এবং আপনি সুমহান

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ, আহমাদ, দারামী ও বাইহাকী এ হাদীসটি সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪২৫; তিরমিযী, নং ৪৬৪; নাসাঈ, নং ১৭৪৪; ইবন মাজাহ, নং ১১৭৮; আহমাদ, নং ১৭১৮; দারামী, নং ১৫৯২; হাকিম, ৩/১৭২; বাইহাকী, ২/২০৯। আর দু’ ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/১৪৪, সহীহ ইবন মাজাহ্‌, ১/১৯৪; ইরওয়াউল গালীল, লিল আলবানী, ২/১৭২

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! اهْدِنِيْ আমাকে হেদায়াত দিন فِيْمَنْ যাদের মাঝে هَدَيْتَ، হেদায়াত করেছেন وَعَافِنِيْ এবং আমাকে নিরাপত্তা দিন فِيْمَنْ যাদের মাঝে عَافَيْتَ، নিরাপত্তা প্রদান করেছেন وَتَوَلَّنِيْ এবং আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন فِيْمَنْ যাদের মাঝে تَوَلَّيْتَ، অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন وَبَارِكْ এবং বরকত দিন لِيْ আমার জন্য فِيْمَا যা তাতে أَعْطَيْتَ، আমাকে দিয়েছেন وَقِنِيْ এবং আমাকে রক্ষা করুন شَرَّ অনিষ্ট থেকে مَا যা قَضَيْتَ নির্ধারন (ভাগ্য) করেছেন

হে আল্লাহ! আপনি যাদেরকে হেদায়াত করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও হেদায়াত দিন, আপনি যাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও নিরাপত্তা দিন, আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন, আপনি আমাকে যা দিয়েছেন তাতে বরকত দিন। আপনি যা ফয়সালা করেছেন তার অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করুন।

فَإِنَّكَ আপনি নিশ্চয় تَقْضِيْ ফয়সালা/নির্ধারন করেন وَلاَ এবং না (কেউ) يُقْضٰى নির্ধারন (ভাগ্য) করেন عَلَيْكَ، আপনার উপর (বিপরীতে) إِنَّهُ সে নিশ্চয় لَا না يَذِلُّ অপমানিত হয় مَنْ যার সাথে وَالَيْتَ، বন্ধুত্ব করেছেন (وَلَا এবং না يَعِزُّ সম্মানিত হয় مَنْ যার সাথে عَادَيْتَ) শত্রুতা করেছেন تَبَارَكْتَ আপনি বরকতপূর্ণ رَبَّنا হে আমাদের রব্ব وَتَعَالَيْتَ এবং আপনি সুমহান

কারণ আপনিই চুড়ান্ত ফয়সালা দেন, আপনার বিপরীতে ফয়সালা দেওয়া হয় না। আপনি যার সাথে বন্ধুত্ব করেছেন সে অবশ্যই অপমানিত হয় না [এবং আপনি যার সাথে শত্রুতা করেছেন সে সম্মানিত হয় না] আপনি বরকতপূর্ণ হে আমাদের রব্ব! আর আপনি সুউচ্চ-সুমহান

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ, আহমাদ, দারামী ও বাইহাকী এ হাদীসটি সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪২৫; তিরমিযী, নং ৪৬৪; নাসাঈ, নং ১৭৪৪; ইবন মাজাহ, নং ১১৭৮; আহমাদ, নং ১৭১৮; দারামী, নং ১৫৯২; হাকিম, ৩/১৭২; বাইহাকী, ২/২০৯। আর দু’ ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/১৪৪, সহীহ ইবন মাজাহ্‌, ১/১৯৪; ইরওয়াউল গালীল, লিল আলবানী, ২/১৭২

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #২

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #২

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوْبَتِكَ، وَأَعُــوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযুবিরিদ্বা-কা মিন সাখাত্বিকা, ওয়া বিমু‘আ-ফা-তিকা মিন ‘উক্বুবাতিকা, ওয়া আঊযু বিকা মিনকা, লা উহ্‌সী সানা-আন আলাইকা, আনতা কামা আসনাইতা ‘আলা নাফসিকা

হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে অসন্তুষ্টি থেকে, আর আপনার নিরাপত্তার মাধ্যমে আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি আপনার নিকটে আপনার (পাকড়াও) থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার প্রশংসা গুনতে সক্ষম নই; আপনি সেরূপই, যেরূপ প্রশংসা আপনি নিজের জন্য করেছেন।

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ ও আহমাদ হাদীসটি সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪২৭; তিরমিযী, নং ৩৫৬৬; নাসাঈ, নং ১৭৪৬; ইবন মাজাহ্‌, নং ১১৭৯; আহমাদ, নং ৭৫১ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮০; সহীহ ইবন মাজাহ্‌, ১/১৯৪, আল-ইরওয়া, ২/১৭৫।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوْبَتِكَ، وَأَعُــوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে অসন্তুষ্টি থেকে, আর আপনার নিরাপত্তার মাধ্যমে আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি আপনার নিকটে আপনার (পাকড়াও) থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার প্রশংসা গুনতে সক্ষম নই; আপনি সেরূপই, যেরূপ প্রশংসা আপনি নিজের জন্য করেছেন।

রেফারেন্স: সুনান গ্রন্থকারগণ ও আহমাদ হাদীসটি সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪২৭; তিরমিযী, নং ৩৫৬৬; নাসাঈ, নং ১৭৪৬; ইবন মাজাহ্‌, নং ১১৭৯; আহমাদ, নং ৭৫১ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮০; সহীহ ইবন মাজাহ্‌, ১/১৯৪, আল-ইরওয়া, ২/১৭৫।

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৩

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৩

اَللّٰهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ، وَلَكَ نُصَلِّيْ وَنَسْجُدُ، وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ، نَرْجُو رَحْمَتَكَ، وَنَخْشَى عَذَابَكَ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِيْنَ مُلْحَقٌ، اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِيْنُكَ، وَنَسْتَغْفِرُكَ، وَنُثْنِيْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ، وَلَا نَكْفُرُكَ، وَنُؤْمِنُ بِكَ، وَنَخْضَعُ لَكَ، وَنَخْلَعُ مَنْ يَّكْفرُكَ

আল্লা-হুম্মা ইয়্যাকা না‘বুদু, ওয়ালাকা নুসাল্লী, ওনাসজুদু, ওয়া ইলাইকা নাস‘আ, ওয়া নাহ্‌ফিদু, নারজূ রাহ্‌মাতাকা, ওয়া নাখশা ‘আযা-বাকা, ইন্না ‘আযা-বাকা বিলকাফিরীনা মুলহাক্ব। আল্লা-হুম্মা ইন্না নাসতা‘ঈনুকা ওয়া নাসতাগফিরুকা, ওয়া নুসনী ‘আলাইকাল খাইরা, ওয়ালা-নাকফুরুকা, ওয়ানূ’মিনু বিকা, ওয়া নাখদ্বা‘উ লাকা, ওয়ানাখলা‘উ মাই ইয়াকফুরুকা।

হে আল্লাহ! আমরা আপনারই ইবাদত করি; আপনার জন্যই সালাত আদায় করি ও সিজদা করি; আমরা আপনার দিকেই দৌড়াই এবং দ্রুত অগ্রসর হই; আমরা আপনার করুণা লাভের আকাঙ্ক্ষা করি এবং আপনার শাস্তিকে ভয় করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফেরদেরকে পাবে। হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমরা আপনার কাছে সাহায্য চাই, আপনার কাছে ক্ষমা চাই, আপনার উত্তম প্রশংসা করি, আপনার সাথে কুফরি করি না, আপনার উপর ঈমান আনি, আপনার প্রতি অনুগত হই, আর যে আপনার সাথে কুফরি করে আমরা তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করি।

রেফারেন্স: হাদীসটি বায়হাকী তাঁর ‘আস-সুনানুল কবরা’ গ্রন্থে সংকলন করেছেন এবং তার সনদ বিশুদ্ধ বলেছেন, ২/২১১ আর শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল এর ২/১৭০ এ বলেন, ‘এর সনদ বিশুদ্ধ। আর তা উমর রা. থেকে মওকূফ হাদীসে বর্ণিত।

اَللّٰهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ، وَلَكَ نُصَلِّيْ وَنَسْجُدُ، وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ، نَرْجُو رَحْمَتَكَ، وَنَخْشَى عَذَابَكَ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِيْنَ مُلْحَقٌ، اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِيْنُكَ، وَنَسْتَغْفِرُكَ، وَنُثْنِيْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ، وَلَا نَكْفُرُكَ، وَنُؤْمِنُ بِكَ، وَنَخْضَعُ لَكَ، وَنَخْلَعُ مَنْ يَّكْفرُكَ

হে আল্লাহ! আমরা আপনারই ইবাদত করি; আপনার জন্যই সালাত আদায় করি ও সিজদা করি; আমরা আপনার দিকেই দৌড়াই এবং দ্রুত অগ্রসর হই; আমরা আপনার করুণা লাভের আকাঙ্ক্ষা করি এবং আপনার শাস্তিকে ভয় করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফেরদেরকে পাবে। হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমরা আপনার কাছে সাহায্য চাই, আপনার কাছে ক্ষমা চাই, আপনার উত্তম প্রশংসা করি, আপনার সাথে কুফরি করি না, আপনার উপর ঈমান আনি, আপনার প্রতি অনুগত হই, আর যে আপনার সাথে কুফরি করে আমরা তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করি।

রেফারেন্স: হাদীসটি বায়হাকী তাঁর ‘আস-সুনানুল কবরা’ গ্রন্থে সংকলন করেছেন এবং তার সনদ বিশুদ্ধ বলেছেন, ২/২১১ আর শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল এর ২/১৭০ এ বলেন, ‘এর সনদ বিশুদ্ধ। আর তা উমর রা. থেকে মওকূফ হাদীসে বর্ণিত।

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৪

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৪

(بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ) اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ (وَنَشْكُرُكَ) وَلاَ نَكْفُرُكَ، وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ اَللّٰهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّى وَنَسْجُدُ وَلَكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ نَخْشَى عَذَابَكَ الْجِدَّ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِيْنَ مُلْحِقٌ. اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ اَللّٰهُمَّ الْعَنْ كَفَرَةَ أَهْلِ الْكِتَابِ الَّذِيّنَ يَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِكَ وَيُكُذِّبُوْنَ رُسُلَكَ وَيُقَاتِلُوْنَ أَوْلِيَاءَكَ اَللّٰهُمَّ خَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمَ وَزَلْزِلْ أَقْدَامَهُمْ وَأَنْزِلْ بِهِمْ بَأْسَكَ الَّذِىْ لَا تَرُدُّهُ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِيْنَ

বিসমিল্লা-হির রা‘হ্মা-নির রা‘হীম। আল্লা-হুম্মা, ইন্না- নাস্তা‘য়ীনুকা, ওয়া নাস্তাগ্ফিরুকা, ওয়া নুস্নী ‘আলাইকা, ওয়া নাশ্কুরুকা ওয়ালা- নাক্ফুরুকা, ওয়া নাখলা‘উ ওয়া নাতরুকু মান ইয়াফজুরুকা। আল্লা-হুম্মা ইয়্ইয়াকা- না’বুদু, ওয়া লাকা নুস্বাল্লী ওয়া নাস্জুদু, ওয়া লাকা নাস্‘আ- ওয়া না‘হফিদু, নাখ্শা ‘আযা-বাকাল জিদ্দা, ওয়া নারজূ রা‘হমাতাকা, ইন্না ‘আযাবাকা বিল কাফিরীনা মুল‘িহক্ক।” আল্লা-হুম্মাগ্ফির লানা- ওয়ালিল মু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনা-তি, ওয়াল মুসলিমীনা ওয়াল মুসলিমা-তি, ওয়া আল্লিফ্ বাইনা ক্বুলূবিহিম, ওয়া আস্বলি‘হ যাতা বাইনিহিম, ওয়ানস্বুরহুম ‘আলা ‘আদুওয়িকা ওয়া ‘আদুওয়িহিম। আল্লা-হুম্মাল‘আন কাফারাতা আহলিল কিতাবিল্ লাযীনা ইয়াস্বুদ্দূনা ‘আন সাবীলিকা ওয়া ইউকায্যিবূনা রুসূলাকা ওয়া ইউক্কা-তিলূনা আওলিয়া-য়িকা। আল্লা-হুম্মা, খালিফ বাইনা কালিমাতিহিম, ওয়া যালযিল আক্ক্দামাহুম, ওয়া আনযিল বিহিম বা’সাকাল্ লাযী লা- তারুদ্দুহূ ‘আনিল ক্কাওমিয যালিমীন।

হে আল্লাহ, আমরা আপনার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি, আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, আপনার প্রশংসা ও গুণকীর্তন করছি। আমরা আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এবং আপনার প্রতি অকৃতজ্ঞতা-অবিশ্বাস প্রকাশ করি না। আমরা বিচ্ছিন্ন হই এবং পরিত্যাগ করি তাকে যে আপনার অবাধ্য হয়। হে আল্লাহ, আমরা কেবলমাত্র আপনারই ইবাদত করি, কেবলমাত্র আপনার জন্যই সালাত আদায় করি এবং সাজদা করি, শুধু আপনার দিকেই ধাবিত হই এবং আপনার আনুগত্যেই কর্ম করি। আমরা আপনার প্রকৃত শাস্তির ভয় করি এবং আপনার রহমত আশা করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফিরদেরকে স্পর্শ করবে।” হে আল্লাহ, ক্ষমা করুন আমাদেরকে, এবং মুমিন পুরুষদেরকে এবং মুমিন নারীদেরকে, এবং মুসলিম পুরুষদেরকে এবং মুসলিম নারীদেরকে, তাদের অন্তরের মধ্যে সম্প্রীতি প্রদান করুন, তাদের আভ্যন্তরীণ সম্পর্ক সুন্দর করে দিন, আপনার ও তাদের শত্র“দের উপর তাদের বিজয় প্রদান করুন। হে আল্লাহ, যে সকল আহল কিতাব আপনার পথ থেকে মানুষদেরকে বাধা দেয়, আপনার রাসূলগণকে অবিশ্বাস করে এবং আপনার ওলীগণের সাথে যুদ্ধ করে তাদের অভিশপ্ত করুন, তাদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করুন, তাদের পদসমূহ কম্পমান করুন, তাদের উপর আপনার শাস্তি নাযিল করুন, যে শাস্তি অপ্রতিরোধ্যভাবে পাপাচারী সম্প্রদায়কে পাকড়াও করে।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৫

প্রসিদ্ধ তাবিয়ী উবাইদ ইবনু উমাইর (৬৮ হি) বলেন, আমি উমার (রা) এর পিছনে ফজরের সালাত আদায় করলাম। তিনি রুকু থেকে উঠার পর-অন্য বর্ণনায়“ তিনি কুরআন পাঠ শেষে রুকুর আগে-নিম্নের কুনূত পাঠ করেন। হাদীসটির সনদ সহীহ।

(بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ) اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ (وَنَشْكُرُكَ) وَلاَ نَكْفُرُكَ، وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ اَللّٰهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّى وَنَسْجُدُ وَلَكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ نَخْشَى عَذَابَكَ الْجِدَّ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِيْنَ مُلْحِقٌ. اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ اَللّٰهُمَّ الْعَنْ كَفَرَةَ أَهْلِ الْكِتَابِ الَّذِيّنَ يَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِكَ وَيُكُذِّبُوْنَ رُسُلَكَ وَيُقَاتِلُوْنَ أَوْلِيَاءَكَ اَللّٰهُمَّ خَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمَ وَزَلْزِلْ أَقْدَامَهُمْ وَأَنْزِلْ بِهِمْ بَأْسَكَ الَّذِىْ لَا تَرُدُّهُ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِيْنَ

হে আল্লাহ, আমরা আপনার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি, আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, আপনার প্রশংসা ও গুণকীর্তন করছি। আমরা আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এবং আপনার প্রতি অকৃতজ্ঞতা-অবিশ্বাস প্রকাশ করি না। আমরা বিচ্ছিন্ন হই এবং পরিত্যাগ করি তাকে যে আপনার অবাধ্য হয়। হে আল্লাহ, আমরা কেবলমাত্র আপনারই ইবাদত করি, কেবলমাত্র আপনার জন্যই সালাত আদায় করি এবং সাজদা করি, শুধু আপনার দিকেই ধাবিত হই এবং আপনার আনুগত্যেই কর্ম করি। আমরা আপনার প্রকৃত শাস্তির ভয় করি এবং আপনার রহমত আশা করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফিরদেরকে স্পর্শ করবে।” হে আল্লাহ, ক্ষমা করুন আমাদেরকে, এবং মুমিন পুরুষদেরকে এবং মুমিন নারীদেরকে, এবং মুসলিম পুরুষদেরকে এবং মুসলিম নারীদেরকে, তাদের অন্তরের মধ্যে সম্প্রীতি প্রদান করুন, তাদের আভ্যন্তরীণ সম্পর্ক সুন্দর করে দিন, আপনার ও তাদের শত্র“দের উপর তাদের বিজয় প্রদান করুন। হে আল্লাহ, যে সকল আহল কিতাব আপনার পথ থেকে মানুষদেরকে বাধা দেয়, আপনার রাসূলগণকে অবিশ্বাস করে এবং আপনার ওলীগণের সাথে যুদ্ধ করে তাদের অভিশপ্ত করুন, তাদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি করুন, তাদের পদসমূহ কম্পমান করুন, তাদের উপর আপনার শাস্তি নাযিল করুন, যে শাস্তি অপ্রতিরোধ্যভাবে পাপাচারী সম্প্রদায়কে পাকড়াও করে।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৫

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৫

বিত্‌রের কুনুতের দো‘আ #৫

رَبِّ أَعِنِّيْ وَلاَ تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِيْ وَلا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَامْكُرْ لِيْ وَلا تَمْكُرْ عَلَيَّ وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدَى لِيْ (إِلَيَّ) وَانْصُرْنِيْ عَلَی مَنْ بَغَى عَلَيَّ رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيْبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِيْ وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ وَسَدِّدْ لِسَانِيْ وَاهْدِ قَلْبِيْ وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ قَلْبِيْ (صَدْرِيْ

হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে শক্তি-সহায়তা প্রদান করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সহায়তা প্রদান করবেন না। এবং আপনি আমাকে সাহায্য করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন না। এবং আপনি আমার জন্য কৌশল করুন, আর আমার বিরুদ্ধে কৌশল করবেন না। এবং আপনি আমাকে হেদায়াত করুন এবং আমার জন্য হেদায়াত সহজ করুন। আপনি আমাকে সাহায্য করুন যে আমার উপর অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে। হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে বানিয়ে দিন আপনার জন্য অধিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, আপনার অধিক যিকরকারী, আপনার প্রতি অধিক ভীতিসম্পন্ন, আপনার অধিক আনুগত্যকারী, আপনার প্রতি বিনয়ী এবং আপনার দিকে বেশি বেশি তাওবা কারী। হে আমার প্রতিপালক, আপনি কবুল করুন আমার তাওবা, ধুয়ে দিন আমার পাপ, কবুল করুন আমার দু‘আ, প্রতিষ্ঠিত করুন আমার প্রমাণ, পবিত্র-সুসংরক্ষিত করুন আমার জিহ্বা, সুপথে পরিচালিত করুন আমার অন্তর, বের করে দিন আমার অন্তরের সব হিংসা, বিদ্বেষ ও সংকীর্ণতা।

রেফারেন্স: [১]ইবন মাজাহ (৩৪-কিতাবুদ্দুআ,২-বাব দুআয়ি রসুলিল্লাহ) ২/১২৫৯ (ভা ২/২৭১);তিরমিযী(৪৯-কিতাবুদ দাওয়াত, ১০৩-বাবু দুআয়িন্নাবিয়্যি) ৫/৫১৭,নং ৩৫৫১ (ভা ১/২১২); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৭

আমরা একেক সময় একেকটি দুআ পাঠ করব। ইমাম আবু হানীফা (রহ) ও অন্যান্য সকল ইমাম এ সময়ে যে কোনো বিষয়ে দু‘আ চাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। তবে মাসনূন দু‘আ পাঠের চেষ্টা করতে হবে। কুনুতের এ চারটি মাসনূন দুআ ছাড়াও এ বইয়ে উল্লেখিত যে কোনো মাসনূন দুআ অথবা কুরআন ও হাদীসের যে কোনো দুআ আমরা মুখস্থ করে অর্থের দিকে লক্ষ্য রেখে ‘কুনূত’ হিসেবে পাঠ করতে পারি।

رَبِّ أَعِنِّيْ وَلاَ تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِيْ وَلا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَامْكُرْ لِيْ وَلا تَمْكُرْ عَلَيَّ وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدَى لِيْ (إِلَيَّ) وَانْصُرْنِيْ عَلَی مَنْ بَغَى عَلَيَّ رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيْبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِيْ وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ وَسَدِّدْ لِسَانِيْ وَاهْدِ قَلْبِيْ وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ قَلْبِيْ (صَدْرِيْ

হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে শক্তি-সহায়তা প্রদান করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সহায়তা প্রদান করবেন না। এবং আপনি আমাকে সাহায্য করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন না। এবং আপনি আমার জন্য কৌশল করুন, আর আমার বিরুদ্ধে কৌশল করবেন না। এবং আপনি আমাকে হেদায়াত করুন এবং আমার জন্য হেদায়াত সহজ করুন। আপনি আমাকে সাহায্য করুন যে আমার উপর অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে। হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে বানিয়ে দিন আপনার জন্য অধিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, আপনার অধিক যিকরকারী, আপনার প্রতি অধিক ভীতিসম্পন্ন, আপনার অধিক আনুগত্যকারী, আপনার প্রতি বিনয়ী এবং আপনার দিকে বেশি বেশি তাওবা কারী। হে আমার প্রতিপালক, আপনি কবুল করুন আমার তাওবা, ধুয়ে দিন আমার পাপ, কবুল করুন আমার দু‘আ, প্রতিষ্ঠিত করুন আমার প্রমাণ, পবিত্র-সুসংরক্ষিত করুন আমার জিহ্বা, সুপথে পরিচালিত করুন আমার অন্তর, বের করে দিন আমার অন্তরের সব হিংসা, বিদ্বেষ ও সংকীর্ণতা।

রেফারেন্স: [১]ইবন মাজাহ (৩৪-কিতাবুদ্দুআ,২-বাব দুআয়ি রসুলিল্লাহ) ২/১২৫৯ (ভা ২/২৭১);তিরমিযী(৪৯-কিতাবুদ দাওয়াত, ১০৩-বাবু দুআয়িন্নাবিয়্যি) ৫/৫১৭,নং ৩৫৫১ (ভা ১/২১২); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৮৭

ফন্ট সাইজ
15px
17px